Showing posts with label অশ্লিলতা. Show all posts
Showing posts with label অশ্লিলতা. Show all posts

Thursday, March 28, 2019

ব্রিটেনে স্কুলগুলোতে ৭+ বছরের বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে `পৃথিবীতে তুমি কোথা থেকে আসলে’


গতকালকে বিবিসি বাংলা’র একটা খবর ভাইরাল হইছে,
খবরের শিরোনাম: “স্কুলে যৌন শিক্ষা: বাংলাদেশে ‘জেনারেশন ব্রেকথ্রু’ প্রকল্পের ক্লাসরুমে যা পড়ানো হচ্ছে”

৩৫০টি স্কুল ও মাদ্রাসায় বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।  যেখানে স্কুলের বাচ্চাদের এমন সব বিষয় শিক্ষা দেয়া হচ্ছে, যা সাধারণভাবে আলোচনা করতে বাংলাদেশের মানুষ লজ্জা বোধ করতো।  দাবী করা হচ্ছে, “দুই বছর মেয়াদী এই কোর্সে, শিক্ষার্থীরা বয়ঃসন্ধিকালীন এসব অবশ্যম্ভাবী ইস্যুগুলো সম্পর্কে জানছে।  তারা শিখছে প্রজননস্বাস্থ্যের নানা দিক।  যৌনবাহিত এবং যৌনাঙ্গবাহিত রোগ সম্পর্কে অবহিত হচ্ছে। শিখছে এসব রোগ থেকে দূরে থাকার উপায়।....... বিদ্যালয়ের একটি বিশেষ শ্রেণীকক্ষে গত ৫ বছর ধরে এসব শিখছে বিদ্যালয়টি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা। বাংলাদেশ সরকারের 'জেনারেশন ব্রেকথ্রু' নামের একটি প্রকল্পের আওতায় এই শ্রেণীকক্ষটি তৈরি হয়েছে। কক্ষটির নাম দেয়া হয়েছে 'কিশোর কিশোরী কর্নার'। আর এখানে তারা পড়ছে 'জেমস' নামে একটি কোর্স যেটির পূর্ণরূপ দাঁড়ায় 'জেন্ডার ইকুয়িটি মুভমেন্ট ইন স্কুলস'। কোর্সটি অনেকটা পশ্চিমা দেশগুলোর বিদ্যালয়ে পড়ানো সেক্স এডুকেশন বা যৌন শিক্ষার আদলে সাজানো।..........” (https://bbc.in/2HIONCa)

এতক্ষণ তো বিবিসির খবর পড়লেন, এবার আসুন আমরা অন্য সোর্সগুলো থেকে স্কুলে যৌন শিক্ষা’র বিষয়টি যাচাই করে দেখি।

প্রথমে আমরা দেখবো, 'জেনারেশন ব্রেকথ্রু' নামক পাইলট প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করছে কে এবং কত টাকা ?
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট (https://bit.ly/2UWQtel)  বলছে, এই পাইলট প্রকল্পে ফান্ড দিয়েছে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল বা ইউএনএফপিএ।  টাকার পরিমাণ ২.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এখানে আমার প্রশ্ন,
--যৌন শিক্ষার বিষয়টি তো শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত ।  তাহলে এই ফান্ড তো দেয়ার কথা ছিলো জাতিসংঘের শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর।  আর যদি স্বাস্থ্য বিষয়ক দিক থেকে চিন্তা করি, তবে ফান্ড দেয়ার কথা ছিলো জাতিসংঘের অধীনস্থ ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-হু’ এর ।  কিন্তু টাকা ‘জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল’ দিবে কেন?

--তারমানে এই শিক্ষাটা কি জনসংখ্যা’র সাথে সম্পৃক্ত ? মানে এমন কোন শিক্ষা যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসে সহায়ক হবে ?
--কিন্তু জন্মনিয়ন্ত্রণ শিক্ষা তো বিবাহিত দম্পত্তিদের দেয়া হচ্ছে, কিন্তু স্কুলের বাচ্চাদের কেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি শিখতে হবে ?

বাংলাদেশে এই শিক্ষা দেয়ার সময় বলা হচ্ছে, বাচ্চাদের জড়তা কাটানো হচ্ছে, বাচ্চাদের স্বাস্থ্য বিষয়ক জ্ঞান, প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জ্ঞান, বয়ঃসন্ধি সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে।  কিন্তু আসলে এই শিক্ষার আড়লে কি উদ্দেশ্য আছে ?
যেহেতু বাংলাদেশে এই শিক্ষাটি পাইলট প্রকল্প করে নতুন করে আনতে চাওয়া হচ্ছে, তাই পুরো বিষয়টি নিয়ে লুকাছাপা করা হবে।  তাই যেসব দেশে এই শিক্ষা চালু আছে, তারা কেন এই শিক্ষা প্রণয়ন করতে চাইছে, সেটা আগে বোঝা দরকার।
তাদের ওয়েবসাইট ঘেটে আমি যেটা বুঝলাম, যারা মুখে যত সুন্দর কথাই বলুক, স্কুলে বাচ্চাদের ‘যৌনশিক্ষা’ দেয়ার মূল উদ্দেশ্য-
 “তুমি ভয় জয় করে সেক্স করো, সমস্যার (গর্ভধারণ, যৌনরোগ) সমাধান (জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি/সেভগার্ড) শিখিয়ে দিচ্ছি।”
(https://bit.ly/2CzpmQa)

যেহেতু কিশোরী মেয়েদের অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ আটকানো এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য, তাই ফান্ডও দিয়েছে জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক সংস্থা। 

স্কুলে যৌনশিক্ষা দেয়া বিষয়টি সারা বিশ্বজুড়ে একটি বিতর্কিত বিষয়।  অনেক দেশেই এর বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিবাদ হয়েছে।  গার্জিয়ানরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছে স্কুলে যৌন শিক্ষা বন্ধ করার জন্য।
ক) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে স্কুলে যৌন শিক্ষার বিরুদ্ধে গার্জিয়ানদের প্রতিবাদ - https://bit.ly/2TcfrsN
খ) কানাডার অনটারিওতে গার্জিয়ানদের প্রতিবাদ (https://bit.ly/2FCqe7J)

এই সব যৌন শিক্ষার বইয়ে কি থাকে ?
বাংলাদেশে যেহেতু বিষয়টি নতুন এসেছে, তাই এখনও হয়ত প্রকাশ্যে অনেক কিছু বলছে না। কিন্তু যেসব দেশের স্কুলে বেশ কিছুদিন ধরে এই শিক্ষাটি চালু আছে, আসুন দেখি তাদের বইয়ে কি দেয়া হচ্ছে-

---- ব্রিটেনের ৫-৭ বছরের বাচ্চাদের স্কুলে যৌন শিক্ষার নামে কি শিক্ষা দেয়া হচ্ছে, এই লিঙ্কে দেখুন- (https://bit.ly/2WshG97)
--- ব্রাজিলে বাচ্চাদের যৌন শিক্ষার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিজেই।  সে স্কুলে বাচ্চাদের বই নিয়ে দেখাচ্ছে বইগুলোর মধ্যে কি ধরনের জিনিস আছে - https://bit.ly/2FCqsM7

উল্লেখ্য পৃথিবীর ১০টি শীর্ষ ধর্ষণ সংগঠিত হয়, এমন রাষ্ট্রগুলো-
১) যুক্তরাষ্ট্র, ২) দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩) সুইডেন, ৪) ভারত, ৫) যুক্তরাজ্য, ৬) জার্মানি, ৭) ফ্রান্স, ৮) কানাডা, ৯) শ্রীলঙ্কা, ১০) ইথিওপিয়া (https://bit.ly/2HIJr9Y)

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, এই ১০টি দেশেই স্কুলে অনেক দিন ধরে যৌনশিক্ষা চালু আছে।  যদিও দাবী করা হয়, যৌন শিক্ষা চালু হলে ছেলে-মেয়েরা কাছাকাছি আসলে এই নির্যাতন কমবে, কিন্তু বাস্তবে এতদিন ধরে যৌন শিক্ষা চালু থাকলেও ঐসব দেশে যৌন নির্যাতন কমে নাই, বরং বেড়ে গেছে।
এখন কথা হলো, বাংলাদেশেও স্কুলে যৌনশিক্ষা চালু হলে, বাংলাদেশেও যে ঐ শীর্ষ ধর্ষণপ্রবণ রাষ্ট্রের তালিকায় অবস্থান নিবে না তার কি গ্যারান্টি ?

