Showing posts with label কোটা. Show all posts
Showing posts with label কোটা. Show all posts

Friday, July 6, 2018

আওয়ামীলীগ তার রাজনৈতিক জীবনে কোন কোন বড় ভুল করেছে ?

আমি বলবো সবচেয়ে বড় ভুল দু’টি।
একটি বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর আগে পলিসিগত ভুল, যার খেসারত দিতে হয় বঙ্গবন্ধুর জীবন দিয়ে। 
আরেকটি ভুল ‘কোটা বিরোধী আন্দোলন পিটুনী-আক্রমণ-গ্রেফতার দিয়ে দমন করার মাধ্যমে।
প্রথম ভুলে নেতা বঙ্গবন্ধুর জীবন দিয়েও ১৫ বছর পর হয়ত সম্মুখে আসতে পেরেছে আওয়ামীলীগ। কিন্তু দ্বিতীয় ভুল এমন এক ভুল, যার মাধ্যমে আওয়ামীলীগ নামক সংগঠনটিরই হয়ত অস্তিতই বিলীন হতে পারে।
কোটা বিরোধী আন্দোলনের মত একটি গণমানুষের আন্দোলনকে বিএনপি-জামায়াত ট্যাগ দিতে গিয়ে গণমানুষকেই আওয়ামীলীগ বিএনপি-জামায়াত তথা বিরোধী দল বানিয়ে দিয়েছে।
একটি রাজনৈতিক দল প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে যতটুকু ঘৃণা করে, এখন সাধারণ মানুষগুলো আওয়ামীলীগকে ততটুকু ঘৃণা করা শুরু করেছে। এ ঘটনার পর খোদ সাধারণ আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগের অনেকে দলটির প্রতি নৈতিক সমর্থন হারিয়েছে। হতে পারে আওয়ামীলীগ গায়ের জোরে হয়ত আর কিছুদিন ক্ষমতায় থাকবে, ব্যস এতটুকুই। কিন্তু সেটা বেশিদিন নয়, কারণ মানুষের নৈতিক সমর্থন হারিয়ে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না। আর একবার পতন হলেই ‘আওয়ামীলীগ’ নামটা চলে যাবে ইতিহাসের যাদুঘরে, এর বাইরে তার ও তার সদস্যের কোন অস্তিত্ব থাকবে না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, July 3, 2018

৩টা ছবির মধ্যে মিল খোঁজার চেষ্টা করছি

১-নম্বর ছবিটা নেদারল্যান্ডের এমপি গ্রিট ওয়াইল্ডার্সের। গ্রিট ওয়াইল্ডার্স কিছুদিন আগে মুসলমানদের শেষ নবীর ব্যঙ্গচিত্র প্রতিযোগীতার করার ঘোষণা দেয় (https://ind.pn/2JME22D)। যদিও তার এই কর্মকাণ্ড এই প্রথম না। এর আগেও এমন ঘটনা সে ঘটিয়েছে। তবে লক্ষণীয় হলো, এর আগে বাংলাদেশে এ বিষয়টি নিয়ে বেশ প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিলো। কিন্তু এবার তেমন কোন প্রতিবাদ চোখে পড়লো না।

২- নম্বর ছবিটা বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে চলা কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুর উপর ছাত্রলীগের হামলার ছবি। ছবি বলে দিচ্ছে, কতটা নৃশংস ও জনবিরোধী হয়ে উঠেছে সরকার । আসলে কোটা নিয়ে আন্দোলনে ছিলো গণমানুষের আন্দোলন, আর নুরু ছিলো সেই গণমানুষের আন্দোলনের নেতা। কিন্তু গণমানুষের আন্দোলনের নেতা হওয়ার পরও গণমানুষ তার নেতার সাহায্যে এগিয়ে আসবে না। তার নেতাকে মারা হলো কিন্তু গণমানুষ তার প্রতিবাদে কিছু করবে না, কারণ গণমানুষের সে শক্তি নেই। পাশাপাশি ক্ষমতাসীনরা এ ধরনের সাহসও পেয়েছে, কারণ তারা জানে, বর্তমানে গণমানুষ বা তার ইচ্ছার কোন দাম নাই। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য গণমানুষের কোন দরকার নাই। আছে বিদেশী ইহুদীবাদীদের দরকার। তাদেরকে খুশি রাখলেই হলো। আর গণমানুষকে ধিরে ধিরে মেরে ফেললেই হলো। গণমানুষ কিছুই করতে পারবে না।

৩- নম্বর ছবিটা আজকে ব্রাজিলের জয়ের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে তোলা (https://bit.ly/2lNaJz2)। যে টিএসসিতে সকাল বেলা কোটা আন্দোলনের নামা ছাত্ররা সংখ্যালঘু হয়ে পিটুনি খেলো, সেই টিএসসিতেই ব্রাজিলের খেলা দেখতে জমা হয়েছে অনেক ছাত্র। তাদের উল্লাসও দেখে কে !!

কিছু বিষয় জেনে রাখুন:

----মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্রে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে অনেক সময় মুক্তিযুদ্ধকে জিহাদ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের উব্ধুদ্ধ করতে ধর্মীয় চেতনা ব্যবহার করেছে নেতৃস্থানীয়রা। মুক্তিযোদ্ধারা নিয়মিত ধর্মচর্চা করতো এবং সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করতো। এ থেকে বোঝা যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য ধর্মীয় চেতনা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ধর্মীয় চেতনা মানুষকে নিজ স্বার্থকে ক্ষুদ্র করে জাতিকেন্দ্রীক চিন্তাভাবনা দান করে । অপরদিকে ধর্মীয় চেতনাহীনতা মানুষকে ব্যক্তিকেন্দ্রীক করে তোলে এবং জাতিগত চেতনা ভুলিয়ে নিজ আনন্দ-খুশি-স্বার্থকে বড় করে দেয়।

