Showing posts with label নাস্তিক. Show all posts
Showing posts with label নাস্তিক. Show all posts

Wednesday, January 30, 2019

বিদেশী টাকার খেলা…..


উপস্থাপিকা ফারজানা ব্রাউনিয়ার সাম্প্রতিক পরিবর্তন চোখে পড়ার মত। তিনি এখন একজন কমপ্লিট হিজাবী নারী। ব্যক্তি জীবনে ধর্মপালন ও যতটুকু সম্ভব হিজাব মেইনটেইন করার চেষ্টা করেন। অন্তত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজের ছবিগুলো সেরকমই বলে। তাকে এখন আর আগের মত অন্যপুরুষের গলায় মালা পরাতে দেখা যায় না, দেখা যায় না অন্যপুরুষের সাথে হাত মেলাতে। শুধু দেখা যায় নিজ সন্তান ও স্বামীর সাথে। যে ফারজানা ব্রাউনিয়া কিছুদিন আগেই হাজার হাজার কিশোরীকে ধাবিত করতেন কথিত ‘প্রগতিবাদী’ হওয়ার জন্য, বলতেন-মেয়েরা যেন ক্যারিয়ার নষ্ট করতে বিয়ে না করে। মেয়েদের উৎসাহিত করতেন ‘কর্পোরেট লুক’ ফলো করার জন্য। বলতেন, এক পুরুষের অধীনে না গিয়ে, ১০ পুরুষের সাথে নেচে মেয়েরা ‘স্বাধীন’ জীবন যাপন করবে, এটাই ছিলো তার শিক্ষা। কিন্তু সেই ফারজানা আজকে হিজাব ও স্বামী-সন্তানের ‘বুক’ বেছে নিয়েছেন।

মানুষ সব সময় অপেক্ষাকৃত ভালো থাকার চেষ্টা করে। ফারজানা ব্রাউনিয়াও আগের জীবন থেকে বর্তমানে অধিক ভালো জীবন বেছে নিয়েছেন, তার ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো সেটাই প্রমাণ করে। এখন কথা হলো, সেই আগের কথিত প্রগতিবাদী ব্রাউনিয়া আর বর্তমানে হিজাবী ব্রাউনিয়ার মধ্যে তফাৎটা কোথায় ?
তফাৎ হলো আগে সে কাজ করতো স্বর্ণকিশোরী নামক একটি এনজিও’র হয়ে। যে এনজিওটি পরিচালিত হতো জাতিসংঘসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের অর্থায়নে। বাংলাদেশের নারীদের নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন এজেন্ডাগুলো সে প্রগতিবাদের নাম দিয়ে মেয়েদের খাওয়াতো। কিন্তু হঠাৎ চ্যানেল আই গ্রুপের সাথে দ্বন্দ্বের দরুণ সে স্বর্ণকিশোরী ত্যাগ করে। ফিরে আসে আসল রূপে, গ্রহণ করে স্বাভাবিক জীবন। অর্থাৎ বিদেশী টাকাও নেয় না, আর কিশোরীদের বিভ্রান্তও করে না। তারমানে এটা নির্দ্বিধায় বলা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন’র নামে যেসব তত্ত্ব (বাল্যবিয়ে বন্ধ, পর্দা নিষিদ্ধ, নারী অধিকার, বৈষম্য হ্রাস, নারী ক্ষমতায়ন, নারী-পুরুষ অবাধ মেলামেশা, জন্মনিয়ন্ত্রণ) ছড়ানো হচ্ছে সব হলো পশ্চিমা ফান্ডিং এর ফসল। ফান্ডিং বন্ধ হলে সে সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে যেসব নারী এগুলো প্রচার করছে ব্যক্তি জীবনে তারাও সেগুলো পছন্দ করে না। সুযোগ পেলে তারাও পশ্চিমা এজেন্ডা মাফিক জীবন যাপন ত্যাগ করবে।

গত কয়েকদিন আগে দৈনিক প্রথম আলো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যার শিরোনাম, “কিশোরীর ‘উপযুক্ত পোশাক’ও নির্ধারণ করেছে পাঠ্যপুস্তক”। প্রতিবেদনের ভেতরে লেখা হয়, “সাদা-কালো সালোয়ার-কামিজ আর সাদা ওড়না গায়ে এক কিশোরীর ছবি। ছবির নিচে লেখা, ‘উপযুক্ত পোশাকে কিশোরী’। ....২০১৯ শিক্ষাবর্ষের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ষষ্ঠ শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বইয়ের ‘কৈশোরকালীন পরিবর্তন ও নিজের নিরাপত্তা রক্ষা’ বিষয়ক সপ্তম অধ্যায়ে ....। তবে নারী, শিশু ও শিক্ষা অধিকার নিয়ে কর্মরত ব্যক্তিরা পাঠ্যপুস্তক এভাবে ‘উপযুক্ত পোশাক’ নির্ধারণ করে দিতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা বলছেন, একজন কিশোরীর উপযুক্ত পোশাক কোনটি, তা পাঠ্যপুস্তকে কেন থাকবে?” (https://bit.ly/2FnsYpU)
আমার মনে হয় বাংলাদেশের মত একটি মুসলিম রাষ্ট্রে উপযুক্ত পোষাক বোরকা হওয়ার দরকার ছিলো। কিন্তু সালোয়ার কামিজ আর ওড়না হওয়াতে দৈনিক প্রথম আলো কেন রিয়্যাক্ট করলো ? এর পেছনে কি ফারাজানা ব্রাউনিয়ার মত সেই ‘পশ্চিমা অর্থ’ তত্ত্ব মেলানো যায় না ? বিদেশী অর্থায়ন পেয়ে প্রথম আলো তা প্রচার করছে নারী অধিকারের নাম দিয়ে ?

