Sunday, July 1, 2018

ফ্রান্সে একটা আইন আছে, “নেপোলিয়ান বোনাপার্ট নামে কোন শুকরেরও নাম রাখা নিষেধ”

রাশেদ আর নুরু সাধারণ ছাত্রদের প্রতিনিধি
নুরুর উপর আক্রমণ আর রাশেদকে গ্রেফতার করে আওয়ামী সরকার চোখে আঙ্গুল দিয়ে প্রমাণ করলো তারা সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে। সাধারণ জনগণকে পিষ্ট করে হলেও তাদের ক্ষমতা দরকার।
ফ্রান্সে একটা আইন আছে, “নেপোলিয়ান বোনাপার্ট নামে কোন শুকরেরও নাম রাখা নিষেধ” (http://www.sharebazarnews.com/archives/15872)।
আমি যদি নাও পারি, তবু ভবিষ্যত প্রজন্মকে বলে যাচ্ছি, বাংলাদেশেও বর্তমান সরকার প্রধানের নাম নিয়েও যেন এমন একটা আইন পাশ করা হয়।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

বিশ্ব রাজনীতিতে এখন যেটা চলতেছে, সেটা হলো- ‘উল্টা নীতি’। অর্থাৎ মুখে বলা হবে একটা, কিন্তু কাজে হবে অন্যটা।

মোটামুটি বিশ্বজুড়ে রাজনীতিতে এটাই এখন স্বীকৃত। যে মুখের কথা ও বাস্তব কাজের যত বেশি দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারবে, সে জনগণকে তত বেশি ধোকায় ফেলতে পারবে এবং সে তত বড় রাজনীতিবিদ।
সম্প্রতি দেখবেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছে, তার নাকি টাকা নাই। সে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তার ছেলেকে লেখাপড়া করাতে পারে নাই, কারো কাছে লোন চাইতে পারে নাই। হাবিজাবি।
শেখ হাসিনা যখন এ ধরনের কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে তিনি আন্তর্জাতিক বড় বড় রাজনীতিবিদদের ফলো করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে তিনি উল্টো কথা বলা শুরু করেছেন। ব্রিটেণে বিলিয়ন ডলার দিয়ে দ্বীপ ক্রয় করে এখন বাংলাদেশের মানুষকে শোনাচ্ছেন নূন আনতে তার পান্তা ফুরোয়।
আমি আগেই বলেছি, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই উল্টা অবস্থানটা খুব কমন একটি বিষয়। এবং যে যত বেশি এ ধরনের অবস্থা প্রকাশ করতে পারছে, সে তত রাজনীতিবিদ হতে পারছে।
যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে,
মুখে বলছে সন্ত্রাস দমন, কিন্তু নিজেরাই সন্ত্রাস করছে
মুখে বলছে ‘আপনার দেশে জনগণের ক্ষমতা দেখতে চাই’, কিন্তু চাইছে নিজ সমর্থিত সরকার,
মুখে বলছে শান্তিপ্রতিষ্ঠা, কিন্তু নিজেরাই অশান্তি সৃষ্টি করছে,
মুখে বলছে নারীকে অধিকার দিতে হবে, কিন্তু বাস্তবে নারীর অধিকার আরো হরণ করছে,
মুখে বলছে বাক স্বাধীনতা, কিন্তু বাস্তবে অপরের সকল স্বাধীনতা হরণ করছে,
এ ধরনের চরম পর্যায়ের বিপরীতমুখী নীতির কারণে্ই আমেরিকা এখন সুপার পাওয়ার। কারণ তারা মানুষকে সবচেয়ে বেশি ধোকা দিতে পারে|
বাংলাদেশে যতগুলো পশ্চিমা এনজিও আছে, তার সবগুলো প্রায় নিয়ন্ত্রিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় অংশের USGLC থেকে। ইউএসজিএলসি অর্থ U.S. Global Leadership Coalition।
লক্ষ্য করবেন, বাংলাদেশের যতগুলো পশ্চিমা এনজিও কাজ করছে, তারা সবাই মুখে বলছে- তারা বাংলাদেশের জনগণের উপকার করতে আসছে।
অথচ ঐ এনজিওগুলো যে ইউএসজিএলসি চালাচ্ছে, তারা কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা। তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকলে দেখবেন তারা বলছে, মার্কিন ক্ষমতা শক্তিশালী করতে বিশেষ পলিসি বাস্তবায়ন করা তাদের মূল উদ্দেশ্য। (http://www.usglc.org/about-us/)
আবার মানুষ হলো দুই ধরনের-
এক প্রকার হলো idealist বা আদর্শবাদী। এ ধরনের মানুষ সব কিছু আদর্শের চোখ দিয়ে দেখে। “মার্কিন এনজিও এসেছে তারা তো ভালো কাজ করতেই এসেছে”- idealist দের চিন্তা ভাবনাগুলো এধরনের। অধিকাংশ মানুষ এভাবেই চিন্তা করে। এ কারণেই অধিকাংশ মানুষকে ধোকা দেয়া সম্ভব।
আরেক শ্রেণী হলো realist বা বাস্তবমুখী। এরা বাস্তব ও পক্ষবিপক্ষ চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয়। এ ধরনের মানুষের সংখ্যা কম এবং তাদের দেখলে idealist রা বলে, “আপনারা সব কিছুর মধ্যে খারাপ খুজেন”।
সত্যি বলতে, এখন আমাদের একঝাক realist বা বাস্তবমুখী লোক দরকার যারা সব কিছু বাস্তবতার ভিত্তিকে চিন্তা করবে। আমার কভার ফটোটা দেখুন, একটা ইদুর ঝুলে আছে উল্টাভাবে। এই উল্টোভাবে ঝুলে থাকার একটা মিনিং আছে। উল্টোভাবে ঝুলে থাকার সুবিধাটা হলো, যারা উল্টাভাবে কথা বলছে, তাদের উল্টাটা সে সোজা করে দেখছে বা তার কাছে ধরা পড়ছে।
‘এনালিস্ট’ তৈরীর ক্লাসে এ ব্যাপারগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

