Showing posts with label মূর্তি. Show all posts
Showing posts with label মূর্তি. Show all posts

Tuesday, April 10, 2018

রাজাকার উপাধির পর কোটাবিরোধী ছাত্ররা পেলো মৌলবাদী খেতাব


উপাধিদাতা আওয়ামী চাটুকার গোলাম সারওয়ারের পত্রিকা দৈনিক সমকাল।
তাদের দাবি- মঙ্গল শোভাযাত্রার মূর্তি-ফূর্তি নাকি ভাংচুর হয়েছে।
জানি না গোলাম সারওয়ারের উদ্দেশ্য কি ?
কিন্তু আন্দোলনরত ছাত্রদের দুইভাগে ভাগ করে তাদের শক্তি হ্রাস করাও উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
তবে আমার কথা হলো মঙ্গল শোভাযাত্রার বয়স তো কম হলো না, ৩৩ বছর ধরে বহু খরচ করে মঙ্গল শোভাযাত্রা করা হয়েছে। কিন্তু কি মঙ্গল এনেছে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা ? দেশে ৫ কোটি বেকারকে চাকুরী দিতে পেরেছে ? এখন যখন মেধাবীদের সুযোগ দিতে কোটা বিরোধী আন্দোলন বাড়ছে, তখন তাদের মঙ্গল শোভাযাত্রার কুড়কুড়ানি উঠছে !
একবার বলুন তো, মঙ্গল শোভাযাত্রা না করলে কি ক্ষতি হবে ?
কি লাভ, বড় বড় মূর্তি বানিয়ে অপচয় করার।এই টাকাগুলো গরীবদের মাছে বণ্টন করে দিলেও তো তাদের অভাব ঘুচে, দু’মুঠো খাবার পায়।
আমার মনে হয়, সাধারণ মানুষ এসব চেতনা ব্যবসার কাছে জিম্মি হয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার চেতনা, সংস্কৃতির চেতনা, পহেলা বৈশাখের চেতনা, মঙ্গলপূজার চেতনা, ক্রিকেটীয় চেতনা, থার্কিফাস্টের চেতনা এরকম হাজারো চেতনা দিয়ে জনগণকে ভুলিয়ে রাখা হয়েছে, যেন জনগণকে তার অধিকার আদায়ে প্রতিবাদী হতে না পারে। আর এই সুযোগে জনগণের ন্যায্য অধিকার মেরে খাচ্ছে ক্ষমতাশালীরা। আসলে এগুলো চেতনা নয়, চেতনানাশক। হাসপাতালে চেতনানাশক দিয়ে যেমন রোগীর ব্যাথ্যা ভুলিয়ে রাখা হয়, ঠিক তেমনি এসব চেতনা-ফেতনা দিয়ে সাধারণ জনগণকে ভুলিয়ে রেখেছে উপরওয়ালারা। সময় এসেছে, এইসব চেতনা-ফেতনা ছুড়ে ফেলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।
খবরের সূত্র: https://bit.ly/2GS9EyM

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Thursday, March 8, 2018

ভারত জুড়ে চলছে মূর্তি ভাঙ্গার মহোৎসব


১) ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া,
২) কলকাতায় শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে কালো রঙ করা,
৩) তামিলনাড়ুতে পেরিয়ারের মূর্তি ভাঙা,
৪) উত্তরপ্রদেশে আম্বেদকরের মূর্তি ভাঙ্গা,
৫) কেরালায় গান্ধীর মূর্তি ভাঙ্গা,

খবরের সূত্রমতে মূর্তিগুলো ভাঙ্গছে উগ্রহিন্দুত্ববাদী এবং বামপন্থী সংগঠনগুলো।
পাঠক ! একটু চিন্তু করুণ,
কোন মুসলমান যদি কোন মূর্তি বা কথিত ভাস্কর্য্যের বিরোধীতা করে বা সরিয়ে ফেলতে বলে তখন ঐ হিন্দুত্ববাদী এবং বামপন্থী নাস্তিকরাই কিন্তু মুসলমানদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং মুসলমানদের মৌলবাদী বলে ট্যাগ দেয়। অথচ এখন ভারতে তারাই মূর্তি ভাঙ্গার মহোৎসব চালাচ্ছে।
ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, সেখানে কিছু কিছু রাজ্যের ক্ষমতায় নাস্তিকরাও আছে। সেই হিন্দু নাস্তিকরাই যদি মূর্তি ভাঙ্গতে পারে, তবে ৯৫% মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে মূর্তি/ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলতে সমস্যা কোথায় ?
খবরের সূত্র:
ক) http://bit.ly/2G5dIw1
খ) http://bit.ly/2FzO6cY
গ) http://bit.ly/2G4DWio








===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, February 4, 2018

আসলে হিন্দুদের যৌন অনুভূতি-ই নাই, তাই মাটির মূর্তি দেখেও তাদের যৌন অনুভূতি জাগে না।