----আজ থেকে ১০-১২ বছর আগে যখন মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গচিত্রের বিষয়টি ব্যাপকভাবে শুরু হয়, তখন বিষয়টির মূল কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছিলাম। “মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র করে ইহুদীবাদীদের কি লাভ ? ” এটা নিয়ে স্ট্যাডি করেছি। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে কয়েকটি মূল কারণ। এর মধ্যে অন্যতম একটি কারণ ছিলো: এই সব ব্যঙ্গচিত্রের মাধ্যমে তারা মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনা পরিমাপ করে। মুসলমানদের শেষ নবী হচ্ছে মুসলমানদের ধর্মের মূল, তাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করলেও যখন মুসলমান চুপ থাকে, বা অনুভূতিহীন হয়, তখন বুঝতে হবে মুসলমানদের ধর্মীয় চেতনা শূণ্যের কোঠায়। ইহুদী্বাদীরা চায় সারা বিশ্ব করায়ত্ব করতে। কিন্তু এর প্রধান বাধা ‘ইসলাম’। কারণ ইসলাম ধর্ম ও তার চেতনাই পারে ইহুদীবাদ ঠেকিয়ে দিতে। সেই চেতনা যখন শূণ্যের কোঠায় পৌছাতে থাকে, তখন বুঝতে হবে মুসলমানদের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, এবং এখন খুব সহজেই তাদের উপর দখল, নির্যাতন, সম্পদ লুটপাট করা যায়। মুসলমানরা হয়ে ওঠে ঢাল তলোয়ার বিহীন সৈণ্যের মত, তাকে যা খুশি তাই করা যায়।

--কোটা আন্দোলনে লোক কমে যাওয়া এবং ফুটবল খেলায় লোক বৃদ্ধি পাওয়া হচ্ছে, মোরালি ডেস্ট্রয় হওয়ার রেসাল্ট। শাসক শ্রেণী ইহুদীবাদীদের শেল্টারে জনগণ শোষণ করে স্বার্থ নিবে এবং একটা অংশ ইহুদীবাদীদের নিকট পৌছাবে। এজন্য প্রয়োজনে জনগণের উপর নির্যাতন চালানো লাগতে পারে। কিন্তু একবারে সবার উপর নির্যাতন করা কঠিন, তাই তাদের ডিভাইড করতে হবে। তারা এক দলকে নিপীড়ন করবে, আর বাকিদের প্যাথিডিন (খেলা) দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখবে, যেন তারা প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ না করতে পারে। আজকে যাদের প্যাথিডিন (খেলা) দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে তারাও যে বাঁচবে বিষয়টি সেরকম না। একে একে সবাইকে ধরা হবে। কিন্তু কেই কারো সাহায্যে এগিয়ে আসবে না। কারণ একদলকে ধরা হবে, অন্যদলকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হবে। তাই তারা একত্র হতে পারবে না।
মনে রাখবেন, ইহুদীবাদী ও তাদের দোসররা একটা সিন্ডিকেট। তারা আপনার উপর ফিজিক্যাল ও সাইকোলোজিক্যাল আক্রমণ চালাবে। আপনার পক্ষ-বিপক্ষ হয়ে আক্রমণ করবে। আপনি নিজে যদি তাদের সম্পর্কে ভালো ধারণা না রাখেন এবং পাল্টা সিন্ডিকেট তৈরী করে তাদের প্রতিহত না করতে পারেন, তবে খুব সহজেই তাদের কাছে ধরা খাবেন এবং সেটাই হয়।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, July 1, 2018

ফ্রান্সে একটা আইন আছে, “নেপোলিয়ান বোনাপার্ট নামে কোন শুকরেরও নাম রাখা নিষেধ”

রাশেদ আর নুরু সাধারণ ছাত্রদের প্রতিনিধি
নুরুর উপর আক্রমণ আর রাশেদকে গ্রেফতার করে আওয়ামী সরকার চোখে আঙ্গুল দিয়ে প্রমাণ করলো তারা সাধারণ জনগণের বিরুদ্ধে। সাধারণ জনগণকে পিষ্ট করে হলেও তাদের ক্ষমতা দরকার।
ফ্রান্সে একটা আইন আছে, “নেপোলিয়ান বোনাপার্ট নামে কোন শুকরেরও নাম রাখা নিষেধ” (http://www.sharebazarnews.com/archives/15872)।
আমি যদি নাও পারি, তবু ভবিষ্যত প্রজন্মকে বলে যাচ্ছি, বাংলাদেশেও বর্তমান সরকার প্রধানের নাম নিয়েও যেন এমন একটা আইন পাশ করা হয়।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, May 10, 2018