যতদিন দেশ চালনা ক্ষমতা অশিক্ষিত-মূর্খ লোকের হাতে থাকবে, ততদিন দেশ উন্নতি করতে পারবে না।



একদিন একটা মসজিদের পাশ গিয়ে যাইতেছিলাম,
মসজিদের ভেতর উকি মেরে দেখি, মসজিদের ভেতর অনেক চেয়ার রাখা
আমি আগেও মসজিদের ভেতর দেখেছি, কিন্তু মসজিদের ভেতর কখন চেয়ার দেখি নাই
কিন্তু এখন এতগুলো চেয়ার দিয়ে মসজিদে কি করে ?

আমার পাশে থাকা এক মুসলিম বন্ধু বলে উঠলো, “মসজিদের ভেতর চেয়ারে দিয়ে মানুষ নামাজ পড়ে।”
আমি বললাম- “নামাজ পড়তে চেয়ারের দরকার হয়, আগে তো জানতাম না।”
তখন ঐ মুসলিম বন্ধু বললো. “অনেকে অসুস্থ থাকে, পায়ে সমস্যা, কোমরে সমস্যা। তারা চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে।

আমি তখন ঐ বন্ধুকে প্রশ্ন বললাম, আচ্ছা, “যে লোকগুলো চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে, তারা কি মসজিদে হুইল চেয়ার দিয়ে আসে ? নাকি হেটে হেটে আসে ?”
উত্তরে ঐ বন্ধু বললো- “তারা তো হেটে হেটে আসে।”
আমি তখন বললাম, “যে লোকটা এতদূর হেটে হেটে আসতে পারলো, তখন সমস্যা হলো না। কিন্তু মসজিদে ঢুকেই সমস্যা শুরু হলো, এটা কেমন কথা ?”
এত শত শত বছর তো চেয়ারের প্রয়োজন হয়নি, মুসল্লীও বেশি ছিলো।
কিন্তু এখন মুসল্লীও কমা শুরু করছে, আবার চেয়ারও বাড়ছে। তারমানে সমস্যাটা অন্যখানে।