স্কুলে যৌন শিক্ষা চালু হলে কি সমস্যা হবে ?

ক) এতদিন যৌন বিষয়ক শিক্ষা পারিবারিকভাবে ও বিশ্বাসভাজন ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যেই হয়ে আসছিলো।  কিন্তু স্কুলে যখন এই যৌন শিক্ষা দেয়া শুরু হবে, তখন এই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন আসবে।  যেমন- ধরুন, ক্লাসে কোন পুরুষ শিক্ষক ছাত্রীদের যৌনশিক্ষা দিচ্ছে, স্বাভাবিকভাবে ছাত্রী-শিক্ষকের মধ্যে অনেক বিষয় বাধন উন্মুক্ত হবে।  এমত অবস্থায় ঐ পুরুষ শিক্ষকটি ঐ ছাত্রীদের উপর কোনভাবে সুযোগ নিবে কি না ? ঐ শিক্ষকটি আসলে কতটুকু বিশ্বস্ত ? ঐ শিক্ষকটি যে যৌনশিক্ষা দেয়ার নাম করে ছাত্রীটিকে নিপীড়ন করবে না, তার কি গ্যারান্টি ? দেখা যাবে, স্কুলগুলো এই শিক্ষা চালু হলে ছাত্রী নিপীড়ন সকল বাধন ভেঙ্গে উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

খ) একজন পুরুষ মহিলার মধ্যে কিভাবে বায়োলোজিকাল সম্পর্ক ঘটে - এই শিক্ষাটা দিতে কত সময়ের দরকার ? ৫ মিনিট, ১০ মিনিট ?
কিন্তু বছরের পর বছর যৌন শিক্ষার নামে কি শিক্ষা দেয়া হবে ? কি কি নতুন টপিকস আলোচনা হবে ? ব্রিটেনের যৌন শিক্ষা ক্লাসে ৫+ বছরের বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে- “অ্যানাল ইন্টারকোর্স, বাই সেক্সুয়াল, ক্লিটোরিস, অ্যানাস,ইরিকশন, হোমোসেক্সুয়াল, ইনসেস্ট, মাস্টারবেশন, অর্গাজম, ওরাল সেক্স, প্রসটিটিউট” এই আলোচনার প্রভাবে সব কিছু সহজ হয়ে গেলে কতদিনের মধ্যে তা প্ল্যাকটিক্যালে গড়াবে তা নিয়েও আলোচনা করার দরকার।

গ) যৌন শিক্ষার মধ্যে অন্যতম পাঠ্য হবে সমকামীতা বা গে/লেসবিয়ান/বাইসেক্সুয়াল শিক্ষা।  যে ছেলে বা মেয়েটি এখনও সেক্স কি বুঝে উঠে নাই তাকে যখন গে/লেসবিয়ান সম্পর্কে ধারণা দেয়া হবে, তখন দেখা যাবে যৌন ক্ষমতা প্রাপ্ত হওয়ার পর সে সঠিক যৌনতা ছেড়ে গে/লেসবিয়ান হয়ে গেছে।  গে/লেসবিয়ান হওয়া মানে একটি জাতিকে আনপ্রডাক্টটিভ করে দেয়া।

ঘ) যারা এই শিক্ষা দিচ্ছে, তাদের মূলে উদ্দেশ্য কিশোরীরা যেন গর্ভধারণ না করে কিংবা কেউ যেন যৌনরোগে আক্রান্ত না হয়।  খুব ভালো কথা। সেক্স করে তারপর কেন গর্ভধারণ বা যৌনরোগের কথা ভাবতে হবে ?
আমরা এমন শিক্ষা চালু করি, তোমরা ছোট বয়সে অবৈধ সেক্স করো না, তাহলেই তো গর্ভধারণও হয় না এবং যৌনরোগও হয় না। বর্তমানে আমরা সমাজে নৈতিকতা শিক্ষার মাধ্যমে কিন্তু সেটাই দিচ্ছি।  কিন্তু তারা নৈতিকতা শিক্ষার বাধন তুলে বাচ্চাদের সেক্সও করতে দিতে চাইছে, আবার গভর্ধারণ ও যৌনরোগ আটকাতে চাইছে, বিষয়টি কেমন হলো ?

বিবিসির রিপোর্ট আপনারা দেখেছেন,
“স্কুলে বাচ্চারা বলছে, আমাদের কাছে এইসব কথা বলা খুব সহজ হয়ে গেছে। আমরা ফ্রি এসব কথা বলতে পারছি, আমাদের বাধা আসছে না। ”
তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে, “আহ! দেশ বোধ হয় খুব এগিয়ে গেলো”।

আচ্ছা, এসব কথা নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা কি জরুরী কোন বিষয় ? এই আলোচনা করলেই কি দেশ এগিয়ে যাবে ?  বিভিন্ন পতিতালয়ে গিয়ে দেখুন, ছোট ছোট কিশোরী পতিতারা এইসব কথা প্রকাশ্যে লজ্জাহীন ভাবে বলছে। তাহলে পতিতালয় গুলো কি অন্য সব স্থান থেকে এগিয়ে নেই ?

দেশ, অর্থনীতি, জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়ে অনেক আলোচনার দরকার আছে,
দেশকে এগিয়ে নিতে এসব বিষয়ে আরো শেখা ও আলোচনার দরকার। এগুলো নিয়ে আমাদের স্কুলের বাচ্চাদের আমরা এখনও শেখাতে পারিনি ঠিক মত। এ অবস্থায় যদি বাচ্চাদের জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোচনা ফেলে সেক্স নিয়ে আলোচনায় বসিয়ে দেই, তবে তার প্রভাব কতদূর যাবে ? আপনি শিখিয়ে দেবেন থিউরী, ওরা নেমে যাবে প্ল্যাকটিক্যালে, তারপর কি হবে তা নিজেই ভেবে দেখুন।

একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন, পারিবারিক বাধন ও নৈতিকতার দিকে থেকে আমরা পশ্চিমাদের থেকে অনেক এগিয়ে আছি। আমাদের এই এগিয়ে থাকা তাদের জন্য হিংসের কারণ। পশ্চিমারা হচ্ছে লেজকাটা শেয়াল, তাদের না আছে পারিবারিক বাধন, না আছে নৈতিকতা। তারা নিজের লেজ কেটে ফেলেছে অনেক আগে এখন আমাদের লেজ কিভাবে কাটতে হবে, কাটলে কত উপকার হবে তার গুন বর্ণনা করছে। এবং কাটার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পয়সাও সরবরাহ করছে।  সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল নাহিদ কেন বিদেশীদের টাকা খেয়ে আমাদের আগামী প্রজন্মকে ধ্বংস করতে নেমেছে, সেজন্য তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো উচিত।

ছবি: ব্রিটেনে স্কুলগুলোতে ৭+ বছরের বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে `পৃথিবীতে তুমি কোথা থেকে আসলে’।

Tuesday, February 12, 2019

লজ্জা, লাজ, শরম, হায়া, শালীন


লজ্জা শব্দটা নিয়ে আমি মাঝে মাঝে গবেষণা করি। সভ্য সমাজের মানুষের লজ্জা আছে, তাই তারা কাপড় পড়ে। বন-জঙ্গলে অনেক জাতি বাস করে, ওদের জংলী বলে, তারা কাপড় পড়ে না। তাদের লজ্জা-শরম নেই !
প্রবাদ আছে, “ন্যাংটার নাই বাটপারের ভয়”। প্রবাদের মর্মার্থ, লজ্জাহীনের কাছে কোন সম্পদ নাই, তাই তার কাছে চিটার-বাটপার যায় না। অপরদিকে লজ্জাশীলের কাছেই সম্পদ, তাই তার কাছে চোর-বাটপার যায়।

