Showing posts with label মুসলমানদের করণীয়. Show all posts
Showing posts with label মুসলমানদের করণীয়. Show all posts

Friday, March 22, 2019

মুসলমানদের হৃদয় জয় করলো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী


চট্টগ্রামে অনেক ছোট ছোট পাহাড় বা টিলা আছে, সেই পাহাড় আরোহণ করা কিন্তু কঠিন কোন বিষয় নয়। যে কেউ যে কোন উপায়ে সেই পাহাড় জয় করতে পারে। মাঝে মাঝে খবর আসে, ঐ পাহাড়গুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি ব্যবসায়ীরা।

অপরদিকে হিমালয় পাহাড়ের কথা ভাবুন, সারা বিশ্ব তাকে এক নামে চিনে। তার যেমন ওজন, তেমন উচ্চতা। সেই হিমালয় পাহাড় জয় করা কিন্তু সহজ নয়। পাশাপাশি ঐ হিমায়লকে কেটে নেয়ার কথা কেউ চিন্তাও করতে পারে না।

তারমানে যার ওজন যত বেশি, তাকে জয় করাও তেমন কঠিন।
আবার যাকে জয় করা কঠিন তার অস্তিত্বও তেমন শক্ত।
কিন্তু যাকে জয় করা সহজ, তার অস্তিত্বও  সহজ।

আমরা দেখতে পাচ্ছি,
নিউজিল্যান্ডে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন মুসলমান নিহত হওয়ার পর নিউজল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সেই হতাহতের দায় নেয়া তো দূরের কথা, উল্টো মুসলমানদের হৃদয়-ই জয় করে নিয়েছে।
আহহা! কত সহজ মুসলমানদের হৃদয়,
একই সূত্রে মুসলমানদের অস্তিত্বও সহজ,
৫০-১০০ মুসলমান মরলে মুসলমানরাই এখন হিসেব করে না।
মাথায় একটা পট্টি বানলে, আর মুখে  দুই-চারটা আরবী শব্দ উচ্চারণ করলেই মুসলমানরা খুশি হয়ে যায়।
মুহুর্তেই ভুলে যায় ভাই হারানোর বেদনা, স্বজন হারানোর কষ্ট।
আসলেই কি মুসলমানদের আলাদা কোন অস্তিত্ব আছে ??

নিউজিল্যান্ডে ৫০ জন হত্যার পর মুসলমানদের প্রধান দাবী হওয়ার দরকার ছিলো:
১) নিউজিল্যান্ডে মৃত্যুদণ্ড বিধান নেই। তারমানে ৫০ জনকে হত্যা করেও ট্যারেন্টের মৃত্যুদণ্ড হবে না। ট্যারন্ট মুসলমানদের হত্যা করেছে এবং মুসলিম আইনে হত্যার বদলে হত্যা। তাই নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যিই মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল হয় তবে, আইন পরিবর্তন করে ট্যারেন্টকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক।
২) ট্যারেন্ট এর খুনের সাথে ‘২৫ এপ্রিল-আনজাক দিবস’ দিবসের চেতনা জড়িত। রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা এই দিবসকে কেন্দ্র করেই নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় খ্রিষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও মুসলিম বিদ্বেষী চেতনার উদ্ভব ঘটে। নিউজিল্যান্ড যদি এতই মুসলিম প্রেমী হয়, তবে সেই ‘আনজাক দিবস’ নিউজিল্যান্ডে নিষিদ্ধ করুক। একটা বিষয় লক্ষ্য করবেন, বাংলাদেশের শিক্ষা সিলেবাস থেকে ‘জিহাদ’ নিয়ে আলোচনা বাদ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষা সিলেবাসে এই জিহাদ নিয়ে আলোচনার কারণে কি ৫০ জন অমুসলিম নিহত হয়েছিলো ? যদি নাই হয়, তবুও তো মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয় বাদ দিতে হলো, অথচ অমুসলিমরা যে ‘২৫ এপ্রিল-আনজাক দিবস’ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে এতগুলো হত্যাকাণ্ড ঘটালো, সেই দিবস পালন বাদ দেয়ার কথা কেউ বললো না।
৩) শুধু এক ট্যারেন্টকে ধরলে হবে না, নিউজিল্যান্ডে যত মুসলিমবিদ্বেষী সংগঠন আছে সবগুলো নিষিদ্ধ করতে হবে। নিউজিল্যান্ডে প্রকাশ্যে সক্রিয় কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী উগ্রডানপন্থী National Front, Western Guard,  Dominion movement nz এর মত সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করা উচিত। এক ওসামা বিন লাদেনকে কেন্দ্র করে পুরো আফগানিস্তানের  উপর হামলা করা হয়েছে, তখন তো ব্যক্তি বা সংগঠন হিসেব করা হয় নাই, সকল মুসলমানই জঙ্গী-সন্ত্রাসী হয়ে গিয়েছিলো। তাহলে খ্রিস্টানদের বেলায় হিসেব শুধু কেন ব্যক্তি পর্যায়ে হবে, কেন সকল খ্রিস্টান সন্ত্রাসী সংগঠন নিষিদ্ধ করা হবে না ?

আমার কথা হলো, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী যদি এত ইসলাম ও মুসলিম প্রিয় হয়, তবে ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষী যে বিষয় আছে সেগুলো আগে বন্ধ করুক, সেটা না করে সে মুসলমানদের শান্ত করতে চাইছে কেন ?
বিষয়টা হলো, অপরাধ বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ভূক্তভোগীকে ব্যাথ্যা ভুলোনোর চেষ্টা,
যেন তাকে যতই মারা হোক, সে যেন প্রতিবাদ না করে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের আচরণ তো কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।
তাছাড়া, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নিজেই তো সন্দেহ থেকে দূরে নয়। ব্রেন্টন ট্যারেন্ট বহুদিন আগে থেকে ওয়েবসাইটে প্রকাশ্যে মুসলিম হত্যার ছক কষেছিলো ও ঘোষণা দিচ্ছিলো। কিন্তু কেন নিউজিল্যান্ড সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো না? বাংলাদেশের মত দেশেও কোন লোক এ ধরনের ঘোষণা প্রকাশ্যে দিলে তাকে কয়েকঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়, তাহলে তারা চুপ ছিলো কেন ? নিউজিল্যান্ড সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগীতা পেয়েই যে ব্রেন্টন বড় ঘটনা ঘটালো না, সেটা কি করে বিশ্বাস করা যায় ? বিশেষ করে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল যে বাসে চড়ে ছিলো, সেই বাস চালকের আচরণও সন্দেহজনক ছিলো। মসজিদের ভেতর গুলি হচ্ছে জেনেও সে বাংলাদেশ ক্রিকেটবাহী বাসকে টেনে দূরে না নিয়ে মসজিদের সামনেই দাড়িয়ে ছিলো। এখানে পুরো প্ল্যানটাই সাজানো মনে হয়, তাই নিউজিল্যান্ড সরকারের বর্তমান অতিভক্তি প্রদর্শন তাদের বিশ্বাসঘাতক বহুরূপী চরিত্রকেই প্রকাশ করে।