কিছুদিন আগে ড. কামালের ‘খামোস’ শব্দটা খুব মিডিয়া পেয়েছিলো। ড. কামাল কিন্তু ঘাগু লোক। তার কোন কথা ফেলনা না। সুপ্রীম কোর্ট বারে তার চেম্বারে কোন মামলা করতে সবচেয়ে বেশি টাকা লাগে। ড. কামালের প্রতি শব্দের জন্য মক্কেলদের টাকা গুনতে হয়। তাই সাধারণ রাজনীতিবিদদের কথা ফেলনা হতে পারে, কিন্তু ড কামালের কোন কথা ফেলনা নয়। ‘খামোস’ শব্দ উচ্চারণের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ড কামাল বলেছিলেন, “কত টাকা পেয়েছো, কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো?”
আপনি ড কামালকে যতই ট্যাগ দেন আর রাগী ভাবেন লাভ নাই । জনগণের মাধ্যম বা গণমাধ্যম দাবীদার নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া অন্যের টাকা খেয়ে জনগণের সাথে বেঈমানি করে তা কিন্তু ফাঁস করে দিয়েছেন বাংলাদেশের সংবিধান রচয়িতা ড কামাল। কারণ তার থেকে সাংবাদিক আর কথিত মিডিয়াকে আর কে ভালো ভালো চিনে, বলুন ? তার বড় মেয়ের জামাই ইহুদী সাংবাদিক, তার মেয়ে সারা হোসেন বাংলাদেশে সিআইএ’র এমন প্রজেক্ট নাই, যার নেতৃত্বে নাই। আজকে যারা ৭১ এর চেতনাবাদী দাবী করে, সেই চেতনাসৃষ্টিকারী তারেক মাসুদ আর ক্যাথরিন মাসুদের সঙ্গী হচ্ছে ড. কামালের ছোট মেয়ে দিনা হোসেন। ড. কামালের স্ত্রী হামিদা হোসেন হচ্ছে বাংলাদেশে লিডিং সিআইএপন্থী অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহানের বান্ধবী, বাংলাদেশের সুলতানা কামালদের বস, আইন ও শালিস কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন। বিদেশী অর্থায়ন ও ব্যাকিং এ যারা চলে তারা ড. কামালের পরিবারের হাটুর সমান হওয়ার যোগ্যতা হয়নি এখনও। সেই ড কামাল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে “কত টাকা পেয়েছো, কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো?” এই কথা বলে তো তিনি কথিত গণমাধ্যম বা মিডিয়াকে পুরো ন্যাংটো করে দিয়েছেন।

এই বাংলাদেশে হঠাৎ করে নাস্তিক্যবাদী ব্লগারদের উত্থ্যান ঘটলো। ভাবখানা এমন যে, নাস্তিক্যবাদ বিরাট কোন মতবাদ, মহৎ কোন চেতনা। ইসলামকে দমন করে এখন মহৎ নাস্তিকতার উত্থান ঘটবে। কিন্তু সেই সময় কথা সাহিত্যিক জাকির তালুকদার বলেছিলো, নাস্তিকতা বলে কিছু নেই, সব ‘তিন বেলা খানা আর পাকা পায়খানা’র লোভ।” আসিফ মহিউদ্দিন জার্মানি যাওয়ার পর এক স্ট্যাটাসে বলেছিলো, “দেশে থাকতে কত ইচ্ছা ছিলো রিকশায় চড়বো, দামী সিগেরেট খাবো, কিন্তু স্বাদ থাকলেও সামর্থ ছিলো না। এখন জার্মানি এসে সব ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।”। গত কয়েকদিন আগে অর্পিতা রায় চৌধুরী (তমালিকা সিংহ) নামক এক কথিত নাস্তিক ব্লগার জার্মানিতে মারা যাওয়ার পর নাস্তিকদের দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্বে সব ফাঁস হয়ে যায় গোমর। তখন নাস্তিকরাই বলে, এইসব নাস্তিকতা-ফাস্তিকতা বলে কিছু নেই, সব হলো আদম ব্যবসা। নাস্তিকরা কথিত নাস্তিকতার গল্প ফেদে ইহুদীবাদী লেখক সংস্থা ‘পেন ইন্টারন্যাশনাল’র সাথে যোগাযোগ করে। তারাই বাংলাদেশের কথিত নাস্তিক বা ইসলামবিদ্বেষীদের স্ট্যাইপেন দিয়ে ইউরোপে নিয়ে যায়, বাড়ি ভাড়া করে দেয় ২ বছরের জন্য, খাওয়ার ব্যবস্থা করে, পরে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো তার হাল ধরে। তবে একজন নতুনকে ‘পেন’ সংগ্রহ করতে চাইলে পুরাতন একজনের সমর্থন লাগে। এই সমর্থন দেয়ার সময় অনেক নাস্তিক নতুনের থেকে টাকা পয়সা ধান্ধা করে, নারী হলে তার সাথে শারীরিক সম্পর্কের শর্ত জুড়ে দেয়। অর্থাৎ নাস্তিকতা বা ইসলাম বিদ্বেষ বলে কিছু নেই, সব সেই বিদেশী টাকার খেলা।

আমার একটা মত হলো, আমি বিষ খাবো, কিন্তু বিষকে বিষ জেনে খেতে আমি রাজী। কিন্তু বিষ যেন মিষ্টি কাগজে মুড়ে না খাওয়ানো হয়। বাংলাদেশে নারী স্বাধীনতা, পর্দাহীনতা, জন্মনিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিয়ে নিরোধ, নারী ক্ষমতায়ন সব কিছু জারি করা হোক, সমস্যা নেই। কিন্তু প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়া হোক, কোন বিশেষ গুনাবলীর কারণে নয়, বরং পশ্চিমা টাকার বিনিময়ে এগুলো বাংলাদেশের জারি করার চেষ্টা চলছে। সত্য প্রকাশ হোক, কিন্তু সত্যকে মিথ্যার কাগজে মুড়ে প্রকাশ কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, December 2, 2018

মুক্তিযুদ্ধ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশব্যাপী ধর্মবিদ্বেষ ছড়াচ্ছে শাহবাগীরা


বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী বসে বসে যে কি করে আমি বুঝি না,
নির্বাচনের আর মাত্র ১ মাস বাকি, এর মধ্যে মার্কিনব্লকের এক ব্যক্তি ঘোষণা দিলো ৬৪ জেলায় ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী নামক প্রোগ্রাম করবে (৮ই ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে), আর প্রশাসন অনুমুতি দিয়ে দিলো ?
তাও এমন একটি প্রকাশনী (শ্রাবন প্রকাশণী), যারা চরম বিতর্কিত, নাস্তিকতার সাথে সম্পৃক্ত-
১) নাস্তিকতা প্রচারের জন্য রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ হওয়ার পর তা খুলে দেয়ার জন্য আন্দোলন করতে মাঠে নামে শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2KIJv8q)
২) চরম ধর্মবিদ্বেষী বই বের করার জন্য বদ্বীপ প্রকাশণী বন্ধ করায় রাস্তায় নেমেছিলো রবিন আহসান, যার কারণে শ্রাবন প্রকাশনীকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে বাংলা একাডেমী। (https://bbc.in/2raon26)
৩) সিআইএ’ এজেন্ট এসকে সিনহার বানানো মূর্তি অপসারণ করায় মাঠে নেমেছিলো শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2zAKAei)
৪) মার্কিন এজেন্ডা সংখ্যালঘু নির্যাতনের ধুয়া তুলতে সর্বদা মাঠে সরব ছিলো শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2KJpnmP)

