Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts
Showing posts with label সংস্কৃতি. Show all posts

Monday, March 25, 2019

কেন এবং কি উদ্দেশ্যে সরকারী উদ্যোগে ‘কুসংষ্কার রীতি’ আমদানি করা হলো ?


২৫শে মার্চ উপলক্ষে একটি বিষয় নিশ্চয়ই আপনাদের সবার নজরে এসেছে। বিষয়টি হলো সরকারি পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে দেশজুড়ে ২৫ মার্চ উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জলন করা। খবরগুলো:

১) “লক্ষাধিক মোমবাতি প্রজ্বালন করে শহীদদের স্মরণ করলেন বগুড়াবাসী”
পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, ১ লাখ ৩০ হাজার মোমবাতি বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই মোমবাতি প্রজ্বালন করেছেন।  (https://bit.ly/2YjvWCZ)

২) “নড়াইলে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন”
মোমবাতি জ্বালিয়ে স্মরণানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন—জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।  (https://bit.ly/2HOm8Lr)

৩) “মেহেরপুরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন”
সোমবার সন্ধায় শহরের শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
(https://bit.ly/2TZ7E2C)

৪) ``মোমবাতি জ্বালিয়ে নাটোরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন”
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মোমবাতি জ্বালিয়ে শোক র‌্যালী বের করা হয়।  (https://bit.ly/2U3GyHK)

৫) “নরসিংদীতে শহীদদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন”
২৫ মার্চ ভয়াল কালরাত্রি উপলক্ষে শহীদদের স্মরণে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছে জেলার সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন।
(https://bit.ly/2TDO9rq)

৬) “আড়াই হাজার মোমবাতি জ্বেলে শহীদদের স্মরণ”
“ভয়াল ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আড়াই হাজার মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে। ”
(https://bit.ly/2YnyArm)

৮) “রাজশাহীতে ২৫ শে মার্চ গণহত্যা দিবসে মোমবাতি প্রজ্জলন”
সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় রাজশাহী নগরীর হাদির মোড় বধ্যভূমিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে জেলা প্রশাসন। (https://bit.ly/2Ty9Zwj)

৯) “যশোরে হাজার মোমবাতির আলোয় ভয়াল ২৫ মার্চ স্মরণ”
প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় ঐতিহাসিক টাউন হল ময়দানে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হয় সেদিনের বীর শহীদদের।
(https://bit.ly/2JP6FNw)

১০) “সাতক্ষীরায় জেলা ২৫শে মার্চ উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জলন”
২৫মার্চ সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বরে স্থাপিত বীর মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভের পাদদেশে মোমবাতি প্রজ্বলন হয়। (https://bit.ly/2Oq5jHJ)

এবার আসুন মৃতদের উদ্দেশ্যে এ ধরনের মোমবাতি প্রজ্জলন করার রীতি কোথা থেকে আসলো তা জানি:

১) প্যাগান ধর্ম: মৃতের জন্য প্রদীপ জ্বালানোর প্যাগান বা মূর্তিপূজকদের একটি বিশেষ প্রথা। এ সম্পর্কে উইকিপিডিয়া বলছে-
মৃতের জন্য প্রদীপ : প্যাগানদের একটা রীতি হলো মৃতের জন্য একটি প্রদীপ দেয়া, যেন মৃতব্যক্তি পরবর্তীতে জীবনে আলো পায়। তাদের বিশ্বাস পরবর্তী জীবনের বেশিরভাগ অংশই হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন, তাই তারা তাদেরকে আলোকিত করতে এই আলো দেয়া। এই কালচার এশিয়াটিক অঞ্চল থেকে উৎপত্তি, Phoenicia এবং Punic colonies- তেও এই কালচার পালিত হয়। ইউরোপে রোমের অধিনে দেশগুলোতে এই রীতি দেখা যায় । (https://tinyurl.com/y3lwhwpf)

২) ডাইনী দমনে যাদুবিদ্যা :
ডাইনী দমনে যাদুবিদ্যার সাথেও এই মোমবাতি রীতি জড়িত। যাদুকররা বিশ্বাস করে মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃতের আত্মাকে নিয়ে আসা হয় । (https://tinyurl.com/y23arfny)

(৩) হিন্দু ধর্ম :

দিপাবলী পূজার সময় হিন্দুরা বাড়ি বাড়ি প্রদীপ জালায়। হিন্দুদের দাবি, নিকষ অন্ধকারেই অশুভ আত্মা ও অশুভ শক্তি সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই এই অশুভ শক্তিকে দুর্বল করতে ঘরের প্রতিটি কোনায় কোনায় বাতি বা প্রদীপ জ্বালানো হয়ে থাকে। (https://tinyurl.com/y3tns69f)

(৪) শিখ ও জৈন :

হিন্দু ধর্মের দিপাবলীর দিনটি শিখ ও জৈন ধর্মাবলম্বীরাও পালন করে। তারা এ দিনটিতে মোমবাতি জ্বালায়। (https://tinyurl.com/y4267hol) তবে শিখরা এ দিবসটি নাম দিয়েছে Bandi Chhor Divas । (https://en.wikipedia.org/wiki/Bandi_Chhor_Divas)।

(৫) বৌদ্ধ ধর্ম:

মোমবাতি জ্বালিয়ে পূজা ও ধ্যান করা বৌদ্ধ ধর্মের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। (https://tinyurl.com/y36kmjwb)