চাকুরীতে উপজাতি কোটা বা বিশেষ সুবিধায় চাকুরী বাদ দিতে হবে দেশের স্বার্থে।

আমার কথা হলো, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে চাকুরী দিয়ে আগাতে হবে কেন ? তাকে অন্য কোনভাবে সাহায্য করুন। 
আপনি যখন নিজের কোম্পানিতে চাকুরী দেন, তখন কি মেধাবী রেখে অনুপযুক্ত লোককে চাকুরী দেন ?
তখন তো ভাবেন, সবচেয়ে যোগ্যতাবান লোকটা আসুক, তাহলে আমার লাভ হবে।
এর জন্য দশবার ইন্টারভিউ নেন, মেধা, যোগ্যতা যাচাই করেন।
তখন কেন অনুপযুক্ত বা প্রতিবন্ধী লোককে চাকুরী দেন না?
আপনি নিজের জন্য যেটা পছন্দ করছেন না, সেটা কেন দেশের জন্য পছন্দ করেন ?
তারমানে দেশ ডুবুক, তাতে আমার কি ? আমার কোম্পানি তো ভালো আছে, তাহলেই হবে।
আসলে, এ ধরনের চিন্তাধারা আমাদেরকে খেয়ে ফেলছে। আমি আগেও বলেছি, মুসলমানদের পতনের মূল কারণ মুসলমানরা জাতিগত স্বার্থগুলো বাদ দিয়ে ব্যক্তি স্বার্থ নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে গেছে। এ কারণে হয়ত কিছু লোক সম্পদের মালিক হয়েছে, জাতিগতভাবে মুসলমানরা পরাধীন হয়ে গেছে, তাদেরকে এখন বিভিন্ন দেশ থেকে মাইর দিয়ে বের করে দেয়া হয়।
আমার কথা হলো, পার্বত্য এলাকায়, উপজাতিরা ভিন্ন রাষ্ট্র তৈরীর চেষ্টা করছে এটা তো ওপেন সিক্রেট।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান যখন ঐ এলাকায় সেনাসদস্যের উদ্দেশ্যে কোন বক্তব্য দেয়, তখন স্পষ্ট করে বলে, “উপজাতিরা পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত দেশকে বিছিন্ন করতে চাইছে, আমাদেরকে সেটা রক্ষা করতে হবে।” বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর টনকে টন ওজনের ফাইল আছে, উপজাতিদের রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যক্রম নিয়ে। কিন্তু তারপরও কেন তাদের কোটা দিয়ে সুযোগ দেয়া হবে ? বিশেষ ব্যবস্থা দিয়ে সুযোগ দেয়া হবে ? এটা তো জাতির সাথে স্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতা করা। কোন স্ট্যাফ যদি আপনার কোম্পানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তখন তাকে কি প্রমশন দিয়ে উপরের পদে নিয়োগ দেন ?
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি ক্লাইভ বলেছিলো, “পলাশীর প্রান্তরে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নবাব বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে, তখন দুইপ্রান্তে অসংখ্য বাঙালী জনগণ ভীড় করেছিলো যুদ্ধ দেখার জন্য। আমরা ভেবেছিলাম, ভীড় করা জনগণ যদি একটা করে ইটের ঢেলা ছুড়তো তবে আমরা পিষ্ট হয়ে যেতাম। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে গেলাম, উপস্থিত বাঙালীরা শুধু হা করে তামাসা দেখলো, কিন্তু নবাবের পক্ষে বা আমাদের বিরুদ্ধে কোন অবস্থান নিলো না।”
পাঠক ! ঐ সময় বাঙালীদের নির্লিপ্ত থাকা আমাদের ২০০ বছরের পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করেছে। এখনও মন-মগজে আমাদের ব্রিটিশ গোলামি রয়ে গেছে।
আজকেও কিন্তু একই অবস্থা। বিদেশী ইন্ধনে বিভিন্ন দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু জনগণ একেবারে নির্লিপ্ত। পলাশী প্রান্তরের মত তারাও সব কিছু দেখছে-শুনছে, কিন্তু দেশের জন্য কিছুই যেন বলার নেই। তিন পার্বত্য এলাকা দেশ থেকে ভাগ হয়ে গেলে যাক, তাতে আমার ক্ষতি কি ? আমার ক্যারিয়ার/লাইফ তো ঠিক আছে, তাহলেই হবে। অথচ বেকুব গুলো বুঝতেছে না, ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রয়েছে বিপুল সম্পদ, রয়েছে সমুদ্র সম্পদ। অবশ্যই এ সব সম্পদ সঠিক ব্যবহার করলে বাংলাদেশ একসময় পৃথিবীর অন্যতম ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারবে। আর সেই সম্পদের লোভে সম্রাজ্যবাদীদের এত প্ল্যান ও কার্যক্রম। কিন্তু চুলকানি কি আর এত সহজে গন্ডারের ভেতরে পৌছায় ?
ফেনী পর্যন্ত দখল করার প্ল্যান নিয়ে আরো কয়েকটি লেখা:
১) https://bit.ly/2qWAFuz
২) https://bit.ly/2hHW2ek
৩) https://bit.ly/2hEdmRq

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, April 25, 2018

উপজাতি ভাষায় পাঠ্যবই দিয়ে পিছিয়ে, চাকুরীর কোটা দিয়ে কিভাবে অগ্রগামী করবেন ?


বর্তমানে পার্বত্য উপজাতিদের তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় রচিত পাঠ্যবই দেয়া হচ্ছে। প্রাইমারি স্কুলগুলোতে শিশুদের তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় পাঠ্যবই দেয়া হচ্ছে। যে পাঁচটি ভাষায় বই ছাপানো হচ্ছে সেগুলো হলো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও ওঁরাও। (https://bit.ly/2HVndPC)

কিন্তু আমার কথা হলো- এই ৫টি ভাষা কি বাংলাদেশের মধ্যে সার্বজনিন ?

এই ভাষাগুলো তো ৩ পার্বত্য জেলার মধ্যে সার্বজনিন নয়। এক উপজাতির ভাষা অন্য উপজাতি গোষ্ঠী বুঝে না। তারমানে উপজাতি ভাষায় শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা তাদের নিজের এলাকা থেকে বের হতে পারবে না, দেশব্যাপী চাকুরী-ব্যবসা করতে পারবে না, এতে তারা আরো অনুন্নত হয়ে যাবে।

সরকার সংবিধানে বর্ণিত অনগ্রর নাগরিক হিসেবে উপজাতিদের কোটা সুবিধা দিতে চায়, কিন্তু উপজাতি ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনা করা মানে তো ঐ উপজাতিদের আরো অনগ্রসর করে দেয়া। লক্ষ্ লক্ষ্ শিশুকে উপজাতি ভাষায় পাঠ্যবই দিয়ে আপনি অনগ্রসর করছেন, আবার ৫% কোটা দিয়ে তাদের অগ্রসর করতে চাইছেন, দুটোই তো পরষ্পর বিরোধী সিস্টেম।

আসলে যারা এগুলো করছে, তারা ইচ্ছা করেই কাজগুলো করছে, সম্রাজ্যবাদী আমেরিকার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য- তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে পৃথক করে ভিন্ন রাষ্ট্র গঠন করা। কিন্তু উপজাতিরা যদি বাংলা ভাষা শিখে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, তবে ঐ তিন জেলায় তাদের আধিক্য কমে যাবে, ফলে তাদের স্বাধীনতার জন্য পৃথক ভূমি দাবির বিষয়টি আসবে না। কিন্তু তাদের নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতি যদি টিকিয়ে রাখা যায় তবে অবশ্যই একটা সময় তাদের পৃথক ভূমির দাবি তোলা যাবে। শুনেছি তারা নাকি ইতিমধ্যে জাতিসংঘে গিয়ে তাদের পৃথক রাষ্ট্র জুম্মল্যান্ডের জন্য আবেদনও করেছে।

পাশাপাশি, উপজাতি কোটাটাও উদ্দেশ্যমূলক। কারণ কোটার মাধ্যমে উপজাতিদের প্রশাসন ও সরকারী চাকুরীতে ঢুকিয়ে তারপর তাদের পার্বত্য এলাকায় নিয়ে আসা হবে। এরপর প্রশাসন দিয়ে তাদের বিদ্রোহী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা চলবে। গত ৬ মাস আগে বান্দরবানের প্রশাসন ও সরকারীকর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম (https://bit.ly/2qWAFuz)। ঐ লিস্ট দেখলেই বুঝবেন, তাদের উদ্দেশ্যটা কি।

যাই হোক, উপজাতি কোটা বাতিল করতে সারা বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন করা উচিত। কারণ ৭১ সালে মু্ক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে, অবশ্যই ৩ জেলাকে উপজাতিদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য নয়। তাই সাবধান।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