এদের মুখের ভাষা মুক্তিযুদ্ধ। কিন্তু বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ধর্মবিদ্বেষ ছড়ানো, দেশে অরাজকতা সৃষ্টি। এদের দৌড় সর্বোচ্চ শাহবাগ পর্যন্ত হতে পারে, কিন্তু ৬৪ জেলায় ফিল্ড পর্যায়ে গেলে এদের সাথে জনগণের সংঘর্ষ বাধা খুব স্বাভাবিক।
পোস্টারে দেখলাম, এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহী, আর সহযোগীতা করবে সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। আমার মনে হয় না, এরা মূল ঘটনা বুঝে (সিআইএপন্থী সিনহাকে প্রধানবিচারপতি বানালে আর কি বাকি থাকে ?), বরং এদের নাম কৌশলে এটে পুরো প্রোগামকে একটি আওয়ামী সরকারের সিল লাগানো হয়েছে কৌশলে।
আমার কথা হলো, শ্রাবন প্রকাশনীকে আর কয়জন চেনে, কিংবা রবীন আহসান যে সরকারবিরোধী মার্কিনপন্থীদের হয়ে কাজ করছে, এটাও বা কয়জন বোঝে ? কিন্তু কিন্তু তৌফিক ই ইলাহী আর মন্ত্রী পরিষদ বিভাগকে তো সবাই চেনে। তাই কথিত ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ফিল্ড পর্যায়ে একটা ঘটনা ঘটিয়ে দিলে তার দায় কিন্তু পড়বে সরকারের উপর, যার সূত্র ধরে তৈরী হতে পারে বড় ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন।
আমার মনে হয়, নির্বাচনের আগে, নতুন কোন অরাজকতা বন্ধ করতে, শ্রাবন প্রকাশনীর কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ভ্রাম্যমান বইমেলা’ আপাতত স্থগিত করাই শ্রেয়, নির্বাচন শেষ হলে পরে দেখা যাবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, May 16, 2018

স্যার জাফর ইকবাল, ইতিহাস সাক্ষী ১৯৭১ সালে তো আপনিও ‘আমি রাজাকার’ হতে চেয়েছিলেন


জাফর ইকবাল স্যার নতুন করে কোটা আন্দোলনের বিরুদ্ধে একটা আর্টিকেল লিখছে (https://bit.ly/2Ido9y2)। আর্টিকেলটা পড়ে আমি সত্যিই হতাশ হলাম, বুঝলাম, তার বয়স হয়েছে। এখন তার রিটায়ার্ডে যাওয়া উচিত। অনেক তো হলো। তার বানানো চেতনার মসল্লা আর ছাত্ররা খাইছে না, কারণ ছাত্ররা চলে ‘কোরআই -৯’ প্রসেসরে আর তিনি পড়ে আছেন পেন্টিয়াম-১ যুগে। তাই এ যুগে তিনি অচল, তার এখন গার্বেজে যাওয়াই শ্রেয়।

১) কোটা আন্দোলনের সময় অনেক ছাত্র বুকের মধ্যে ‘আমি রাজাকার’ লিখেছে দেখে তিনি মারাত্মক রাগান্বিত হয়েছেন। তিনি বলেছেন,
- “যখন দেখি একজন ছাত্র নিজের বুকে ‘আমি রাজাকার’ কথাটি লিখে গর্বভরে দাঁড়িয়ে আছে, আমি সেটি বিশ্বাস করতে পারিনি। মাথায় আগুন ধরে যাওয়া বলে একটা কথা আছে, এই কথাটির প্রকৃত অর্থ কী আমি ওই ছবিটি দেখে প্রথমবার সেটি অনুভব করেছি।”
-এরপর বলেছেন, “কোটাবিরোধী আন্দোলন করে যে বাংলাদেশের মাটিতে নতুন রাজাকারের পুনর্জন্ম হয়েছে, এ দেশের তরুণরা নিজেদের রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে গর্ব করতে শিখেছে, আমাদের সংবাদমাধ্যম সেই খবরটি আমাদের কেন জানাল না?”
- “(কোন ছাত্র বলবে) আমি ২০১৮ সালে কোটাবিরোধী আন্দোলন করেছিলাম, খবরের কাগজে আমার ছবি ছাপা হয়েছিল, আমার বুকে লেখা ছিল ‘আমি রাজাকার’। তখন আমি (জাফর স্যার) অবধারিতভাবে গলায় আঙুল দিয়ে তার ওপর হড়হড় করে বমি করে দেব।”

স্যার জাফর ইকবালের ভাষায়, “ছাত্ররা বুকের মধ্যে ‘আমি রাজাকার’ শব্দটা গর্বভরে লিখেছিলো।”
কিন্তু আসলেই কি তাই ?
ছাত্ররা ‘রাজাকার’ শব্দটা লিখেছিলো ক্ষোভ থেকে, রাগে-দুঃখে লিখেছিলো। অনেকে লিখেছিলো; “চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার” এটা তো গর্বকরে লেখা নয়। জাফর ইকবাল ছাত্রদের অপবাদ দিয়েছেন। যদিও যে উপলক্ষ্য করে (মতিয়া চৌধুরীর বক্তব্য) ছাত্ররা এ শ্লোগান ঝুলালো সেটা তিনি কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।

২) ‘আমি রাজাকার’ শব্দটা কেন লেখা হয়েছে এটা কোরআই-৯ প্রজন্ম ভালোভাবে বুঝে। বর্তমানে পৃথিবীতে মি-টু হ্যাশ ট্যাগ দিচ্ছে অনেকে। হলিউডের এক পরিচালক অভিনেত্রীদের যৌন নির্যাতন করতো, সেই থেকে এই ট্যাগের সূচনা। এখন পৃথিবীর অনেকেই মি-টু হ্যাশ ট্যাগ দেয়। তাই বলে সবাই যে যৌন নির্যাতিত বিষয়টি তা নয়। এর আগে বাংলাদেশে একটি প্রচারণা হয়েছিলো, ‘আমি মালউন’ শ্লোগান দিয়ে। ‘মালউন’ মানে অভিশপ্ত। ঐ সময় জাফর ইকবাল কিন্তু এটা নিয়ে কোন ঘোষণা দেয়নি। একই ঘটনা কিন্তু ঘটেছিলো নারায়নগঞ্জের শিক্ষক শ্যামল কান্তির কান ধরে উঠবস নিয়ে। ঐ সময় তার সমগোত্রীরাও কান ধরে উঠবসা করে। ঐ সময় স্যার জাফর ইকবাল কি লিখেছিলো আসুন দেখি: “আমি নিজে একজন শিক্ষক। আমি জানি, আমাদের দেশের সকল শিক্ষকের কাছে মনে হয়েছে এটি তার নিজের অপমান। শ্যামল কান্তি ভক্তকে একা কান ধরে উঠ-বস করানো হয়নি, এদেশের সকল শিক্ষককে একসঙ্গে কানে ধরে উঠ-বস করানো হয়েছে।” (https://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/36190)
কি বুঝলেন ? তিনি কিন্তু কানে ধরে উঠবস কার্যক্রমের বিরুদ্ধে বলেননি, বরং সেই আন্দোলনকে পক্ষে বলে সব শিক্ষককে কানে ধরে দিয়েছেন।