----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, March 20, 2019

মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে চায়, তবে তাদের ‘টাইম-নলেজ-মানি’ এই তিনটি বিষয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে

আজ থেকে ১ বছর আগে স্ট্যাটাসে বলেছিলাম,
মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে চায়, তবে তাদের ‘টাইম-নলেজ-মানি’ এই তিনটি বিষয় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।  যতদিন এগুলো অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ততদিন মুসলমানরা কিছুই করতে পারবে না, তাদেরকে অমুসলিমদের নিয়ন্ত্রণ স্বীকার করে নিতে হবে।  যদি মুসলমানরা চায়, ফের মুসলমানদের উত্থ্যান ঘটুক, তবে ‘টাইম-নলেজ-মানি’ এই তিনটি বিষয় নিজেদের মধ্যে জমা করা জরুরী।  (https://bit.ly/2JfYeKT)

সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে ঘটে যাওয়া ঘটনায় নিহতদের প্রায় সবাই নিউজিল্যান্ডের অভিবাসী, কেউ নিউজিল্যান্ডের মূল নিবাসী নয়।  লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো প্রায় সবাই উচ্চ শিক্ষিত (নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশীদের অধিকাংশ পড়ালেখা করতে গিয়ে স্থায়ীভাবে থেকে যায়)।  এ লোকগুলো যদি নিজ দেশে থাকতো, তবে একেবারে না খেয়ে মারা যেতো না, হয়ত ৩০-৫০ হাজার টাকা বেতনের চাকুরী করতো।  কিন্তু ১-২ লাখ টাকা বেতনের আশায় লোকগুলো নিজ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ছেড়ে অমুসলিমদের কাছে তার জ্ঞান (নলেজ) বিক্রি করতে এসেছে।  তার নলেজ মুসলিমদের অধীনে জড়ো না করে, অমুসলিমদের অধীনে জড়ো করেছে।  দিন শেষে ঐ অমুসলিমরাই তার জীবন কেড়ে নিলো। 

কয়েক বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্র্যাম্প যখন ৭টি মুসলিম দেশ থেকে অভিবাসী নেয়ার বিরুদ্ধে আইন করলো, তখন কিন্তু এর প্রতিবাদ করেছিলো ফেসবুক, গুগল ও অ্যাপলসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। কারণ তাদের কোম্পানি টিকে আছে মুসলমানদের মেধার উপর ভিত্তি করে। মুসলমান আসা বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে তাদের কোম্পানিগুলো মেধাশূণ্য হয়ে যাবে। আর মেধাশূণ্য হওয়া মানে তাদের পথে বসে যাওয়া। (https://tinyurl.com/y3bbov7q)
এখানে লক্ষ্যনীয়, মুসলমানদের নলেজ জড়ো করে ইহুদীবাদীরা তাদের সম্রাজ্যবাদ তৈরী করছে, তবে মাঝে মাঝে তারা কিছু আগাছা ছাটে, যেন মুসলমানরা স্মরণ রাখে তারা ইহুদীবাদীদের নিয়ন্ত্রণেই আছে।

আমার এ লেখার পর দুই শ্রেণী এর বিরুদ্ধে যাবে,
১) যারা মনে করে, অমুসলিম দেশে গিয়ে সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং অনেক অমুসলিমকে কনভার্ট করে এক সময় মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল তৈরী করবে।
২) যারা মনে করে, দেশ মেধাবীদের সুযোগ দেয়া হয় না, এজন্য তারা বিদেশ যেতে বাধ্য হয়।

প্রথম দলের যুক্তির উত্তর হলো, আপনি যে প্ল্যানে অমুসলিম দেশ দখলের প্ল্যান নিয়েছেন, সেটা আমার কাছে অনেকটা অলীক কল্পনা মনে হয়। আমাদের এ অঞ্চল থেকে যেসব মুসলমান শেতাঙ্গদের দেশে যায়, প্রথম প্রজন্ম হয়ত ধর্ম-কর্ম কিছু করে। কিন্তু দ্বিতীয় আর তৃতীয় প্রজন্ম আসতে আসতে তারা ধর্ম-কর্ম ছেড়ে পশ্চিমা কালচার ও ধর্মের কাছে একেবারে বিলীন হয়ে যায়। আর মাঝে মাঝে যদি ক্রাইস্টচার্চের মত ঘটনা ঘটে, তবে মুসলমানরা যে শৃঙ্খলাবদ্ধ সেটাও আবার স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।
অমুসলিমদের অধীনে থাকলে, সেখানে মুসলমারনরা কিন্তু শিকড় দৃঢ় হতে পারে না, ১ ব্রেন্টন পুরো মুসলিম কমিউনিটিকে হুমকির মুখে ফেলি দিতে পারে, কিন্তু মুসলমানদের আন্ডারে টাইম-নলেজ-মানি গ্যাদার করলে শত অমুসলিম রাষ্ট্র এসে কিছু করা দুষ্কর, উল্টো তারাই মুসলমানদের কর্তৃত্ব স্বীকার করে নিতে বাধ্য। তাই আমি যে প্ল্যান বললাম, মানে  মুসলমানদের অধীনে টাইম-নলেজ-মানি গ্যাদার করা, সেটা করলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মুসলমানদের অধীনে ফল পাওয়া সম্ভব। 
দ্বিতীয়ত যারা মনে করেন,
“দেশে মেধাবীদের সুযোগ দেয়া হয় না, তাই তারা বিদেশ যায়”, আমি ব্যক্তিগতভাবে এই যুক্তি মানতে  নারাজ।  দেশ তো আমার-আপনার মাধ্যমেই গঠিত, আমাকে-আপনাকেই সুযোগ করে নিতে হবে। কোন ব্যক্তি যদি সত্যিই মেধাবী আর পরিশ্রমী হয়, তবে অ্যামাজন জঙ্গলে গিয়েও সে তার সুফল পেতে পারে, এটাই আমার বিশ্বাস।  ঐ লোকগুলো অমুসলিম দেশের ইউনিভার্সিটির একটা ডক্টরেট ডিগ্রি নামের সামনে লাগানোর জন্য যে রাত-দিন পরিশ্রম আর মেধা খরচ করে, সেটা যদি সে নিজ দেশে করতো, তবে আমি নিশ্চিত আরো বেশি টাকা সে ইনকাম করতে পারতো।  এক্ষেত্রে তারা দেশ বা সরকারকে যতই দোষ দিক, আসল দোষ দিতে হবে তাদের চিন্তাধারার- “অমুসলিম মানেই ভালো, শান্তি, সুন্দর, টাকা ইত্যাদি, ইত্যাদি……” এই ধারণার।   এই ধারণা থেকেই সে নিজের মুসলিম দেশের সাথে বেঈমানি করে অমুসলিমদের কাছে নিজের জ্ঞান বিক্রি করতে যায়, দিন শেষে তাদেরকে ঐ অমুসলিমরাই ইদুরের মত গুলি করে মারে।
কবি ইকবাল এক কবিতায় তার এক বন্ধুর কথা বলেছিলো, যে বন্ধু অনেক লেখাপড়া করে শেষে ব্রিটিশদের অধীনে চাকুরী নিয়েছিলো। এরপর সেই ব্রিটিশ চাকর থাকা অবস্থায় হঠাৎ একদিন মরে গেলো:

