Showing posts with label কর্পোরেটোক্রেসি. Show all posts
Showing posts with label কর্পোরেটোক্রেসি. Show all posts

Thursday, March 14, 2019

কর্পোরেটরেটরা এখানে এসে দুইটি জিনিস চাইবে- সস্তায় শ্রম ও দেশের বাজার

আপনাদেরকে ‘কর্পোরেটোক্রেসি’ শেখানোর সময় আমি বলেছিলাম,
বাংলাদেশে নতুন ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যে বিদেশী কর্পোরেটরেটরা আসতেছে, তারা এখানে এসে দুইটি জিনিস চাইবে:
ক) সস্তায় শ্রম
খ) দেশের বাজার

কিন্তু দেশের জনগণের ব্যক্তিগত ব্যবসা-বাণিজ্য যতদিন টিকে আছে, ততদিন তারা সস্তায় শ্রমিকও পাবে না, আবার দেশের মার্কেট পুরোপুরি দখলেও নিতে পারবে না। এজন্য দেশের জনগণের ব্যবসা বাণিজ্য আগে ধ্বংস করতে হবে। দেশের প্রাইভেট সেক্টরগুলো যখন পথে বসে যাবে, তখন অসংখ্য মানুষ বেকার হয়ে যাবে, ফলে ইকোনোমিক জোনগুলোতে বিদেশীরা অনেক সস্তায় শ্রমিক পাবে। পাশাপাশি দেশের ১৮ কোটি জনগণের জন্য পন্য তৈরীর বিশাল বাজারও পাবে।

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস করার জন্য যেসমস্ত প্ল্যান তারা নিয়েছে, সম্ভবত তার মধ্যে অন্যতম হলো ব্যবাসায়ীক কেন্দ্রগুলোতে আগুন লাগানো। ব্যবসা ধ্বংস করার আরো অনেক পলিসি আছে, কিন্তু আগুনে কাজ হয় দ্রুত। এটা অবশ্য অনেক পুরানত পলিসি। ভাস্কো দা গামা যখন ইউরোপ থেকে এ অঞ্চলে এসেছিলো তখন সে এ অঞ্চলে ব্যবসায়ীদের জাহাজগুলোতে আগুন লাগাতো। 

নিচে আমি একটা লিস্ট দিলাম, গত ১ মাসে যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের খবর মিডিয়াতে এসেছে। সারা দেশের ৫৬টি পৃথক ঘটনা বিদ্যমান, যেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান, বাজার, কারখানা, গুদাম ও শপিং সেন্টারে আগুন লাগার খবর আছে। এর আগে বাংলাদেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এত গণহারে আগুন লেগে ধ্বংস হওয়ার ঘটনা ঘটেছিলো কি না, তা আমার জানা নাই।