কয়েকদিন আগে রোজার সময় অর্থমন্ত্রী বাজেট ঘোষণার সময় পানি খাওয়ার ঘটনা দেখলাম। অর্থমন্ত্রী ১ ঘন্টা যাবত বক্তৃতা দেয়ার সময় পানি খায়। তার দাবি, সে বৃদ্ধ হয়ে গেছে আর বক্তৃতাও লম্বা, তাই রোজা রাখতে পারছেন না। (https://bit.ly/2yMDwNH )
খুব ভালো কথা, একজন মানুষ অসুস্থ হতেই পারেন, পানিও খেতে পারেন। কিন্তু যিনি বয়সের ভারে অসুস্থ, তিনি কিভাবে পুরো জাতির ১ বছরের অর্থনীতির রূপরেখা তৈরীর দায়িত্ব নিতে পারেন ? তিনি কিভাবে পুরো জাতির অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারেন ? অনেক ছোট বাচ্চাকেও রোজা রাখতে দেখেছি। অর্থমন্ত্রীর যদি রোজা রাখার মত সামান্য শারীরিক সক্ষমতা না থাকে, তবে অথর্মন্ত্রীর মত এত বড় দায়িত্ব নেয়ার অধিকার তার অবশ্যই নেই। সে অর্থমন্ত্রী হওয়ার জন্যও অক্ষম। বিভিন্ন পদে চাকুরীতে নিয়োগ দেয়ার আগে মেডিকেল টেস্ট করায় শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করে, অর্থমন্ত্রী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শারীরিক যোগ্যতার সার্টিফিকেট কোথায় ?

ছোটবেলায় একটা কবিতা পড়েছিলাম। কবিতার নাম ছিলো ‘মজার দেশ’।
কবিতার শুরুটা ছিলো এরকম-
“এক যে ছিলো মজার দেশ, সব রকমে ভালো , রাত্তিরেতে বেজায় রোদ ,দিনে চাঁদের আলো ”।
বাংলাদেশের অবস্থা হয়েছে সেই মজার দেশের মত। এই দেশে একজন সরকারী কর্মকর্তা বা কর্মচারিকে সব যোগ্যতা থাকার পরও ৫৯ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক অবসর নিতে হয়, কিন্তু ৮৫ বছর বয়সেও শারীরিক ও মানসিক শক্তিছাড়াই মন্ত্রীত্ব করা যায়।

আমার অবাক লাগে যখন দেখি, এমপি পদে খেলোয়ার, গায়িকা, অভিনেতা, অভিনেত্রী রাখা হয়। এমপি অর্থ পার্লামেন্ট মেম্বার, যারা একটা দেশের জন্য আইন প্রনয়ন করবে। একজন গায়ক ভালো গাইতে পারে, অভিনেতা অভিনয় করতে পারে, কিন্তু আইন প্রণয়ন করবে কিভাবে সেটা আমার মাথায় আসে না।

আবার বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, মন্ত্রীসভার ৯০% হতে হবে এমপিদের থেকে।
তাহলে এসব কোয়ালিটিহীন আবুল-ছাবুল এমপিদের থেকে সিংহভাগ মন্ত্রী হবে, যারা আমাদের দেশকে চালাবে। তাহলে দেশ আলোর পথ দেখবে কিভাবে ?
আমরা সারা দিন পড়ছি, শিক্ষা আলোর পথ দেখায়, কিন্তু দেশ যারা চালাচ্ছে তাদের শিক্ষা কোথায় ?
বিবেচনা করলে আমরা তো পুরো জাতি নিয়ে অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছি।

এ দেশে:
ইংরেজী সাহিত্যে লেখাপড়া করে ১০ বছর অর্থমন্ত্রী থাকা যায়,
সার্টিফিকেটহীন মন্ত্রী হয়ে ১০ বছর শিক্ষামন্ত্রী হওয়া যায়, (https://bit.ly/2yQ7NLu)
মৃত্তিকা বিজ্ঞানে পড়ে বাণিজ্যমন্ত্রী হওয়া যায়।
পুরো একটা দেশ চালাতে যে টপ-এক্সপার্ট হওয়া দরকার সেটা যোগ্যতা তাদের কোথায় ?