লজ্জা সম্পর্কে একের ধর্মের দৃষ্টিভঙ্গী একেক রকম। হিন্দু ধর্মে লজ্জা শব্দটা নিয়ে একটা দেবী আছে। নাম- ‘লজ্জা গৌরী’, উইকিপিডিয়া মতে, “এই দেবীকে উর্বরতা ও প্রাচুর্যের দেবী রূপে বিশ্বাস করা হয় এবং তাঁকে লজ্জার অভিব্যক্তি হিসেবে বর্ণিত করা হয়েছে।” সমস্যা হলো উক্ত দেবীর মূর্তি দেখে আমার চোখ ছানাবড়া। হিন্দু ধর্মমতে লজ্জাদেবীর যদি এই অবস্থা হয়, তবে বাকিদের কি অবস্থা হবে ? (লজ্জা গৌরীর ছবি দেখতে-https://bit.ly/2RYQEbz, https://en.wikipedia.org/wiki/Lajja_Gauri)

ইসলাম ধর্মেও লজ্জা শব্দের ব্যাপক ব্যপ্তি আছে। ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, “লজ্জা হচ্ছে ঈমানের (ঈমান=বিশ্বাস) অঙ্গ, যার লজ্জা নাই তার ঈমান নাই।” এজন্য মধ্যযুগীয় সাহিত্যে হিন্দু নারী ও মুসলিম নারীর মধ্যে বাক্য চয়নে পার্থক্য দেখা যায়। মুসলিম নারীর ক্ষেত্রে সাহিত্যিক সব সময় লিখতো- সম্ভ্রান্ত মুসলিম মহিলা, হিন্দু নারীর ক্ষেত্রে সম্ভ্রান্ত শব্দখানার ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায় না। হিন্দুরা নারীরা যেখানে ব্লাউজ ছাড়া থাকতো, সেখানে মুসলিম নারীরা লম্বাহাতা ব্লাউজ পড়তো।

লজ্জা শব্দটা নিয়ে ঘাটতে ঘাটতে দেখলাম, বাংলাদেশের মুসলিম নারীদের সেই ‘লজ্জা’ শব্দটা ভাঙ্গতে একটা মহল বেশ সক্রিয়। তারা বার বার বিভিন্ন উপায়ে নারীদের আহবান করছে লজ্জা ভুলে যেতে। তাদের দৃষ্টিতে নারীর লজ্জা হচ্ছে সমাজের বাধন। তাই তারা সেই বাধনের গিটে গিটে বার বার আঘাত করছে। আসুন সেরকম কিছু আঘাতের দৃশ্য দেখি-

(১) সফটি স্যানিটারি ন্যাপকিন: কাদিয়ানী কোম্পানি আরএফএল’র সফটি স্যানিটারি ন্যাপকিন একটি বিজ্ঞাপন ছেড়েছে ফেসবুকে যার শ্লোগান-“পিরিয়ড অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। স্বাভাবিক বিষয় নিয়ে লজ্জা নয়।” বিজ্ঞাপনের ভেতর বলা হচ্ছে, সবাইকে আহবান করা হচ্ছে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলতে। এবং বলা হচ্ছে আপনার পিরিয়ড নিয়ে কথা বলা সমাজের মধ্যে বিষয়টিকে স্বাভাবিক করে তুলবে। তারা একটি হ্যাশট্যাগও ছাড়ছে #TalkPeriod

(https://bit.ly/2RuidV5)

(২) নারীদের অন্তর্বাস নিয়ে নাটক: নারীদের অন্তর্বাস নিয়ে আলোচনা স্বাভাবিক করার প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলো সাজু খাদেম নামক এক ভাড়। একটি ফানি রিয়েলিটিশোতে সে কয়েকজন মেয়েকে একত্র করে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, “মেয়েরা…. উপর যেটা পড়ে সেখানে বরিশালে কি বলে?, মেয়েরা উত্তর না দিতে পারলে সাজু বলে, “‘ব্রা’ বলে।” (https://youtu.be/lXw93DdRn8U),

অনুষ্ঠানে বিষয়টি সেন্সর করা হলেও পরবর্তীতে তা কাট করে ফেসবুকে ভাইরাল করা হয়। বর্তমানকালে বিষয়টি ফের তুলে নিয়ে এসেছে ন্যাটকার সিআইএ’র এজেন্ট মোস্তাফা সারোয়ার ফারুকীর সাগরেদ মাবরুর রশিদ বান্নাহ। সে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আইফ্লিক্স এ ব্রা-দার নামক নাটক করে নারীদের অন্তর্বাস নিয়ে আলোচনা সহজ করতে চায়। নাটকটির মধ্যে মেয়েদের অন্তর্বাসের সাইজ নিয়ে রঙ্গ করা হয়, যদিও সেটা প্রকাশ্যে করলে তা যৌন হয়রানী বা অপরাধ বলে গন্য করা হয়।
(https://youtu.be/wiBSOg-B6SU)

(৩) নারীদের শরীরের মাপ নিয়ে সবচেয়ে সহজ করে দিয়েছে সানাই নামক একটি মেয়ে। সে ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট করার পর সব মিডিয়া তাকে নিয়ে গণহারে নিউজ করে বিষয়টি লাইমলাইটে নিয়ে আসে। ফলে ‘নারীর বুকের সাইজ’ নিয়ে আলোচনা করা যেন এখন ডাল-ভাত।

(৪) নারীদের লজ্জা ভুলতে হবে, এই কথাটা কয়েকদিন আগে বেশ স্পষ্ট করেছে শাহনাজ আক্তার নামক এক নারী বাইক রাইডার। এই মহিলার কথিত বাইক চুরির ঘটনাকে পূজি করে প্রথমে তাকে ভাইরাল করা হয়। এরপর সে লাইমলাইটে আসার পর বিবিসি তাকে দিয়ে এক সাক্ষাৎকার বানায়। যেখানে শাহনাজ আক্তার নারীদের লজ্জা ভুলে যেতে বলে। (https://youtu.be/5cOtJHLWNEI)

জানি না, আপনাদের কাছে কোন ঘটনা বিচ্ছিন্ন মনে হচ্ছে কি না, কিন্তু আমি দেখছি, কোন ঘটনাই বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি গোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন অংশ থেকে একই শ্লোগান উঠছে, “হে বাংলাদেশের মুসলিম নারী, তুমি লজ্জা ভুলে যাও”।

আজকে যে বহিরাগত সমাজটি চাচ্ছে, বাংলাদেশে নারীদের লজ্জা উঠে যাক, হতে পারে তাদের দেশে নারীদের লজ্জা নেই। কিন্তু বাংলাদেশের নারীদের লজ্জা উঠে গেলে কি সমস্যা হতে পারে ? আজকে সবাই ফেসবুকে দেখেছেন, থ্রি-ডক্টরস একাডেমীর এক ডাক্তার তার নিলর্জ্জ স্ত্রী’র লজ্জাহীনতা সহ্য না করতে পেরে নিজে আত্মহত্যা করেছে। এখান থেকে একটি সূত্র পাওয়া যায়, বাংলাদেশের সমাজ কিন্তু নিলর্জ্জ নয়, কিন্তু সমাজের অংশ নারী যদি নিলর্জ্জ হয়, তবে পুরো সমাজ হুমকির মুখে পড়ে, তখন জীবন দিয়ে তাকে তার প্রতিদান দিতে হয়। তাই নারীর লজ্জাহীনতা আর সমাজের আত্মহত্যা একই কথা।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, July 24, 2018

‘বাংলাদেশে লিভ-টুগেদার বৈধ’ করতে ইহুদী এজেন্ট নাইমুলের টেস্ট কেস


গত কয়েকদিন আগে, হঠাৎ একটা খবর ছড়িয়ে পড়ে, যার শিরোনাম- 
“দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে মেয়ে বিয়ে ছাড়াও একসাথে থাকতে পারবে -সুপ্রিম কোর্ট”
খবরটি জুলাই ২১, ২০১৮, ১:০৩ পূর্বাহ্ণ সময়ে প্রকাশ করে দৈনিক আমাদের সময়ের অনলাইন পোর্টাল।
যদিও কয়েক ঘন্টা পর খবরটি সরিয়ে নেয় আমাদের সময়, এ জন্য ঐ লিঙ্কে ঢুকলে খবরটা পাবেন না (https://bit.ly/2mHFgi9)। কিন্তু তারপর যদি কেউ সেই লেখাটা পড়তে চান, তবে ওয়েবক্যাশে (https://bit.ly/2Lm30rf) লেখাটা পাবেন।