আসলে আওয়ামীলীগ নিজেই একটা কোটা নির্ভর দল

শেখ হাসিনার আলাদা কি যোগ্যতা আছে ?
তার যোগ্যতা সে বঙ্গবন্ধুর মেয়ে। এখানে সে কোটাপ্রাপ্ত।
তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হয়ে কোটি টাকা বেতন নেয়ার জয়ের কি যোগ্যতা আছে ? তার থেকে আরো বড় তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আছে। কিন্তু তাকে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ পদে দেয়া হবে ?
উত্তর : প্রধানমন্ত্রীর সন্তান কোটা।
তথ্যপ্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ পলকের বাপ মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। তার কি যোগ্যতা আছে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার ? ঐ যে বাবা কোটা।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর ছেলে। সেও বাবা কোটা।
ফজলে নূর তাপস থেকেও ভালো যোগ্যতা সম্পন্ন লোক আছে। কিন্তু ফজলুল হক মনীর ছেলে হওয়ায়ও সে বাবা কোটা পেয়েছে।
কণ্ঠশিল্পী মমতাজের আগের জামাই মানিকগঞ্জের চেয়্যারম্যান রমজান আলী বলতো- মমতাজ প্রথম জীবনে বিএনপি করতো। খালেদা জিয়া-তারেক রহমানকে নিয়ে গান বাধতো। পরে রমজান আলী তাকে শেখ হাসিনার সাথে পরিচয় করিয়ে, আওয়ামীলীগে প্রবেশ করায়। এখন সে নারী কোটায় এমপি।
এভাবে খুজলে বাবা-নানা-দাদা-নানা-মামা-চাচা- নারী বহু কোটা পাওয়া যাবে আওয়ামী সরকারে। আওয়ামী সরকার নিজেই একটা কোটা ভিত্তিক জনগোষ্ঠী।
ছাত্ররা যখন শ্লোগান দেয় – “কোটা নয়, মেধাবী চাই।”
তখন আমি নিশ্চিত- ঐ শ্লোগানটা আওয়ামী সরকারের বুকের মধ্যে শেলের মত বিধে। কারণ তারা তো সবাই কোটাপ্রাপ্ত, মেধার যোগ্যতায় তারা আসেনি।
একবার শুনছিলাম, আজকালকার মসজিদগুলোতে নাকি ইমাম সাহেবরা সুদ-ঘুষের ওয়াজ করে না, দাড়ির ওয়াজ করে না। কারণ মসজিদ কমিটির অনেকে সুদ-ঘুষ খায়, অনেকের দাড়ি নাই। ঐসব ওয়াজ করলে আর ইমাম সাহেবের চাকরী থাকবে না।
একইভাবে কোটা নিয়ে যদি আন্দোলন হয়, তবে সেটা আওয়ামীলীগের উপর আঘাত হানা হয়, তাদের অস্তিত্বের উপর আঘাত হবে। তাই সব নিয়ে আন্দোলন করো, কিন্তু কোটা নিয়ে আন্দোলন করো না। আজকে যদি বিসিএস-এ কোটা বাদ দিয়ে মেধাবি আনা হয়, কালকে তো আওয়ামলীগের ভেতর এমপি-মন্ত্রী-প্র্রধানমন্ত্রী পদেও কোটা বাদ দিয়ে মেধাবীর দাবী উঠতে পারে। তখন কি হবে ?
আওয়ামীলীগ যে কোটা আন্দোলনের বিপক্ষে এত উঠে পড়ে লাগছে, এটাই তো মেইন কারণ।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Saturday, April 21, 2018