৩) জাফর ইকবাল লিখেছেন, “ঢাকা শহরের মানুষকে জিম্মি করে আন্দোলন করার জন্য আমি যথেষ্ট বিরক্ত হয়ে সপ্তাহ দুয়েক আগে একটি লেখা লিখেছিলাম (সেই সময়ে আমার মেয়ে হাসপাতালে ছিল, তাই ঢাকাশহরকে জিম্মি করে ফেললে হাসপাতালে রোগীদের কী ধরনের কষ্ট হয় আমি নিজে সেটি জানতে পেরেছি)। ”

স্যারের এ ধরনের বক্তব্য পড়ে আমি বুঝলাম তিনি কতটা স্বার্থপর। ঐ সময় তার মেয়ে হাসপাতালে ছিলো বলে তিনি ঢাকাবাসীর কষ্টটা বুঝছেন। তার মেয়ে হাসপাতালে না থাকলে তিনি বিষয়টি বুঝতেন না। আহহারে। কিন্তু এই আন্দোলন আর কয়দিনের, ঢাকা শাহবাগের যখন মাসের পর পর মাস ধরে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন চলছিলো, তখন তিনিও ঐ আন্দোলনের ছিলেন, এবং স্ত্রী পাশে নিয়ে মাইকে বক্তব্য দিয়েছেন। তখন কিন্তু ঐ এলাকায় মিডফোর্ড, বারডেম, ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো । শাহবাগে জাফর স্যারের সেই বক্তব্য দেখুন (https://youtu.be/E_tlh_AxXOQ), দৃশ্য বলে দিচ্ছে- যে পরিমাণ রাস্তায় ভীড় একজন রোগির পক্ষে ঐ রাস্তা দিয়ে যাওয়া সম্ভব না।

৪) জাফর স্যার আর্টিকেলের শুরুতে বলেছেন, “আমি শেষবার এই কথাটি শুনেছিলাম ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর মাসে। তাড়া খাওয়া পশুর মতো দেশের নানা জায়গা ঘুরে শেষ পর্যন্ত ঢাকায় এসে আশ্রয় নিয়েছি।”
স্বাভাবিকভাবে একটা প্রশ্ন আসে, ঐ সময় তো তিনি টগবগে যুবক (সার্টিফিকেট বয়স ১৯), তাহলে তিনি মুক্তিযুদ্ধ করলেন না কেন ? কেন তিনি জীবন বাচানোর জন্য পশুর মত পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, কেন মানুষের মত মুক্তিযুদ্ধ করলেন না ?
জাফর স্যার নিজের মুখে বলেছেন, রাজাকার একটি ঘৃণ্য শব্দ। ছাত্ররা ‘আমি রাজাকার’ শব্দ লাগানোয় তিনি বোমি করবেন। আচ্ছা স্যার জাফর ইকবাল, আপনি এবং আপনার ভাই দু’জনেই তো লিখেছেন, ১৯৭১ সালে যখন সারা দেশের হত্যাযজ্ঞ চলছিলো, তখন আপনি এবং আপনার ভাই আপনাদের এলাকার একটি রাজাকার মাদ্রাসায় ভর্তি হতে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিলো ঐ সময় যদি আপনারা ‘আমি রাজাকার’ সেজে থাকেন, তবে আপনাদের জীবনটা বাচবে। (https://bit.ly/2I5prip)
জাফর ইকবাল স্যার, আপনি আর্টিকেলে বলেছেন “একটি সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া তরুণদের পচে গলে পূতিগন্ধময় রাজাকার নামক আবর্জনায় পরিণত হয়ে যাওয়া নিয়ে আমার ঘৃণাটি প্রকাশ করতাম। ”
তাহলে বর্তমান প্রজন্মও তো বলতে পারে: “ ১৯৭১ সালে টগবগে যুবক হয়েও মক্তিযুদ্ধ না করে রাজাকারদের মাদ্রাসায় ‘আমি রাজাকার’ সাজতে যাওয়াটা কি আপনার অপরাধ হয়নি? আপনার এ ইতিহাস শুনে কি ছাত্ররা মুখে আঙ্গুল দিয়ে বমি করবে না ?

জাফর স্যার, আপনাদের মূল সমস্যাটা বর্তমান প্রজন্ম বুঝে। আপনারা মুখে বলেন, ছাত্ররা সৃজনশীল হোক, কিন্তু বাস্তবে চান, বর্তমান প্রজন্ম যেন অন্ধের মত আপনাদের অনুসরণ করে। আপনারা যা বলেন, তাই মুখ দিয়ে গড় গড় করে আওড়াক। নিজের বিবেক বুদ্ধি না খাটায়। ‘তুই রাজাকার’ এর উৎপত্তি সম্পর্কে আপনি নিজেই বলেছেন, এই শ্লোগানটা হুমায়ুন আহমেদ ‘টিয়া পাখি’র মুখ দিয়ে সর্বপ্রথম বলেছিলো, সেই থেকে ‘তুই রাজাকার’র উৎপত্তি। টিয়া পাখির কিন্তু বিবেক বুদ্ধি নেই। সে নিজ থেকে কিছু বলতে পারে না। তাকে যা মুখস্ত করানো হয়, তাই সে বলতে পারে, এর বেশি না। আপনারা চান, নতুন প্রজন্ম টিয়া পাখি হয়ে থাকুক। আপনারা যা বলে দিবেন, সেটাই তারা মুখস্ত বলুক, নিজেদের বিবেক বুদ্ধি না খাটাক। কারণ ছাত্ররা নিজেদের বিবেক বুদ্ধি খাটানো শুরু করলেই আপনাদের সমস্যা। মুখোশ খুলে যাবে আপনাদের। বের হয়ে যাবে আপনাদের ব্যবসায়ী চরিত্র। তখন উল্টো প্রমাণিত হবে “জ-তে জাফর, তুই রাজাকার... তুই রাজাকার”।

পড়তে পারেন:
কেন জাফর ইকবাল কোটা আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন নিলেন ? - https://bit.ly/2jPYzV8


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, April 16, 2018

কেন ড. জাফর ইকবাল কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন নিলেন ?