গত ১ মাসে বিভিন্ন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরার তালিকা:
১) কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৩ ঘণ্টায় পুড়ে ছাই ১০৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
(https://bit.ly/2HumJl9)
(২) এবার পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজারে আগুন
(https://bit.ly/2NYq9Of)
৩) কারওয়ান বাজারে গোডাউনে আগুন
(https://bit.ly/2GXrAvB)
৪) রাজবাড়ী বড় বাজারে আগুন
(https://bit.ly/2SYbq70)
৫) সাতক্ষীরার তালার কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2CaTpwA)
৬) পাবনায় মাসুম বাজারে আগুন
(https://bit.ly/2Ht8uwP)
৭) বান্দরবানের লামায় বাজারে গভীর রাতে আগুন, ক্ষতি ১ কোটি
(https://bit.ly/2Tsyxvw)
৮) বাঁশখালীর চাম্বল বাজারে আগুন, বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত
(https://bit.ly/2Cdjrzq)
৯) রাজধানীর মৌচাক-আনারকলি মার্কেটে আগুন
(https://bit.ly/2UwRGbY)
১০) রামপুরায় মোল্লা টাওয়ারে আগুন
(https://bit.ly/2HnAyC1)
১১) আশুলিয়ায় করিম সুপার মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট
(https://bit.ly/2NWgmbp)
১২) নবাবপুরের বারিক প্লাজায় আগুন
(https://bit.ly/2tUuCsc)
১৩) টঙ্গীতে এননটেক্স গ্রুপের পেপার মিলে আগুন
(https://bit.ly/2EOOUbA)
১৪) চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি দোকান ও ১২টি গোডাউন পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2CfY8Nt)
১৫) রাজধানীর খিলক্ষেতের বটতলায় ইলেকট্রনিক শোরুমে আগুন
(https://bit.ly/2Ce5KQx)
১৬) রংপুরে পিস তৈরীর কারখানায় ভয়বাহ আগুন
(https://bit.ly/2J5KiTU)
১৭) ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে আগুন
(https://bit.ly/2CaUggM)
১৮) রাজধানীর নন্দীপাড়ায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন
(https://bit.ly/2TujOjF)
১৯) গাজীপুরে ১১ ঝুট গুদামে আগুন, নয় ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণে
(https://bit.ly/2VRSUPA)
২০) মাধবদীতে কাপড়ের গুদামে আগুন
(https://bit.ly/2F5WiRd)
২১) টঙ্গীতে কারখানার তুলার গুদামে আগুন
(https://bit.ly/2TKhMLy)
২২) সিদ্ধিরগঞ্জে কয়েল তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2TvQIj0)
২৩)  ডেমরায় ফোম কারখানায় আগুন
(https://bit.ly/2UqVqfm)
২৪) জামালপুরে বাজারে অগ্নিকাণ্ডে তুলার কারখানা ভস্মীভূত
(https://bit.ly/2TM6Xsi)
২৫)  পাবনার সদরে আরিফপুর বাণিজ্য কেন্দ্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2NW6deV)
২৬) গাজীপুরে ইলেকট্রনিক্সের দোকানে অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2HrKxpH)
২৭) ফটিকছড়িতে ৯ দোকানে অগ্নিকাণ্ড, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি
(https://bit.ly/2VOQKjx)
২৮) শিবপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৬টি দোকান পুড়ে গেছে
(https://bit.ly/2J7F3mB)
২৯) কোম্পানীগঞ্জে ছয় দোকানে আগুন
(https://bit.ly/2SX6ejx)
৩০) সিলেটের বিগবাজারে অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2THR9a6)
৩১) রুপগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাই
(https://tinyurl.com/y39hsp5q)
৩২) কচুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দোকান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2u3U4eE)
৩৩) নওগার আত্রাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে দোকান ভস্মীভূত
(https://bit.ly/2SVYb6Q)
৩৪) চট্টগ্রাম ইপিজেডে আগুনে পুড়ে ৬ দোকান ছাই
(https://bit.ly/2VPQd0P)
৩৫) নড়াইলের লোহাগড়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকানের মালামাল ভস্মীভূত
(https://bit.ly/2STBMqI)
৩৬) খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বোয়ালখালী নতুন বাজারে অগ্নিকাণ্ড
(https://bit.ly/2EPNYUu)
৩৭) শেরপুরে কৃষি পণ্যের গোডাউনে আগুন, অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি
(https://bit.ly/2NYwc5p)
৩৮) মিরসরাইয়ে ১৫দিনে ৭ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩, পনের কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি
(https://bit.ly/2F3WC2W)
৩৯) শেরপুর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে কাপড়ের দোকানে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি
(https://bit.ly/2Ho7g6e)
৪০) সীতাকুন্ড থানার বাড়কুণ্ড বাজারে ভয়াবহ আগুন ৬টি ত দোকান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2VRUZuS)
৪১) বগুড়ার ধুনটে অগ্নিকাণ্ডে তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2tYxfZY)
৪২) খাগড়ছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে গুদাম পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2EUaEmk)
৪৩) দিনাজপুরে আগুনে ২০ দোকান ছাই
(https://bit.ly/2Hf12Gk)
৪৪) টাঙ্গাইলে দেলদুয়ারে বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ২০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2THURjY)
৪৫) কুমিল্লায় সুপার মার্কেটে আগুন, সাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2F5aSsf)
৪৬) ভৈরবে আগুনে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2SXIZGm)
৪৭) রাঙ্গামাটিতে বাজারে আগুন, ৩৬ দোকান পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2TKjUmw)
৪৮) উখিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ছন বাজার পুড়ে ছাই
(https://bit.ly/2Hrmasf)
৪৯) নরসিংদী বড় বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি
(https://bit.ly/2u18z2X)
৫০) টেকনাফে লেদা টাওয়ারে অগ্নিকান্ড : দুই কোটি টাকার ক্ষতি
(https://tinyurl.com/y3cvgaw9)
৫১) ময়মনসিংহে আগুনে ২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
(https://tinyurl.com/yy4h7c53)
৫২) জামালপুরে বকশীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোটি টাকার ক্ষতি
(https://tinyurl.com/y6zeju3n)
৫৩) শাহরাস্তিতে অগ্নিকাণ্ড : ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই
(https://tinyurl.com/yywghm9g)
৫৪) ভোলার সদরে আগুনে পুড়ল দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
(https://tinyurl.com/y48p75ck)
৫৫) গাইবান্ধায় আগুনে পুড়ে গেল ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
(https://tinyurl.com/y5swhvze)
৫৬) লালমোহনে আগুনে পুড়ল ৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
(https://tinyurl.com/yxwgz3zq)