বাংলাদেশে চাকুরীর জন্য বেকারদের হাহাকার।

অথচ ইসলামী শাসন ব্যবস্থা বা খিলাফত থাকলে খলিফার দায়িত্ব হয়ে যায় বেকারদের চাকুরীর ব্যবস্থা করা। সাধারণ অবস্থায় মৌলিক চাহিদা হিসেবে ধরা হয় ৫টি- খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা ও চিকিৎসা। কিন্তু ইসলামী ব্যবস্থায় মৌলিক চাহিদা ৬টি। খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান, শিক্ষা ও বিয়ে। খিলাফতের মধ্যে থাকা প্রত্যেকের মানুষের এই ৬টি বিষয়ের দায়িত্ব থাকে খলিফার দায়িত্বে।
বর্তমানে কালে ইহুদীবাদী সম্রাজ্যের যুগে খিলাফত বলতে শুধু যুদ্ধ, হাত কাটা আর পাথর ছুড়ে হত্যা করা বুঝায়। কিন্তু ইসলামী শাসন ব্যবস্থার সময়ে পৃথিবী কি কি উন্নতি দেখেছিলো সেটা লুকিয়ে রাখে। তবে আমার দৃষ্টিতে হাত কাটা বা পাথর ছুড়ে হত্যাও খারাপ না। কারণ ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় কেউ যদি সত্যিই অভাবী হয় এবং সেই অভাবের কারণে চুরি করে, তবে তার উপর চুরির শাস্তি বর্তাবে না। আর যদি কেউ সামর্থ থাকার পরও চুরি করে তবে তারই হাত কাটা হবে। আপনি বর্তমান ইহুদীবাদী শাসন ব্যবস্থার দিকে তাকিয়ে দেখুন। পুরো সিস্টেমরা উল্টা। কোন গরীব মানুষ যদি চুরি করে, তবে তাকে ধরে আমরা গনপিটুনি দিয়ে মেরেই ফেলি. অথবা জেলে ভরে শাস্তি দেই। কিন্তু মন্ত্রী-মিনিস্টার আর ব্যবসায়ীরা যখন বড় বড় চুরি করছে, তখন তাদের শাস্তি দেয়া তো দূরের কথা, উল্টো তাদের মানুষ সম্মান করে মাথায় তুলে রাখে।
পুরাতন আলোচনায় ফিরে আসি, বলছিলাম বেকারত্ব নিয়ে। বেকারদের দিয়ে সরকারের আমি কোন প্ল্যান দেখি না। অথচ ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় খিলাফাতের কর্মচারি সংখ্যা অনেক বেশি হবে। কারণ ৬টি মৌলিক বিষয় খলিফার নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাকেই চিন্তা করতে হবে কিভাবে এতগুলো জিনিস মেনেজ করতে হবে। এজন্য খলিফা পুরো খিলাফত জুড়ে জরিপ করবে এবং সমভাবে ৬টি মৌলিক জিনিস বণ্টন করবে। সে বেসরকারিভাবেও ম্যানেজ করতে পারে। কিন্তু মূল দায়িত্ব খলিফার কাছে থাকায় খিলাফতের নিজস্ব কর্মকর্তা-কর্মচারি সংখ্যা অনেক বেশি হবে। দেখা যাবে, মোট জনসংখ্যার ৩০-৪০% পযন্ত খিলাফতের কর্মচারি হবে। উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারী কর্মচারি সংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ০.৭%।
ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় খলিফার তরফ থেকে কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূলে ফসল ক্রয় করা হবে। এবং সরকারীভাবে পুরো খিলাফতের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া হবে। এতে কৃষকও লাভবান হবে এবং জনগণও স্বল্পমূল্যে খাদ্যক্রয় করতে পারবে।
সুদ থাকবে না, ফলে মূল্যস্ফিতি সৃষ্টি হবে না। এতে খাদ্যদ্রব্য বা জীবনযাত্রার মূল্য বাড়বে না।
বতর্মানে চাকুরীর ক্ষেত্রে ৩ বছর পর পর বদলী পদ্ধতিটা আসছে ব্রিটিশদের থেকে। কোন কর্মচারি যেন কোন নির্দ্দিষ্ট এলাকায় বেশিদিন থেকে গোড়া শক্ত করতে না পারে, সরকার বিরোধী কর্মকান্ড করতে পারে, এজন্য ৩ বছর অন্তর অন্তর তাকে বদলি করা হয়। এতে সে টাকাও জমাতে পারে না, সচ্ছলও হতে পারে না। এতে সারা জীবন সে পেটে ভাতে থাকে।
কিন্তু ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় মানুষকে চাকুরী দেয়ার ক্ষেত্রে প্রাধাণ্য দেয়া হবে নিজ ভূমিতে। এবং বিশেষ কারণ ছাড়া বদলীও করা হবে না। এতে দুইটা সুবিধা হবে। প্রথমত, নিজের এলাকায় থাকলে আলাদা বাসাভাড়া লাগছে না। দ্বিতীয়ত, নিজের বাড়ি থেকে যাওয়া আসা করলে তার লিভিং কস্ট অনেক কমে যাবে। এবং মানুষ কম টাকায় স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারবে। এছাড়া প্রত্যেক কর্মচারিকে তার জীবনব্যায়ের কথা চিন্তা করে পর্যাপ্ত বেতন দেয়া হয় যেন তাকে ঘুষ খেতে না হয়।
খিলাফত ব্যবস্থায় জনসংখ্যার ডিসেন্ট্রালাইজেশন বা বিকেন্দ্রীকরণ অনেক গুরুত্বপূণ। জনসংখ্যা সব এলাকায় সমভাবে বণ্টন হবে, এতে কোন নির্দ্দিষ্ট এলাকায় লিভিং কস্ট বেড়ে যাওয়ার কোন কারণ থাকে না।
বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় সরকারগুলো চায়, শিক্ষিত সামজকে শুধু চাকুরী বা চাকর হওয়ার দিকে ঠেলে দিতে। তারা উৎপাদনশীল খাতগুলো বন্ধ করে দেয়। সম্রাজ্যবাদী কর্পোরেটদের কর্পেোরেটোক্রেসির নামক কূটকৌশল দ্বারা প্রভাবিত হযে তারা এ কাজগুলো করে। কিন্তু খিলাফত পদ্ধতিতে পুরো নিজস্ব সিস্টেম তৈরীর কাজ চলে, এজন্য গবেষণা সেক্টরে ইনভেস্ট হয় বেশি। অর্থাৎ মেধাবীদের বেছে বেছে জাতির মগজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, গবেষণা সেক্টরে নেয়া হয়। এতে উৎপাদনশীল খাত বৃদ্ধি পায়। অন্য জাতিগুলোর প্রতি নির্ভতা হ্রাস করে, মুসলমানদের উপর মুসলমানরা নির্ভরশীল থাকতে পারে।
আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করেছি, বর্তমান ইহুদীবাদী সম্রাজ্য ব্যবস্থায় গোটা কয়েক ইহুদীবাদীর হাতে নির্যাতিত হচ্ছে সাধারণ ইহুদী, সাধারণ খ্রিস্টান, সাধারণ বৌদ্ধ, এবং সাধারণ হিন্দুরা। কিন্তু খিলাফত পদ্ধতিতে সকল ধর্মের মানুষই আরাম আয়েশে থাকতে পারবে এবং খিলাফতের পক্ষ থেকে ৬টি মৌলিক বিষয়ে সাহায্য পাবে। তাই আমি পূর্ববর্তী খিলাফত বা ইসলামী শাসন ব্যবস্থাটা পড়ে যা বুঝলাম, এটাই একমাত্র সার্বজনিন ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, April 17, 2018