কথায় বলে, মূর্খ বন্ধুর থেকে জ্ঞানী শত্রু নাকি ভালো।
এই কথার তত্ত্বকথা অনেক গভীরে। মূর্খকে হাজার ভালো বুঝালেও সে বুঝবে না, কারণ তার তো জ্ঞানই নেই। কিন্তু যার জ্ঞান আছে সে অবশ্যই ভালো-মন্দ বুঝতে সক্ষম।
আমরা দেশের ভালো চাই, ভালো হওয়ার জন্য অনেক উপদেশও দেই।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের দেশ যারা চালায় তারাই মূর্খ । একজন মূর্খকে তার ভালো আপনি বুঝাবেন কিভাবে ? তাকে ভালো উপদেশ দিলেও তো সে তা খারাপ মনে করবে। মূর্খ নিজেই নিজের ভালো বুঝে না।

যতদিন দেশ চালনা ক্ষমতা অশিক্ষিত-মূর্খ লোকের হাতে থাকবে,
ততদিন দেশ উন্নতি করতে পারবে না।
তাই দেশ যে দলের হাতেই থাক, অন্তত মন্ত্রী পরিষদে সংশ্লিষ্ট এক্সপার্টদের আনা উচিত।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই, কিন্তু শিক্ষা নেই না