احباب نے کے نمےء کرگےء بیے کیا نوکر ہوئے اور مرگے
বাংলা - আহবাবনে কিয়ে নুমায়ে কারগিয়ে , বিয়ে কিয়া নুওকর হুয়ে আওর মার গিয়ে ।
অর্থ - বন্ধু আমাকে কি দেখালো , সে বিয়ে পাশ করলো (ব্রিটিশ) চাকর হলো, আবার মারা গেলো ।

বাংলাদেশের শিক্ষিত মেধাবী সমাজের মাথায় ঢুকায় দেয়া হইছে, আমাকে চাকর হইতে হবে, চাকুরী করতে হবে।  দেশে চাকুরী নাই, তাই বিদেশে যাও।
কেন বাংলাদেশে চাকুরী নাই, কিন্তু ব্যবসা বা উৎপাদন কি বন্ধ আছে ?
সে যে টাকা খরচ করে বিদেশ যায়, সে টাকা নিয়ে নিজের মেধা খাটায় নতুন কিছু চেষ্টা করুক ।
উদাহরণ: পুরান ঢাকায় এত হাজার হাজার ব্যবসা, কারখানা
বেশিরভাগ ব্যবসায়ী হচ্ছে স্বল্বশিক্ষিত, অনেকে আছে পড়ালেখাই জানে না। এরা প্রায় সবাই প্রযুক্তি বিমুখ। মেধাবীরা সেখানে যায় না।
মেধাবীরা যদি সেখানে যেতো, ঐসব শিল্প-কারখানায় প্রযুক্তি আর জ্ঞানের ছোয়া দিতো,
তবে বাংলাদেশের নিজস্ব শিল্প-বাণিজ্যের অনেক উন্নয়ন হতো
আজকে পুরান ঢাকায় এই বিশাল শিল্পজোনে যদি মেধাবীরা থাকতো, তবে ষড়যন্ত্রকারীরাও কূটচাল করে তাদের সাথে পেরে উঠতো না।মেধাবীরা একটা উপায় বাতলে দিতো এবং দেশের সম্পদকে আরো উন্নতির দিকে নিয়ে যেতো।

এছাড়া কৃষিখাত, মৎস খাত, পশু উৎপাদন খাতেও রয়েছে অসীম সম্ভবনা।
সুযোগ অশেষ আছে, উৎপাদন করে শুধু মেধা খাটায় বাজারজাত করতে হবে।
কিন্তু  আজকে দেশের মেধাবীরা সে কাজ করতে নারাজ।
তারা দেশ ছেড়ে ফকিরের মত অমুসলিম দেশে বর্গা খাটতে যায়।
ইউরোপ থেকে সন্ত্রাসীদের নির্বাসন দেয়ায় যে অস্ট্রেলিয়ার সৃষ্টি হয়েছে,
সেই সব দাগী সন্ত্রাসীদের মুখে শুনতে হয়, “তোমরা আমাদের দেশে কেন আসছো, ভাগো আমাদের দেশ থেকে।  নয়ত গুলি করে মারবো।”

----------------------------------------------------
খুনি সন্ত্রাসী ব্রেন্টন কিন্তু একা কোন ব্যক্তি নয়, সে একটি বৃহৎগোষ্ঠীর সদস্য।
অভিবাসীবিরোধী জাতীয়তাবাদীদের উত্থান এখন দেশে দেশে।
অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মিয়ানমার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের অনেকরাষ্ট্রেই জাতীয়তাবাদীরা এখন বৃহৎগোষ্ঠী,
এবং তাদের ভোট অধিক বলেই, অভিবাসীবিরোধী সরকারগুলো এখন নির্বাচনে জয়লাভ করতেছে।
তাই ব্রেন্টন ধরা পড়লেই খুশি হওয়ার কিছু নেই, তার ৮৭ পৃষ্ঠার মেনিফেস্টোতে সে অমুসলিম শাসিত রাষ্ট্রগুলো মুসলিমমুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছে, সেটার দিকে খেয়াল দেয়া উচিত।  তারমানে সামনে ব্রেন্টনের কাজের ধারাবাহিকতা আরো হতে থাকবে।  তাই যেসব মুসলিম মেধাবী অমুসলিমদের কাছে গিয়ে নিজের মাথা বিক্রি করে দুই পয়সা বেশি ইনকামের ধান্ধা করতেছেন, আপাতত সেটা সে চিন্তা বাদ দিয়ে নিজ দেশেই কিছু করার চেষ্টা করুন।

----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Saturday, March 16, 2019

মুসলমানদের নতুন করে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী জোট করতে হবে

মুসলমানদের নতুন করে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী জোট করতে হবে। এই জোটে মুসলমান দেশগুলোর সেনা-নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্য ছাড়াও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ ও যুবক শ্রেণী থাকতে পারে ।  এই জোটের একটি আইন থাকবে, নিন্মোক্ত কাজগুলো হলে তারা ঐ দেশের বাহিনী পাঠাবে :

কোন যায়াগায় মুসলমানদের উপর গুলি বর্ষণ বা বোমা হামলা করলে
কোন যায়গায় গরুর জন্য মুসলমান মারলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের মসজিদ/বাড়িঘর আগুন দিলে বা ধ্বংস করলে
কোন যায়গায় অন্যায়ভাবে মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের ধর্মীয় আইনের বিরুদ্ধে আইন করলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে দাঙ্গার উস্কানি দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের হালাল খাবারে বাধা দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের জোর করে অন্য ধর্ম করতে বাধ্য করলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের মধ্যে বিজাতীয় সংস্কৃতির বিস্তার ঘটালে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের ব্যবসা-বাণিজ্য-চাকুরী নষ্ট করলে, ধন-সম্পদ লুটপাট করলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ালে
কোন যায়গায় মুসলমান নারীদের নির্যাতন করলে
কোন যায়গায় জোর করে মুসলমানদের পরাধীন করে রাখলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের মিথ্যা অপবাদ দিলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের ফাঁসাতে মিথ্যা ঘটনা তৈরী করলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে হুমকি দিলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের বাড়িঘর থেকে তাড়িয়ে দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের ধর্মীয় কারণে মানসিক নির্যাতন করলে,
কোন যায়াগায় মুসলমানদের ইতিহাস বিকৃত করলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণা চুরি করে অন্যের নামে চালিয়ে দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের ক্ষতি করতে (খাদ্য, ওষুধ বা পলিসি দিয়ে ) ষড়যন্ত্র করলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে কোন মিডিয়ায় অপপ্রচার করলে
কোন যায়গায় মুসলমানদের ধর্মীয় গুরুত্বপূণর্ সময়ে অন্য কাজ চাপিয়ে দিলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ তৈরীর চেষ্টা করলে,
কোন যায়গায় মুসলমানদের ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান ধ্বংস করলে