রাশেদকে জন্ম দেয়া রাশেদের পিতার পাপ হইছে


না, এটা আমার কথা না। দিনমজুর পিতা বহু কষ্ট করে ছেলেকে পাঠাইছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেখানে সে কোটা বিরোধী আন্দোলন করছে, পুত্রের আন্দোলনের জেরে পিতাকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। ভয়ভীতি দেখাইছে, মানসিক টর্চার করছে, পিতা তখন দুঃখ করে সন্তানকে বলছে- বাবা তোকে জন্ম দিয়ে আমার পাপ হইছে।
রাশেদ রাষ্ট্রের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। কোটি কোটি রাশেদের প্রতিনিধি হয়ে মিডিয়ার সামনে আসছে। এটাই তার দোষ। শেখ হাসিনা সংসদে দাড়ায় বলছে- সব কোটা বাদ । এখানে আন্দোলন কোটা নিয়ে, সেটা নিয়ে কথা বলা জরুরী ছিলো। কিন্তু যারা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদেরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা মানে কতটা নিকৃষ্ট চর্চা সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সেই নিকৃষ্ট চর্চার দায়িত্ব আবার একাত্তর টিভির হাতে। সেই একাত্তর টিভি টকশো করে মিথিলাকে দিয়ে রাশেদের পুরাতন ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। জেরা করেছে। জামাত-শিবির প্রমাণ করতে চাইছে। একাত্তর টিভি যে কত বড় টাউট এই অনুষ্ঠান সেটার প্রমাণ। ৯৫ সালে আওয়ামীলীগের সব শীর্ষ নেতা তো জামায়াতের সাথে জোট বানাইছিলো, আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের পাশে বসার বহু ছবি অনলাইনে এখনও পাওয়া যায়, সেই ছবি দিয়ে কি একাত্তর টিভি আওয়ামীলীগকে জামায়াত-শিবির প্রমাণ করতে পারবে ?
আমার মনে হয়, এ ধরনের ব্যক্তিগত ট্যাগ দেয়া, নিকৃষ্ট চর্চা। একটা জাতিকে ধ্বংস করার নামান্তর। রাশেদকে ব্যক্তিগত ট্যাগ দেয়া, ২০০ ফেসবুক একাউন্ট সনাক্তের খবর ছড়িয়ে ভীতি তৈরী করার চেষ্টা করা এগুলো বৃথাচেষ্টা। কোটা বিরোধী আন্দোলন কোন ব্যক্তিগত আন্দোলন না, এটা গণ আন্দোলন। দীর্ঘ সময় মানুষের ভেতর জমে থাকা পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এক্ষোভে এক রাশেদ চলে গেলও লক্ষ রাশেদ দাড়িয়ে যাবে। কয়জন রাশেদকে দমাতে পারবে বিরোধীরা?
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি সেই ‘দূরন্ত পথিক’ আর বিভীষিকার কথপোকথন মনে পড়ে:
– ‘আমি চিরন্তন মুক্তিকামী। এই যাদের খুলি পড়ে রয়েছে তারা কেউ মরেনি, আমার মাঝেই তারা নূতন শক্তি, নূতন জীবন, নূতন আলোক নিয়ে এসেছে। এ মুক্তের দল অমর!’ বিভীষিকা কাঁপিয়া উঠিয়া বলিল, – ‘আমার চেন না? আমি শূঙ্খল। তুমি যাই বল, তোমাকে হত্যা করাই আমার ব্রত, মুক্তিতে বন্ধন দেওয়াই আমার লক্ষ্য। তোমাকে মরতে হবে!’ দুরন্ত পথিক দাঁড়াইয়া বলিল, – ‘মারো,– বাঁধো, – কিন্তু আমাকে বাঁধতে পারবে না; আমার তো মৃত্যু নাই! আমি আবার আসব!..........সহস্র প্রাণের উদ্‌বোধনই তো তোমার মরণের সার্থকতা। নিজে মরিয়া জাগানোতেই তোমার মৃত্যু যে চিরজাগ্রত অমর!’ নবীন পথিক তাহার তরুণ বিশাল বক্ষ উন্মোচন করিয়া অগ্রে বাড়াইয়া দিয়া কহিল, – ‘তবে চালাও খঞ্জর!’
সত্যিই বলতে, রাশেদকে আমার এ প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা মনে হয়েছে। সে আসল বাংলাদেশীর প্রতিচ্ছবি। সে সুবিধাভোগী কোন পরিবারে জন্ম নেয়নি। এসি রুমে শহুরে আরাম আয়েশ তার ভাগ্যে জুটেনি। দরিদ্র দিনমজুর বাবা কষ্ট করে টাকা উপর্জন করে ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় পাঠিয়েছে। সেই রাশেদ নিজের জন্মদাতা পিতাকে বন্দুকের আগায় রেখে লক্ষ-কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেছে, ডিবি পুলিশ চোখ-হাত বেধে ধরে নেয়ার পর তো সে তো দমে যেতে পারতো। কিন্তু সেটা সে করেনি। আসল সাহস দেখিয়েছে। এতদিন আমরা যাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতিনিধি ভেবেছি, আসলে তাদের সেই চেতনা ভুল। তারা একাত্তরেও ছিলো সুবিধাবাদী আর এখন স্বাধীনতা ব্যবসায়ী। ‍তারা ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ নামের গল্প লিখে, সিনেমা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে, কিন্তু লক্ষ-কোটি জনতার কথা বলেনি । দিন মজুরের ছেলে রাশেদ তো সেই দুঃসাহসের কাজটি করতে পেরেছে, লক্ষ-কোটি জনতার কষ্টের কথা সাহসের সাথে বলতে পেরেছে।
রাশেদ আর কেউ নয়। লক্ষ কোটি জনতাই রাশেদ।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, April 16, 2018

কেন ড. জাফর ইকবাল কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন নিলেন ?



এবার কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ড. জাফর ইকবালের ভূমিকা ছিলো সন্দেহজনক। কোটা বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহুর্তে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং আন্দোলন শেষ পাওয়ার পর তার বক্তব্য ছিলো পরষ্পর বিরোধী। আমার আজকের এ লেখা, কোটা আন্দোলন নিয়ে জাফর ইকবালের এই ভোল পাল্টানো ভূমিকা নিয়ে।

প্রথমেই গত ৯ই এপ্রিল জাফর ইকবালের বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কোটা আন্দোলনের পক্ষে। কোটা আন্দোলন যখন তুঙ্গে (শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে) তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে থাকার ঘোষণা দিলেন এবং ‘কোটা সংষ্কার যৌক্তিক’ বললেন। অর্থাৎ তিনি কোটা সংস্কার চান (কিন্তু পুরো বাতিল নয়)।

(https://bit.ly/2JPBrlI)

এরপর ১৩ই এপ্রিল, তারিখ কোটা আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর বিডিনিউজ২৪ এ প্রকাশিত তার কলামে তিনি সম্পূর্ণ ইউটার্ন নেন। তিনি এমন একটা ভাব দেখান যে তিনি কিছুই জানেন না। এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনে রাস্তাঘাট কেন বন্ধ হইছে এটাই তার কাছে বড় হয়ে গেলো। (https://bit.ly/2EQv0uD)

পাঠক ! সময় দুটো খেয়াল করুন-

“ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তা কেন বন্ধ করছে” এটা জাফর ইকবালের বলা দরকার ছিলো ৯ই তারিখ। কারণ তখন সারা দেশ বন্ধ করার ঘোষণা উঠছিলো। কিন্তু সেটা তিনি আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর করলেন। কারণ কোটা সংস্কারের সিদ্ধান্ত তার মনঃপুত হয়নি। তিনি চেয়েছিলেন, কোটা সংস্কার মানে ১০%, কিন্তু কোটা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় সরকার। যেহেতু এই আন্দোলনের ফলাফল তার মনপুত হয়নি, এজন্য তিনি ছাত্রদের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কলাম লিখলেন ! (এই ছাত্ররাই কিন্তু জাফর স্যার জাফর স্যার করে পাগল হয় !)