দেশের গুম হত্যা আর জোরজবরদস্তিমূলক খবর-ভিডিও দেখে আর চিন্তিত হই না
আবার বাংলাদেশের জনগণ যখন এরদোয়ানের বিজয় দেখে উল্লাস করে, তা দেখেও হাসি চাপিয়ে রাখতে পারি না
কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই,
এন্টারটেইনড হই, হাসি-কান্না-উল্লাস-রাগ করি। শুধু মূল ঘটনার অনুসন্ধান করে শিক্ষা নেই না।
উসমানি সালতানাতের পতন হওয়ার পর কম কষ্ট করতে হয়নি তুর্কীদের। কামাল আতাতুর্ক পাশা এসে শতভাগ সেক্যুলারিজম জারি করে। ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ, শরীয়া কাউন্সিল বিলুপ্ত, শরীয়া আদালত অবৈধ ঘোষণা করে সকল কাজীকে বরখাস্ত, ধর্মীয় পোষাক নিষিদ্ধ করা (এমনকি ইমাম সাহেবদের ক্ষেত্রেও), হিজাব নিষিদ্ধ করা, হিজরী ক্যালেন্ডারের পরিবর্তে গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার প্রচলণ করা, আরবীর পরিবর্তে তুর্কী ভাষায় আজান চালু করা, শুক্রবারের পরিবর্তে শনি-রবিবার ছুটি দেয়া, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে সংবিধান বাদ দিয়ে সেক্যুলারিজম চালু করা, আলেমদের কার্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া, আরবী হরফের পরিবর্তে ল্যাটিন হরফ চালু করা। প্রায় ৮০-৯০ বছর সেক্যুলারিজম দিয়ে তুর্কীয়দের ওয়াশ করার পর বেহাল অবস্থা হয়ে যায় তুর্কিদের। ইখওয়ানী ভাবধারা দ্বারা উব্ধুদ্ধ এরদোয়ান যখন ক্ষমতায় আসে তখন সে মুখে দাড়ি রাখতে পারে না, সুদের বিরুদ্ধে বললে বলতে হয়: “জনগণ যদি চায়, তবে আমি সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো”। তবুও ধর্মের দোহাই দিয়ে বলতে পারে না। কারণ জনগণের মধ্যে সেক্যুলারিজম এত অধিক মাত্রায় বিদ্যমান যে, সরাসরি ধর্মের কথা বললে জনগণই রিয়্যাক্ট করে বসবে।
তবুও আশার কথা, এরদোয়ানরা প্রায় ১০০ বছরের কালো যুগ শেষ করতে পেরেছে। কিন্তু এর পেছনে কম কষ্ট তাদের করতে হয়নি। কম কাঠ-খড় তাদের পোড়াতে হয়নি। অনেক জীবন শেষ করতে হয়েছে। কয়েক প্রজন্ম ধরে মার খেয়ে শেখা, প্রজন্ম ধরে শিক্ষা অর্জন, অতঃপর কৌশল করে চেষ্টা। আজকে এরদোয়ান রাশিয়ার প্লেন ফেলে দেয়, আবার আমেরিকাকেও হুমকি দেয়। দেখতে ভালোই লাগে। সিআইএ সেনাবাহিনীকে দিয়ে ক্যু করালে জনগণকে দিয়ে সেই ক্যু প্রতিরোধ করে এরদোয়ান। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর বিপরীতে নিজস্ব শক্ত অবস্থান, অপরদিকে নিজের দেশে জনগণের আশা-আকাঙ্খা পুরণ, অর্থনৈতিক মুক্তি দেয়া। অর্থাৎ একটি মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের পৃথক অবস্থান তৈরী করা, যে সরাসরি আমেরিকাও মুখাপেক্ষী না আবার রাশিয়ারও মুখাপেক্ষী না।
লেখা শুরু করেছিলাম, বাংলাদেশে গুম-হত্যা নিয়ে। আজ থেকে বেশ কিছুদিন আগে ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা’ দেয়াল ছবি প্রকাশ হওয়ার পর আমি বলেছিলাম: খুব শিঘ্রই বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ-বাংলাদেশের সিআইএ নেটওয়ার্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে, কেউ গুম হবে, কেউ নিহত হবে। নির্বাচন যত কাছে আসবে, বিষয়টি তত প্রকট হবে। তখন হয়ত কেউ বিষয়টি বুঝেছিলেন, আবার কেউ বুঝেননি। (https://bit.ly/2yHSlRshttps://bit.ly/2tvmTBb)
বাংলাদেশে এখন যেটা চলছে, সেটাকে তুরষ্কের মাঝখানে সেই কুখ্যাত ৮০-৯০ বছরের সাথে তুলনা করা যায়, যখন দেশটির নেতারা চলতো আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের প্রভাবে। এরদোয়ান ও তার সহযোগীরাও একটা সময় বাংলাদেশের জনগণের মার খেতো। কিন্তু বহুদিন চেষ্টা করে তারা ইহুদীবাদীদের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নলেজ অর্জন করে, অতঃপর সেই অনুসারে তৈরী করে নিজস্ব পলিসি। এরপর সেই পলিসি নিয়ে কৌশলে ক্ষমতায় আসার পর ভোল পাল্টায়। তৈরী করে নিজস্বতা। পুরো জিনিসটি করার জন্য তাদের ছিলো ইহুদীবাদবিরোধী স্বতন্ত্র পলিসি। এবং বলাবাহুল্য তাদের সেই স্বতন্ত্র পলিসি তৈরী হয়েছিলো রাষ্ট্রীয় রাজনীতির উপর আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অবস্থান ধরতে পারার কারণে। আর এজন্য যে জ্ঞানটির প্রয়োজন তা বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণের নেটওয়ার্কের বাইরে। আমি গত কয়েকদিন ধরে এ ধরনের একটি স্ট্যাডি রেডি করছি, তা আপনাদের সামনে ক্লাস হিসেবে উপস্থাপন করবো বলে। আশাকরা যায়, সেই জ্ঞানটি সঠিকভাবে অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশের জনগণও একদিন তুরষ্কের মত মুক্তি পাবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

যেমন পর্দানশীন প্রধানমন্ত্রী, তেমন তার অনুসারী মন্ত্রী !


