Showing posts with label উপজাতি. Show all posts
Showing posts with label উপজাতি. Show all posts

Thursday, May 10, 2018

চাকুরীতে উপজাতি কোটা বা বিশেষ সুবিধায় চাকুরী বাদ দিতে হবে দেশের স্বার্থে।

আমার কথা হলো, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে চাকুরী দিয়ে আগাতে হবে কেন ? তাকে অন্য কোনভাবে সাহায্য করুন। 
আপনি যখন নিজের কোম্পানিতে চাকুরী দেন, তখন কি মেধাবী রেখে অনুপযুক্ত লোককে চাকুরী দেন ?
তখন তো ভাবেন, সবচেয়ে যোগ্যতাবান লোকটা আসুক, তাহলে আমার লাভ হবে।
এর জন্য দশবার ইন্টারভিউ নেন, মেধা, যোগ্যতা যাচাই করেন।
তখন কেন অনুপযুক্ত বা প্রতিবন্ধী লোককে চাকুরী দেন না?
আপনি নিজের জন্য যেটা পছন্দ করছেন না, সেটা কেন দেশের জন্য পছন্দ করেন ?
তারমানে দেশ ডুবুক, তাতে আমার কি ? আমার কোম্পানি তো ভালো আছে, তাহলেই হবে।
আসলে, এ ধরনের চিন্তাধারা আমাদেরকে খেয়ে ফেলছে। আমি আগেও বলেছি, মুসলমানদের পতনের মূল কারণ মুসলমানরা জাতিগত স্বার্থগুলো বাদ দিয়ে ব্যক্তি স্বার্থ নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে গেছে। এ কারণে হয়ত কিছু লোক সম্পদের মালিক হয়েছে, জাতিগতভাবে মুসলমানরা পরাধীন হয়ে গেছে, তাদেরকে এখন বিভিন্ন দেশ থেকে মাইর দিয়ে বের করে দেয়া হয়।
আমার কথা হলো, পার্বত্য এলাকায়, উপজাতিরা ভিন্ন রাষ্ট্র তৈরীর চেষ্টা করছে এটা তো ওপেন সিক্রেট।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান যখন ঐ এলাকায় সেনাসদস্যের উদ্দেশ্যে কোন বক্তব্য দেয়, তখন স্পষ্ট করে বলে, “উপজাতিরা পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত দেশকে বিছিন্ন করতে চাইছে, আমাদেরকে সেটা রক্ষা করতে হবে।” বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর টনকে টন ওজনের ফাইল আছে, উপজাতিদের রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যক্রম নিয়ে। কিন্তু তারপরও কেন তাদের কোটা দিয়ে সুযোগ দেয়া হবে ? বিশেষ ব্যবস্থা দিয়ে সুযোগ দেয়া হবে ? এটা তো জাতির সাথে স্পষ্ট বিশ্বাসঘাতকতা করা। কোন স্ট্যাফ যদি আপনার কোম্পানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তখন তাকে কি প্রমশন দিয়ে উপরের পদে নিয়োগ দেন ?
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাপতি ক্লাইভ বলেছিলো, “পলাশীর প্রান্তরে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও নবাব বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে, তখন দুইপ্রান্তে অসংখ্য বাঙালী জনগণ ভীড় করেছিলো যুদ্ধ দেখার জন্য। আমরা ভেবেছিলাম, ভীড় করা জনগণ যদি একটা করে ইটের ঢেলা ছুড়তো তবে আমরা পিষ্ট হয়ে যেতাম। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে গেলাম, উপস্থিত বাঙালীরা শুধু হা করে তামাসা দেখলো, কিন্তু নবাবের পক্ষে বা আমাদের বিরুদ্ধে কোন অবস্থান নিলো না।”
পাঠক ! ঐ সময় বাঙালীদের নির্লিপ্ত থাকা আমাদের ২০০ বছরের পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করেছে। এখনও মন-মগজে আমাদের ব্রিটিশ গোলামি রয়ে গেছে।
আজকেও কিন্তু একই অবস্থা। বিদেশী ইন্ধনে বিভিন্ন দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু জনগণ একেবারে নির্লিপ্ত। পলাশী প্রান্তরের মত তারাও সব কিছু দেখছে-শুনছে, কিন্তু দেশের জন্য কিছুই যেন বলার নেই। তিন পার্বত্য এলাকা দেশ থেকে ভাগ হয়ে গেলে যাক, তাতে আমার ক্ষতি কি ? আমার ক্যারিয়ার/লাইফ তো ঠিক আছে, তাহলেই হবে। অথচ বেকুব গুলো বুঝতেছে না, ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রয়েছে বিপুল সম্পদ, রয়েছে সমুদ্র সম্পদ। অবশ্যই এ সব সম্পদ সঠিক ব্যবহার করলে বাংলাদেশ একসময় পৃথিবীর অন্যতম ধনী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারবে। আর সেই সম্পদের লোভে সম্রাজ্যবাদীদের এত প্ল্যান ও কার্যক্রম। কিন্তু চুলকানি কি আর এত সহজে গন্ডারের ভেতরে পৌছায় ?
ফেনী পর্যন্ত দখল করার প্ল্যান নিয়ে আরো কয়েকটি লেখা:
১) https://bit.ly/2qWAFuz
২) https://bit.ly/2hHW2ek
৩) https://bit.ly/2hEdmRq