(৬) খ্রিস্টান ধর্ম:
আব্রাহামিক ধর্ম হলেও পরবর্তীতে খ্রিস্টান ধর্মেও পৌত্তলিকতা বা প্যাগানিজম প্রবেশ করে। তাই মৃত ব্যক্তির জন্য মোমবাতি জ্বালানো কালচারটা খ্রিস্টানদের একটি বড় কালচার। এ দিবসটি তারা পালন করে All Soul’s Day নামে। খ্রিস্টানরা এ দিবসটি পালন করে ২রা নভেম্বর। খ্রিস্টানদের মধ্যে রোমান ক্যাথলিক, বাইজেন্টাইন ক্যাথলিক, ইস্টার্ন অর্থডক্স, প্রটেস্টান্ট, অ্যাঙ্গলিকানদের মধ্যে এ দিবস পালনের রীতি দেখা যায়। (https://tinyurl.com/y485d8ud)

(৭) ইহুদী ধর্ম :
ইহুদী ধর্মের মধ্যে বর্তমানে অনেক পৌত্তলিকতা বা প্যাগানিজম ঢুকে গেছে। তাই মৃতব্যক্তিদের জন্য মোমবাতি জ্বালানোর কালচারটা ইহুদী ধর্মও করে। ইহুদীদের এ অনুষ্ঠানটির নাম Yahrzeit candle । এ সময় ২৬ ঘন্টা মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখা হয়। (https://en.wikipedia.org/wiki/Yahrzeit_candle)

“মৃতের আত্মাকে শান্তি দিতে মোমবাতি”
অথবা ‘মৃতকে স্মরণ করে মোমবাতি’
অথবা ‘মৃতকে আলো দিতে মোমবাতি’
এই তিনটি বিষয় ইসলামধর্ম ভিন্ন অন্য ধর্ম বা রিচুয়ালগুলো সমর্থন করে।

বাংলাদেশে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র এবং দেশটির রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এ অবস্থায় হঠাৎ করে প্রশাসনের উদ্যোগে, দেশটির একটি জাতীয় উপলক্ষকে (২৫শে মার্চ) কেন্দ্র করে এমন একটি সংস্কৃতি আমদানি করা হলো, যা দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সংস্কৃতি ও চেতনার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। ধর্মনিরপেক্ষতার নাম দিয়ে বাংলাদেশে অনেক কিছুর প্রচলন করা হয়, কিন্তু এই মোমবাতি প্রজ্জলনটা তো ধর্মনিরপেক্ষও কোন সংস্কৃতি নয়, বরং আদি পৌত্তলিকদের কুসংস্কার বিশ্বাস থেকে আগত।

কেন সরকারী উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান ?
সরকার সম্ভবত চাইছে ২৫শে মার্চকে ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি নিতে। এবং এখানে যে বিশ্বাসটি কাজ করছে, সেটা হলো পৌত্তলিক বা প্যাগান কালচার গ্রহণ করলে দ্রুত স্বীকৃতি নেয়া সম্ভব।  সেই বিশ্বাস থেকে সম্ভবত রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এই মোমবাতি প্রজ্জলনের উদ্যোগ।

সরকার তার রাজনৈতিক অর্জন দেখানোর জন্য রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দিবসগুলোকে জাতিসংঘের ইউনেস্কোতে তালিকাভূক্ত করাতে দৌড়ঝাপ করছে। কিন্তু এটা ভুল গেলে চলবে না, ইউনেস্কো বা জাতিসংঘ হচ্ছে সম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেনামি অঙ্গসংগঠন, যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গোয়েন্দা সংস্থা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পেছনে জড়িত (https://bit.ly/2utAj0w )।

বিষয়টি এমন দাড়াচ্ছে, রাষ্ট্রের মহান অর্জনগুলোকে এমন দুষ্টু শক্তির কাছ থেকে আমরা স্বীকৃতি চাচ্ছি, যারা খোদ আমাদের রাষ্ট্রের বিরোধী। এবং সেই দুষ্টু শক্তির স্বীকৃতি আদায়ের জন্য আমাদের দেশের সংস্কৃতি ও ধর্মকেও বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করছি না। যারাই এ ধরনের অপতৎপরতার পেছনে জড়িত তাদের কঠিন শাস্তি দাবী করছি।
















----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

জেসিন্ডার ইসলাম গ্রহণ বনাম মুসলমানদের ‘ভিগিল’ গ্রহণ


ক্রাইস্টচার্জে মসজিদে হামলার পর কিছু অনুষ্ঠান পালন করতে দেখা গেছে:
১) মৃতদের উদ্দেশ্যে মোমবাতি প্রজ্জলন
২) নিরবতা পালন
৩) মৃতকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো

মৃতদের উদ্দেশ্যে এ ধরনের ইভেন্টকে বলে ‘ভিগিল’, এটা এক ধরনের প্যাগান বা মূর্তি পূজকদের কালচার, যা ইতিমধ্যে অনেক কমিউনিটিতেই চালু হয়েছে, এবং অতি সম্প্রতি মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার পর অনেক মুসলমানকে দেখা গেছে নিউজিল্যান্ডে অমুসলিমদের সাথে মিশে এই কাজগুলো করতে।