ঐ জোট তার বাহিনী পাঠিয়ে সেখানে শাস্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে।

একা কাজ করবেন, আপনাকে সন্ত্রাসী ট্যাগ দিবে
জাতীয়ভাবে করলেও আন্তর্জাতিকভাবে কোন পদক্ষেপ নিতে পারবেন না। তখনও ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ ট্যাগ দিবে।
কিন্তু আন্তর্জাতিক জোট করে কাজ করলে তা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়ে যাবে, তখন সেটাতে বাধা দিতে পারবে না।

আসলে  মুসলমানদের দমন করার  জন্য ইহুদী-খ্রিস্টান-হিন্দু-বৌদ্ধ-নাস্তিকরা অনেক আগেই এ বিষয়গুলো করে অমুক তমুক জোট করেছে। অথচ এটা নিয়ে মুসলমানদের এখনও চিন্তা নাই, আর কিছু রাষ্ট্র চিন্তা করলেও তা নিজেদের মধ্যে মারামারি-কাটাকাটিতে জোট বানিয়ে ব্যবহার করেছে। তাই নিজেদের মধ্যে মারামারি কাটাকাটির জন্য নয়, বরং আসল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জোট গঠন করতে এখন মুসলমান রাষ্ট্র ও তার জনগণের জোর দাবী তোলা উচিত। এবং সেটা গঠন করতে যত তাড়াতাড়ি পারা যায় কোন নিদির্ষ্ট স্থানে সম্মেলন ডাকা উচিত। প্রত্যেকে বিষয়টির প্রতি নিজের অবস্থান থেকে জোর প্রচার চালান, অবশ্যই কাজ হবে।

----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Saturday, December 29, 2018

বাংলাদেশের মুসলমানরা যেহেতু বহুদলে বিভক্ত, তাই তারা কোন নেতাকে কেন্দ্র করে একত্রিত না হয়ে, একটা পলিসির উপর একত্রিত হোক, তাহলে দ্রুত কাজ হবে।

এক পোস্ট আগে আমি বলেছিলাম,
বাংলাদেশের মুসলমানরা যেহেতু বহুদলে বিভক্ত, তাই তারা কোন নেতাকে কেন্দ্র করে একত্রিত না হয়ে, একটা পলিসির উপর একত্রিত হোক, তাহলে দ্রুত কাজ হবে। কোন ইসলামী রাজনৈতিক দল থাকতে পারে, কিন্তু সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। আসলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল অধিকাংশ স্থান দখল করে আছে এবং তৃতীয় কোন দল তৈরী হলে (যদি তার ব্যাপক জনসমর্থন বা গ্রহনযোগ্যতা থাকে) হয় সেটাকে তারা নিজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করার চেষ্টা করবে, নয়ত দমন করার চেষ্টা করবে। তাই অন্তর্ভূক্তি বা দমন, এই দুইয়ের মধ্যে না গিযে কিভাবে নিজের স্বার্থ সর্বোচ্চ আদায় করা সেদিকে লক্ষ্য দেয়া সবচেয়ে জরুরী।
আমি আগেও বলেছি, রাজনৈতিক দল গঠন না করেও দাবি তাড়াতাড়ি আদায় করা সম্ভব,
এর উদাহরণ- কোটামুক্ত আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন কিংবা হেফাজতে ইসলাম।
এ আন্দোলনগুলো যে যে উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয়েছিলো, তাদের প্রাথমিক দাবীগুলো কিন্তু ঠিকই আদায় হয়েছে।
কিন্তু- এ আন্দোলনগুলো ততক্ষণ সফল থাকে, যতক্ষণ আন্দোলনটা অরাজনৈতিক থাকে।
সমস্যা তৈরী হয় তখন, যখন এ ধরণের অরাজনৈতিক আন্দোলনে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটে এবং অরাজনৈতিক দাবী ছাপিয়ে তৃতীয় কোন রাজনৈতিক পক্ষ তা ব্যবহার করতে চায়। ফলশ্রুতি পতন ঘটতে পারে সুন্দর একটি আন্দোলনের। শুনেছিলাম, সাপ নাকি তখনই ছোবল মারে, যখন সে মনে করে কেউ তার ক্ষতি করতে এসেছে। তাই আন্দোলনগুলো যেন নির্দ্দিষ্ট দাবীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং অন্য কোন রাজনৈতিক দলের দাবী (প্রতিপক্ষকে দমনের) যেন আন্দোলনের দাবী না হয়ে উঠতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরী।
ধরে নিলাম, মুসলমানরা প্রাথমিকভাবে একটা দাবীর উপর এক হলো। ধরুন, দাবীটি হতে পারে, “সংবিধানে ২০১১ সালে আল্লাহ’র উপর আস্থা ও বিশ্বাস অংশটা তুলো ধর্মনিরপেক্ষতা যোগ করা হয়েছে, সেটা পরিবর্তন করে আগের অবস্থা ফিরিয়ে নিয়ে আসা।”
যদি দাবীটির ধর্ম সংক্রান্ত হয় তবে ইসলামী দলগুলোর সবাইকে সেই দাবীর প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করতে হবে। সমস্যা হলো বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলোর মধ্যে তো চরম বিভেদ, তারা একজন অন্যজনকে মারাকেই জিহাদ বলে ফতওয়া দেয়, তাহলে তারা এক হবে কিভাবে ?
উত্তর হলো, প্রত্যেক দল থেকে কিছু কিছু তরুণকে এগিয়ে আসতে হবে।
এ তরুণ প্রজন্ম হচ্ছে তারা, যারা চায় সারা বিশ্বে মুসলমানরা আবার এক হোক, মুসলমানদের পুরাতন ঐতিহ্য আবার ফিরে আসুক, মুসলমানরা অমুসলিমদের জুলুম নির্যাতন থেকে রক্ষা পাক, এরাই এক্ষেত্রে অগ্রগামী হবে। অবশ্যই এক দলের সদস্যের অন্য অন্য দলের মধ্যে বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়তা আছে। তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ করুক- “আজকে থেকে আমরা নিজেদের মধ্যে অন্তদ্র্বন্দ্ব তৈরী হতে পারে এমন বিষয়গুলো এড়িয়ে যাবো, যে যারা পন্থা অবলম্বন করবো, কিন্তু একটি দাবীর উপর একত্রিত হবো, দাবীটি হলো, “সংবিধানে ২০১১ সালে আল্লাহ’র উপর আস্থা ও বিশ্বাস অংশটা তুলো ধর্মনিরপেক্ষতা যোগ করা হয়েছে, সেটা পরিবর্তন করে আগের অবস্থা ফিরিয়ে নিয়ে আসা।” এই দাবী ছাড়া অন্য কোন বিষয় আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু হবে না। এই দাবীর উপর আমরা একত্র হলাম এবং এই দাবীর পক্ষে আমরা বন্ধু হয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবো। “ আমার মনে হয়, এভাবে বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনগুলোর মধ্যে তরুণরা একটা দাবীকে কেন্দ্র করে যদি চেইন বা শিকল তৈরী করতে পারে, তবে দাবী আদায়ে বেশি সময় লাগবে না।
আমার জানা মতে,
-কওমী মাদ্রাসা ও আহলে হাদীসদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হচ্ছে মাজহাব নিয়ে। তাহলে দুই দল একত্র হোন ঐ সংবিধান পরিবর্তনের দাবী নিয়ে, কিন্তু আপাতত মাজহাব নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যান।
-সুন্নী আর কওমী মাদ্রাসা ও আহলে হাদীসদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিলাদ বা মীলাদুন্নবী নিয়ে। এ বিষয়টি এড়িয়ে যান, শুধু ‘সংবিধান পরিবর্তনের দাবী’ নিয়ে একত্মতা ঘোষণা করুন।
-পীরকেন্দ্রীক ও পীর বিরোধী দলের দ্ব্ন্দ্বমূলক বিষয়গুলো এড়িয়ে যান, শুধু ‘সংবিধান পরিবর্তনের দাবী’ নিয়ে একত্মতা ঘোষণা করুন।
হতে পারে আপনাদের দলের কোন মুরব্বী বা বয়ঃবৃদ্ধ বলতে পারেন, “এটা কিভাবে সম্ভব, এতদিন আমরা আমাদের বিশ্বাসের উপর এক ছিলাম, এখন কিভাবে ভিন্ন বিশ্বাসের সাথে এক হবো?”
আপনি উত্তর দিবেন, “অবশ্যই সম্ভব। আমরা তো আমাদের বিশ্বাস নিয়ে কাড়াকাড়ি করছি না। আমরা যে বিশ্বাস বা দাবীর প্রতি একতাবদ্ধ হয়েছি, সেটা তো ঠিক আছে, তাহলে সমস্যা কোথায় ? আর এত দলাদলি করে কি লাভই বা হলো ? দল-উপদলের সংখ্যা তো দিনে দিনে বাড়ছেই। কওমী, আহলে হাদীস, সুন্নীদের মধ্যে কি অভ্যন্তরীণ দলাদলি বা গ্রুপিং নেই? বরং মুসলমানদের দলে দলে বিভক্ত করে অমুসলিমরা তো ঠিকই মুসলমানদের ঘাড়ে বসে ছড়ি ঘুড়াচ্ছে।
আমার মনে হয়,
প্রত্যেক দল থেকে যদি কিছু তরুণ সদস্য পরিবর্তনের শপথে এগিয়ে আসে,
মুসলমানদের এক করে অমুসলিম ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার চেষ্টা করে,
বিশ্বাসগত দ্বন্দ্ব নিয়ে আপাতত চুপ থেকে ‘বিশেষ দাবী’র উপর একত্র হতে থাকে এবং বিভন্ন দলের মধ্যে চেইন বা শিকল তৈরী করে, তবে খুব দ্রুত মুসলমানদের আসল অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব এবং সেটা খুব দ্রুত-ই সম্ভব ।
ইচ্ছা শুধু আপনার।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, July 1, 2018