সরস্বতী মূর্তিকে সাংবাদিক আনিস আলমগীর ‘সেক্সি’ বলায় ক্ষেপেছে হিন্দুরা। হিন্দুদের দাবি, “যারা মাটির মূর্তির মধ্যে যৌনতা খুজে পায়, তাদের কাছে তাদের মা, বোন নিরাপদ নয়।” (http://bit.ly/2Ee7cop)
হিন্দুদের দাবিটা একটু খেয়াল করুন- ‘মাটির মূর্তি বা পুতুলের মধ্যে যৌনতা খোঁজা’কে তারা অনৈতিক বা অস্বাভাবিক বলে দাবি করছে।
অথচ সারা বিশ্বে এখন সেক্স ডলের বিজনেস তুঙ্গে। চীন, জাপান ছাড়াও ইউরোপের অনেক দেশের মানুষ এ সেক্স ডল ব্যবহার করছে। চীন তো ঘোষণা দিয়েছে, তাদের নারী-পুরুষের সংখ্যায় যে তারতম্য আছে, তা পুরণের জন্য তারা সেক্স ডল ব্যবহার করবে। পুরুষরা নারীদের বিয়ে না করে, ঘরে এসব পুতুল কিনে নিয়ে যাবে, এবং শারীরিক কাজ সারবে। (http://bit.ly/2GLnkML)
লক্ষণীয় ‘সেক্স ডল’ বা ‘পুতুলের মধ্যে যৌন অনুভূতি’ খুজে পাওয়া এ রাষ্ট্রগুলো কিন্তু কোনটাই মুসলমানদের নয়। তারমানে পুতুল বা মূর্তির মধ্যে যৌন অনুভূতি খুজে পাওয়াটা শুধু আনিস আলমগীরের দোষ নয়, অনেকের মধ্যেই এ লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
তবে এখানে প্রশ্ন উঠছে, হিন্দুরা কেন দাবি করলো- পুতুলের মধ্যে যৌন অনুভূতি পাওয়াটা অবান্তর !
তারমানে কি পুতুল বা মূর্তি দর্শণে তাদের যৌন অনুভূতি জাগে না ?
নাকি তাদের যৌন অনুভূতি-ই নাই ???
এ সম্পর্কে হিন্দুদের দেশ ভারতে কিছু খবর উল্লেখ্যযোগ্য। আসুন সেগুলো দেখি-
১) জরিপ : ভারতে বিবাহ বিচ্ছেদের মূল কারণ ‘যৌন অক্ষমতা’ (http://bit.ly/2s4K8DT)
২) ভারতীয় ডাক্তারের দাবি : ভারত যৌন অক্ষমদের রাজধানী (http://bit.ly/2E0GiB7)
৩) ইন্ডিয়ান পুরুষের লিঙ্গ আর্ন্তজাতিক কনডম সাইজ থেকে ছোট (http://bit.ly/2EhdinQ)
উপরের খবরের আলোকে বলা যায়-
যেহেতু হিন্দুদের যৌন অনুভূতি-ই নাই, তাই মাটির মূর্তি দেখেও তাদের যৌন অনুভূতি জাগে না।
তবে হ্যা, সব হিন্দুকে আপনি ঢালাওভাবে যৌন অক্ষম বলতে পারেন না। অবশ্যই কিছু কিছু হিন্দু আছে, যাদের যৌন সক্ষমতা আছে। এবং তাদের অবশ্যই মাটির মূর্তি দেখে যৌন অনুভূতি জাগবে। সেরকমই একজন ছিলো, বিশিষ্ট ভারতীয় লেখক ‘সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়’। তাইতো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার ‘অর্ধেক জীবন’নামক বইয়ের ৯১ পৃষ্ঠায় মাটির মূর্তি দর্শণে যৌন অনুভূতি সৃষ্টি হওয়া নিয়ে বলেছিলো-
“মণিমেলায় প্রথমবারের স্বরসতী পূজোর আগের রাত্রিটি আমার কাছে চিরস্মরণীয়। একটু বিস্তৃতভাবেই বলতে হবে।...........................নিঃশব্দ, নিবিড় রাত্রি, আমি বসে আছি, আমার সামনে একটি মাটির মূর্তি ছাড়া আর কিছু নেই। .................প্রতিমার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এক সময় সর্বাঙ্গে শিহরণ হল। কী অপূর্ব সুন্দর..........ভরাট, বর্তুল দুটি স্তন। সরু কোমর, প্রশস্ত উরুদ্বয়।....................তার অভিঘাতে তছনছ হয়ে যেতে লাগলো আমার কৈশোর, জেগে উঠল পুরুষার্থ। অল্প অল্প শীতে উষ্ণ হয়ে উঠল শরীর।.....................চোরের মতন সতর্কভাবে একবার এদিক ওদিক তাকিয়ে আমি হাত রাখলাম দেবী মূর্তির বুকে। ................আমার শরীর আরো রোমাঞ্চিত হলো, কানদুটিতে আগুনের আচ। আমি প্রতিমার ওষ্ঠ চুম্বন করলাম। আমার জীবনের প্রথম চুম্বন।”
এ লেখায় একটি বিষয় নির্দ্বিধায় প্রমাণিত,
যাদের যৌন অনুভূতি আছে, মাটির মূর্তিকে বিশেষ আকৃতিতে দেখে তাদের মাঝেও যৌন অনুভূতি জাগবে। এবং জাগাটাই স্বাভাবিক। আর যদি না জাগে তবে বিষয়টা অস্বাভাবিক ঠেকবে এবং ধরে নিতে হবে, ঐ লোকটি নিজেই আসলে যৌন অক্ষম। এ কারণেই তার মাঝে যৌন অনুভূতি জাগেনি।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, January 24, 2018