----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, March 6, 2019

কর্পোরেটোক্রেসি


চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ’ (আইইবি)।  এই তদন্ত প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে কথা বলবো।  তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে,

“ওয়াহেদ ম্যানশনের দ্বিতীয় তলায় প্রসাধনী সামগ্রী মজুদ ছাড়াও খালি ক্যানে পারফিউম, এয়ার ফ্রেশনার রিফিল করা হতো।  এগুলো উদ্বায়ী ও দাহ্য পদার্থ।  পারফিউমের অন্যতম উপাদান ইথানলের ফ্ল্যাশ পয়েন্ট ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  এয়ার ফ্রেশনারের ক্যানে প্রোপিল্যান্ট (Propellant) হিসেবে এলপিজি ব্যবহৃত হয়।  বাতাসে এয়ার ফ্রেশনারের ঘনত্ব আনুমানিক শতকরা একভাগ হলেই তা দাহ্যতার নিম্নসীমা অতিক্রম করে এবং স্ফুলিঙ্গের উপস্থিতিতে আগুন ধরে বিস্ফোরণ হতে পারে।   এলপিজি সাধারণত নিচু ও বন্ধ জায়গায় জমা হয়।  জমাটবাধা এলপিজি অনেকদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে এবং স্ফুলিঙ্গের সংস্পর্শে আসামাত্র ফ্ল্যাস ব্যাকের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।” (https://bit.ly/2tRpzc1)

ভালোভাবে রিপোর্টটা খেয়াল করুন, রিপোর্টে প্রথম যে বিষ্ফোরণ হলো, সেটার জন্য দায়ী করা হচ্ছে, এলপিজি গ্যাসকে, যা যে কোন পারফিউমের বোতলে ‘প্রোটিল্যান্ট’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  তদন্ত প্রতিবেদন ভালোভাবে খেয়াল করুন, সেখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে, “এলপিজি সাধারণত নিচু ও বন্ধ জায়গায় জমা হয়।  জমাটবাধা এলপিজি অনেকদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে এবং স্ফুলিঙ্গের সংস্পর্শে আসামাত্র ফ্ল্যাস ব্যাকের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।”

কি বুঝলেন ?