অনেক আগের স্ট্যাটাসগুলোর মধ্যে আমি বলেছিলাম,
ইহুদীবাদীদের অনেকগুলো কাজের মধ্যে একটি কাজ হচ্ছে ইহুদী ধর্মাবলম্বী বাদে অন্য আব্রাহামিক ধর্মাবলম্বীদের (মুসলিম ও খ্রিস্টানদের)-কে প্যাগানাজিম বা মূর্তিপূজার দিকে নিয়ে যাওয়া। ‘ভিগিল’ হচ্ছে সেরকম একটি কালচার, যার মাধ্যমে দুঃখভারাক্রান্ত কোন সম্প্রদায়কে সহানুভূতি দেখানোর ছলে তাদের ভেতর প্যাগান কালচার প্রবেশ করানো হয়।

এবার আসুন একটু নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডনের পরিচয় সম্পর্কে কিছু ধারণা নেই-

১) জেসিন্ডা আরডেন খুব দরিদ্র পরিবারে থেকে এসেছে। ২০০১ সালে ফ্রি-মেসন সংস্থা থেকে জেসিন্ডা আরডেনকে অনুদান দেওয়া হয় এবং তার পড়ালেখাসহ যাবতীয় খরচ চালানো হয়।
(https://bit.ly/2UTxSQv)
বর্তমানেও ফ্রি-মেসনদের অনেক অনুষ্ঠানে তাই অতিথি হিসেবে থাকে জেসিন্ডা আরডেন।
(http://freemasonsnz.org/galleries)

২) জেসিন্ডা খ্রিস্টানদের মধ্যে মনমর গোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত। কিন্তু খ্রিস্টান ধর্ম সমকামীদের স্বীকৃতি দেয় না। তাই ২০০০ সালে সে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে নিজেকে নাস্তিক বলে দাবী করে। (https://ind.pn/2W5t0rw)
জেসিন্ডা গে (পুরুষ সমকামী)-দের  স্বীকৃতির ব্যাপারে অনেক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। সে অনেক গে-প্যারেডেও অংশগ্রহণ করে। (https://youtu.be/rGPmGrklQGw)

৩) জেসিন্ডা বিয়েতে বিশ্বাসী নয়। সে বহুদিন ধরে ক্লার্ক গেফোর্ড নামক এক ব্যক্তির সাথে লিভ-টুগেদার করছে এবং তাদের ঘরে ১টি সন্তানও আছে।

৪) জেসিন্ডা আব্রাহামিক খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করলেও প্যাগান বিশেষ করে হিন্দু ধর্মকে গুরুত্ব দেয়। যার কারণে প্যাগান হিন্দুদের অনেক পূজায় সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতাসহ উপস্থিত থাকে জেসিন্ডা।
(https://bit.ly/2CEdNGH, https://bit.ly/2HShOdT, https://bit.ly/2usZMXK)

৫) জেসিন্ডা নিজেকে মানবতাবাদী বলে দাবী করে, কিন্তু সে আসার ১ বছরের মধ্যে ইরাক ও আফগানিস্তানে নিউজিল্যান্ডে সেনা অবস্থানের সময়সীমা বৃদ্ধি করে। (https://bit.ly/2YkACZ4)

সম্প্রতি জেসিন্ডাকে ‘ইসলাম ধর্ম’ গ্রহণ করার আহবান জানিয়েছে এক মুসলিম যুবক। এতে কোন সমস্যা দেখি না। তবে জেসিন্ডার উত্তর ছিলো বেশ কৌশলী। সে বলেছে, “ইসলাম মানবতার শিক্ষা দেয়, আমার মনে হয় আমার মাঝে সেটি (মানবতা) আছে”।

তবে আমার মনে হয়, জেসিন্ডার ‘মানবতা’ ও ইসলামের মানবতার মধ্যে তফাৎ আছে।
ক) জেসিন্ডা সমকামীতায় বিশ্বাসী, ইসলাম সমকামীতায় বিশ্বাসী নয়
খ) জেজিন্ডা লিভ-টুগেদারে বিশ্বাস, ইসলাম লিভটুগেদারে বিশ্বাসী নয়
গ) জেসিন্ডা ধর্ম ত্যাগে বিশ্বাসী, ইসলাম ধর্ম ত্যাগে বিশ্বাসী নয়
ঘ) জেসিন্ডা খুনিকে বাচিয়ে দেয়ায় বিশ্বাসী, ইসলাম খুনিকে বাচিয়ে দেয়ায় বিশ্বাসী নয়
ঙ) জেসিন্ডা ইরাক-আফগানিস্তানে সৈণ্য পাঠিয়ে আগ্রাসনে বিশ্বাসী, ইসলাম অন্যায়ভাবে কাউকে আগ্রাসন তৈরীতে বিশ্বাসী নয়।

তাই জেসিন্ডা যে মানবতার কথা বলেছে, সত্যিই বলতে ইসলাম সেই মানবতায় স্বীকার করে না।
তবে জেসিন্ডা যে কথিত মানবতা প্রকাশ করেছে, সেটা অনেকটা ফ্রি-মেসনদের মত মানবতা, যা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে দূরে সরে প্যাগানিজমের মাধ্যমে মানবতার আলাদা একটি সংজ্ঞা তৈরী করা।