এবার কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ড. জাফর ইকবালের ভূমিকা ছিলো সন্দেহজনক। কোটা বিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহুর্তে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং আন্দোলন শেষ পাওয়ার পর তার বক্তব্য ছিলো পরষ্পর বিরোধী। আমার আজকের এ লেখা, কোটা আন্দোলন নিয়ে জাফর ইকবালের এই ভোল পাল্টানো ভূমিকা নিয়ে।

প্রথমেই গত ৯ই এপ্রিল জাফর ইকবালের বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কোটা আন্দোলনের পক্ষে। কোটা আন্দোলন যখন তুঙ্গে (শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে) তিনি এ আন্দোলনের পক্ষে থাকার ঘোষণা দিলেন এবং ‘কোটা সংষ্কার যৌক্তিক’ বললেন। অর্থাৎ তিনি কোটা সংস্কার চান (কিন্তু পুরো বাতিল নয়)।

(https://bit.ly/2JPBrlI)

এরপর ১৩ই এপ্রিল, তারিখ কোটা আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর বিডিনিউজ২৪ এ প্রকাশিত তার কলামে তিনি সম্পূর্ণ ইউটার্ন নেন। তিনি এমন একটা ভাব দেখান যে তিনি কিছুই জানেন না। এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনে রাস্তাঘাট কেন বন্ধ হইছে এটাই তার কাছে বড় হয়ে গেলো। (https://bit.ly/2EQv0uD)

পাঠক ! সময় দুটো খেয়াল করুন-

“ছাত্র-ছাত্রীরা রাস্তা কেন বন্ধ করছে” এটা জাফর ইকবালের বলা দরকার ছিলো ৯ই তারিখ। কারণ তখন সারা দেশ বন্ধ করার ঘোষণা উঠছিলো। কিন্তু সেটা তিনি আন্দোলন শেষ হওয়ার দুইদিন পর করলেন। কারণ কোটা সংস্কারের সিদ্ধান্ত তার মনঃপুত হয়নি। তিনি চেয়েছিলেন, কোটা সংস্কার মানে ১০%, কিন্তু কোটা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার ঘোষণা দেয় সরকার। যেহেতু এই আন্দোলনের ফলাফল তার মনপুত হয়নি, এজন্য তিনি ছাত্রদের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কলাম লিখলেন ! (এই ছাত্ররাই কিন্তু জাফর স্যার জাফর স্যার করে পাগল হয় !)

পাঠক ! যারা আমার লেখা সব সময় পড়েন, তারা হয়ত আমার কোন কথা বিশ্বাস করেন, আবার কোন কথা বিশ্বাস করেন না, বা বুঝেন না। আমি কিন্তু শুরু থেকেই একটা কথা বলে এসেছি-

১) মার্কিনপন্থী বা সিআইএপন্থীরা কোটা বাতিল চায় না, তারা ১০% কোটা চায় (বিশেষ করে উপজাতি কোটা)। কারণ এগুলোর সাথে তাদের স্বার্থ জড়িত।

২) ড. জাফর ইকবাল সিআইএ’র এজেন্ট।

যেহেতু কোটা সম্পূর্ণ বাতিল হয়েছে বা সিআইএ’র স্বার্থ তথা উপজাতি কোটা বাতিল হয়েছে তাই সিআইএ’র এজেন্ট ড. জাফর ইকবাল হুক্কা হুয়া করে ডাক দিয়েছে।

ড. জাফর ইকবালের এখানে স্বার্থ কি ?

সিআইএ’র যা স্বার্থ ড. জাফর ইকবালেরও সেই স্বার্থ। বিশেষ করে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব তীমুর বা দক্ষিণ সুদানের মত নতুন রাষ্ট্র গড়তে চায় সিআইএ’। এই প্ল্যান বাস্তবায়নে তাদের যে সংগঠন শীর্ষে কাজ করছে তার নাম ‘সিএইচটি কমিশন’। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ড. জাফর ইকবাল এবং তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য বা মেম্বার (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10)।

এখন আপনি বলতে পারেন, সিএইচটি কমিশন যে পার্বত্য তিন জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, তার দলিল কি ?

সিএইচটি কমিশনে বেশ কয়েকজন সদস্য আছে। এর মধ্যে তিন সদস্য- মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ, হুর্স্ট হননুম এবং এরিক এভাব্যুরি নিয়ে বলতে চাই।

-মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে ইস্ট তীমুর পৃথক করার সাথে জড়িত (সিএইচটি কমিশনের সাইটে তার প্রোফাইলে কিছু ইঙ্গিত পাবেন: (http://www.chtcommission.org/page.php?idn=10))। এছাড়া আমেরিকা চায় দালাইলামার মাধ্যমে তীব্বতকে চীন থেকে পৃথক করতে। সেই দালাইলামার উপদেষ্টও এই মিখায়েল সি. ভন ওয়াল্ট ভন প্রাগ।

-আরেক সদস্য হুর্স্ট হননুম নামক ব্যক্তিও পূর্ব তীমুরের বিচ্ছিন্ন হওয়ার সাথে জড়িত (সিএইচটি ওয়েবে তার প্রোফাইল দেখুন)।

-এরিক এভাব্যুরি সাবেক সদস্য, সে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, ২০১৬ মারা যায়। এই ব্যক্তি সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য কাজ করেছে। এ সম্পর্কে Sudan Democratic Gazette, 1997 বইতে তথ্য পাওয়া যায়।

অর্থাৎ পার্বত্য চট্টগ্রামের সিএইচটি কমিশন এমন একটি সংগঠন যেখানে এমন সব সদস্য রয়েছে যারা ইন্দোনেশিয়া থেকে পূর্ব তীমুর এবং সুদান থেকে দক্ষিণ সুদান পৃথক করার জন্য এক সময় কাজ করেছে। এখন সিএইচটি কমিশন নামক সংগঠনের ব্যানারে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ থেকে তিন পার্বত্য জেলাকে পৃথক করতে। এবং বলাই বাহুল্য পুরো কাজটি সিআইএ’র প্রজেক্ট।

তাহলে সেই সিএইচটি কমিশনের সদস্য ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন হকও যে সিআইএ’র সম্পর্কিত সেটাও একই সূত্রে সহজে বলা যায়। আর যেহেতু, উপজাতি কোটা ছিলো সিআইএ’ প্রজেক্ট, আর সেই কোটা বাতিল হলে সিআইএ’ এজেন্ট ড. জাফর ইকবালের গায়ে লাগবে এটাই স্বাভাবিক। এবং সে কারণেই কোটা বিরোধী আন্দোলন নিয়ে ইউটার্ন মেরেছে জাফর ইকবাল।



===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, April 8, 2018

খবর ও মন্তব্য :