এলপিজি বলতে এখানে বুঝাচ্ছে বিউটেন’কে।  আমরা বাসাবাড়িতে যে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করছি, এটাও কিন্তু এলপিজি বা বিউটেন।  সরকারীভাবে যে প্রাকৃতিক গ্যাস লাইনে আসে, সেটা হলো মিথেন গ্যাস।  মিথেন গ্যাস তুলনামূলক হালকা, এটা সামান্য একটু জানলা খোলা পেলেই উড়ে যায়।  কিন্তু বিউটেন গ্যাস তুলনামূলক ভারি।  আমরা বাসাবাড়িতে যে সিলিন্ডার ব্যবহার করছি, সেটা যদি কোন কারণে লিক হয়ে যায়, অথবা কেউ অসাবধানতাবশত গ্যাসের চুলায় গ্যাস ছেড়ে দেয় তবে তা উড়ে না গিয়ে জানালা দিয়ে বের না হয়ে ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে জমা হতে থাকে।  ফলে সেই গ্যাস জমে থাকার মধ্যে কেউ যদি ম্যাচের কাঠি জ্বালায় তবে পুরো ঘরের মধ্যে বিষ্ফোরণ ঘটবে, যেটা ঘটেছে ওয়াহিদ ম্যানসনের দুইতলায়।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা বাসাবাড়িতে আর গ্যাস সংযোগ দিতে নিষেধ করেছে এবং এলপিজি গ্যাস ব্যবহারে সবাইকে অভ্যস্থ হতে বলেছে (https://bit.ly/2XEqI4n)।  কেউ নিজের ঘরে এলপিজি সিলিন্ডার নিতে পারে, আবার অনেক ফ্ল্যাট বাড়ির নিচে এলপিজি স্টোরেজ বানাবে, সেখানেই গাড়ি এসে গ্যাস দিয়ে যাবে।  এসব ক্ষেত্রে যেটা হবে, ঘরের ভেতর রাখা এলপিজি বিষ্ফোরণ ঘটলে শুধু ঐ বাড়িটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কিন্তু বাড়ির নিচে যে বড় স্টোরেজ বানানো হবে, সেটাতে যদি কোন কারণে বিষ্ফোরণ ঘটে তবে পুরো এলাকা উড়ে যাবে।

তারমানে সরকার আবাসিক এলাকার অজুহাতে পুরান ঢাকার দাহ্য (flammable) পর্দাথ অপসারণ করতে বলছে, কিন্তু নিজেই বাসাবাড়িতে  বিষ্ফোরক (explosive)
এবং বিষ্ফোরক গুদাম বানাচ্ছে।  বিষয়টা কি সম্পূর্ণ দ্বিচারিতা হয়ে গেলো না ??

আসলে এসব দাহ্য-আগুন কিছু না।  ছোটবেলায় গল্পে পড়েছিলাম, “হরিণ বাঘকে বলেছিলো, আমি তো তোমার পানি ঘোলা করিনি, তবে আমাকে খাবে কেন ?” উত্তরে বাঘ বলেছিলো, “তুই ঘোলা করিসনি তো কি হয়েছে, তোর বাপ-দাদা তো ঘোলা করেছিলো। ” সরকারের মাস্টার প্ল্যান পুরান ঢাকায় ৪শ’ বছর ধরে গড়ে ওঠা দেশীয় শিল্প ও বাণিজ্যগুলোকে ধ্বংস করবে, সেটা যে অজুহাতেই হোক।

সরকারের সেই ইচ্ছাটাই কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনে কৌশলে শেষে জোড়া দেয়া হয়েছে।  তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, “পুরান ঢাকার রাস্তাগুলো অত্যন্ত সরু এবং সড়কগুলো যানবাহন চলাচলের অযোগ্য। এই এলাকার বাসিন্দাদের পর্যায়ক্রমে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পিত নগরায়ণের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া।”

এটা হলো সরকারের অভ্যন্তরীণ প্ল্যান, যাকে বলা হচ্ছে, “আরবান ল্যান্ড রিডেভেলপমেন্ট” প্রকল্প, অর্থাৎ পুরান ঢাকার বাড়িঘরগুলো ভেঙ্গে আবার নতুন করে গুলশান-বনানীর মত করে পরিকল্পিত এলাকা তৈরী করা।  এই প্রকল্প বাস্তবায়নে মেয়র সাঈদ খোকন দু’বছর ধরে কাজ করছে, কিন্তু সফল হচ্ছে না।