তবে খবরটা ‘আমাদের সময়’ সরিয়ে নিলেও কয়েকঘণ্টার মধ্যে তা কপি করে অসংখ্য নিউজ পোর্টালে ছড়িয়ে পড়েছে এবং ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে, “বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্টের রায়ে লিভ-টুগেদার বৈধ”।

খবরটি পড়লে বুঝতে পারবেন, খবরটির মধ্যে ঝামেলা আছে। প্রথমত, লিভ-টুগেদার নিয়ে আসলে কোন সরাসরি কোন রায় নেই। কোন একটি মামলা পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর বিতাড়িত প্রধান বিচারপতি সিআইএ এজেন্ট এসকে সিনহা কিছু বলেছিলো দাবি করা হচ্ছে, এবং হঠাৎ করে তা মিডিয়ায় নিয়ে আসা হলো এবং কিছুক্ষণ পর তা গায়েবও করে দেয়া হলো।

আমি একটা কথা প্রায় আপনাদের বলি,
কোন ঘটনা দেখলে আগে আপনার লাভ বা ক্ষতি খুজবেন না,
বরং দেখবেন ঘটনাটা কে ঘটালো এবং তার নিজের উদ্দেশ্য/লক্ষ্য কি ?

এই খবরটি মিডিয়ার সামনে আনলো দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন, যার সম্পাদক নাইমুলের স্ত্রী নাসিমা খান মন্টি। তসলিমা নাসরিনের সাবেক স্বামী নাইমুল ইসলাম খান একটা সময় বাংলাদেশ যেন ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয় তা নিয়ে প্রচুর লেখালেখি করে (লেখাটা আমার পেইজ থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিধায়, অন্য একটি ফেসবুক পেইজে পেলাম-https://goo.gl/BHg4eF)

যাই হোক কোন অপকীর্তি ঢাকতে সে আমাদের সময়ের সম্পাদকের পদ থেকে আড়াল হয়ে তার বর্তমান স্ত্রী নাসিমা খান মন্টিকে বসায়। এখন তার স্ত্রীর মাধ্যমে সেই দালালিপনা অব্যাহত রাখছে।

আমাদের সময়ে এ খবর হঠাৎ করে ছড়ানোর উদ্দেশ্য সম্ভবত ‘টেস্ট কেস’।
অর্থাৎ টেস্ট করে দেখা- পাবলিক প্রতিক্রিয়া কি ?’
যদি পাবলিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চুপ হয়, তবে হয়ত সরকারের কাছে পশ্চিমা এজেন্টরা আবদার জানাবে বাংলাদেশে লিভ-টুগেদার বৈধ করার জন্য একটা আইন জারি করতে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ভারতে সুপ্রীম কোর্টের মাধ্যম দিয়ে লিভ-টুগেদার বৈধ বলে স্বীকৃতি নিয়েছে পশ্চিমা এজেন্টরা। এখন বাংলাদেশেও করতে চাইছে। নির্বাচন যেহেতু সামনে, তাই মার্কিনপন্থীদের অনেক দাবী-দাওয়া পূরণ করবে শেখ হাসিনা। তাই সুযোগ বুঝে কোপ মারতে চেয়েছিলো পশ্চিমা দালালরা। তবে সেই কোপ মারার আগে একটা টেস্ট কেস করে চেখে নিলো, এই আরকি।

আসলে এরকম আরো অনেক টেস্ট কেস চলে, কিন্তু সাধারণ মানুষ বুঝে না।
যেমন গতকালকে একটা ছবি ছড়াইছে ফেসবুকে, একটা ছেলে-মেয়ে বৃষ্টিতে বসে টিএসসিতে পরষ্পর পরষ্পরকে চুমু খাচ্ছে (https://bit.ly/2NAwE8s )। এই ছবি নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। কিন্তু আমি বার বার বলছি, কোন ঘটনা দেখলে আগে খুজবেন কে ঘটনা ঘটাইলো এবং তার নিজের উদ্দেশ্য কি?

এই ছবিটা তুলছে পূর্বপশ্চিম বিডি’র এক ফটোগ্রাফার, নাম জীবন আহমেদ। পূর্ব পশ্চিম বিডি কিন্তু সেই পীর হাবিবুরের রহমানের পোর্টাল, যে এক সময় আমাদের সময়ের নাইমুলের সহযোগী ছিলো। পীর হাবিবুর রহমান বেশি সমালোচিত হয়েছে কিছুদিন আগে, ভারতের একটি নিউজের অনুবাদ করে শেখ হাসিনা, এসএসএফ ও বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে প্যাচ লাগিয়ে দেয়ার জন্য। এর জের ধরে তার পোর্টালের এক হিন্দু সাংবাদিককে বেশ কিছুদিন যাবত গুমও থাকতে হয়েছে। এক সময় ছাত্র ইউনিয়ন করা পীর হাবিবুর রহমান এ ঘটনায় মার্কিনপন্থীদের হয়ে কাজ করেছে, এটা স্পষ্ট।

যাই হোক, সেই পূর্বপশ্চিমবিডি’র জীবন আহমেদ সেই ‘কিস’ এর ছবিটা তুললো, যার ফেসবুক আইডি ঘাটলে বোঝা যায়, সে ঐ পশ্চিমাপন্থী নাস্তিক গ্রুপটার সাথে সম্পর্কিত (https://www.facebook.com/jibon.ahmed.4)। আসলে ২০১৫ সালে যখন যখন অভিজিত টিএসসিতে কোপানি খায় তখন এই ফটোগ্রাফার জীবন আহমেদ অভিজিত আর তার বউয়ের সাহায্যে এগিয়ে আসছিলো, সেই থেকে ওদের গ্রুপের নিয়মিত সদস্য। (https://bit.ly/2LALrCO)

যাই হোক, এবার বলি এ ছবির পেছনে কারণ কি ?
কারণ ঐ একটাই, মার্কিনপন্থী (নাস্তিকবেশধারী) ঐ গ্রুপটা চায় বাংলাদেশে প্রকাশ্যে নারী-পুরুষ কিস করুক এবং মানুষ সেটা অভ্যস্থ হোক। আপনাদের মনে থাকার কথা, কয়েক বছর আগে কথিত ভ্যালেন্টাইন ডে’র সময় সবাইকে প্রকাশ্যে কিস করার আহবান জানিয়ে ফেসবুক গ্রুপ খুলছিলো হনুমান আজাদের পোলা আর চিকনি শাম্মী (https://bit.ly/2OemjjJ)। কিন্তু পাবলিকের হুমকি খেয়ে কেউ আর সেইদিন ঐ সাহস পায়নি। কিন্তু এখন আবার নতুন করে পাবলিককে অভ্যস্থ করতে চাইছে বিষয়টিতে। তাই ভিন্ন ছুরতে তাদের গ্রুপের অন্য লোক দিয়ে ছবি তুলে প্রচার করছে, আর বেকুব বাংলাদেশীরা সেটা প্রচার করছে। মার্কিনপন্থীদের সাথে আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্ব এখন চরমে থাকায় এ ঘটনা আরো দূর গড়াতে পারে।

এ বিষয়গুলো যেন আপনারাও সহজে বুঝতে পারে, সেজন্য আমি একটা ‘অ্যানালিস্ট ক্লাস’ তৈরী করছি। আপনারা অপেক্ষা করুন, ‘সবুরে মেওয়া ফলে’।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, April 17, 2018

বৈশাখী মেলায় অশ্লীল নৃত্য আর জুয়া : মেলার প্যান্ডেলে আগুন দিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন


বৈশাখী মেলায় গ্রাম-গঞ্চে শুরু হয়েছে নগ্ন নৃত্য, জুয়া খেলা আর অশ্লীল যাত্রাপালা। কথিত দেশী সংস্কৃতির অজুহাত দিয়ে অবাধে একটি গোষ্ঠী এসব করে উঠতি বয়সে ছেলেপেলের থেকে টাকা কামাচ্ছে, বিনিময়ে ধ্বংস করছে সমাজের নৈতিকতা।
গত কয়েকদিন ধরে গাজীপুরের শ্রীপুরে বৈশাখী মেলায় অশ্লীলতা আর জুয়ার আসর চালাচ্ছিলো একটি গোষ্ঠী। এটা দেখে স্থানীয় জনগণ প্রতিবাদমূখর হয়ে উঠলে শ্রীপুর পুলিশ আর প্রশাসন মেলা বন্ধ করে মেলার প্যান্ডেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
(সূত্র: https://bit.ly/2IYSP61)


এদিকে, লক্ষীপুর জেলার সদরেও বৈশাখের নামে নগ্ন নৃত্য আর জুয়ার আসর শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে:
“মেলায় জাদু, পুতুল খেলার নামে টিকিট বিক্রি করে দর্শকদেরকে উপভোগ করানো হচ্ছে অশ্লীল নৃত্য। এ নৃত্য প্রদর্শন করছে যুবতি মেয়েরা। হিন্দি সিনেমার নায়িকাদেরকে হার মানিয়ে খোলামেলা দৃশ্যে নৃত্য প্রদর্শণ করা হচ্ছে এ মঞ্চে। তরুণ, যুবক ও মধ্য বয়সীরা এ নৃত্য উপভোগ করতে গিয়েও অনেক সময় হট্টগোল করছে।..... প্রতক্ষ্যদর্শী বলেছে রাজনীতিক নেতারা ও চেয়ারম্যানের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের মেলার আয়োজন সম্ভব নয় । (https://bit.ly/2IVYklS)
শুধু গাজীপুর বা লক্ষীপুর নয় –গত বছরের অনেকের ফেসবুক আইডি থেকে পাওয়া তথ্য মতে:
বরগুনা (https://bit.ly/2qCHild), ময়মনসিংহ (https://bit.ly/2HDjjKW), এবং নাটোরেও (https://bit.ly/2qCyaxg) বৈশাখী মেলায় অশ্লীল নৃত্য আর জুয়ার আসর বসছে।
এদিকে, লক্ষীপুরের রামগঞ্জে এ ধরনের একটি বৈশাখী মেলা বন্ধ করায় মসজিদের ইমাম হাফেজ জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪ ডট কম (https://goo.gl/729gPV)। পোর্টালটির দাবি করে, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা দিয়ে কান্নাকাটি করে নাকি মসজিদের ইমাম সাহেব মেলাটি বন্ধ করেছে। জাগো নিউজের সাংবাদিক মেলা বন্ধ করায় ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় আওয়ামী নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে। (https://bit.ly/2IYUloJ)


অথচ লক্ষীপুরের রামগঞ্জে বৈশাখী মেলাকে ঘিরে যে অশ্লীল নৃত্য আর জুয়ার আসর বসে সেটা গত বছরের অনেকের ফেসবুক আইডি থেকে পাওয়া যায়:
আমার মনে হয়, অনলাইনে সবার উচিত হবে জাগোনিউজ২৪ এই প্রতিবেদনের (https://goo.gl/729gPV) বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করা। এবং প্রত্যেক এলাকায় অশ্লীলতা বিস্তার করা এসব বৈশাখী মেলা বন্ধ করে দেয়া এবং গাজীপুর প্রশাসনের অনুকরণে প্যান্ডেলগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 8, 2018

বাংলাদেশে যে সমাজ ব্যবস্থা টিকে আছে সেটা তারা ভেঙ্গে দিতে সরকার প্র্রধানকে দিয়ে ইহুদীসংঘের পলিসি গ্রহণ করেছে