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, April 25, 2018

উপজাতি ভাষায় পাঠ্যবই দিয়ে পিছিয়ে, চাকুরীর কোটা দিয়ে কিভাবে অগ্রগামী করবেন ?


বর্তমানে পার্বত্য উপজাতিদের তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় রচিত পাঠ্যবই দেয়া হচ্ছে। প্রাইমারি স্কুলগুলোতে শিশুদের তাদের নিজস্ব মাতৃভাষায় পাঠ্যবই দেয়া হচ্ছে। যে পাঁচটি ভাষায় বই ছাপানো হচ্ছে সেগুলো হলো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও ওঁরাও। (https://bit.ly/2HVndPC)

কিন্তু আমার কথা হলো- এই ৫টি ভাষা কি বাংলাদেশের মধ্যে সার্বজনিন ?

এই ভাষাগুলো তো ৩ পার্বত্য জেলার মধ্যে সার্বজনিন নয়। এক উপজাতির ভাষা অন্য উপজাতি গোষ্ঠী বুঝে না। তারমানে উপজাতি ভাষায় শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা তাদের নিজের এলাকা থেকে বের হতে পারবে না, দেশব্যাপী চাকুরী-ব্যবসা করতে পারবে না, এতে তারা আরো অনুন্নত হয়ে যাবে।

সরকার সংবিধানে বর্ণিত অনগ্রর নাগরিক হিসেবে উপজাতিদের কোটা সুবিধা দিতে চায়, কিন্তু উপজাতি ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনা করা মানে তো ঐ উপজাতিদের আরো অনগ্রসর করে দেয়া। লক্ষ্ লক্ষ্ শিশুকে উপজাতি ভাষায় পাঠ্যবই দিয়ে আপনি অনগ্রসর করছেন, আবার ৫% কোটা দিয়ে তাদের অগ্রসর করতে চাইছেন, দুটোই তো পরষ্পর বিরোধী সিস্টেম।

আসলে যারা এগুলো করছে, তারা ইচ্ছা করেই কাজগুলো করছে, সম্রাজ্যবাদী আমেরিকার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য- তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে পৃথক করে ভিন্ন রাষ্ট্র গঠন করা। কিন্তু উপজাতিরা যদি বাংলা ভাষা শিখে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, তবে ঐ তিন জেলায় তাদের আধিক্য কমে যাবে, ফলে তাদের স্বাধীনতার জন্য পৃথক ভূমি দাবির বিষয়টি আসবে না। কিন্তু তাদের নিজস্ব ভাষা-সংস্কৃতি যদি টিকিয়ে রাখা যায় তবে অবশ্যই একটা সময় তাদের পৃথক ভূমির দাবি তোলা যাবে। শুনেছি তারা নাকি ইতিমধ্যে জাতিসংঘে গিয়ে তাদের পৃথক রাষ্ট্র জুম্মল্যান্ডের জন্য আবেদনও করেছে।

পাশাপাশি, উপজাতি কোটাটাও উদ্দেশ্যমূলক। কারণ কোটার মাধ্যমে উপজাতিদের প্রশাসন ও সরকারী চাকুরীতে ঢুকিয়ে তারপর তাদের পার্বত্য এলাকায় নিয়ে আসা হবে। এরপর প্রশাসন দিয়ে তাদের বিদ্রোহী কার্যক্রমের পৃষ্ঠপোষকতা চলবে। গত ৬ মাস আগে বান্দরবানের প্রশাসন ও সরকারীকর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম (https://bit.ly/2qWAFuz)। ঐ লিস্ট দেখলেই বুঝবেন, তাদের উদ্দেশ্যটা কি।

যাই হোক, উপজাতি কোটা বাতিল করতে সারা বাংলাদেশের মানুষের আন্দোলন করা উচিত। কারণ ৭১ সালে মু্ক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে, অবশ্যই ৩ জেলাকে উপজাতিদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য নয়। তাই সাবধান।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, April 16, 2018

কেন ড. জাফর ইকবাল কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন নিলেন ?