১) খবর :
লিভার চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশের পিজি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। লিভার ট্রান্সপ্ল্যানটেশন করতে বাংলাদেশীদের আর ভারতে গিয়ে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে হবে না। বাংলাদেশে স্বল্পমূল্যে লিভারের চিকিৎসা করাতে পারবে। (https://bit.ly/2qdkys1)
মন্তব্য : এই আবিষ্কারকদের পুরষ্কৃত করা উচিত। সাথে একটি কথা বলতে চাই- এতদিন বাংলাদেশের একমাত্র মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো এই পিজি হাসপাতাল (নতুন করে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটে হয়েছে ও হচ্ছে)। সব মেডিকেল কলেজগুলোকে উন্নত করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা গেলে চিকিৎসা সেক্টরে গবেষণা বাড়বে, ফলে বাংলাদেশে বসে স্বল্পমূলে উন্নত চিকিৎসা পেতে পারবে জনগণ, বাংলাদেশের জনগণকে আর বিদেশ যেতে হবে না।
২) খবর:
জঙ্গিদের ওপর দায় পড়বে, ভেবেই এ্যাড রথিশ ভৌমিককে হত্যা : স্ত্রী দীপা ভৌমিক
(https://bit.ly/2qfnzbd)
মন্তব্য : আপনারাই বুঝুন। এই কথাটা আপনাদের অনেক দিন ধরে বলেছি, কেউ হয়ত বিশ্বাস করেছেন, কেউ করেননি। হিন্দুরা নিজেরাই নিজেদের মূর্তি ভাঙ্গে, মানুষ মারে, আর দোষ দেয় মুসলমানের।
৩) খবর :
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ। (https://bit.ly/2GG532K)
মন্তব্য : মনে করে দেখুন তো, আজ থেকে ১০ মাস আগে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে নিয়ে কোন স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম কি না ? বলেছিলাম: নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ সাধারণ কোন ব্যক্তি নয়, সে বাংলাদেশে ইসরাইলের অন্যতম এজেন্ট। সে ইসরাইলি পত্রিকায় ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে লেখালেখি করে। (https://bit.ly/2GIdoTz)
সেই ইসরাইলি লোকের বিশ্ববিদ্যালয়ে কথিত জঙ্গীবাদের উদ্ভভ হবে এটাই তো স্বাভাবিক। কারণ ইসরাইল নিজেই তো সব জঙ্গীবাদের জনক।
(৪) খবর :
সরকারের টাকায় মসজিদ বানাতে হবে এটা সংবিধানে নাই। সারা দেশে মডেল মসজিদ বানানোর সরকারি উদ্যোগ কেন নেয়া হয়েছে : হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার কবির। (https://bit.ly/2qco3is)
মন্তব্য : প্রথম যে কথাটা বলতে হয়, সরকারি টাকায় মডেল মসজিদ হইতেছে না, হইতেছে সৌদি আরবের টাকায়।
-দ্বিতীয় কথাটা হইলো: সরকারের টাকা বলে কিছু আছে সেটা জানা ছিলো না। কারণ সরকার টাকা বানায়ও না, টাকা পাড়েও না। সরকার জনগণের থেকে ট্যাক্স নামক টাকা সংগ্রহ করে এবং সেই টাকা সংগ্রহণের উদ্দেশ্য একমাত্র জনগণের উন্নয়ন। অর্থাৎ ঐটাকা মোটেও সরকারি টাকা নয়, জনগণের টাকা। এখন কথা হলো, ৯৫% মুসলমান যে ট্যাক্স দেয় সে ট্যাক্সের টাকায় কি মুসলমানের অধিকার নাই ?
-তৃতীয়ত, শাহরিয়ারর কবিররা সারাদিন সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বলেন, কিন্তু হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের অনুষ্ঠানে মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বলা কি সাম্প্রদায়িকতা নয় ?
-চতুর্থত, মুসলমানের ঘরে জন্ম নেয়া সত্ত্বেও শাহরিয়ার কবিরদের এত হিন্দু দরদ আর মুসলিম বিদ্বেষ কেন ?
ও মনে পড়েছে। সম্প্রতি রংপুরে হিন্দু এড. রথীশের কথা মনে পড়ে গেলো। রথীশের বউ দীপা নাকি নিয়মিত জাসদ নেতা কামরুল মাস্টারের বিছানায় যেতো। হিন্দুরা তাদের মেয়ে-বউকে কিছু নাস্তিকের বিছানায় পাঠায়, যার কারণে তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে বলে, হিন্দুদের পক্ষে বলে। আমি নিশ্চিত বুড়ো শাহরিয়ার কবিরের বিছানায় নিয়মিত কোন হিন্দু নারীর যাতায়াত। নয়ত হঠাৎ করে তার হিন্দু দরদ এত উথলে ওঠার কোন কারণ দেখি না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Saturday, March 17, 2018

কল্পকাহিনী লিখে কি বিজ্ঞানী হওয়া যায় ?

জাফর ইকবালের যোগ্যতা খুজতে গিয়ে দেখলাম সে সাইন্স ফিকশন লেখক। শতাধিক সাইন্স ফিকশন বই নাকি সে লিখেছে (যদিও সবাই বলে বইগুলো নাকি বিদেশী গল্পের অনুবাদ)। সাইন্স ফিকশন শব্দের অনুবাদ করলে দাড়ায় ‘বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী’। ছোট বেলায় কিছু সাইন্স ফিকশন পড়েছিলাম। সেখানে দেখতাম কল্পনার জগৎ বিস্তার করতে করতে লেখকরা বলে বসেছে- “ ভিনগ্রহে এলিয়েনের বসবাস। পৃথিবীর বাইরে অমুক গ্রহে অমুক এলিয়েন বাস করে। এলিয়েনরা মানুষের থেকে উন্নত।”
অথচ বর্তমান বিজ্ঞান এখনও এলিয়েন আবিষ্কার করতে পারেনি। মানুষের থেকে উন্নত প্রাণী আছে কি নাই, তাও বিজ্ঞানের ঝুলিতে লব্ধ নয়। বিজ্ঞান শব্দটির সংজ্ঞায় বলা আছে- “ভৌত বিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য, তার সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক গবেষণা ও সেই গবেষণালব্ধ জ্ঞানভাণ্ডারের নাম বিজ্ঞান।” অর্থাৎ গবেষণালব্ধ সম্যক জ্ঞানই বিজ্ঞান। কিন্তু কল্পকাহিনী বা সাইন্সফিকশন কোন যুক্তিতে বিজ্ঞান বলা হচ্ছে ?
আমি দেখেছি একদল লোক আছে, যারা নিজেদের বিজ্ঞানী বলে দাবি করে আবার ধর্মের বিরোধীতা করে। বলে- “সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু নাই সব কল্পকাহিনী।” যদিও তাদের এ ধরনের চিন্তা অযৌক্তিক। কারণ ধর্ম ও বিজ্ঞান সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটো বিষয়। ধর্ম হচ্ছে বিশ্বাস আর বিজ্ঞান হচ্ছে যতটুকু গবেষণা হয়েছে ঠিক ততটুকু। একজন বিজ্ঞানী যতটুকু গবেষণা করেছে, সেটাই যে শেষ তা নয়। তারপর আরেকজন আরো গবেষণা করে নতুন কিছু আবিষ্কার করবে। অর্থাৎ বিজ্ঞান নিজেই অসম্পূর্ণ। ধর্ম আর বিজ্ঞানের যেহেতু প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ ভিন্ন (একটি বিশ্বাসের সাথে, অন্যটি গবেষনালব্ধ ফলাফলের সাথে), তাই দুটোকে এক কাতারে বিচার করা মূর্খতা বৈ কিছু নয়।
কিন্তু আমার কথা হলো, যারা বিজ্ঞানের কথা বলে ধর্মের বিরোধীতা করছে, তারা কেন সাইন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর বিরোধীতা করছে না কিংবা তারাই কেন সাইন্স ফিকশন লেখক ?
আমার মনে হয়, যারা বিজ্ঞানের নামে কল্পকাহিনীর বিরুদ্ধে বলতে চায়, তাদের আগে উচিত সাইন্স ফিকশন লেখকদের বিরুদ্ধে বলা। বলাবাহুল্য বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কল্পকাহিনী লেখায় (নকল করায় !) জাফর ইকবাল অগ্রগণ্য।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, March 8, 2018