যাই হোক,
এবার আপনাদেরকে আরেকটি তথ্য দিচ্ছি। ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার পর ফ্রি-মেসনারীদের প্যাগানগ্রুপটি বেশ সক্রিয় হয়েছে এবং এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের মধ্যে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে। আপনারা জানেন, আর কিছুদিন পরেই আসছে পহেলা বৈশাখ, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বিভাগ থেকে বের হবে প্যাগানদের অনুষ্ঠান ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’, যা আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদীদের সংস্থা ইউনেস্কো থেকে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে। তবে গত কয়েক বছর যাবত মূর্তিপূজারীদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের কারণে এই মঙ্গল শোভাযাত্রার নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আগ্রহ অনেকটাই কমে গিয়েছিলো। যার কারণে তাদের শোভাযাত্রায় খুব একটা লোক হচ্ছিলো না, এবং গত বছর প্রায় হায়হুতাশ পড়ে যায়। এ অবস্থায় সেই অনুষ্ঠানকে বাচিয়ে রাখতে মুসলমানদের টেনে সেই প্যাগান কালচারে নিয়ে আসা খুব জরুরী। তাই এবার মুসলমানদের আকৃষ্ট নতুন পদ্ধতি নিয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা। তারা এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য করবে নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলা। আমি নিশ্চিত, এই উপলক্ষ্যকে কেন্দ্র করায় অনেক মুসলমানই এবার মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ  করবে। (https://bit.ly/2HGKHKL)

মজার বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন,
জেসিন্ডা আরডন কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করেনি,
কিন্তু নিউজিল্যান্ডের মুসলমানদের ভিগিল আর বাংলাদেশের মুসলমানদের মঙ্গল পূজা ধরিয়ে দিয়েছে।
এটাই হলো চতুর ফ্রি-মেসনারীদের বৈশিষ্ট্য।


----------------------------------------------------------
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 15, 2018

এই আমোদপ্রিয়রা দেশের সমস্যায় কি উপকারে লাগবে ?


তথাকথিত সেক্যুলার গোষ্ঠী বাঙালী সংস্কৃতির নাম দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উপর পহেলা বৈশাখ চাপায় দিতেছে, এর ফল হিসেবে জাতি কি লাভ করতেছে ? নাচ-গান আমোদ প্রমোদ আনন্দ ফূর্তি ? কিন্তু এই সব আমোদ-ফূর্তি দিয়ে জাতি কি করবে ? এই প্রজন্ম জাতির কি উপকারে লাগবে ? দেশের একটা বিপদের সময় এরা কি জাতির সাহায্যে এগিয়ে আসবে ? আমার মনে হয় না।
একটা শ্রেণীকে আমরা প্রায় দেখি, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে এসব নাচ-গান-ফূর্তিকে চাপিয়ে দিতে চায়। কিন্তু যারা শীর্ষে থেকে এ কাজগুলো করে তারা নিজেরাই কি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো ?
যেমন ধরুন ড. জাফর ইকবাল। মুক্তিযুদ্ধের নামে বই লিখে কম টাকা কামাই করেনি। কিন্তু তিনি কি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন ? ইতিহাস বলে, বয়স থাকার পরও মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধ করা তো দূরের কথা, উল্টো এলাকার মাদ্রাসায় ভর্তি হতে গিয়েছিলো, রাজাকারদের সমিহ অর্জন করতে। একইভাবে ড. আনিসুজ্জামান। জাতে ক্যালকেশিয়ান। হিন্দুদের পিটানী খেয়ে ৪৭ এ বাংলাদেশে এসেছিলো। কিন্তু আসার সময় সংস্কৃতির নামে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি নিয়ে এসেছে। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করলেও ৭১ সালে পালিয়ে গিয়েছিলো মায়ানমারে। ইনু’রও একই অবস্থা। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করে। অথচ ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় ভারতে কাটিয়েছে।
স্বাভাবিকভাবে একটা কথা উঠে, যে লোকগুলো নিজেরই মুক্তিযুদ্ধ করেনি, মুক্তিযুদ্ধের সময় পালিয়ে ছিলো, তারা যে সংস্কৃতি আমদানি করছে সেটা পালন করে নতুন প্রজন্ম কি দেশের বিপদে এগিয়ে আসতে পারবে ? আমার মনে হয় না।
একটি বিষয়ে অবশ্য সবাই একমত হবেন, পহেলা বৈশাখ এখন তারাই পালন করছে, যারা ৩১শে ডিসেম্বর রাতে থার্টিফাস্ট নাইট পালন করে। তাদের কাছে বাঙালী সংস্কৃতি আর হিন্দি সংস্কৃতির মধ্যে তফাৎ বুঝে না। আমোদ-প্রমোদ আর নাচ-গান নিয়ে মেতে থাকা তাদের কাজ। হিসেব কষলে দেখা যায়, পহেলা বৈশাখ একটা জঞ্জাল প্রজন্ম তৈরী করছে, এর বেশি কিছু না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