বিশ্ব রাজনীতিতে এখন যেটা চলতেছে, সেটা হলো- ‘উল্টা নীতি’। অর্থাৎ মুখে বলা হবে একটা, কিন্তু কাজে হবে অন্যটা।

মোটামুটি বিশ্বজুড়ে রাজনীতিতে এটাই এখন স্বীকৃত। যে মুখের কথা ও বাস্তব কাজের যত বেশি দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারবে, সে জনগণকে তত বেশি ধোকায় ফেলতে পারবে এবং সে তত বড় রাজনীতিবিদ।
সম্প্রতি দেখবেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছে, তার নাকি টাকা নাই। সে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তার ছেলেকে লেখাপড়া করাতে পারে নাই, কারো কাছে লোন চাইতে পারে নাই। হাবিজাবি।
শেখ হাসিনা যখন এ ধরনের কথা বলেন, তখন বুঝতে হবে তিনি আন্তর্জাতিক বড় বড় রাজনীতিবিদদের ফলো করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে তিনি উল্টো কথা বলা শুরু করেছেন। ব্রিটেণে বিলিয়ন ডলার দিয়ে দ্বীপ ক্রয় করে এখন বাংলাদেশের মানুষকে শোনাচ্ছেন নূন আনতে তার পান্তা ফুরোয়।
আমি আগেই বলেছি, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই উল্টা অবস্থানটা খুব কমন একটি বিষয়। এবং যে যত বেশি এ ধরনের অবস্থা প্রকাশ করতে পারছে, সে তত রাজনীতিবিদ হতে পারছে।
যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে,
মুখে বলছে সন্ত্রাস দমন, কিন্তু নিজেরাই সন্ত্রাস করছে
মুখে বলছে ‘আপনার দেশে জনগণের ক্ষমতা দেখতে চাই’, কিন্তু চাইছে নিজ সমর্থিত সরকার,
মুখে বলছে শান্তিপ্রতিষ্ঠা, কিন্তু নিজেরাই অশান্তি সৃষ্টি করছে,
মুখে বলছে নারীকে অধিকার দিতে হবে, কিন্তু বাস্তবে নারীর অধিকার আরো হরণ করছে,
মুখে বলছে বাক স্বাধীনতা, কিন্তু বাস্তবে অপরের সকল স্বাধীনতা হরণ করছে,
এ ধরনের চরম পর্যায়ের বিপরীতমুখী নীতির কারণে্ই আমেরিকা এখন সুপার পাওয়ার। কারণ তারা মানুষকে সবচেয়ে বেশি ধোকা দিতে পারে|
বাংলাদেশে যতগুলো পশ্চিমা এনজিও আছে, তার সবগুলো প্রায় নিয়ন্ত্রিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় অংশের USGLC থেকে। ইউএসজিএলসি অর্থ U.S. Global Leadership Coalition।
লক্ষ্য করবেন, বাংলাদেশের যতগুলো পশ্চিমা এনজিও কাজ করছে, তারা সবাই মুখে বলছে- তারা বাংলাদেশের জনগণের উপকার করতে আসছে।
অথচ ঐ এনজিওগুলো যে ইউএসজিএলসি চালাচ্ছে, তারা কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা। তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকলে দেখবেন তারা বলছে, মার্কিন ক্ষমতা শক্তিশালী করতে বিশেষ পলিসি বাস্তবায়ন করা তাদের মূল উদ্দেশ্য। (http://www.usglc.org/about-us/)
আবার মানুষ হলো দুই ধরনের-
এক প্রকার হলো idealist বা আদর্শবাদী। এ ধরনের মানুষ সব কিছু আদর্শের চোখ দিয়ে দেখে। “মার্কিন এনজিও এসেছে তারা তো ভালো কাজ করতেই এসেছে”- idealist দের চিন্তা ভাবনাগুলো এধরনের। অধিকাংশ মানুষ এভাবেই চিন্তা করে। এ কারণেই অধিকাংশ মানুষকে ধোকা দেয়া সম্ভব।
আরেক শ্রেণী হলো realist বা বাস্তবমুখী। এরা বাস্তব ও পক্ষবিপক্ষ চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয়। এ ধরনের মানুষের সংখ্যা কম এবং তাদের দেখলে idealist রা বলে, “আপনারা সব কিছুর মধ্যে খারাপ খুজেন”।
সত্যি বলতে, এখন আমাদের একঝাক realist বা বাস্তবমুখী লোক দরকার যারা সব কিছু বাস্তবতার ভিত্তিকে চিন্তা করবে। আমার কভার ফটোটা দেখুন, একটা ইদুর ঝুলে আছে উল্টাভাবে। এই উল্টোভাবে ঝুলে থাকার একটা মিনিং আছে। উল্টোভাবে ঝুলে থাকার সুবিধাটা হলো, যারা উল্টাভাবে কথা বলছে, তাদের উল্টাটা সে সোজা করে দেখছে বা তার কাছে ধরা পড়ছে।
‘এনালিস্ট’ তৈরীর ক্লাসে এ ব্যাপারগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই, কিন্তু শিক্ষা নেই না