ছোটবেলায় যে স্কুলে পড়তাম, সেখানে ছেলে-মেয়ে আলাদা শিফটে ছিলো। মেয়েরা সকালে, ছেলেরা দুপুরে। যে স্কুলগুলোতে ছেলে-মেয়ে একসাথে (কম্বাইন্ড) পড়তো, সেগুলোকে সবাই ভালো বলতো না। বলতো- ছেলে-মেয়েরা নাকি কম্বাইন্ড পড়লে নষ্ট হয়ে যায়।
মাঝে মাঝে কম্বাইন্ড স্কুলে পড়া কিছু বন্ধু-বান্ধবের সাথে কথা হতো, দেখতাম খুব পাকা। মেয়েদের সম্পর্কে ছোট বেলায় এমন কথা বলতো, আমরা লজ্জা পেতাম। এক বন্ধু ছিলো, ঢাকার ‘ডব্লিউ’ আদ্যক্ষরের নামের এক স্কুলের ছাত্র। কম্বাইন্ড পড়তো। বলতো ওদের স্কুলের উপরের তলায় নাকি বড় বড় রুম আছে। সেই তলায় ক্লাস হয় না, স্যাররাও যায় না। সেখানে ছেলেরা মেয়েরা পছন্দমত যা খুশি তাই করে। আমি বলতাম-“অন্যরা দেখে ফেলে না ?” সে বলতো- “সমস্যা কি, সবাই করতেছে। যে যার মত করতেছে, কেউ কারো দিকে তাকায় না, যে যার মত ব্যস্ত।” আমার কাছে ওর কথাগুলো স্বপ্নের মত শোনাতো, কিন্তু সত্য-মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ পেতাম না।
কলেজ লাইফটা কম্বাইন্ড ছিলো। কিন্তু শিক্ষকরা ছিলো খুব কড়া। ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক উল্টা পাল্টা করতো, কিন্তু সব কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে, ভেতরে করার সাহস কারো ছিলো না।
ভার্সিটি লাইফটা ছিলো অনেক স্বাধীন। ছেলে-মেয়ে এক সাথে। কিন্তু তারপরও একটা অনুশাসন কাজ করতো। অনেক ছেলে-মেয়ে প্রেম করতো, কিন্তু ডিপার্টমেন্টের ভেতর কাউকে কিছু করতে দেখিনি। দারোয়ান আমাদের ডিপার্টমেন্টের গেট খুলতো সকাল বেলা। তারও এক-দুই ঘণ্টা পর ক্লাস শুরু। বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্র ক্লাস শুরুর ১৫ মিনিট আগে আসতো। কিন্তু যেগুলো ‘ইয়ে’ করতো, তারা ডিপার্টমেন্ট খোলার সাথে সাথে, মানে সকাল সকাল আসতো। কারণ পুরো ডিপার্টমেন্ট তখন ফাঁকা, কেউ নাই। শুনেছিলাম, একদিন সকাল বেলায় এ রকম এক জোড়া নাকি ‘বিশেষ অবস্থায়’ কট খাইছিলো, কেউ ছিলো না, সেই সুযোগটা তারা নিছিলো।
যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসি। গত কয়েকদিন আগে একটা খবরে দেখলাম- সরকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার নাম- “কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রকল্প”। সরকার সারা দেশে ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে কিশোর-কিশোরীদের জন্য প্রায় ৫ হাজার ক্লাব স্থাপন করে দেবে। দাবি করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে নাকি কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে লিঙ্গ বৈষম্য দূর হবে। কিশোর-কিশোরীরা নাকি সেখানে পরষ্পরের বয়ঃসন্ধির পরিবর্তনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। সরকারীভাবে সেসব ক্লাবে কিশোর-কিশোরীদের জন্য নাস্তাও সরবরাহ করা হবে। পুরো প্রকল্পের খরচ প্রায় সাড়ে পাচঁশ’ কোটি টাকার মত। (https://bit.ly/2JrvvPy, https://bit.ly/2GF8evL)
সম্ভবত, শেখ হাসিনা ইহুদীসংঘের ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ নামক ১৭টি বিষয়ে সই করে এসেছে। এর মধ্যে ৫ম চূক্তিটি ছিলো সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে হবে, যার একটি কার্যক্রম হচ্ছে এই কিশোর-কিশোরী ক্লাব। (https://bit.ly/2Ju5ora)
একটু খেয়াল করে দেখুন সিস্টেমটা-
১) প্রথমে ছাত্র-ছাত্রী আলাদা ক্লাস, যেখানে তারা পরষ্পরের সাথে মেলামেশার সুযোগ পাচ্ছে না।
২) এরপর পরষ্পরের সাথে মেশার সুযোগ করে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রী এক করে কম্বাইন্ড ক্লাস শুরু। সেখানে ছাত্র-ছাত্র অনেক কিছু করছে, কিন্তু শিক্ষকদের চোখের আড়ালে, সামনে করতে পারছে না।
৩) এবার যেটা করা হলো, স্কুল থেকে বাইরে, শিক্ষক গার্জিয়ান সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে আলাদা ক্লাব খুলে দেয়া হলো, যেখানে তারা নিজেরাই রাজা। এমনকি তাদের সুবিধার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করে দেয়া হচ্ছে। আমি হলফ করে বলতে পারি, প্রথম প্রথম ঐসব ক্লাবে ফ্রি নাস্তা বিলি হবে, কিন্তু কয়েকদিন পর সেই ক্লাবে ফ্রি কনডম বিলি করা হবে। কারণ তখন সেটাই জরুরী হয়ে দাড়াবে।
সত্যিই বলতে, ইহুদীরা চায় সকল সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে যাক, তাহলে তাদের রাজত্ব দীর্ঘায়িত হবে। আপনি দেখুন, পশ্চিমে কিন্তু সমাজ ব্যবস্থা নেই, আমাদের সমাজ ব্যবস্থা তাদের কাছে হিংসার কারণ।
বাংলাদেশে যে সমাজ ব্যবস্থা টিকে আছে সেটা তারা ভেঙ্গে দিতে সরকার প্র্রধানকে দিয়ে ইহুদীসংঘের মাধ্যম দিয়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার নামক চুক্তি সই করেছে। ইহুদীসংঘের দেখিয়ে দেয়া পথে হেটে বাংলাদেশ সরকার তাদের পলিসিগুলো বাস্তবায়ন করছে, এতে হয়ত তাদের বিদেশী ঋণ ও নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সুবিধা হবে, কিন্তু দেশের মানুষের পারিবারিক বন্ধন ভেঙ্গে গেলে তাদের কি ? মুখে বলছে লিঙ্গ বৈষম্য দূর, কিন্তু বাস্তবতা মূল্যবোধ সমৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়া ছাড়া কিছু নয়।
একটু চিন্তা করে দেখুন, আমাদের প্রত্যেকের মা-বাবা স্কুল লাইফে ছাত্র-ছাত্রী আলাদা ক্লাস করেছে। এই বাবা-মায়েদের সংসারই কিন্তু এখন আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। কিন্তু স্কুল লাইফে যারা কম্বাইন্ড পড়েছে তাদের দিয়ে যখন সংসার হবে (বা হচ্ছে), সেই নতুন সমাজ ব্যবস্থা কেমন হবে ? পরকীয়া, খুন, ডিভোর্স, গর্ভপাত, বৃদ্ধাশ্রমযুক্ত সে সমাজ ব্যবস্থা নিয়ে এখনই কিন্তু আমরা চিন্তিত।
কিন্তু যেসব ছেলে মেয়েদের জন্য স্কুল লাইফে ক্লাব খুলে দেয়া হচ্ছে, তারা যখন বড় হবে, তখন তাদের দিয়ে যে সমাজ ব্যবস্থা হবে সেটা কেমন হবে, একবার ভেবে দেখেছেন ? আদৌ কি তখন সমাজে বাবা-মা-ভাই-বোন-দাদা-দাদী –নানীর সম্পর্ক থাকবে ? নাকি সবাই হবে বাধন হারা, মা সন্তান জন্ম দিবে, কিন্তু বাবা কোন বয় ফ্রেন্ড তার জন্য ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। সন্তান বাবা-মায়ের কাছে লালিত-পালিত হবে না, সরকারের কাছে লালিত পালিত হবে। বাবার নামই যখন অরাধ্য তখন দাদার নাম হবে স্বপ্নের বিষয়। পশুর জীবন আর মানুষের জীবনের মধ্যে তখন তফাৎ থাকবে না।
সত্যি করে বলুন তো, আপনি কি সেরকম সমাজ ব্যবস্থা চান ? যদি নাই চান, তবে এই যে কৌশল করে ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব খুলে’ ‘বৈষম্য দূর করা’র নাম দিয়ে সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে কি একবারও প্রতিবাদ করেছেন ? নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Friday, April 6, 2018

অমঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে চারুকলার পোস্টারে ৪টি নারী জননাঙ্গের ছবি !!!


অমঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে চারুকলার পোস্টারে লালনের গান আর ছবি দেখে আমার ক্রিপ্টোগ্রাফীর কথা মনে পড়লো। ক্রিপ্টোগ্রাফী হচ্ছে "সাঙ্কেতিক উপায়ে তথ্য আদান বা প্রদানের ব্যাবস্থা"। এটা করা হয় এজন্য যে, ৩য় কোন ব্যাক্তি দুজন ব্যাক্তির সঞ্চালিত তথ্য ধরে ফেললেও যেন তথ্যের মর্মদ্ধার না করতে পারে। অর্থাৎ যে তথ্য পাঠাবে এবং এবং যে তথ্য পাবে তাদের একটা আলাদা ডিকশেনারী থাকবে। সেটা অন্যরা জানবে না, ফলে মাঝ দিয়ে তথ্য ফাঁস হলেও বোঝার উপায় নেই আসলে সে কি বলতে চেয়েছে। কিন্তু যার কাছে তাদের ডিকশেনারী থাকবে সেই কেবল ধরতে পারবে। যেমন ধরুন- পোস্টারে ব্যবহৃত লালনের কথা “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি” হচ্ছে এক ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফী। যে বাউল বলছে এবং যে শীষ্যের উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে, তারা উভয়ই বিষয়টি বুঝতে পারছে, কারণ তারা উভয়ই বাউল ডিকশেনারীর সম্পর্কে জানে। কিন্তু সাধারণ মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারছে না, এবং যে যার মত ব্যাখ্যা করছে। কিন্তু বাউল ডিকশেনারী (ড. আবদুল করিম মিঞা রচিত ‘বাউল-লালন পরিভাষাhttps://bit.ly/2GqhfbH))ঘেটে দেখা যাচ্ছে, বাউলদের বানানো এই ক্রিপ্টোগ্রাফীর মধ্যে অশ্লীল এবং কুরুচিপূর্ণ যৌনতার ইঙ্গিত আছে।

চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার সেই পোস্টারে লালনের শ্লোগানের নিচে চারটি পাখির ছবি এঁকেছে চারুকলার শিল্পী তরুণ ঘোষ। খুব ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখা যায়, চারটি পাখির মাঝখানে ৪টি নারী জননাঙ্গের ছবি দেখা যায়্। লালনের গান- “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি”-এর অর্থও কিন্তু সেটা। অর্থাৎ একজন পুরুষ বাউলকে আহবান করা হচ্ছে নারীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে বাউল সাধণা বা বীর্য ধরে রাখার কৌশল রপ্ত করার জন্য। ছবির সাথে শ্লোগান হুবুহু মিলে যায়।

উল্লেখ্য, হিন্দু ও বাউল শ্রেণীর মধ্যে নারী জননাঙ্গ পূজার করার রীতি বেশ পুরাতন।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, April 5, 2018

বর্তমানে পুরুষকে নানভাবে (অশ্লীল মুভি, পর্নোগ্রাফী) যৌন উন্মাদ বানিয়ে দেয়া হচ্ছে, এর ফলে ধর্ষিত হচ্ছে ৫ বছরের শিশু কিংবা হিজাব পরিহিতা নারী