আনিস আলমগীর সরস্বতী মূর্তিকে ‘সেক্সি’ বলায় গায়ে আগুন লেগেছে একুশে টিভি’র অঞ্জন রায়ের


সাংবাদিক আনিস আলমগীর সরস্বতী মূর্তিকে ‘সেক্সি’ বলায় গায়ে আগুন লেগে গেছে একুশে টিভি’র অঞ্জন রায়ের। ঐ পোস্টকে ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়ে আনিস আলমগীরকে ক্ষমা চাইতে বলেছে অঞ্জন। (http://bit.ly/2E1Gyg1)
আনিস আলমগীর সত্য বলেছে, কি মিথ্যা বলেছে, সেই তর্কে যাওয়ার পক্ষপাতি আমি নই।
-আমি পক্ষপাতি নই, সরস্বতী পূজা মন্ত্রে দেবীর বিশেষ অঙ্গের প্রশংসা বাক্য (কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে) নিয়ে কথা বলতে।
-আমি পক্ষপাতি নই, ‘অর্ধেক জীবন’ উপন্যাসে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সরস্বতী দেবীমূর্তি দর্শনে কি প্রতিক্রিয়া করেছিলো, তা বর্ণনায়।
-আমি পক্ষপাতি নই, ‘প্রজাপতি’ উপন্যাসে সমারেশ বসু সরস্বতীর দেহের বর্ণনায় কি বলেছিলো, তা উল্লেখ করতে।
-আমি পক্ষপাতি নই, সরস্বতীর সাথে তার পিতা ব্রহ্মা, স্বর্গের দেবতা বা অসুরদের সাথে কি সম্পর্ক ছিলো তা প্রকাশ করতে।
আমি কেবল বলতে চাই, এই অঞ্জন রায়রা তো এতদিন ধর্মবিদ্বেষীদের পক্ষে টিভি-চ্যানেলগুলোতে ওকালাতি করেছিলো। একের পর এক টক শোতে অসাম্প্রদায়িক সেজে ইসলামবিদ্বেষ ছড়িয়েছিলো।।
এই অঞ্জন রায়রা তো অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে, ইসলামবিদ্বেষী ব্লগার, বৈশাখী পূজা আর গ্রিক দেবীমূর্তির পক্ষে বলেছিলো।,
এই অঞ্জন রায়ের বোন বৃত্বা রায় দীপা-ই তো বলেছিলো : “হিজাবমুক্ত বাংলাদেশ চাই, সর্বত্র হিজাব সংষ্কৃতি বন্ধ হোক।” (http://bit.ly/2DDlTB0)
কোথায় ? তখন তো অঞ্জন রায়ের কাছে সেগুলো সাম্প্রদায়িক মনে হয়নি। কিন্তু এখন কেন তাদের ঘরোনার লোক সরস্বতী নিয়ে কথা বলায় সেটাকে সাম্প্রদায়িক বলে মনে হচ্ছে ?
কিছুদিন আগে একই ঘটনা ঘটেছিলো, ওয়েম্যান চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধরের ক্ষেত্রে। সারাদিন অসাম্প্রদায়িকতার লেবেল এটে সুপ্রীতি ধর ইসলাম ধর্মকে গালি দিতো, অন্যকে গালি দিতে উৎসাহিত করতো। একদিন এক মুসলিম পরিবার থেকে আগত নাস্তিক টয়লেটে হিন্দুদের দেবতার মূর্তি রাখায় সুপ্রীতির হিন্দুত্ববাদ জেগে উঠে। সে ঐ নাস্তিককে নাজেহাল করার চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে ফাঁস হয়ে যায়, সুপ্রীতির উগ্রহিন্দুত্ববাদী চেহারা।। ঠিক একই ঘটনা ঘটলো সাংবাদিক আনিস আলমগীর আর অঞ্জন রায়ের ক্ষেত্রে।
অঞ্জন রায়রা বাস্তবেই শিব সেনা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং আরএসএস সদস্য। শুধু স্থান আর কালের প্রয়োজনে ভিন্ন লেবেল এটে রেখেছে, এই আরকি।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686

------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------