ব্যক্তিগতভাবে আমিও এ প্রকল্পের সরাসরি বিরুদ্ধে নই, কিন্তু শর্ত হলো পুরান ঢাকায় যে দেশীয় শিল্প ও বাণিজ্যগুলো ৪শ’ বছর ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছে, সেগুলোর উচ্ছেদ না করে সঠিক পুনর্বাসন করে আগে অন্যত্র যায়গা দিতে হবে এরপর উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।  এজন্য প্রয়োজনে তাদের ঋণ ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে হবে।  কিন্তু সরকার সম্ভবত সেটা চায় না।  সরকার চায়, পুরান ঢাকায় ৪শ’ বছর ধরে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসকল শিল্প ও বাণিজ্যগুলোকে আবাসিক এলাকা ট্যাগ দিয়ে উচ্ছেদ করতে এবং ধ্বংস করতে।  ধরে নিলাম, পুরান ঢাকা রিডেভেলপমেন্ট করলে নদীর পাড়ে স্বাস্থ্য সচেতন একটি সুন্দর আবাসিক এলাকা গড়ে উঠবে, কিন্তু এইসব দেশীয় শিল্প ও বাণিজ্যের সাথে যে কোটি কোটি লোকের পেট-রুজি জড়িত তাদের কি হবে ? তাদেরকে কে কর্মসংস্থান দিবে ? কে খাবার দিবে ? বেগুনবাড়ি বস্তি ভেঙ্গে হাতিরঝিল বানানো যায়, দেখে প্যারিস, লস অ্যাঞ্জেলস বা হলিউড মুভির আনন্দও নেয়া যায়, কিন্তু বেগুনবাড়ি বস্তি উচ্ছেদের পর সেই দরিদ্র পরিবারটি কোথায় আছে, তার ছোট্ট শিশুটি না খেতে পেয়ে, চিকিৎসার অভাবে মারা গিয়েছে না বেচে আছে, সেটার খবর রাখা সত্যিই দূরুহ ব্যাপার।

নিউইয়র্ক টাইম যখন চুড়িহাট্টা নিয়ে খবর করে, তার হেডিং ছিলো, “ধনীদের লোভের আগুনেই পুড়েছে চকবাজার : নিউইয়র্ক টাইমস” (https://bit.ly/2C0iVo3)।
খবরের ভেতরে তারা ‘ধনী ব্যবসায়ী’ টার্মটা ব্যবহার করছে।
আপনারা জানেন, ব্রিটিশরা যখন এ অঞ্চলে আসলো তখন তারা প্রথমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে এ অঞ্চলের ধনী মুসলমানদের থেকে সম্পত্তিগুলো কেড়ে নিয়েছিলো।  কারণ তারা জানতো, সমাজে যদি ‘ধনী’ শ্রেণীর অস্তিত্ব থাকে, তবে সেই সমাজে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব না।  ঠিক একইভাবে এ অঞ্চলে ক্ষমতা পুরোপুরি হাতে নিতে সম্রাজ্যবাদী কর্পোরেটরাও একই উপায়ে এ অঞ্চলের ধনী তথা ধনী ব্যবসায়ীদের ফেলে দিতে চায়। (শুধু টিকে থাকবে গুটি কয়েক, যারা তাদের আজ্ঞাবহ ও গোলাম হয়ে থাকবে, যেভাবে ব্রিটিশ আমলে হিন্দু জমিদাররা ছিলো)।

সেই ধনী ব্যবসায়ীদের শেষ করার প্রক্রিয়ায় গতকাল মিডিয়ায় দেশের ৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকায় আগুনের খবর দেখলাম:
১) আশুলিয়ায় ঝুট গোডাউন ও সুতার কারখানায় আগুন (https://bit.ly/2SNmd3W)
২) সিদ্ধিরগঞ্জে কারখানায় আগুন।  (https://bit.ly/2TvQIj0)
৩) মিরপুর শপিং সেন্টারে আগুন (https://bit.ly/2EDsiLg)
৪) কারওয়ান বাজার গোডাউনে আগুন (https://bit.ly/2SM9H4o)

এজন্যই আমি ২ বছর ধরে আপনাদের সতর্ক করতেছিলাম, বলেছিলাম খুব শিঘ্রই বাংলাদেশে কর্পোরেটোক্রেসি’র বড় রূপ আসতেছে। দেশের শিল্প-বাণিজ্য ধ্বংস হবে, বিদেশী কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর আগমণ হবে, তাদের সুবিধার জন্য আগে থেকেই জনগণের টাকায় বড় বড় আবকাঠামো নির্মাণ হবে, ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে জনগণের জীবন ব্যয় বেড়ে যাবে, বাড়িভাড়া আর খাবার খরচ যোগাতে ঘরের বাবা-মা-ভাই-বোন সবাই বিদেশী কর্পোরেট কোম্পানিতে নামমাত্রমূল্যে দাস হবে। একটা জাতিকে চিরস্থায়ী দাসে পরিণত করতে যে  প্ল্যান তাকেই বলে ‘কর্পোরেটোক্রেসি’, যার মূল প্ল্যান ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের, আর ফিল্ডে বাস্তবায়ন করে ঐ দেশের সরকার।
----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, July 24, 2018