বাংলা সন চালুর ইতিহাস নিয়ে তথাকথিত সুশীলদের কথার মধ্যেই রয়েছে দ্বিচারিতা

কাউকে কাউকে দাবি করতে দেখলাম:
“আকবর হিজরী সন থেকে বাংলা সন চালু করায়, বাংলা সনের সাথে নাকি ইসলামী ঐতিহ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।”
যারা এ ধরনের উদ্ভট দাবি করছে, তারা আসলে এ সম্পর্কে স্ট্যাডি করে নাই। এ সম্পর্কে ইতহিাস বলছে:
'আকবর বাদশাহর রাজত্বকালে হিন্দু সম্প্রদায় বাদশাহের কাছে জ্ঞাপন করে, আমাদের ধর্মকর্ম সম্পর্কীয় অনুষ্ঠানে হিজরী সন ব্যবহার করতে ইচ্ছা করি না। আপনি আমাদের জন্য পৃথক সন নির্দিষ্ট করে দিন। আকবর হিন্দু প্রজার মনোরঞ্জনার্থে হিজরি সন থেকে এলাহি সন নামে একটি সনের প্রচলন করেন। যা আমাদের বঙ্গদেশের সন বলে চলে আসছে।[' সুত্রঃ বারভূঁইয়া, লেখক – আনন্দরায়।]
এখান থেকে দুটি বিষয় বের হয়ে আসে।
প্রথমত, কথিত বাংলা সনের উদ্ভব হিন্দু কর্তৃক হিজরী সনের বিরোধীতার মনমানসিকতা নিয়ে।
দ্বিতীয়ত, তঃক্ষণাত সনটি নাম ছিলো এলাহী সন, যা বাদশাহ আকবর কর্তৃক চালুকৃত ধর্ম দ্বীন-এ-এলাহী থেকে আগত।
এখন আপনারাই বিচার করুন, কথিত বাংলা সনের আগমন ইসলামী ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত নাকি ইসলাম বিরোধীতার সাথে সম্পর্কিত ?
আরেকজন লেখককে বলতে দেখলাম:
“আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আমাদের গ্রহণ করতে হবে। আরবরের সংস্কৃতি আমাদের সংস্কৃতি না। “
স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন জাগে, আপনি নিজস্ব সংস্কৃতি বলতে কত বছর আগের সংস্কৃতির কথা বলছেন ?
২০০, ৩০০, ৫০০ বছর আগের সংস্কৃতি কি আপনার সংস্কৃতি না ? ও বুঝেছি, ৮০০ বছর পূর্বে এ অঞ্চলে মুসলমানরা আসার আগের সংস্কৃতির কথা বলছেন ? মানে হিন্দু সংস্কৃতি ?
তাহলে তো আরবের সংস্কৃতিরও প্যাগান সংস্কৃতি । কারণ আরবে মুসলমানরা আসার আগে সেখানে মূর্তিপূজকরা ছিলো। তারা সূর্যের পূজা করতো। গ্রহ-নক্ষত্রের পূজা করতো। আপনি আজকে মঙ্গল পূজার সময় সূর্যের মূর্তি নিয়ে দৌড়ান, গানের মধ্যে বিশাখা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন, এগুলোতো আরবের প্রাচীন সংস্কৃতির অংশ বিশেষ ।
আসলে যারা এ ধরনের কথা বলে, তাদের কথার মধ্যেই দ্বিচারিতা থাকে। তারা এ অঞ্চলের সংস্কৃতি বলতে ৮০০ বছর আগে মুসলমানরা আসার আগের সংস্কৃতি বোঝায়। কিন্তু মুসলমান-খ্রিস্টান ও ইহুদীদের ধর্মবিশ্বাস অনুসারে সর্ব প্রথম মানব আদম এ অঞ্চলে আসেছিলেন। তাহলে তাদের হিসেবে সর্বপ্রথম মানবের সংস্কৃতি আগে গ্রহণ করা উচিত। আর সেই সংষ্কৃতি তো মূর্তি পূজা বিরোধী।
তাই যারা এ ধরনের কথা বলে, তাদের সময় নির্দ্দিষ্ট করে কথা বলা উচিত, কোন অঞ্চলে কোন সময়ের সংস্কৃতির তারা পক্ষে এবং কোন সময়ের বিপক্ষে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

সিরিয়াবাসী নববর্ষ পালন করছে। এটা তাদের জাতীয় উৎসব, তাদের ভাষায় ‘নিউরোজ’।


এটা তারা খুব ধুমধাম করে। যদিও তাদের ধর্মীয় কালচারের সাথে সাংঘর্ষিক, তবুও জাতীয় উৎসব দেখে তারা খুব গুরুত্ব দিয়ে পালন করে। নেচে গেয়ে ছেলে-মেয়ে এক সাথে আনন্দ করে তারা সেটা পালন করে। এ ভিডিওটা সম্ভবত জাপানে। জাপানে প্রবাসী সিরিয়ানরা তাদের জাতীয় কালচার ঠিকঠাক মত পালন করছে।
সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয় ২০১১ সালে। তাই এখন সেখানে তেমন অনুষ্ঠান পালনের ভিডিও দেখা যায় না। তবে যুদ্ধের আগে ২০০৯ সালে তাদের নববর্ষ পালনের ভিডিও পাওয়া যায় : https://youtu.be/neTzeFnR6ZA, https://youtu.be/T-NmqiR9qqc
আমার মনে হয়, বাংলাদেশীদের সিরিয়াবাসীদের থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। আহ ! নববর্ষ পালনে কি শান্তি, কি সুখ, আন্দন্দ আর ধরে না। আজকে নববর্ষের দিনে বাংলাদেশীদেরও উচিত সিরিয়াবাসীর মত ধর্মীয় কালাকানুন ছুড়ে ফেলে জাতীয় উৎসব পালন করা। তাহলেই বাংলাদেশীরা আগামীতে সিরিয়ার মত সুখ-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, April 5, 2018