ভারত জুড়ে চলছে মূর্তি ভাঙ্গার মহোৎসব


১) ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া,
২) কলকাতায় শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে কালো রঙ করা,
৩) তামিলনাড়ুতে পেরিয়ারের মূর্তি ভাঙা,
৪) উত্তরপ্রদেশে আম্বেদকরের মূর্তি ভাঙ্গা,
৫) কেরালায় গান্ধীর মূর্তি ভাঙ্গা,

খবরের সূত্রমতে মূর্তিগুলো ভাঙ্গছে উগ্রহিন্দুত্ববাদী এবং বামপন্থী সংগঠনগুলো।
পাঠক ! একটু চিন্তু করুণ,
কোন মুসলমান যদি কোন মূর্তি বা কথিত ভাস্কর্য্যের বিরোধীতা করে বা সরিয়ে ফেলতে বলে তখন ঐ হিন্দুত্ববাদী এবং বামপন্থী নাস্তিকরাই কিন্তু মুসলমানদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং মুসলমানদের মৌলবাদী বলে ট্যাগ দেয়। অথচ এখন ভারতে তারাই মূর্তি ভাঙ্গার মহোৎসব চালাচ্ছে।
ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, সেখানে কিছু কিছু রাজ্যের ক্ষমতায় নাস্তিকরাও আছে। সেই হিন্দু নাস্তিকরাই যদি মূর্তি ভাঙ্গতে পারে, তবে ৯৫% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে মূর্তি/ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলতে সমস্যা কোথায় ?
খবরের সূত্র:
ক) http://bit.ly/2G5dIw1
খ) http://bit.ly/2FzO6cY
গ) http://bit.ly/2G4DWio








===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, March 7, 2018

জাফর ইকবালের উপর হামলা ও নিরপেক্ষ মুসলমানদের করণীয়


ফয়জুর বলছে, “ভুতের বাচ্চা সোলায়মান’ লেখায় জাফর ইকবালকে হামলা করেছি”। (http://bit.ly/2oMZnw8) এ কথাটা আমি বিশ্বাস করিনি। কারণ ‘জাফর ইকবাল’ এ বইটা লিখেছে গত বছর বইমেলায়। ১ বছর গত হয়েছে, এ বছর বইমেলাও শেষ, কিন্তু এখন কেন হঠাৎ করে ফয়জুরের ঐ বইয়ের জন্য প্রতিশোধ নেয়ার কথা মনে পড়লো? পয়েন্ট : সময়।

দ্বিতীয় প্রশ্ন যেটা জাগ্রত হয়, অনলাইন-ফেসবুক যারা ইউজ করে তারা সবাই জানে, এখানে মুসলমানদের ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কটূক্তি কম হয় না। মুসলমানদের শেষ নবীকে নিয়ে ফেসবুকে হিন্দুরা প্রায়শঃ মন্দ কথা বলে। কিন্তু তখন কেন ফয়জুরদের ‘ধর্ম চেতনা’ জাগ্রত হয় না ? হঠাৎ আগেরকার ‘নবী’ সম্পর্কে এত কেন প্রবল ধর্মচেতনা জাগ্রত হলো ?? পয়েন্ট : ফয়জুরের গ্রহণযোগ্যতা।

ফয়জুরের ধর্মচেতনা জেগে উঠছে খুব ভালো কথা। কিন্তু সে এত অপরিপক্ষ হামলা চালালো কেন ? ছুরি না ব্যবহার করে সে বন্দুক বা আরো ভালো কোন অস্ত্র ব্যবহার করতে পারতো, যা ব্যবহারে জাফর ইকবালের মৃত্যু নিশ্চিত হতে পারতো। কিন্তু জাফর ইকবালের কন্ডিশন দেখে যা বোঝা যাচ্ছে, সে খুব গুরুতর কোন আঘাতপ্রাপ্ত হয় নাই, হলে অন্তত জ্ঞান হারাতো। কিন্তু সেটা হয় নাই। সে হিসেবে ফয়জুর অবশ্যই হত্যার উদ্দেশ্যে জাফর ইকবালকে আঘাত করে নাই। কিন্তু ধর্মীয় চেতনা দিয়েই যদি ফয়জুর হামলা করতো, তবে অবশ্যই জাফর ইকবালকে সে হত্যা করতে চাইতো। কিন্তু কেন ফয়জুর জাফর ইকবালকে হত্যা করতে না চেয়ে শুধু নূন্যতম আহত করতে চেয়েছে ? এর পেছনে কারণ কি ?

হামলাকারী ফয়জুর জাফর ইকবালের স্টেজ পর্যন্ত উঠেছে। সেখানে অপেক্ষা করেছে এবং সময় বুঝে হামলা করেছে। কারো সাহায্য ছাড়া এতদূর পর্যন্ত আসা স্বাভাবিক নয়। ধরে নিলাম কেউ তাকে এতদূর পর্যন্ত আসতে সাহায্য করেছে, কিন্তু তারা কে ? আমার হিসেবে, হামলার পর যে অতি উৎসাহি ছাত্ররা ফয়জুরকে গণপিটুনি দেয়, এদের ভূমিকা সন্দেহজনক। কারণ এটা চুরি বা ছিনতাই নয় যে, ধরা পরার পর গণপিটুনি দেবে। একজন শিক্ষকের উপর হামলা করা হয়েছে এবং হামলাকারীর অবশ্যই বিশেষ মোটিভ আছে। কিন্তু ভার্সিটির ছাত্ররা এত বোকা নয় যে, হামলকারীর মোটিভ জানতে না চেয়ে তাকে গণপিটুনি দেবে। কিন্তু এমনভাবে গণপিটুনি দেয়া হলো, যেন সে মারাও যেতে পারতো। এক্ষেত্রে যারা গণপিটুনি দিলো তারা হয়ত চেয়েছে ক) সে যেন তার মোটিভ বলার সুযোগ না পায়, খ) কে তাকে এতদূর পর্যন্ত নিয়ে এসেছে তাদের নাম বলতে না পারে, গ) ফয়জুর যেন নিরপেক্ষ কোন ব্যক্তির সাহচার্যে না আসে। পয়েন্ট : ফয়জুরকে ভাড়া করে আনলো কে ?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছে, জাফর ইকবালের ওপর হামলা ধর্মন্ধতার বহিপ্রকাশ। তিনি আরো বলেন, যারা এ ঘটনাগুলো ঘটায়, তারা মনে করে যে একটা মানুষ খুন করলেই বুঝি তারা বেহেশতে চলে যাবে। তারা কোন দিন বেহেশেতে যাবে না, তারা দোযকের আগুনে পুড়বে। (http://bit.ly/2oNVQxK)
শেখ হাসিনার বক্তব্য দ্বারা একটি বিষয় ক্লিয়ার, ফয়জুর কোন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি না, সে একটি কমিউনিটির সদস্য। কারণ তিনি স্পষ্ট করে ‘তারা’ ‘এরা’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন। তারমানে শেখ হাসিনাও বুঝাতে চাইছেন, কোন একটি ‘ধর্মান্ধ কমিউনিটি’ আছে, যারা কথিত প্রগতিশীলদের হত্যা করতে চায়।