“ধর্ষণের জন্য যদি পোষাকই দায়ী হতো, ৫ বছরের শিশু আর হিজাব পরিহিতা নারী কেন ধর্ষিত হলো?”
এর উত্তর আমি আগেই দিয়েছি, বলেছি- বর্তমানে পুরুষকে নানভাবে (অশ্লীল মুভি, পর্নোগ্রাফী) যৌন উন্মাদ বানিয়ে দেয়া হচ্ছে, আর সেই যৌন উন্মাদনার কারণেই সে সবকিছুকে সেক্স অবজেক্ট ভাবা শুরু করেছে, এবং যেখানে-সেখানে তার উন্মাদনা প্রশমনের চেষ্টা চালাচ্ছে। এবং সে কারণেই ধর্ষিত হচ্ছে ৫ বছরের শিশু কিংবা হিজাব পরিহিতা নারী।
ভারতীয় এই মুভির নাম ‘মাত্রুভূমি’। মুভিতে একটি দৃশ্যে দেখতে পাচ্ছেন, গ্রামের পুরুষরা সবাই টাকা দিয়ে এক রুমের ভেতর পর্নোগ্রাফী দেখছে। পর্নোগ্রাফি দেখার এক পর্যায়ে একটি ছেলের মাথায় আগুন উঠে যায়। কি করবে, বুঝে উঠতে পারছে না। সে যৌনউন্মাদ হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে একটি গোয়াল ঘরের দিকে ছুটে যায়। চতুর্দিকে তাকিয়ে আটকে দেয় গোয়াল ঘরের দরজা। উন্মাদনা প্রশমন করতে একটি গরুকে ধর্ষণ করতে থাকে, নির্যাতিত গরুটি ব্যাথায় হাম্বা হাম্বা ডাক দিতে থাকে।
হিন্দু ধর্মে গরু নিঃসন্দেহে একটি পবিত্র জিনিস। কিন্তু পর্নোগ্রাফী দর্শণের পর অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে গরুকেও ছাড়তে চাইছে না তারা। এ বিষয়টিকেই বলা হচ্ছে যৌন উন্মাদনা। এবং এই যৌন উন্মাদনার কারণেই বর্তমানে সমাজে নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে।
পুরো মুভিটি দেখতে: https://youtu.be/tH-VAhrABFU

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

একাত্তর টিভির টকশোতে সিনেমায় ধর্ষণ দৃশ্য বন্ধ করতে বলেনি, বলেছে পুরুষকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে


আমি আগেই বলেছি, ইহুদীবাদীরা বাংলাদেশে যতগুলো থিউরী প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তার মধ্যে অন্যতম: “ধর্ষণের জন্য পোষাক দায়ী নয়।” এ থিউরী বাস্তবায়নের তাদের অন্যতম উদ্যোগ ছিলো মোশারফ করিমের সেই টকশো। মোশারফ করিমের অনুষ্ঠানে সেই বিশেষ থিউরী পুরোপুরি ডেস্ট্রয় হয়ে যায় আমার দেয়া ‘যৌন উন্মাদ’ থিউরীর কাছে। এবার আমি অপেক্ষা করছিলাম, আমার যৌন উন্মাদ থিউরী খণ্ডানোর জন্য ইহুদীবাদীরা নতুন কোন থিউরী আনে। যাক এবার সেটা পাওয়া গেলো একাত্তর টিভির টকশোতে ‘পূর্নিমা-মিশা’র সেই অনুষ্ঠানকে নিয়ে করা টকশোতে।

আমি আগেও বলেছি আবারও বলছি, মিশা-পূর্নিমার টকশোটি ছিলো পুরো কন্ট্রোভার্সিয়াল। তাদের আলোচনার মধ্যে ধর্ষণের বিষয়টি আনা অবশ্যই এমনি এমনি ছিলো না। পেছনে অবশ্যই কয়েকটি উদ্দেশ্য ছিলো। এর মধ্যে একটি মিশা সওদাগরের সাথে কারো ব্যক্তিগত রেশারেশি থাকতে পারে। তবে আরেকটি উদ্দেশ্য ছিলো সম্ভবত ‘মিডিয়াতে এসব দেখে মানুষ যৌনউন্মাদ হয় কি না?” মানে আমি ‘যৌন উন্মাদ’ নামক যে থিউরীটা দিয়েছিলাম, সেটা খণ্ডন করা। তারা যেটা করেছে একটি বিষয়কে নেগেটিভ ভাবে নিয়ে এসে পজিটিভভাবে বর্ণনা করে ডিজলভ করে দেয়া।

একাত্তর টিভির পুরোটা টকশো যদি আপনি শুনেন, তবে দেখবেন, তারা কেউ বলেনি- সমাজে ধর্ষন বন্ধে বাংলা সিনেমায় ধর্ষণের দৃশ্য বা অশ্লীল দৃশ্য নিষিদ্ধ করতে হবে। বরং একাত্তরের উপস্থাপিকা মিথিলা ফারজানা বেশ আক্ষেপ করেই বলেছে, “বাংলা সিনেমায় রোমান্স নেই” । আন্তর্জাতিক ভাবে রোম্যান্স বলতে বোঝায়, মুভির নায়ক-নায়িকার মধ্যে বিশেষ দৃশ্য, যা সফট পর্নোগ্রাফী বা ২এক্স রেটের মধ্যে পরে। তারমানে মুভিতে অশ্লীল দৃশ্য বন্ধ হোক এটা খোদ একাত্তর টিভি চায় না।

আমি যে অংশটুকু কেটে দিয়েছি, তা ভালোভাবে শুনলে বুঝবেন, একাত্তর টিভি গং বুঝাতে চাইছে, মুভিতে ধর্ষণ দৃশ্য বা অশ্লীল দৃশ্য হলেই সেটার প্রভাব সমাজে পড়বে না, এবং সে ধারণা করাটা অনুমান নির্ভর। বরং সমাজে তার প্রভাব নির্ভর করবে পুরুষের মানসিকতার উপর। এবং একজন পুরুষ নিজেকে কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারলো সেটার উপর। বিষয়টি নিয়ে কথা উঠতেই একজন শিক্ষক আলোচক (সম্ভবত সে পুরোপুরি একাত্তর গংয়ের সদস্য না) মিডিয়া ইফেক্টের থিউরী দিয়ে সাধারণ মানুষের উপর মিডিয়ার প্রভাবের বিষয়টি বলতে চাইলেও একাত্তর টিভির উপস্থাপিকা মিথিলা ফারজানা ও অনলাইনে সংযুক্ত হওয়া সিআইএপন্থী শিক্ষক ফাহমিদুল হক কৌশলে সেটা ঘুরিয়ে দেয় এবং যে এসব অশ্লীল দৃশ্য দেখছে তার যৌনতাকে দমিয়ে রেখে মানসিকতা পরিবর্তনের উপর বেশি গুরুত্ব দেয়। এবং শেষের অংশে উপস্থাপিকা মিথিলা ফারজানা ও অনলাইনে সংযুক্ত হওয়া ফাহমিদুল হক নিজেদের আসল পরিচয় (নারীবাদী পরিচয়) ফাঁস করে বলে দেয়, “ধর্ষণের জন্য এসব মুভি দায়ী না, দায়ী নারীর প্রতি পুরুষের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা (নারীবাদী থিউরী)।”

এই টকশো দেখলে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে না, এদের আসল উদ্দেশ্য কি,

কিন্তু খুব সূক্ষভাবে একাধিকবার দেখলে বুঝতে পারবেন এই টকশোতে সাইকোলোজিকালী মোটিভেশন দেয়া হয়েছে। ধর্ষণে টিভি পর্দায় অশ্লীল দৃশ্যের প্রভাব রয়েছে, এটা না স্বীকার করে পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের দাবী আবারও আওড়ানো হয়েছে। একাত্তর টিভি যদি ভালোই হতো, তবে সে মুভিতে অশ্লীল দৃশ্য বন্ধের দাবি তুলতো, কিন্তু সেটা সে ভুলেও করেনি। বরং রোম্যান্সের নামে সফট পর্নোগ্রাফী আমদানির কথা খুব ভালোভাবেই বলেছে।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, April 2, 2018

ধর্ষণ বৃদ্ধির জন্য সিনেমায় ধর্ষণ দৃশ্য দায়ী- এ কথাটা মুছতেই কি এমন টকশো ?