গত কয়েকবছর ধরে পহেলা বৈশাখের বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটা ছিনতাই করতে চাইতেছে আওয়ামী লীগ


গত কয়েকবছর ধরে পহেলা বৈশাখের বটমূলের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটা ছিনতাই করতে চাইতেছে আওয়ামী লীগ। এজন্য রেজওয়ানা বন্যাকে দিয়ে ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পৃথক অনুষ্ঠান করাইতেছে। এ বছর সেই অনুষ্ঠান যেন আরো বড় হয়, সে জন্য আগে থেকেই রেহানা ও পুতুল গিয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছে। (https://bit.ly/2q5uKTl)

মার্কিনপন্থীদের সাথে আওয়ামীলীগের লড়াইটা বেশ আগে থেকেই। তবে নির্বাচন যত কাছে আসবে, দ্বন্দ্বটা তত স্পষ্ট হবে। সেক্ষেত্রে উভয় পক্ষই উভয় পক্ষের থেকে সুযোগ নিতে চাইবে। আসছে পহেলা বৈশাখে আওয়ামীলীগ-মার্কিনপন্থীদের দ্বন্দ্বে তাই নতুন কিছু ঘটে কি না, সেটা এখন দেখার বিষয়।

আপনাদের মনে থাকার কথা, কিছুদিন আগে একুশের টিভির সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন এক ফেবু স্ট্যাটাসে বলেছিলেন, গণজাগরণ মঞ্চের রাজীব হায়দার শোভন ওরফে থাবা বাবা মৃত্যুর একদিন আগেই একজন র‌্যাব কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছিলেন, “আগামীকাল গণজাগরণ মঞ্চের একটা উইকেট পড়বে।” (https://bit.ly/2GAdqNs)

আবার কিছুদিন আগে মার্কিন কূটনীতিকের বাংলাদেশ সফরের মুহুর্তে মার্কিনপন্থী শিক্ষক জাফর ইকবালের উপর হামলা নিয়ে অনেকেই বলেছেন, সরকারই পরিস্থিতি ঘুড়িয়ে দিতে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

সেদিক থেকে ক্যালকুলেশন করলে,

আগামী পহেলা বৈশাখেও যে, রমনার বটমূল বা বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে সাজানো বোমা হামলা হবে না, সেটা তো বলা যায় না। কারণ যে কোন গ্রুপ (আওয়ামীলীগ এবং মার্কিনপন্থী) ফলস ফ্ল্যাগ করে তার দিকে থেকে সুযোগ নিতে চাইবে। আর বলির পাঠা হবে সাধারণ জনগণ। আর ঘটনা শেষে অমুক-তমুক জঙ্গী সংগঠনের নাম দিলেই তো হলো, কে খোঁজ নিতে যাবে ? সেই অজুহাতে পহেলা বৈশাখ বিরোধী মুমিনদেরও সাইজ করা যাবে আবার নিজের গ্রুপের অবস্থান শক্ত করা যাবে।

সত্যিই দুনিয়াটা এখন চিটারের রাজ্য হয়ে গেছে। একটু চেতনাবাজি করবে, সেটার মধ্যেও চিটারি।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে গত কয়েক বছরে আমার ৫০টি লেখার লিঙ্ক, সংগ্রহে রাখতে পারেন।