পাঠক ! যারা আমার লেখা সব সময় পড়েন, তারা হয়ত আমার কোন কথা বিশ্বাস করেন, আবার কোন কথা বিশ্বাস করেন না, বা বুঝেন না। আমি কিন্তু শুরু থেকেই একটা কথা বলে এসেছি-

১) মার্কিনপন্থী বা সিআইএপন্থীরা কোটা বাতিল চায় না, তারা ১০% কোটা চায় (বিশেষ করে উপজাতি কোটা)। কারণ এগুলোর সাথে তাদের স্বার্থ জড়িত।

২) ড. জাফর ইকবাল সিআইএ’র এজেন্ট।

যেহেতু কোটা সম্পূর্ণ বাতিল হয়েছে বা সিআইএ’র স্বার্থ তথা উপজাতি কোটা বাতিল হয়েছে তাই সিআইএ’র এজেন্ট ড. জাফর ইকবাল হুক্কা হুয়া করে ডাক দিয়েছে।

ড. জাফর ইকবালের এখানে স্বার্থ কি ?

সিআইএ’র যা স্বার্থ ড. জাফর ইকবালেরও সেই স্বার্থ। বিশেষ করে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত নতুন রাষ্ট্র গড়তে চায় সিআইএ’। এই প্ল্যান বাস্তবায়নে তাদের যে সংগঠন শীর্ষে কাজ করছে তার নাম ‘সিএইচটি কমিশন’। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ড. জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য বা মেম্বার (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10)।

এখন আপনি বলতে পারেন, সিএইচটি কমিশন যে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, তার দলিল কি ?

সিএইচটি কমিশনে বেশ কয়েকজন সদস্য আছে। এর মধ্যে তিন সদস্য- মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ, হুর্স্ট হননুম এবং এরিক এভাব্যুরি নিয়ে বলতে চাই।

-মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে ইস্ট তীমুর পৃথক করার সাথে জড়িত (সিএইচটি কমিশনের সাইটে তার প্রোফাইলে কিছু ইঙ্গিত পাবেন: (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10))। এছাড়া আমেরিকা চায় দালাইলামার মাধ্যমে তীব্বতকে চীন থেকে পৃথক করতে। সেই দালাইলামার উপদেষ্টও এই মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ।

-আরেক সদস্য হুর্স্ট হননুম নামক ব্যক্তিও পূর্ব তীমুরের বিচ্ছিন্ন হওয়ার সাথে জড়িত (সিএইচটি ওয়েবে তার প্রোফাইল দেখুন)।

-এরিক এভাব্যুরি সাবেক সদস্য, সে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ মারা যায়। এই ব্যক্তি সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য কাজ করেছে। এ সম্পর্কে Sudan Democratic Gazette, 1997 বইতে তথ্য পাওয়া যায়।

অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামের সিএইচটি কমিশন এমন একটি সংগঠন যেখানে এমন সব সদস্য রয়েছে যারা ইন্দোনেশিয়া থেকে পূর্ব তীমুর এবং সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য এক সময় কাজ করেছে। এখন সিএইচটি কমিশন নামক সংগঠনের ব্যানারে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে তিন পার্বত্য জেলাকে পৃথক করতে। এবং বলাই বাহুল্য পুরো কাজটি সিআইএ’র প্রজেক্ট।

তাহলে সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন হকও যে সিআইএ’র সম্পর্কিত সেটাও একই সূত্রে সহজে বলা যায়। আর যেহেতু, উপজাতি কোটা ছিলো সিআইএ’ প্রজেক্ট, আর সেই কোটা বাতিল হলে সিআইএ’ এজেন্ট ড. জাফর ইকবালের গায়ে লাগবে এটাই স্বাভাবিক। এবং সে কারণেই কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন মেরেছে জাফর ইকবাল।



===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 15, 2018

মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্ররা কি একদিন প্রতিবাদ করতে পারবে না ?


কোটা নিয়ে তো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক আন্দোলন করলো
মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্ররা কি একদিন প্রতিবাদ করতে পারবে না ?
শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। (https://bit.ly/2ISrAu6)
আমরা এতদিন দেখলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী কিভাবে শক্ত হয়ে কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করলো। এবং আন্দোলনে দৃঢ় থেকে প্রধানমন্ত্রীর থেকে আশ্বাসও পেলো। অথচ তাদের এই আন্দোলন করতে অনেক হুমকি ধামকি সহ্য করতে হয়েছে, তাদের উপর গুলি চালানো হয়েছে, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, মামলা দেয়া হয়েছে, এমনকি তাদের রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী ট্যাগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা আন্দোলন থেকে কিছুতেই পিছু হটে নি।
মাদ্রাসা মুসলিম ধর্মীয় শিক্ষার স্থান। মুসলিম ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকার কিভাবে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুসঙ্গ বৈশাখী পূজা ও মঙ্গল শোভাযাত্রা করতে বলে ? এটা তো মাদ্রাসা ছাত্রদের আদর্শের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ (২) অনুচ্ছেদ-এ আছে ‘কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোনও ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাকে কোনও ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশ নিতে বা যোগদান করতে হবে না’ (https://bit.ly/2v6XsJq)
তারমানে মাদ্রাসায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বা বৈশাখী পূজা পালন করা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন তথা সংবিধানবিরোধী। সুতরাং মাদ্রাসা ছাত্ররা যদি একযোগে পহেলা বৈশাখ বা মঙ্গল শোভাযাত্রা বয়কট করে তবে তারা কখনই আইন বিরুদ্ধ হবে না, বরং সরকার প্রেসার ক্রিয়েট করলে তা সংবিধানবিরোধী হবে।
সত্যিই বলতে এ ধরনের বয়কট বা বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য দরকার সৎ সাহস। যেটা কোটা বিরোধীদের ছিলো। মাদ্রাসায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বয়কট করার জন্য মাদ্রাসা ছাত্রদেরও সেই সৎ সাহস থাকা চাই। ভয়ে চুপসে গেলে হবে না। প্রয়োজনে প্রতিটি মাদ্রাসা গেটে পহেলা বৈশাখের দিন তালা ঝুলাতে হবে।
সবাই একযোগে পহেলা বৈশাখ বয়টক করতে বলুন। রাষ্ট্র কখন জোর করে এক ধর্মের মানুষকে অন্য ধর্মের সংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে পারে না। এটা ব্যক্তি স্বাধীনতা তথা সংবিধান বিরোধী। আপনারা প্রত্যেকে প্রত্যেকের মাদ্রাসায় ছাত্রদের মাঝে এ তথ্য পৌছে দিন। ফেসবুকে যোগাযোগ করুন। সবাইকে সবার ফেসবুক এক্যাউন্ট থেকে বলুন- “আমি পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা বয়টক করলাম” এ স্ট্যাটাস দিতে। সবাই সবার পরিচিতদের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে দিন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