“ধর্ষণ জিনিসটা কি ?” এটা সম্ভবত ৯৯% বাংলাদেশী শিখে বাংলা সিনেমা থেকে। ছোট বেলায় ছুটি দিনে বাবা-মায়ের সাথে বসে টিভিতে বাংলা সিনেমা দেখছে, সিনেমার এক দৃশ্যে ভিলেন দৌড়ে আসলো সহকারী নায়িকার দিকে। দাত-মুখ খিচিয়ে নানান ভঙ্গীমা করলো। পুরো-আধো দৃশ্য দেখিয়ে লাস্ট সিনে দেখানো হলো ঘটনা ঘটিয়ে ভিলেন খুবই পরিতৃপ্ত হয়েছে। যৌনতা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি, কিন্তু ৯০ এর দশক থেকে বাংলা মুভি দেখে আসা প্রজন্ম সম্ভবত মনে করে, যৌনতা মানেই ধর্ষণ।
শুধু ধর্ষণ নয়, ‘নারী উত্যক্ত করা’ যেটাকে বলা হয় যৌনহয়নারী তার শিক্ষাও মুভিতে দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, মুভিতে এটাও দেখানো হয়, নায়ক মাত্রই ইভটিজিং করে এবং যে মেয়েকে ইভটিজিং করা হয়, সে এক সময় ঐ নায়কের নায়িকা হতে বাধ্য। অর্থাৎ প্রায় সকল মুভির নায়ক হচ্ছে একজন যৌন নিপীড়ক।
প্রসঙ্গটা আসলো গত কয়েকদিন আগে আর-টিভিতে একটি অনুষ্ঠান নিয়ে। যেখানে নায়িকা পূর্ণিমা ও ভিলেন মিশা সওদাগর দুইজন ‘ধর্ষণ’ দিয়ে বেশ মজার আলাপ করছে। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে পূর্ণিমা হাসতে হাসতে সহ অভিনেতা মিশাকে প্রশ্ন করেন, মিশা চলচ্চিত্রে কতবার ধর্ষণ করেছেন? কোন নায়িকার সঙ্গে ধর্ষণের দৃশ্যে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন? উত্তরে মিশা সওদাগর জানায়, 'মৌসুমী ও পূর্ণিমার সাথে' উপস্থাপিকা পূর্ণিমা হা হা হা করে হেসে ওঠে।
বক্তব্য যদি এতটুকু থাকতো তবে সমস্যা ছিলো না। সমস্যা হলো, এই টকশোর পর বাংলাট্রিবিউনে একটি সাক্ষাৎকারে নায়িকা পূর্ণিমা দাবি করেছে, “মুভিতে ধর্ষণের দৃশ্য সমাজে ধর্ষণ বৃদ্ধি করে না, বরং সচেতন করে”
সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা বলে, “আমরা ফিল্মে এসব সিন করি বলেই কি বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে? তা তো নয়। সিনেমায় তো রেপ সিন করার পর সেটার বিচার হয়, ভিলেন মার খায়, শাস্তি হয়। সিনেমার রেপ সিন তো মানুষকে কখনও প্রভাবিত করেনি। আরও সচেতন করে। আর সেটা নিয়ে একটি ফিল্মের টকশোতে কথা বলতে গেলে অপরাধ!’
(https://bit.ly/2GNlNZi)
কি বুঝলেন ? এতদিন দাবী হচ্ছিলো- নারী ধর্ষণের জন্য পোষাক দায়ী না, নতুন করে যোগ হলো- নারী ধর্ষণের জন্য মুভির ধর্ষণের দৃশ্যও দায়ী না।
এ সম্পর্কে আমেরিকার প্যারেন্টস টেলিভিশন কাউন্সিল এক গবেষণায় বলেছে, মুভিতে দর্শন দৃশ্য মানুষের কাছে ধর্ষণকে এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে প্রকাশ করেছে। আর সমস্যাটা সেখানেই। এন্টারটেইনমেন্ট মানেই স্বাভাবিক। একজন মানুষ নানাভাব এন্টারটেইনমেন্ট করতে পারে। ধর্ষণ দৃশ্যকে যখন এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে উপস্থাপন করা হলো, তখন সব মানুষের কাছে ধর্ষণ বিষয়টা খুব স্বাভাবিক হয়ে গেলো। আর যে অপরাধ স্বাভাবিক হয়ে গেছে, তার বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়বেন কিভাবে ? (https://bit.ly/2H2AHbQ)
আমার মতে, পূর্নিমা-মিশা ধর্ষণ দৃশ্য নিয়ে হাস্যরস করে যতটুকু অপরাধ করেছে, তার ঢের বেশি অপরাধ হয়েছে, “মুভির ধর্ষণ দৃশ্যের কারণে সমাজে ধর্ষণ বৃদ্ধি পায় না”- এমন অপব্যাখা দিয়ে। মোশারফ করিমের পর মিশা-পূর্ণিমার এ ধরনের বক্তব্য দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, উপর থেকে একটি বিশেষ শ্রেণী বাংলাদেশের মানুষের মনে কিছু ‘ফলস বিলিভ’ বা ‘ভ্রান্ত বিশ্বাস’ প্রবেশ করাতে চাইছে এবং এরজন্য তারা সাহায্য নিচ্ছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। মানুষের মনে ‘নারীর পোষাক’, ‘ধর্ষণ’ নিয়ে এসব ভ্রান্ত বিশ্বাস ঢুকানোর পেছনে ঐ বিশেষ শ্রেণীর কি উদ্দেশ্য সেটাও চিন্তার বিষয়।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, March 11, 2018

গত ৯ই মার্চে শুনলাম বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের নিচতলায় মার্কেটে আগুন লেগেছে।


বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে আগুন লাগার সাথে সাথে আমার একটা কথা মনে পড়ে গেলো। ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি, বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের একতলায় বিশাল সিডি-ভিসিডির দোকান। যত ধরনের দেশী বিদেশী মুভি ও গানের সিডি ক্যাসেট আছে তা বায়তুল মোকাররম মসজিদের এক তলার মার্কেটে পাওয়া যায়। একটা সূত্রে শুনেছিলাম, ঐ সব মুভি’র সিডির আড়ালে সেসব দোকানে নাকি অশ্লীল সিডিও পাওয়া যায়।

আমার জানামতে মুসলমানদের ধর্মে এগুলো বৈধ নয়। কিন্তু মসজিদ মার্কেটের যে ইনকাম সেটা অবশ্যই মসজিদের ফান্ডে জমা হয়। মুসলমানদের ধর্মে যদি এগুলো বৈধ-ই না হয়, তবে মসজিদ মার্কেটে এসব সিডি-ভিসিডি আর মিউজিকের দোকান ভাড়া দেয়া হলো কেন ? আর যদি হলোই, তবে কোন মুসলমান সেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে না কেন ?

ছবি : বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটে সিডি-ভিসিডি দোকান।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, February 14, 2018

ভ্যালেন্টাইন দিবস পালনকারীরা যত ভালো কথাই বলুক, তাদের সব উদ্দেশ্য শেষে কনডম পর্যন্তই গড়ায়।

আপনি কি জানেন ?
১৪ই ফেব্রুয়ারী তারিখ অনেকে ভালেন্টাইন ডে করে ।
কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ই ফেব্রুয়ারী ‘ন্যাশনাল কনডম ডে’ পালিত হয়।
তবে আন্তর্জাতিকভাবে কনডম দিবস ১৩ই ফেব্রুয়ারী।
এ দিবসের উদ্যোক্তাদের বক্তব্য- ১৪ই ফেব্রুয়ারী মানুষ ব্যাপক আনসেফ (!) সেক্স করায় ১৩ই ফেব্রুয়ারীতে তারা আন্তর্জাতিক কনডম দিবস পালন করতে বাধ্য হয়েছে।
তারমানে বুঝতেই পারছেন, ভ্যালেন্টাইন দিবস পালনকারীরা যত ভালো কথাই বলুক, তাদের সব উদ্দেশ্য শেষে কনডম পর্যন্তই গড়ায়।
তথ্যসূত্র:
১) http://bit.ly/2o4zIPe
২) http://bit.ly/2BYdO9x
৩) http://bit.ly/2BXkm8H


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------