দেশের গুম হত্যা আর জোরজবরদস্তিমূলক খবর-ভিডিও দেখে আর চিন্তিত হই না
আবার বাংলাদেশের জনগণ যখন এরদোয়ানের বিজয় দেখে উল্লাস করে, তা দেখেও হাসি চাপিয়ে রাখতে পারি না
কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই,
এন্টারটেইনড হই, হাসি-কান্না-উল্লাস-রাগ করি। শুধু মূল ঘটনার অনুসন্ধান করে শিক্ষা নেই না।
উসমানি সালতানাতের পতন হওয়ার পর কম কষ্ট করতে হয়নি তুর্কীদের। কামাল আতাতুর্ক পাশা এসে শতভাগ সেক্যুলারিজম জারি করে। ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ, শরীয়া কাউন্সিল বিলুপ্ত, শরীয়া আদালত অবৈধ ঘোষণা করে সকল কাজীকে বরখাস্ত, ধর্মীয় পোষাক নিষিদ্ধ করা (এমনকি ইমাম সাহেবদের ক্ষেত্রেও), হিজাব নিষিদ্ধ করা, হিজরী ক্যালেন্ডারের পরিবর্তে গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার প্রচলণ করা, আরবীর পরিবর্তে তুর্কী ভাষায় আজান চালু করা, শুক্রবারের পরিবর্তে শনি-রবিবার ছুটি দেয়া, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে সংবিধান বাদ দিয়ে সেক্যুলারিজম চালু করা, আলেমদের কার্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া, আরবী হরফের পরিবর্তে ল্যাটিন হরফ চালু করা। প্রায় ৮০-৯০ বছর সেক্যুলারিজম দিয়ে তুর্কীয়দের ওয়াশ করার পর বেহাল অবস্থা হয়ে যায় তুর্কিদের। ইখওয়ানী ভাবধারা দ্বারা উব্ধুদ্ধ এরদোয়ান যখন ক্ষমতায় আসে তখন সে মুখে দাড়ি রাখতে পারে না, সুদের বিরুদ্ধে বললে বলতে হয়: “জনগণ যদি চায়, তবে আমি সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো”। তবুও ধর্মের দোহাই দিয়ে বলতে পারে না। কারণ জনগণের মধ্যে সেক্যুলারিজম এত অধিক মাত্রায় বিদ্যমান যে, সরাসরি ধর্মের কথা বললে জনগণই রিয়্যাক্ট করে বসবে।
তবুও আশার কথা, এরদোয়ানরা প্রায় ১০০ বছরের কালো যুগ শেষ করতে পেরেছে। কিন্তু এর পেছনে কম কষ্ট তাদের করতে হয়নি। কম কাঠ-খড় তাদের পোড়াতে হয়নি। অনেক জীবন শেষ করতে হয়েছে। কয়েক প্রজন্ম ধরে মার খেয়ে শেখা, প্রজন্ম ধরে শিক্ষা অর্জন, অতঃপর কৌশল করে চেষ্টা। আজকে এরদোয়ান রাশিয়ার প্লেন ফেলে দেয়, আবার আমেরিকাকেও হুমকি দেয়। দেখতে ভালোই লাগে। সিআইএ সেনাবাহিনীকে দিয়ে ক্যু করালে জনগণকে দিয়ে সেই ক্যু প্রতিরোধ করে এরদোয়ান। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর বিপরীতে নিজস্ব শক্ত অবস্থান, অপরদিকে নিজের দেশে জনগণের আশা-আকাঙ্খা পুরণ, অর্থনৈতিক মুক্তি দেয়া। অর্থাৎ একটি মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের পৃথক অবস্থান তৈরী করা, যে সরাসরি আমেরিকাও মুখাপেক্ষী না আবার রাশিয়ারও মুখাপেক্ষী না।
লেখা শুরু করেছিলাম, বাংলাদেশে গুম-হত্যা নিয়ে। আজ থেকে বেশ কিছুদিন আগে ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা’ দেয়াল ছবি প্রকাশ হওয়ার পর আমি বলেছিলাম: খুব শিঘ্রই বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ-বাংলাদেশের সিআইএ নেটওয়ার্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে, কেউ গুম হবে, কেউ নিহত হবে। নির্বাচন যত কাছে আসবে, বিষয়টি তত প্রকট হবে। তখন হয়ত কেউ বিষয়টি বুঝেছিলেন, আবার কেউ বুঝেননি। (https://bit.ly/2yHSlRs, https://bit.ly/2tvmTBb)
বাংলাদেশে এখন যেটা চলছে, সেটাকে তুরষ্কের মাঝখানে সেই কুখ্যাত ৮০-৯০ বছরের সাথে তুলনা করা যায়, যখন দেশটির নেতারা চলতো আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের প্রভাবে। এরদোয়ান ও তার সহযোগীরাও একটা সময় বাংলাদেশের জনগণের মার খেতো। কিন্তু বহুদিন চেষ্টা করে তারা ইহুদীবাদীদের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নলেজ অর্জন করে, অতঃপর সেই অনুসারে তৈরী করে নিজস্ব পলিসি। এরপর সেই পলিসি নিয়ে কৌশলে ক্ষমতায় আসার পর ভোল পাল্টায়। তৈরী করে নিজস্বতা। পুরো জিনিসটি করার জন্য তাদের ছিলো ইহুদীবাদবিরোধী স্বতন্ত্র পলিসি। এবং বলাবাহুল্য তাদের সেই স্বতন্ত্র পলিসি তৈরী হয়েছিলো রাষ্ট্রীয় রাজনীতির উপর আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অবস্থান ধরতে পারার কারণে। আর এজন্য যে জ্ঞানটির প্রয়োজন তা বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণের নেটওয়ার্কের বাইরে। আমি গত কয়েকদিন ধরে এ ধরনের একটি স্ট্যাডি রেডি করছি, তা আপনাদের সামনে ক্লাস হিসেবে উপস্থাপন করবো বলে। আশাকরা যায়, সেই জ্ঞানটি সঠিকভাবে অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশের জনগণও একদিন তুরষ্কের মত মুক্তি পাবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা।