এবার কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ড. জাফর ইকবালের ভূমিকা ছিলো সন্দেহজনক। কোটা বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহুর্তে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং আন্দোলন শেষ পাওয়ার পর তার বক্তব্য ছিলো পরষ্পর বিরোধী। আমার আজকের এ লেখা, কোটা আন্দোলন নিয়ে জাফর ইকবালের এই ভোল পাল্টানো ভূমিকা নিয়ে।

প্রথমেই গত ৯ই এপ্রিল জাফর ইকবালের বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কোটা আন্দোলনের পক্ষে। কোটা আন্দোলন যখন তুঙ্গে (শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে) তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে থাকার ঘোষণা দিলেন এবং ‘কোটা সংষ্কার যৌক্তিক’ বললেন। অর্থাৎ তিনি কোটা সংস্কার চান (কিন্তু পুরো বাতিল নয়)।

(https://bit.ly/2JPBrlI)

এরপর ১৩ই এপ্রিল, তারিখ কোটা আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর বিডিনিউজ২৪ এ প্রকাশিত তার কলামে তিনি সম্পূর্ণ ইউটার্ন নেন। তিনি এমন একটা ভাব দেখান যে তিনি কিছুই জানেন না। এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনে রাস্তাঘাট কেন বন্ধ হইছে এটাই তার কাছে বড় হয়ে গেলো। (https://bit.ly/2EQv0uD)

পাঠক ! সময় দুটো খেয়াল করুন-

“ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তা কেন বন্ধ করছে” এটা জাফর ইকবালের বলা দরকার ছিলো ৯ই তারিখ। কারণ তখন সারা দেশ বন্ধ করার ঘোষণা উঠছিলো। কিন্তু সেটা তিনি আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর করলেন। কারণ কোটা সংস্কারের সিদ্ধান্ত তার মনঃপুত হয়নি। তিনি চেয়েছিলেন, কোটা সংস্কার মানে ১০%, কিন্তু কোটা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় সরকার। যেহেতু এই আন্দোলনের ফলাফল তার মনপুত হয়নি, এজন্য তিনি ছাত্রদের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কলাম লিখলেন ! (এই ছাত্ররাই কিন্তু জাফর স্যার জাফর স্যার করে পাগল হয় !)

পাঠক ! যারা আমার লেখা সব সময় পড়েন, তারা হয়ত আমার কোন কথা বিশ্বাস করেন, আবার কোন কথা বিশ্বাস করেন না, বা বুঝেন না। আমি কিন্তু শুরু থেকেই একটা কথা বলে এসেছি-

১) মার্কিনপন্থী বা সিআইএপন্থীরা কোটা বাতিল চায় না, তারা ১০% কোটা চায় (বিশেষ করে উপজাতি কোটা)। কারণ এগুলোর সাথে তাদের স্বার্থ জড়িত।

২) ড. জাফর ইকবাল সিআইএ’র এজেন্ট।

যেহেতু কোটা সম্পূর্ণ বাতিল হয়েছে বা সিআইএ’র স্বার্থ তথা উপজাতি কোটা বাতিল হয়েছে তাই সিআইএ’র এজেন্ট ড. জাফর ইকবাল হুক্কা হুয়া করে ডাক দিয়েছে।

ড. জাফর ইকবালের এখানে স্বার্থ কি ?

সিআইএ’র যা স্বার্থ ড. জাফর ইকবালেরও সেই স্বার্থ। বিশেষ করে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত নতুন রাষ্ট্র গড়তে চায় সিআইএ’। এই প্ল্যান বাস্তবায়নে তাদের যে সংগঠন শীর্ষে কাজ করছে তার নাম ‘সিএইচটি কমিশন’। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ড. জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য বা মেম্বার (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10)।

এখন আপনি বলতে পারেন, সিএইচটি কমিশন যে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, তার দলিল কি ?