১) মঙ্গল শোভাযাত্রা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুষ্ঠান : https://bit.ly/2pYT4XO
২) মঙ্গল শোভাযাত্রায় পেচা, বাঘ, সিংহের মুখোশ ব্যবহার করা হয় কেন : https://goo.gl/QfpHL4
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা কি আদৌ বাঙালী সংস্কৃতির অংশ : https://goo.gl/PRKVeh
৪) ভুল তথ্যের উপর ভিত্তি করে মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ইউনেস্কোর ঐতিহ্য নির্ধারণ : https://goo.gl/qL4r35
৫) বছরের শুরুতে মঙ্গলের আশায় মঙ্গলশোভা যাত্রা : মঙ্গলটা পাচ্ছি কোথায় ? : https://goo.gl/k3NsYP
৬) প্র্রধানমন্ত্রী যতই বলুক- নববর্ষ সেক্যুলার, হিন্দু ধর্মগ্রন্থ কিন্তু তা স্বীকার করছে না : https://bit.ly/2q2tPTI
৭) প্রথম আলুও প্রথম পৃষ্ঠায় স্বীকার করে নিলো, এবার (গতবার) পহেলা বৈশাখ জমেনি : https://bit.ly/2H4uZWQ
৮) পহেলা বৈশাখ কি ক্লিনিক্যালী ডেড ? : https://bit.ly/2GOpu0N
৯) হিন্দু ধর্মগ্রন্থ মহাভারতে মঙ্গল শোভাযাত্রার কথা : https://bit.ly/2InR6XD
১০) ১৩-১৫ই এপ্রিল বিভিন্ন দেশে বর্ষবরণ সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় উতসব, বাংলাদেশে কেন অসাম্প্রদায়িক উৎসব : https://bit.ly/2GusuMn
১১) গ্র্যান্ডমুফতি ইনুর ফতওয়া : পহেলা বৈশাখ পালন করলে মুসলমানিত্ব যায় না : https://bit.ly/2q05Y7J, https://bit.ly/2q0PwV5
১২) সংষ্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ফতওয়া- মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নাই। : https://bit.ly/2Jb1eUR
১৩) ‘মঙ্গল’ শব্দ নিয়ে শেখ হাসিনার যুক্তি খন্ডন : https://bit.ly/2uHatZL
১৪) পহেলা বৈশাখ ক্রেজ হতে পারে, কিন্তু কখনই বাঙালী সংস্কৃতি না : https://bit.ly/2EfdDDq
১৫) রবীন্দ্রনাথ পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতো হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবেই : https://bit.ly/2GTJTPI
১৬) নববর্ষ বা নওরোজ কিভাবে এলো ?? : https://bit.ly/2Gt9Ft6
১৭) পহেলা বৈশাখ নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর : https://bit.ly/2In6xiQ
১৮) পহেলা বৈশাখ : বাঙালী চেতনার আড়ালে ধর্ষকের হাসি : https://bit.ly/2JceSHg
১৯) মঙ্গল শোভাযাত্রা সরকারি আদেশ বাতিল চেয়ে আইনী নোটিশ : https://bit.ly/2uKbT5K
২০) বৈশাখের গান : বিশাখা দেবীর কাছে প্রার্থনা : https://bit.ly/2q06YrO
২১) পহেলা বৈশাখ পালন: হিন্দুদের ব্রিটিশ আনুগত্যের চেতনার অংশ : https://bit.ly/2IlYtPy
২২) পহেলা বৈশাখের অসাম্প্রদায়িকতার নামে খাওয়ানো হচ্ছে সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদ : https://bit.ly/2q5VoM3
২৩) পান্তাভাত কি বাঙালী জাতির প্রতিনিধিত্ব করে (আমার লিঙ্ক হারায় গেছে) ? : https://bit.ly/2q0Jwvj
২৪) পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে ইসলাম ধর্ম কি বলে (শেয়ার) : https://bit.ly/2H7QRAs
২৫) পহেলা বৈশাখ পালনকারীদের সম্পর্কে ইসলাম ধর্ম কি বলে (শেয়ার) : https://bit.ly/2EfxrXA
২৬) সম্রাট আকবর চালু করলেই কি নববর্ষ মুসলমানদের অনুষ্ঠান হয়ে যায় : https://bit.ly/2GvQnHC
২৭) বাঙালী চেতনার আড়ালে চারুকলার হিন্দুত্ববাদীদের গোমর ফাঁস : https://bit.ly/2GS2ONg
২৮) মঙ্গলশোভাযাত্রা মানেই চারুকলার গাঁজাখোরদের টাকা কামানোর ধান্ধা : https://bit.ly/2uFXOXd
২৯) পহেলা বৈশাখ পালনকারীরা কি আইনের ঊর্ধ্বে : https://bit.ly/2q15hLL
৩০) পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে কিছু অপ্রিয় সত্য : https://bit.ly/2uMwqH8
৩১) জরিপ : পহেলা বৈশাখের বোনাস বাদ দেওয়ার পক্ষে অধিকাংশ বাংলাদেশী :https://bit.ly/2GtIoeb
৩২) বাংলাদেশের পহেলা বৈশাখ শুরুর ইতিহাস : https://bit.ly/2GwZun6
৩৩) পহেলা বৈশাখের বোনাস ও বাঙালীর সর্বনাশ : https://bit.ly/2Ef5xel
৩৪) পহেলা বৈশাখ: ইসলাম ধর্ম ঠেকানোর উৎসব : https://bit.ly/2GtLKxt
৩৫) পহেলা বৈশাখের কারণে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি হাসপাতালের সড়ক বন্ধ : https://bit.ly/2InW1I5
৩৬) পহেলা বৈশাখ মানেই বাঙালীর বজ্জাতি, হুজ্জাতি আর লুইচ্চামির দিন : https://bit.ly/2Gt7HNk
৩৭) মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য হিন্দু সংগীত - 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর : https://bit.ly/2EfvLgH
৩৮) ইহুদীরা সব সময় লোকাল মূর্তিপূজক বা প্যাগানদের প্রমোট করে : https://bit.ly/2nDG8af
৩৯) এ বছর চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার শ্লোগানে বিকৃত যৌনাচারের আহবান : https://bit.ly/2Eft8LY
৪০) পহেলা বৈশাখের দিন কেন আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠাবেন না : https://goo.gl/S4Xu9f
৪১) ৯ম-১০ম শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে পহেলা বৈশাখ নিয়ে মিথ্যা তথ্য : https://bit.ly/2q1Bod7
৪২) মঙ্গল শোভাযাত্রার মঙ্গল শব্দের উৎপত্তি : https://goo.gl/SNajKn
৪৩) বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের একান্ত ধর্মীয় উৎসবের দিন : https://bit.ly/2Gx7vbV
৪৪) পহেলা বৈশাখের ছুটি কেন বাতিল নয় ? : https://bit.ly/2Ir3FS5
৪৫) কারা সৃষ্টি করলো আজকের পহেলা বৈশাখ ?? : https://bit.ly/2Jfx17l
৪৬) অমঙ্গল শোভাযাত্রায় এগুলো কিসের মূর্তি ? : https://bit.ly/2q0P2hv
৪৭) পহেলা বৈশাখ বিরুদ্ধে ইসলামী দলগুলোর বিবৃতি : https://bit.ly/2uHXsiL, https://bit.ly/2GxQiyS
৪৮) অমঙ্গলশোভাযাত্রা হিন্দুদের বিশেষ ধর্মীয় অনুসঙ্গ : https://bit.ly/2EfWb1L
৪৯) ভাত দে হারামজাদা, নইলে মূর্তি খাবো : https://bit.ly/2q3qtjd
৫০) কারো চাই এক মুঠো ভাত, কারো চাই অমঙ্গল পূজায় বিশাল মূর্তি : https://bit.ly/2Eg7uXP