বাংলাদেশ বিক্রি করে দিচ্ছে শেখ হাসিনা সরকার, বিক্রির পলিসির নাম ‘কর্পোরেটক্রেসি’

আজকে খবরে আসছে, তিন মাসের মধ্যে নোয়াখালী বিমানবন্দরের ভিত্তি প্রস্তর: মন্ত্রী (https://bit.ly/2O9EdEr)
শুধু নোয়াখালী নয়, শরীয়তপুর ও বগুড়ায়ও নতুন বিমানমন্দর হবে। নোয়াখালীর বিমান বন্দরটি বানানোর প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার কোটি টাকা (চূড়ান্ত ব্যয় ১ লক্ষ কোটিও হতে পারে)। আমার কথা হলো, মানুষ বাসে চড়ার ভাড়া পায় না বিমান বন্দর দিয়ে কি করবে ? দেশের মূল এয়ারপোটর্ মানে শাহজালাল বিমানবন্দরের নাকি অর্ধেকও এখন ব্যবহার হয় না। তাহলে এত এত বিমানবন্দর কেন ?
এটা ঠিক, বিমানবন্দর বানানোর নাম দিয়ে বহু টাকা চুরি করা যাবে। তবে এর পেছনে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও আছে। যাকে বলছে ‘কর্পোরেটোক্রেসি। জন পার্কিন্সের লেখা ‘একজন অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারক্তি’ শিরোনামের বইটা পড়লে সহজে বুঝতে পারবেন, কিভাবে বর্তমান সরকার এসব উন্নয়নের নামে বাংলাদেশকে সম্রাজ্রবাদীদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে।
‘কর্পোরেটোক্রেসি’ ষড়যন্ত্র শুরু হওয়ার লক্ষণ হলো, আক্রান্ত দেশে প্রচুর বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে, বিমানবন্দর হবে, ফাইভ স্টার হোটেল হবে (https://bit.ly/2NEYhxx), বড় বড় রাস্তাঘাট, ফ্লাইওভার হবে। যা ঐ দেশের জনগণের জন্য মোটেও এখন দরকারি কোন বিষয় না, কারণ ঐ দেশের মানুষ এখন দুইবেলা দুইমুঠো খেতে চায়, বিমানে চড়ে ঘুরতে চায় না। তাহলে এগুলো কেন ?
সম্রাজ্যবাদীরা বাংলাদেশের সম্পদ লুটপাট ও সস্তায় শ্রমিক নেয়ার জন্য আসবে। ইতিমধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরী হচ্ছে (https://bit.ly/2JLPZkR)। এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদেশী কোম্পানিগুলো লাগবে প্রচুর বিদ্যুৎ। আর সেকারণে-
১) পাবনার রূপপুরে রাশিয়া এক লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বানাচ্ছে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র
২) বরিশালে হচ্ছে আরেক পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র যার খরচ সোয়া এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি।
৩) কক্সবাজারের মহেশখালীতে ৩৬ হাজার কোটি ব্যয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাচ্ছে আমেরিকার জিই,
৪) পটুয়াখালীতে ৭০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাচ্ছে জার্মানির সিমেন্স,
৫) কক্সবাজারে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র জাপান,
৬) খুলনার রামপালে ১৭ হাজার কোটি টাকা দিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাচ্ছে ভারত,
৭) পটুয়াখালীতে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করে আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাচ্ছে চীন
এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জনগণের জন্য নয়। আর বাংলাদেশের এত বিদ্যুৎ-ও দরকার নাই। এগুলো ব্যবহার করবে বিদেশী কোম্পানিগুলো, কিন্তু এর খরচ কিন্তু বিদেশীরা দিবে না। দেবে বাংলাদেশের সাধারণ জনগন। ফলে চালের মুল্য বেড়ে কেজি ২০০ টাকা হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। খাদ্যদ্রব্যের দাম যখন চরমে উঠবে, তখন বাড়ির বাবা-মা-ভাই-বোন মিলে সব একযোগে সম্রাজ্যবাদী কলকারখানায় নামমাত্র মূল্যে দাসে পরিণত হবে। আর আধুনিক দাসত্বের নামই হলো কর্পোরেটোক্রেসি।
জন পার্কিন্সের লেখা একজন অর্থনৈতিক ঘাতকের স্বীকারক্তি বইটি পড়লে দেখবেন, সম্রাজ্যবাদী কর্পোরেট কোম্পানিগুলো কিভাবে নিজেদের প্রয়োজনে দক্ষিণ আমেরিকাতে এসব পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করেছে, কিন্তু খরচ নিয়েছে জনগণের কাছ থেকে। বইয়ের মধ্যে স্পষ্ট আছে, তারা জানে এসব পাওয়ার প্ল্যান্টের কারণে ঐ অঞ্চলের পরিবেশ মারাত্মক দুষণ হবে। কিন্তু তারপরও তারা করেছে। বাংলাদেশেও রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, রুপপুর বা বরিশালের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে পরিবেশ ধ্বংস হবে। (https://bit.ly/2O5bznO) কিন্তু তারপরও সেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে। কারণ এটাই কর্পোরেটোক্রেসি।
মূল কথা, তারা ঐ দেশের সম্পদ চুষে খাবে, কিন্তু তার প্রতিক্রিয়া বা ‘বিষ’ বহন করতে হবে জনগণকে। আর পুরো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হবে ঐ দেশের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসকের মাধ্যমে।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এ অঞ্চলকে ২০০ বছরের জন্য দাসে পরিণত করেছিলো, তখন বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো মীর জাফর। আর এখন শেখ হাসিনা সামান্য কিছু টাকার লোভে ফের বাংলাদেশকে ঐ সম্রাজ্যবাদী কর্পোরেটদের হাতে তুলে দিচ্ছে। সবাই সাবধান।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, May 10, 2018