আমার জানামতে, জাফর ইকবাল একজন মার্কিনপন্থী শিক্ষাবিদ। সে এবং তার ওয়াইফ সিআইএ’র পরিচালিত পাবর্য্ সংগঠন সিএইচটি কমিশনের সাথে যুক্ত। আরেকটি খবর, সম্ভবত ট্রাম্পের উপদেষ্টা লিসা কার্টিস এখন বাংলাদেশে। লিসা কার্টিস বাংলাদেশে আসার পূর্বে তারসাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির প্রতিনিধিদল অবশ্যই যোগাযোগ করেছে। হয়ত অনুরোধও করেছে, রাজনৈতিকভাবে বিএনপি’র পক্ষে এবং আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কিছু করার জন্য। কিন্তু জাফর ইকবালের হামলা দ্বারা দেখা গেলো, কোন একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশে মার্কিন কূটনীতিক থাকা অবস্থায় এক মার্কিনপন্থী শিক্ষাবিদের উপর হামলা করলো। ইতিমধ্যে অবশ্য আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলে দিয়েছে, এ হামলা বিএনপি করেছে। তারমানে বিএনপি লিসা কার্টিসকে দিয়ে যে গেম খেলতে চেয়েছিলো তার উল্টো গেম খেলা হয়েছে ফয়জুরকে দিয়ে। আমেরিকাকে উল্টো মেসেজ দিতে চেয়েছে, “বিএনপি তোমার লোকের উপর হামলা করে। বিএনপি উগ্রবাদী। ট্র্যাম্পের অবস্থানবিরোদী.. ..।ইত্যাদি”।

আরেকটি কথা, জাফর ইকবালকে রাখা হয়েছে ঢাকা সিএমএইচ-এ এবং ফয়জুরকে রাখা হয়েছে সিলেট সিএমএইচ-এ। সুতরাং কোন গোযেন্দা সংস্থাটা দিয়ে কর্তাব্যক্তিরা প্ল্যান সাজিয়েছেন তা আর মুখ ফুটে আমি বলতে চাইছি না।

পাঠকদের জন্য বলছি। এ ধরণের হামলাকে আন্তর্জাতিকভাবে বলে ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপরেশন’। ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন হলো এমন ধরনের মিলিটারী অথবা ইন্টেলিজেন্স অপারেশন যেখানে দুনিয়ার সবাইকে বিভ্রান্ত করতে কোনো একটি পক্ষ তার বিরুদ্ধ পক্ষের ছদ্মবেশ ধারন করে নিজ দলের বা নিজ সমর্থকদের উপরে এক বা একাধিক সহজে দৃশ্যমান আক্রমন পরিচালনা করে। এই আক্রমন গুলির প্রধান উদ্দ্যেশ্যই হলো সবার সামনে প্রতিপক্ষকে হীন প্রমান করে প্রতিপক্ষের উপরে আক্রমনের বিশ্বাসযোগ্য অজুহাত পাওয়া। সামরিক ও ইন্টেলিজেন্স ইতিহাসে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশনের অসংখ্য নজির পাওয়া যায়।

তবে সরকারদল প্রতিপক্ষ দমন করুক, সেটা আমার সমস্যা নয়। কারণ রাজনীতিতে একপক্ষ অন্যপক্ষকে দমন করতেই পারে। কিন্তু তিনি প্রতিপক্ষকে দমন করতে ‘ধর্ম’কে কেন ব্যবহার করবেন ? কেন ধর্মকে খারাপভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করবেন ? তার ব্যক্তি রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মকে ব্যবহার করার ফলে, আজকে মুসলমান দেখলে সবাই জঙ্গী বলবে, দাড়ি-টুপি দেখলেই সন্দেহ করে বসবে। আমার মনে হয়, এসব ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপরেশন’ খুব কমন হয়ে গেছে, সময় এসেছে মুসলমানদের এর বিরুদ্ধে বলার। মুসলমানদের উচিত নিরপেক্ষভাবে এ কাজের প্রতিবাদ করা, এবং বলা- “তোমরা রাজনৈতিকদলগুলো রাজনীতি দিয়ে বিরোধীদের যত ইচ্ছা দমন করো, কিন্তু ধর্মকে এভাবে মিথ্যা ব্যবহার করে মুসলমানদের বদনাম করতে পারবে না।”

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, February 18, 2018

এই হলো নাস্তিক বুদ্ধিজীবিদের ‘আইএম জিপিএ ফাইভ’ অবস্থা


গণ্ডমূর্খ বললেও ভুল হবে কিন্তু মুসলমানদের ইতিহাস নিয়ে বইমেলায় বই বের করে ‘জিহাদ ও খেলাফতের সিলসিলা’। ভাবখানা এমন- দুনিয়ার সব জাইনা ফালাইছে, আসলে বাল’টাও ফালাইতে পারেনাই (দুঃখিত)।

তার দাবি, যারা হাদীস বানাইছে, তারা নাকি সাহিত্যিক ছিলো, মনের মাধুরী মিশায় নাকি হাদীস বানাইছে, যোগ বিয়োগ এডিট করে বানাইছে।

আমি ধর্মবেত্তা নই, কিন্তু ইসলাম ধর্ম নিয়ে কিছুটা হলেও গবেষণা করেছি, হাদীস সম্পর্কে কিছুটা হলেও জ্ঞান নেয়ার চেষ্টা করেছি। হাদীস বর্ণণাকারীদের বলে রাবী। এই রাবীদের অনেক যোগ্যতা থাকতে হয়, এর মধ্যে একটি যোগ্যতা হলো ‘দাবত’। দাবত হলো- প্রাপ্ত হাদিস হ্রাস, বৃদ্ধি ও বিকৃতি ব্যতীত অপরের নিকট পৌঁছে দেওয়া। হাদীসে সাহিত্যিকের মত মনের মাধুরী মেশানো বা হ্রাস-বৃদ্ধি করার কোন সুযোগ নাই।

যাই হোক, পারভেজ গাঞ্জু হাদীস বানানোর (!)যে সূত্র আবিষ্কার করেছে, সেটা গাঞ্জায় কততম টান দেয়ার পর তার মনে উদ্ভব হইছে সেটাও বর্ণনা করলে ভালো হইতো।

স্ট্যাটাস লিঙ্ক : http://bit.ly/2BD2UFA,http://archive.is/pDfhy


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------