কয়েকদিন আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী শেরপুরের গরিবদের মাঝে বস্ত্র বিতরণকালে কাপড় নিতে আসা বোরকায় মুখ ঢাকা এক নারীকে দেখে বলেছে, “‘আপনারা খুব পর্দানশিন, আমরাও বেহায়া বেশরম না। আপনি মুখ ঢাকতে হলে বাড়িতে গিয়ে ঢাকবেন। পাবলিক প্লেসে এলে মুখ খোলা রাখতে হবে। শেখ হাসিনা যে ড্রেস পরেন, উনি তো মুখ ঢাকেন না। উনার কি পর্দা হয় না? (http://archive.is/oYiHd)
এ বক্তব্য অনুসারে, মতিয়া চৌধুরী পর্দার পথিকৃৎ হিসেবে মানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার দৃষ্টিতে শেষ হাসিনা যতটুকু ‘পর্দা’ করেন সেটাই যথেষ্ট।
কথায় বলে, যেমন গুরু, তেমন তার শিষ্য।
কয়েকদিন আগে্ একটা ভিডিও চোখে পড়লো। শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সাথে দেখা করতে গিয়ে গালে গাল লাগিয়ে চুমু খাচ্ছে। (https://youtu.be/50CB47oinxs)
এই হলো গুরুর পর্দা।
এবার আসি শিষ্যের কথায়। মতিয়া চৌধুরীর মত প্রত্যেক রাজনৈতিক দলে কিছু নারী থাকে, যাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক মিছিলে সামনে দেয়া হয় প্রতিপক্ষের পুরুষের সাথে ঠেলাঠেলি আর মারামারি করার জন্য। এতে সুবিধা, ঐ নারীটি পুরুষকে মারতে পারে, টানাটানি করতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষের পুরুষটি ভুলেও ঐ নারী কর্মীকে কিছু করতে পারে না, করলেই নারী নির্যাতন, নারী হেনস্তা ইত্যাদি হয়ে যায়। কোন রাজনৈতিক মিছিলের সময় সময় সৌভাগ্যক্রমে যদি মতিয়ার মত শরমযুক্ত নারীদের গায়ে হাত লেগেই যায় কিংবা তাদের কাপড় ছিড়ে যায় তবে সেটার ছবি তুলে মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া সম্ভব। বলাবাহুল্য মতিয়া চৌধুরীর ব্লাউজ ছিড়ে অন্তর্বাস দৃশ্যমান করে রাস্তায় শুয়ে থাকা একটি ছবি তার দলীয় নেতাকর্মীরাই গৌরবের সহিত প্রচার করে থাকে।
গুরু শেখ হাসিনা যেমন পরপুরুষকে জড়িয়ে ধরে গালে গাল লাগিয়ে চুমু খেতে পারে, ঠিক তেমনি তার শিষ্য মতিয়া চৌধুরী ছেড়া ব্লাউজে অন্তর্বাস দৃশ্যমান করে হাজারো মানুষের সামনে শুয়ে থাকতে পারে। এটা তাদের জন্য সমস্যা নয়, বেহায়া, বেশরমও নয়, এটা আমাদের মানতেই হবে। কিন্তু মুসলিম নারীরা তো আর শেখ হাসিনা-মতিয়া চৌধুরীকে অনুসরণ করে পর্দা করে না। তারা পর্দা করে তাদের ধর্মীয় মত-পথ মেনে।
মতিয়া চৌধুরীদের বলবো, নিজেদের শরমযুক্ত পর্দা (!) সামনে এনে মুসলিম নারীদের পর্দার পথিকৃত হওয়ার চেষ্টা দয়া করে করবেন না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

বোরকা আর মদের বিষয় নিয়ে যদি প্রতিবাদ করতে না পারেন, তবে ভবিষ্যতে কিছু নিয়েই কথা বলতে পারবেন না।


লতিফ সিদ্দিকী হজ্জের বিরুদ্ধে বলায় মুসলমানদের মধ্যে আলেম সমাজ ঝাপায় পড়েছিলো। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলো। যার ফলে পতন ঘটেছিলো লতিফ সিদ্দিকীর।
কিন্তু কয়েকদিন আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী মুসলমান নারীদের বোরকা নিয়ে চরম কটূক্তি করলো (http://archive.is/oYiHd), আর মদের পক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নিলর্জ্জ দালালি করলো। (https://goo.gl/GShqFZ)
কিন্তু তারপরও মুসলমানদের মধ্যে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো না, কোন ইসলামী দল এর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলো না।
এর কারণ কি ?
কারণ-
লতিফ সিদ্দিকীর সময় নির্বাচন ছিলো না, কিন্তু এখন সামনে নির্বাচন, তাই !
তারমানে সবাই নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত।
সবাই কি আওয়ামীলীগের সাথে কোয়ালিশন করতে চায় ?
এ কারণেই মুখে কুলুপ এটে রাখা ?
ইসলামী দলগুলোর যদি এত করুণ অবস্থা হয়, তবে বাংলাদেশের মুসলমানরা কার দিকে তাকিয়ে থাকবে ?
আমি ইসলামী দলগুলোর প্রতি আহবান জানাবো,
নির্বাচন আর ক্ষমতার কথা বাদ দিয়ে ধর্মের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিন। তাহলে আপনারা ধর্মীয় নেতা হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাবেন।
মতিয়া চৌধুরী আর ইঞ্জিনিয়ার মোশারফের মন্ত্রীত্ব বাতিল আর ফাঁসির দাবিতে রাস্তায় নামুন।
বোরকা আর মদের মত স্পষ্ট বিষয় নিয়ে যদি কথা না বলতে পারেন, প্রতিবাদ করতে না পারেন, তবে ভবিষ্যতে কিছু নিয়েই কথা বলতে পারবেন না।
সাথে এটাও মনে রাখবেন, এসব বিষয় নিয়ে যদি প্রতিবাদ না করেন, তবে ভবিষ্যত সচেতন মুসলিম প্রজন্মের কাছে আপনারা গ্রহণযোগ্যতা হারাবেন। আপনাদেরকে কেউ ইসলামী নেতা ভাববে না, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দালাল হিসেবেই ট্রিট করবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা।