বাংলাদেশের মানুষের খাবার পানিকে ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র


গত ৩০শে এপ্রিল, ২০১৮ সালের বিডিনিউজের খবর। পুরোটা খবর পড়বেন। 
খবরের অর্ধেক পড়ে মনে হবে, দেশের মানুষকে বিশুদ্ধ পানি খাওয়ানেই মনে হয় বিডিনিউজ২৪ এর উদ্দেশ্য। কিন্তু পুরো খবরটা শেষ হলে বুঝবেন, আসলে এটা ইউনিলিভারের ‘পিউরইট’ ফিল্টারের বিজ্ঞাপন, তবে নিউজটা করা হয়েছে কৌশলে। (https://bit.ly/2wuEqgH)

আমি আপনাদের অনেক আগেই বলেছি, বাংলাদেশের যারা ‘বিশুদ্ধ পানি’, ‘বিশুদ্ধ পানি’ করে রব তুলছে, এদের আসল উদ্দেশ্য জনগণকে বিশুদ্ধ পানি খাওয়ানো নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষের খাবার পানিকে ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেয়া। এজন্য তারা লোকাল সিস্টেমগুলোর (যেমন: জারে ভরে পানি বা আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার) বিরুদ্ধে বলবে এবং নিজেদের সিস্টেমের সুনাম করবে। এরপর তারা যা খাওয়াবে সেটাই আমাদের খেতে হবে, কিন্তু মাঝখান দিয়ে প্রত্যেক জনগণকে নিজ দেশের পানি খেতে ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের একটা বখরা দিতে হবে, যে পলিসি নাম - কর্পোরেটোক্রেসি ।
আমি কিন্তু এও বলেছিলাম, এই সব পলিসিগুলো জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘের ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ নামক ১৭টি মাস্টারপ্ল্যানের মধ্যে পড়ে, সেই চূক্তিতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সই করে এসেছে, যার মধ্যে ৬ নম্বর হচ্ছে খাবার পানি। (https://bit.ly/2GT4xiP)