সিএইচটি কমিশনে বেশ কয়েকজন সদস্য আছে। এর মধ্যে তিন সদস্য- মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ, হুর্স্ট হননুম এবং এরিক এভাব্যুরি নিয়ে বলতে চাই।

-মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে ইস্ট তীমুর পৃথক করার সাথে জড়িত (সিএইচটি কমিশনের সাইটে তার প্রোফাইলে কিছু ইঙ্গিত পাবেন: (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10))। এছাড়া আমেরিকা চায় দালাইলামার মাধ্যমে তীব্বতকে চীন থেকে পৃথক করতে। সেই দালাইলামার উপদেষ্টও এই মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ।

-আরেক সদস্য হুর্স্ট হননুম নামক ব্যক্তিও পূর্ব তীমুরের বিচ্ছিন্ন হওয়ার সাথে জড়িত (সিএইচটি ওয়েবে তার প্রোফাইল দেখুন)।

-এরিক এভাব্যুরি সাবেক সদস্য, সে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ মারা যায়। এই ব্যক্তি সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য কাজ করেছে। এ সম্পর্কে Sudan Democratic Gazette, 1997 বইতে তথ্য পাওয়া যায়।

অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামের সিএইচটি কমিশন এমন একটি সংগঠন যেখানে এমন সব সদস্য রয়েছে যারা ইন্দোনেশিয়া থেকে পূর্ব তীমুর এবং সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য এক সময় কাজ করেছে। এখন সিএইচটি কমিশন নামক সংগঠনের ব্যানারে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে তিন পার্বত্য জেলাকে পৃথক করতে। এবং বলাই বাহুল্য পুরো কাজটি সিআইএ’র প্রজেক্ট।

তাহলে সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন হকও যে সিআইএ’র সম্পর্কিত সেটাও একই সূত্রে সহজে বলা যায়। আর যেহেতু, উপজাতি কোটা ছিলো সিআইএ’ প্রজেক্ট, আর সেই কোটা বাতিল হলে সিআইএ’ এজেন্ট ড. জাফর ইকবালের গায়ে লাগবে এটাই স্বাভাবিক। এবং সে কারণেই কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন মেরেছে জাফর ইকবাল।



===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 15, 2018

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ হয়েছে, রাজাকারদের জন্য যেন বিশেষ ব্যবস্থা চালু না হয়


এতদিন সরকারী চাকুরীতে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিলো। কিন্তু সেই কোটা এখন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যখন কোটা বিরোধী আন্দোলন চলছিলো, তখন মুক্তিযেদ্ধা কোটার পক্ষে কেউ কেউ বলেছে- “তবে কি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে রাজাকার কোটা চালু করা হবে ?”

গতকালকে প্রধানমন্ত্রী কোটা ব্যবস্থা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু কোন কোন যায়গায় উপজাতিদের বিশেষ ব্যবস্থায় সুযোগের কথা বলা হচ্ছে। অথচ ১৯৭১ সালে উপজাতি গোষ্ঠীগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো। বিশেষ করে সবচেয়ে বড় উপজাতি গোষ্ঠী চাকমা (মোট উপজাতি’র অর্ধেকেরও বেশি) –এর তৎকালীল প্রধান বা রাজা ত্রিদিব রায় ছিলো চিহ্নিত রাজাকার। তার রাজাকারগিরিতে পাকিস্তান এত খুশি হয়েছিলো যে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সে পাকিস্তান পালিয়ে গেলে তাকে মন্ত্রীত্ব দিয়ে সম্মানিত করা হয়। সেই চাকমা রাজার ছেলে বর্তমান চাকমাদের প্রধান। আসলে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান-চীন-আমেরিকা একজোট ছিলো। সে কারণেই বাংলাদেশে সকল উপজাতি গোষ্ঠীগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এর একটি বিশেষ উদহারণ হতে পারে, বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। সেও কিন্তু মনিপুরী উপজাতি, যে নিজ মুখেই স্বীকার করেছে সে একজন শান্তি কমিটির মেম্বার এবং পরবর্তীতে আওয়ামী সরকারও স্বীকার করে নেয় সিনহার স্বাধীনতা বিরোধী অবস্থানের কথা।

সে দিক বিবেচনা করে, যদি এখন উপজাতিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়, তবে বিষয়টি দাড়াবে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে রাজাকারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা। হতে পারে এটা হয়ত গায়ের জোরে করা হবে। কিন্তু এর মাধ্যমে কিন্তু একটি কালো ইতিহাস রচিত হবে। আজীবন সবাই বলে যাবে- আওয়ামী সরকার মুক্তিযোদ্ধা কোটা বন্ধ করে, রাজাকারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করে গেছিলো।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------