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা। কোন একটি রোগ কোন জীবাণুর কারণে হচ্ছে সেটা জানা যেমন জরুরী, ঠিক তেমনি কোন একটি ঘটনা কার দ্বারা হচ্ছে সেটা বোঝায়ও তেমনি জরুরী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমরা বুঝতে পারি কাজটা খারাপ, কিন্তু পেছন থেকে কাজটা কে করছে, তার গোড়া সম্পর্কে জানি না। আর যতদিন আমরা মূল গোড়া অনুসন্ধান না করতে পারবো, ততদিন ঐ কুচক্রীরা আড়াল থেকে কাজ করেই যাবে। তাই একটা ঘটনা ঘটলে কারা কাজটি করছি সে সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান থাকা জরুরী। অনেকে আন্দাজে কথা বলে, বিভিন্ন সিস্টেম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বক্তব্য দেয়। একজন এনালিস্ট কখনই সেটা করতে পারে না। একজন এনালিস্টের কাছে আবেগের কোন মূল্য নেই, রেফারেন্স তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনেকে সামান্য কিছু জেনেই হয়ত কোন ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করা শুরু করে। একটা বিষয় আপনাকে বুঝতে হবে, ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে ৪ বছরের বিএসসি কোর্স করতে হয়, ডাক্তার হতে গেলে ৫ বছরের এমবিবিএস কোর্স করতে হয়, কত রাতদিন পড়ালেখা করে তারা গ্রাজুয়েট হয়। অথচ একজন রিয়েল এনালিস্ট আন্তর্জাতিক বড় বড় রাজনৈতিক দল বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কেন্দ্রীয় সেলে নলেজ পাওয়ার হিসেবে বসে থাকে। তাহলে এ বিষয়ে তাকে কত নলেজ-স্কিল, কত বছর ধরে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তীতে তার ভ্যালু কতটা হয়, সেটা চিন্তার বিষয়।
এনালিস্ট হতে গেলে ধৈর্য ধারণ করা জরুরী, স্ট্যাডি করা জরুরী। অধৈর্য হয়ে এনালিস্ট হওয়া যায় না। জ্ঞান অর্জনের পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আপনার সঠিক দিক নির্দেশনাই জানান দেবে আপনি একজন রিয়েল এনালিস্ট।
আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, মুসলমানদের সঠিক নলেজের অভাব প্রচুর। মুসলমানরা নিজে অবস্থান থেকে চিন্তা করতে পারে না। এটা একটা বিরাট সমস্যা। ইহুদী-খ্রিস্টান বা আমেরিকা-রাশিয়ান এনালিস্টরা একটা চিন্তার সফটওয়্যার তৈরী করে দেয়, আর মুসলমানরা সেই সফটওয়্যার দিয়ে চিন্তা করে।আমি চাই মুসলমানদের মধ্যে একটা রিয়েল এনালিস্ট টিম থাকবে, যারা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করে, তার ফলাফলটা নিরেটভাবে শুধু দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করবে।
ক্লাসের বিস্তারিত বিষয় রেডি করতে সময় লাগছে। আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি, আপনারাও নিন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------