ইহুদীবাদী কোম্পানি ইউনিলিভার চায়, বাংলাদেশের মানুষের পানির নিয়ন্ত্রণটা নিজ হাতে নিতে। এজন্য তারা ইহুদীসংঘ বা জাতিসংঘের ইউএনডিপির সাথে চূক্তিও সেড়ে ফেলেছে। বিডিনিউজের খবরের ভেতরে :
“টেকসই উন্নয়নের এই লক্ষ্য ‘সবার জন্য নিরাপদ পানি’ নিশ্চিতের উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ। এসডিজি অর্জনে ইউএনডিপির সঙ্গে ইউনিলিভারের চুক্তি হওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিপণন প্রধান তানজিন ফেরদৌস বলেন, “আমরা চিন্তা করছি, ইউএনডিপিসহ বাংলাদেশে যারা আছে, পৃথিবীর যারা বাংলাদেশে কাজ করতে চান, এজেন্সি, ডোনার, প্রাইভেট সেক্টর সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করতে চাই। সেটা আমরা এখন তৈরি করছি।” তানজিন ফেরদৌস বলেন, “আমরা চাই সারা বাংলাদেশের সবাই যেন সাধ্যের মধ্যে নিরাপদ পানি পান করতে পারে। আমরা সরকারের কাছেও যাব, কীভাবে সরকার এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারে সে বিষয়ে পাশে থাকার জন্য।” (https://bit.ly/2wuEqgH)

ইউনিলিভার পানি পরিশোধনে যে প্রযুক্তি এনেছে তা ‘পিউর-ইট’ নামক একটি ফিল্টারের মাধ্যম দিয়ে ইতিমধ্যে তারা বাজারে ছেড়েছে। এটাকেই তারা অনেক উন্নত বলে প্রচার করছে এবং সব সিস্টেম বন্ধ করে এটা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক আগে ওদের এই পিউর-ইট ফিল্টার একটা কিনেছিলাম। কেনার পর আমার মনে হয়েছে, পুরা টাকাটাই ফেলা। পুরাই ফালতু ও লো-কোয়ালিটি। একবার জনগণকে গেলাতে পারলে ফালতু মালটা ঠিক করার নাম দিয়ে বার বার টাকা নেয় তারা। এটা ব্যবহারের পর বাসায় পেটের অসুখ অনেকে বেড়ে গিয়েছিলো।

এটার মধ্যে সমস্যা শুধু যে আমার তা নয়। বরং গ্রাহকদের সাথে পিউট-ইট নামক ফিল্টার দিয়ে যে প্রতারণা করা হচ্ছে সেটা নিয়ে শেয়ারবিজ নামক একটি পত্রিকা দুটি রিপোর্ট করে-

১) গ্রাহককে ঠকাচ্ছে ইউনিলিভার : পিউরইটের মান নিয়ে প্রশ্ন -https://bit.ly/2rzimMV
২) ইউনিলিভারের পিউরইটে তেলাপোকা -https://bit.ly/2jMjWqv

আমি আগেই আপনাদের বলেছি, সম্রাজ্যবাদী তথা ইহুদীবাদীদের একটি বিশেষ স্বভাব হচ্ছে, তারা জনগণের কোন একটি সমস্যা নিয়ে খুব লাফালাফি করবে অথবা নিজেরাই খুচিয়ে কোন সমস্যাকে হাইলাইট করবে, কিন্তু এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য ঐ সমস্যার সমাধান করা নয় বরং নিজেদের মতবাদ/পন্য বিক্রয় করা। যেমন তারা ধর্ষণ নিলে লাফায়, কিন্তু তাদের আসল উদ্দেশ্য ধর্ষণ বন্ধ নয়, বরং নারীরা যেমন খুশি তেমন পোষাক পড়বে সেটা চালু করা।

ইতিমধ্যে কৃষিকে জিএমও’র মাধ্যমে বিদেশী কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য চুক্তি করেছে কৃষিমন্ত্রনালয়। এখন যেন নতুন খাবার পানিকেও যেন ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের হাতে তুলে না দেয়, সেজন্য জনগণকে আগে থেকেই সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------