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, April 2, 2018

চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রার শ্লোগানে বিকৃত যৌনাচারের আহবান


আসছে পহেলা বৈশাখে চারুকলার থেকে যে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হবে তার শ্লোগান হিসেবে দেয়া হয়েছে “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি” বাক্যটি। এ বাক্যটি দেহতত্ত্বে বিশ্বাস লালন বাউলের একটি গানের প্রথম লাইন, যার মূল অর্থ অত্যান্তু কুৎসিত ও বিকৃত যৌনাচারের আহবান।
পুরো গানটি হচ্ছে:
মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি ।
মানুষ ছাড়া খ্যাপা রে তুই মূল হারাবি ।।
এই মানুষে মানুষ গাঁথা
গাছে যেমন আলেক-লতা
জেনে শুনে মুড়াও মাথা
ও মন যাতে তরবি ।।
দ্বিদলের মৃণালে
সোনার মানুষ উজলে
মানুষগুরু নিষ্ঠা হলে
তবে জানতে পাবি ।।
এই মানুষ ছাড়া মন আমার
পড়বি রে তুই শূন্যাকার
লালন বলে মানুষ আকার
ভজলে তারে পাবি ।।
মূলত: বাউলদের প্রতিটি শব্দের আলাদা পরিভাষা থাকে, যা সাধারণ মানুষের সাথে মিলে না। এজন্য বাউল শব্দের অর্থগুলো ডিকশেনারী থেকে জানতে হয়। এ সম্পর্কে ড. আবদুল করিম মিঞা রচিত ‘বাউল-লালন পরিভাষা’বইটি কিনতে পারেন। (https://bit.ly/2GqhfbH) আসুন এ বইটির নিরিখে গানটির মূল অর্থ বের করি।
(১) গানের দ্বিতীয় লাইন রয়েছে ‘মূল’ শব্দ। ড. আবদুল করিম মিঞা রচিত ‘বাউল-লালন পরিভাষা’ বইতে রয়েছে- “মূল অর্থ ‘শুক্র’। বাউলরা যৌনতার সময় শুক্রকে ধরে রাখার সাধনা করে, এবং সেটিই আসলে বাউল সাধনা।
(২) এ গানে ‘খ্যাপা’ শব্দের অর্থ ‘বাউল-লালন পরিভাষা’বইতে বলা আছে:
“হিন্দু বাউলকে ‘খ্যাপা’ বলা হয়। যারা ভগবানকে পাওয়ার জন্য দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায় তারাই খ্যাপা’। একতারা, পরিধেয় বস্ত্র আর সাধনসঙ্গিনীই এদের একমাত্র সঙ্গী। ভিক্ষালব্ধ অন্নই গ্রাসাচ্ছাদনের উপায়।”
(৩) “দ্বিদলে মৃণালে সোনার মানুষ উজলে।”এই ‘দ্বিদলে মৃণালে’পদটিই এখানে ‘সোনার মানুষ’ শব্দটির অর্থ নির্দেশ করছে। এ প্রসঙ্গে ‘বাউল-লালন পরিভাষা’বইতে রয়েছে- “দুই ভ্রু ও নাকের গোড়ার মধ্যে অবস্থিত জায়গার নাম ‘দ্বিদল’। পতন্নোমুখ শুক্রকে কুম্ভক সাধনার মাধ্যমে সুষুম্না নাড়ির মধ্য দিয়ে ‘উর্ধগামী’ করা হয়। এই উর্ধগামী শুক্রকে দ্বিদলে নিয়ে সাধক অসাধারণ পুলক অনুভব করে, এই পুলক অনুভবকেই বাউলরা ‘সোনার মানুষ’ বা ‘অধর মানুষ’ বলেছে।
(বইয়ের স্ক্রীনশট: http://bit.ly/2GtnlYY) - তথ্যগুলো সংগৃহিত ।
অর্থাৎ চারুকলার এবারের শ্লোগান “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি” এর আসল অর্থ দাড়াচ্ছে “সঙ্গীনির সাথে বিকৃত যৌনাচারের মাধ্যমে শুক্র ধরে রাখা শিখতে হবে।”
বাউলদের এসব্ গানের মধ্যে যে বিকৃত যৌনতার আহবান আছে এটা যদি কেউ অস্বীকার করতে চান, তবে দয়া করে দুটো মুভি দেখে নেবেন।
ক) কসমিক্স সেক্স : https://youtu.be/a64dhbW7aA0
খ) ডিভাইন সেক্স : https://youtu.be/BA4-9wRHCqU
এছাড়া বাউলদের মুখে শুনুন তাদের সাধণার মূল তত্ত্ব কি : https://youtu.be/v8dZ9jmSb34
ভিডিওগুলো দেখলেই বুঝবেন বাউলের প্রতিটি কথার আড়ালে কিভাবে বিকৃত যৌনচার আহবান করা হচ্ছে, আর সেটাই এবার মঙ্গল শোভাযাত্রার শ্লোগান।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------