কোটা আন্দোলনের থেকে বেশি জরুরী ছিলো সরকারি চাকুরীর পদ বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করা

গত কয়েকদিন বাংলাদেশের ছাত্র সমাজ কোটা পদ্ধতি তুলে দিতে বেশ আন্দোলন করেছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে কোটা আন্দোলনের থেকে বেশি জরুরী ছিলো সরকারী চাকুরী পদ বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন করা।
কারণ কোটার কারণে আর কয়টা পদ মুক্ত হয়েছে ? বছরে সর্বোচ্চ ১ হাজার ?
কিন্তু বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা সাড়ে ৪ কোটি ? তাদের কি হবে ?
তথ্য বলছে,
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি সংখ্যা = ২ কোটি ২২ লক্ষ, যা মোট জনংখ্যার ৭.৪%
পার্শ্ববর্তী ভারতে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি সংখ্যা = ২.১৫ কোটি, যা তাদের মোট জনসংখ্যার ১.৯% (২০১১ সালের হিসেব)
পাকিস্তানের সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি সংখ্যা = ২৮ লক্ষ, যা তাদের মোট জনসংখ্যার ১.৭% (২০০৮ সালের হিসেব)
অথচ বাংলাদেশে বতর্মানে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারি সংখ্যা মাত্র ১৩ লক্ষ, যা মোট জনসংখ্যার = ০.৮%
বাংলাদেশে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারির যে দরকার নাই, সেটাও কিন্তু নয়। সরকারী অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম লোক দেখা যায়। এতে কাজে দীর্ঘ সূতিত্রায় পড়তে হয়, আর সেই সুযোগে ঘুষ গ্রহণ স্বাভাবিক হয়ে দাড়ায়। কোর্ট-কাচারিতে মামলার জট, পড়ে আছে লক্ষ লক্ষ মামলা । প্রয়োজনের তুলনায় ম্যাজিস্ট্রেট-জাস্টিস কম। ১০-১৫ বছরের পুরোনো মামলা ঝুলে আছে। কজলিস্টে মামলা তুলতে দিতে হচ্ছে ঘুষ।
যদি বাংলাদেশের জনসংখ্যার ২% এর জন্য সরকারী চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি করা যায় তবে আরো নতুন ১৯ লক্ষ লোক সরকারী চাকুরী লাভ করবে ।
তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে, নতুন পদ সৃষ্টি করা তো অনেক পরের বিষয়, সরকারী চাকুরীতে এখনও প্রায় ৩ লক্ষ পদ খালি আছে, সেখানে লোক নেয়া হচ্ছে না (https://bit.ly/2gVGALr)। চাহিদা অনুযায়ী লোক নেয়া হতো, তবে এখনই ৩ লক্ষ লোক সরকারী চাকুরী পায়।
আমরা দেখি, প্রায় সরকারী চাকুরীদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়। কিন্তু এই বেতন বৃদ্ধির থেকে বেশি জরুরী সরকারী চাকুরীর পদ সংখ্যা বৃদ্ধি করা। যদি অধিক সংখ্যক লোককে সরকারী চাকুরী দেয়া যায়, তবে দেশের বিরাট বেকার জনগোষ্ঠীর সুবিধা হয়। কারণ রাষ্ট্রের সবার আগে এগিয়ে আসা উচিত বেকারদের বেকারত্ব ঘুচাতে। আর তা হলে রাষ্ট্রীয় কাজেও আসে গতি।
বাংলাদেশ সম্প্রতি উন্নয়নশীল দেশের খাতায় পরীক্ষামূলক নাম লিখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাঝে মাঝেই বলে দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। কিন্তু যে দেশে সাড়ে ৪ কোটি শুধু শিক্ষিত বেকার সে দেশ উন্নয়নশীল দেশের খাতায় নাম লেখালেই কি আর না লেখালেই কি ?
স্বাধীনতার পর কবি রফিক আজাদ লিখেছিলো : “ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাব”। বাংলাদেশ উন্নয়শীল দেশের খাতায় নাম লেখানোর পর দেশের সাড়ে ৪ কোটি শিক্ষিত বেকারেরও নিশ্চয়ই সেই ‘উন্নয়ন’ শব্দটাকে চিবিয়ে খেতে ইচ্ছা করবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ হয়েছে, রাজাকারদের জন্য যেন বিশেষ ব্যবস্থা চালু না হয়


এতদিন সরকারী চাকুরীতে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিলো। কিন্তু সেই কোটা এখন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যখন কোটা বিরোধী আন্দোলন চলছিলো, তখন মুক্তিযেদ্ধা কোটার পক্ষে কেউ কেউ বলেছে- “তবে কি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে রাজাকার কোটা চালু করা হবে ?”

গতকালকে প্রধানমন্ত্রী কোটা ব্যবস্থা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু কোন কোন যায়গায় উপজাতিদের বিশেষ ব্যবস্থায় সুযোগের কথা বলা হচ্ছে। অথচ ১৯৭১ সালে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো। বিশেষ করে সবচেয়ে বড় উপজাতি গোষ্ঠী চাকমা (মোট উপজাতি’র অর্ধেকেরও বেশি) –এর তৎকালীল প্রধান বা রাজা ত্রিদিব রায় ছিলো চিহ্নিত রাজাকার। তার রাজাকারগিরিতে পাকিস্তান এত খুশি হয়েছিলো যে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সে পাকিস্তান পালিয়ে গেলে তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে সম্মানিত করা হয়। সেই চাকমা রাজার ছেলে বর্তমান চাকমাদের প্রধান। আসলে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান-চীন-আমেরিকা একজোট ছিলো। সে কারণেই বাংলাদেশে সকল উপজাতি গোষ্ঠীগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এর একটি বিশেষ উদহারণ হতে পারে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। সেও কিন্তু মনিপুরী উপজাতি, যে নিজ মুখেই স্বীকার করেছে সে একজন শান্তি কমিটির মেম্বার এবং পরবর্তীতে আওয়ামী সরকারও স্বীকার করে নেয় সিনহার স্বাধীনতা বিরোধী অবস্থানের কথা।

সে দিক বিবেচনা করে, যদি এখন উপজাতিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়, তবে বিষয়টি দাড়াবে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে রাজাকারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা। হতে পারে এটা হয়ত গায়ের জোরে করা হবে। কিন্তু এর মাধ্যমে কিন্তু একটি কালো ইতিহাস রচিত হবে। আজীবন সবাই বলে যাবে- আওয়ামী সরকার মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে, রাজাকারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করে গেছিলো।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------