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা। কোন একটি রোগ কোন জীবাণুর কারণে হচ্ছে সেটা জানা যেমন জরুরী, ঠিক তেমনি কোন একটি ঘটনা কার দ্বারা হচ্ছে সেটা বোঝায়ও তেমনি জরুরী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমরা বুঝতে পারি কাজটা খারাপ, কিন্তু পেছন থেকে কাজটা কে করছে, তার গোড়া সম্পর্কে জানি না। আর যতদিন আমরা মূল গোড়া অনুসন্ধান না করতে পারবো, ততদিন ঐ কুচক্রীরা আড়াল থেকে কাজ করেই যাবে। তাই একটা ঘটনা ঘটলে কারা কাজটি করছি সে সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান থাকা জরুরী। অনেকে আন্দাজে কথা বলে, বিভিন্ন সিস্টেম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বক্তব্য দেয়। একজন এনালিস্ট কখনই সেটা করতে পারে না। একজন এনালিস্টের কাছে আবেগের কোন মূল্য নেই, রেফারেন্স তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনেকে সামান্য কিছু জেনেই হয়ত কোন ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করা শুরু করে। একটা বিষয় আপনাকে বুঝতে হবে, ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে ৪ বছরের বিএসসি কোর্স করতে হয়, ডাক্তার হতে গেলে ৫ বছরের এমবিবিএস কোর্স করতে হয়, কত রাতদিন পড়ালেখা করে তারা গ্রাজুয়েট হয়। অথচ একজন রিয়েল এনালিস্ট আন্তর্জাতিক বড় বড় রাজনৈতিক দল বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কেন্দ্রীয় সেলে নলেজ পাওয়ার হিসেবে বসে থাকে। তাহলে এ বিষয়ে তাকে কত নলেজ-স্কিল, কত বছর ধরে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তীতে তার ভ্যালু কতটা হয়, সেটা চিন্তার বিষয়।
এনালিস্ট হতে গেলে ধৈর্য ধারণ করা জরুরী, স্ট্যাডি করা জরুরী। অধৈর্য হয়ে এনালিস্ট হওয়া যায় না। জ্ঞান অর্জনের পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আপনার সঠিক দিক নির্দেশনাই জানান দেবে আপনি একজন রিয়েল এনালিস্ট।
আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, মুসলমানদের সঠিক নলেজের অভাব প্রচুর। মুসলমানরা নিজে অবস্থান থেকে চিন্তা করতে পারে না। এটা একটা বিরাট সমস্যা। ইহুদী-খ্রিস্টান বা আমেরিকা-রাশিয়ান এনালিস্টরা একটা চিন্তার সফটওয়্যার তৈরী করে দেয়, আর মুসলমানরা সেই সফটওয়্যার দিয়ে চিন্তা করে।আমি চাই মুসলমানদের মধ্যে একটা রিয়েল এনালিস্ট টিম থাকবে, যারা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করে, তার ফলাফলটা নিরেটভাবে শুধু দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করবে।
ক্লাসের বিস্তারিত বিষয় রেডি করতে সময় লাগছে। আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি, আপনারাও নিন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বেরিয়ে পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চায়, তাহলে ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে।

কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম,
ইহুদীরা তিনটা জিনিসকে জমা করে বর্তমানে ক্ষমতাসীন হয়েছে-
এগুলো হলো: টাইম-নলেজ-মানি।
কেউ যদি এ তিনটি জিনিস জমা করতে পারে, তবে সেও ক্ষমতার মালিক হতে পারবে।
আমার মনে হয়,
মুসলমানদের জনসংখ্যার অভাব নাই, সুতরাং টাইমেরও অভাব হবে না।
আবার মুসলমানদের টাকা পয়সাও আছে।
কিন্তু মুসলমানদের আসল অভাব হইলো নলেজের। মুসলমানদের মধ্যে জ্ঞানের অভাব। কারো কারো জ্ঞান আছে, কিন্তু সঠিক ও পূর্ণ জ্ঞানটা নাই। যদি নলেজ পাওয়া যায় এবং প্রচুর নলেজ গ্যাদার করা যায়, তবে সেটা আশ্রয় করে টাইম ও মানিও গ্যাদার করা সম্ভব। আর সেখান থেকেই মুসলমানদের স্বকীয় ক্ষমতা তৈরী সম্ভব।
একটা উদহারণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন ধরুন-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে উপনিবেশ শাসন চলছিলো। তখন সম্রাজ্যবাদীরা বিভিন্ন দেশ দখল করতো। দেশ দখল করা হতো মূলত দুটি উদ্দেশ্যে।
১) শাসন ।
২) শোষন।
কিন্তু তারা অনেক হিসেব করে দেখলো- একটা এলাকায় সৈন্যবাহিনী পাঠায় অনেক কষ্ট করে তা দখলে নিতে হয়। দখলে নেয়ার পর অনেক কষ্ট করে বহু কাঠ-খড় পুড়িয়ে তাকে শাসন-শোষন করতে হয়। কিন্তু তারা যদি এমন একটা পলিসি বের করে, যার মাধ্যমে নিজের ঘরে বসে থেকে অন্যদেশকে শাসন শোষণ করা যায়, তবে এত কষ্ট করার দরকার কি ? কাজ হলেই হলো। তখন তারা ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা’টা চালু করলো। যেই বুদ্ধি, সেই কাজ। দেখা গেলো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ভেঙ্গে গেলো এবং অনেক রাষ্ট্রের জন্ম হলো। আগে কিন্তু এত রাষ্ট্র ছিলো না। আপনি একটু হিসেব করে দেখুন, ব্রিটিশরা এ এলাকা এত কষ্ট করে দখল করলো এবং দুইশ’ বছর শাসন করলো। কিন্তু কি এমন হলো যে তারা ১৯৪৭ এ দেশ ছেড়ে চলে গেলো ? ঐ সময় তো তাদের বিরুদ্ধে বড় কোন বিদ্রোহও হয়নি। আসলে মূল হলো, তারা পলিসিতে চেঞ্জ করেছে, শাসন ও শোষণে নতুন পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হয়েছে, মুসলমানদের মধ্যে তেমন কোন গোষ্ঠী তৈরী হয়নি যারা এ পলিসিগুলো ভালো করে বুঝে। ইহুদীরা যে পলিসিগুলো তৈরী করেছে, সেটা যদি মুসলমানরা নাই বুঝতে পারে, তবে সেগুলোর বিরোধীতা করবে কিভাবে?
আমার মনে হয়, যদি মুসলমানরা চায় ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে এবং মুসলমানদের পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে, তবে অবশ্যই মুসলমানদের ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে এবং প্রথম নলেজ হতে পারে, ইহুদীবাদীরা আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে বলয় তৈরী করেছে, সেই বলয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা।
যারা এ ধরনের জ্ঞান লাভ করবে, তাদের বলা যেতে পারে ‘এ্যানালিস্ট’। ‘এ্যানালিস্ট’ এমন একজন ব্যক্তিত্ব হবে, তারা মুসলমানদের ‘নলেজ’ সার্ভিস দিবে। আমার বিশ্বাস যদি বাংলাদেশে মাত্র ১০০ জন রিয়েল ‘এ্যানালিস্ট’ থাকে, তবে তা দিয়ে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে রেভুলেশন ঘটিয়ে ফেলা সম্ভব। ‘রিয়েল’ শব্দটা ব্যবহার করলাম শুধু এ কারণে, এ ধরনের এ্যানালিস্টরা দল-মত-পথের উপরে থেকে শুধু মুসলমানদের জন্য চিন্তা করবে। তারা দল কানা হবে না, তারা নিজেদের মধ্যে কাটাকাটি-দলাদলি-মারামারি করবে না। তাদের চিন্তাধারা হবে শুধু মুসলমানদের জন্য, নিজ দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য। এরা কোন ঘটনা ঘটার আগেই বুঝতে পারবে, এবং ভবিষ্যতে কি ঘটবে তাও বুঝতে পারবে এবং ভবিষ্যত সম্পর্কে জাতিকে নলেজ দিবে এবং ইহুদীবাদী পলিসি ব্রেক করে নতুন পলিসি দিতে সক্ষম হবে।
কিছু সূত্র আছে, এগুলো শিখিয়ে দিলেই বিষয়গুলো ধরে ফেলা সম্ভব। তাই আমি চিন্তা করছি, অনলাইনে এ বিষয়ের উপর ক্লাস নেয়া শুরু করবো। ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমেই ক্লাস হবে। কমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তর হবে। আপনারা যারা আগ্রহী তারা কমেন্ট করতে পারেন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুসলমানরা নিজের অবস্থান ধরে রাখতে হলে, ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই

কয়েকদিন আগে ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছিলাম। কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটির উপর নির্মিত একটি মিউজিক ভিডিও। গানটিকে রিমিক্স করা হয়েছে, গানের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে উদ্দাম আর অশ্লীল নৃত্য। নৃত্যের সাথে গানের কোন কথার কোন মিল নাই। বাংলাদেশে অধিকাংশ স্থানে এই গান দিয়ে শুরু হয় ঈদের আনন্দ। কিন্তু গানটির মধ্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম আসলে কি বলতে চেয়েছেন, এটা বোধহয় শতকরা ৯৯.৯৯% লোকই জানে না। আসুন গানটিতে একবার চোখ বুলাই-
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানী তাগিদ।।
তোর সোনা-দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে জাকাত মুর্দ্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদ গাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরীদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশতরীতে শির্‌নী তৌহিদের।
তোর দাওয়াতে কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
তোরে মারল' ছুঁড়ে জীবন জুড়ে ইট পাথর যারা
সেই পাথর দিয়ে তোলরে গড়ে প্রেমেরই মসজিদ।
১৯৩১ সালে লেখা এই গানটি মুসলমানদের অনেক কিছু শিক্ষা দেয়। আমি যতটুকু বুঝতেছি-
(১) ঈদে খুশি করতে হবে ধর্মীয় পন্থা মেনে
(২) ঘুমন্ত মুসলমানদের জাগিয়ে তুলতে জাকাত দিতে বলা হচ্ছে,
(৩) ঈদের জামাতের মাধ্যমে জিহাদ-গাজি-শহীদের চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে।
(৪) মুসলমানদের নিজস্ব বিভেদ ভুলে এক হতে হবে।
কাজী নজরুল ইসলাম আমার অন্যতম পছন্দের কবি। তার লেখার মধ্যে অনেক শিক্ষা আছে। ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় দিবস। আর সেখান থেকে মুসলমানদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পহেলা বৈশাখ থেকে সংস্কৃতির চেতনাবাজরা শিক্ষা নেয়, দূর্গা পূজা থেকে হিন্দুরা শিক্ষা নেয়, ভ্যালেন্টাইনস ডে থেকে প্রেমিকরা শিক্ষা নেয়। তাহলে ঈদের থেকে মুসলমানদের শিক্ষা নেওয়া বা চেতনা জাগ্রত হওয়া কোথায় ?
বর্তমান কালে আমরা ঈদ বলতে দেখি, ভারতীয় অনুকরণে পোষাক, ছেলেদের ধূতির মত পায়জামা, সেলফিবাজি, জোরে গান বাজানো, নৃত্য আর মোজমাস্তি। আর টিভিতে হয় ঈদের নাটক, ঈদের সিনেমা, ঈদের নাচ, ঈদের ব্যান্ডশো আর ঈদের ফ্যাশন শো, জুয়েল আইচ ওরফে গৌরাঙ্গ লাল রায়ের যাদুবাজি। কিন্তু এগুলোর কোনটাই ঈদের আসল শিক্ষা নয়। অন্তত কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটি তা বলে না।
ধর্ম হচ্ছে একটা জাতির নিজস্ব পরিচয়গত সংস্কৃতি। সেই সংস্কৃতিতে যখন ভাঙ্গন ধরানো যায়, তখন ঐ জাতির অস্তিত্বতেও ভাঙ্গন ধরানো সম্ভব। আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই, ইহুদীরা কৌশল করে খ্রিস্টানদের ধর্মটা শেষ করে দিছে। খ্রিস্টান ধর্মটা সেক্যুলার করে দিয়ে তাদের পরিচয়হীন করে তুলেছে। এরপর সেই খ্রিস্টান জাতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে ইহুদীরা।
বর্তমানে মুসলমানদের ঈদের মত ধর্মীয় বিষয়গুলো যেভাবে সেক্যুলার বা অধর্ম দিয়ে পূর্ণ করা হচ্ছে তাতে খ্রিস্টানদের মত নিজ ধর্মেরও বিলীনের দিকে যাচ্ছে মুসলমানরা। আর ধর্ম যত বিলীন হবে, মুসলমানরা তত বেশি কোনঠাসা হতে থাকবে। মুসলমানরা যদি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চায়, তবে ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------