Sunday, July 1, 2018

কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই, কিন্তু শিক্ষা নেই না

দেশের গুম হত্যা আর জোরজবরদস্তিমূলক খবর-ভিডিও দেখে আর চিন্তিত হই না
আবার বাংলাদেশের জনগণ যখন এরদোয়ানের বিজয় দেখে উল্লাস করে, তা দেখেও হাসি চাপিয়ে রাখতে পারি না
কোন একটা ঘটনা ঘটলে তার থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আসলে বড় প্রাপ্তি, কিন্তু আমরা প্রত্যেকটা ঘটনা দেখে আবেগী হই,
এন্টারটেইনড হই, হাসি-কান্না-উল্লাস-রাগ করি। শুধু মূল ঘটনার অনুসন্ধান করে শিক্ষা নেই না।
উসমানি সালতানাতের পতন হওয়ার পর কম কষ্ট করতে হয়নি তুর্কীদের। কামাল আতাতুর্ক পাশা এসে শতভাগ সেক্যুলারিজম জারি করে। ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ, শরীয়া কাউন্সিল বিলুপ্ত, শরীয়া আদালত অবৈধ ঘোষণা করে সকল কাজীকে বরখাস্ত, ধর্মীয় পোষাক নিষিদ্ধ করা (এমনকি ইমাম সাহেবদের ক্ষেত্রেও), হিজাব নিষিদ্ধ করা, হিজরী ক্যালেন্ডারের পরিবর্তে গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার প্রচলণ করা, আরবীর পরিবর্তে তুর্কী ভাষায় আজান চালু করা, শুক্রবারের পরিবর্তে শনি-রবিবার ছুটি দেয়া, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে সংবিধান বাদ দিয়ে সেক্যুলারিজম চালু করা, আলেমদের কার্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া, আরবী হরফের পরিবর্তে ল্যাটিন হরফ চালু করা। প্রায় ৮০-৯০ বছর সেক্যুলারিজম দিয়ে তুর্কীয়দের ওয়াশ করার পর বেহাল অবস্থা হয়ে যায় তুর্কিদের। ইখওয়ানী ভাবধারা দ্বারা উব্ধুদ্ধ এরদোয়ান যখন ক্ষমতায় আসে তখন সে মুখে দাড়ি রাখতে পারে না, সুদের বিরুদ্ধে বললে বলতে হয়: “জনগণ যদি চায়, তবে আমি সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো”। তবুও ধর্মের দোহাই দিয়ে বলতে পারে না। কারণ জনগণের মধ্যে সেক্যুলারিজম এত অধিক মাত্রায় বিদ্যমান যে, সরাসরি ধর্মের কথা বললে জনগণই রিয়্যাক্ট করে বসবে।
তবুও আশার কথা, এরদোয়ানরা প্রায় ১০০ বছরের কালো যুগ শেষ করতে পেরেছে। কিন্তু এর পেছনে কম কষ্ট তাদের করতে হয়নি। কম কাঠ-খড় তাদের পোড়াতে হয়নি। অনেক জীবন শেষ করতে হয়েছে। কয়েক প্রজন্ম ধরে মার খেয়ে শেখা, প্রজন্ম ধরে শিক্ষা অর্জন, অতঃপর কৌশল করে চেষ্টা। আজকে এরদোয়ান রাশিয়ার প্লেন ফেলে দেয়, আবার আমেরিকাকেও হুমকি দেয়। দেখতে ভালোই লাগে। সিআইএ সেনাবাহিনীকে দিয়ে ক্যু করালে জনগণকে দিয়ে সেই ক্যু প্রতিরোধ করে এরদোয়ান। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর বিপরীতে নিজস্ব শক্ত অবস্থান, অপরদিকে নিজের দেশে জনগণের আশা-আকাঙ্খা পুরণ, অর্থনৈতিক মুক্তি দেয়া। অর্থাৎ একটি মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে নিজের পৃথক অবস্থান তৈরী করা, যে সরাসরি আমেরিকাও মুখাপেক্ষী না আবার রাশিয়ারও মুখাপেক্ষী না।
লেখা শুরু করেছিলাম, বাংলাদেশে গুম-হত্যা নিয়ে। আজ থেকে বেশ কিছুদিন আগে ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা’ দেয়াল ছবি প্রকাশ হওয়ার পর আমি বলেছিলাম: খুব শিঘ্রই বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ-বাংলাদেশের সিআইএ নেটওয়ার্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব হবে, কেউ গুম হবে, কেউ নিহত হবে। নির্বাচন যত কাছে আসবে, বিষয়টি তত প্রকট হবে। তখন হয়ত কেউ বিষয়টি বুঝেছিলেন, আবার কেউ বুঝেননি। (https://bit.ly/2yHSlRs, https://bit.ly/2tvmTBb)
বাংলাদেশে এখন যেটা চলছে, সেটাকে তুরষ্কের মাঝখানে সেই কুখ্যাত ৮০-৯০ বছরের সাথে তুলনা করা যায়, যখন দেশটির নেতারা চলতো আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের প্রভাবে। এরদোয়ান ও তার সহযোগীরাও একটা সময় বাংলাদেশের জনগণের মার খেতো। কিন্তু বহুদিন চেষ্টা করে তারা ইহুদীবাদীদের রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নলেজ অর্জন করে, অতঃপর সেই অনুসারে তৈরী করে নিজস্ব পলিসি। এরপর সেই পলিসি নিয়ে কৌশলে ক্ষমতায় আসার পর ভোল পাল্টায়। তৈরী করে নিজস্বতা। পুরো জিনিসটি করার জন্য তাদের ছিলো ইহুদীবাদবিরোধী স্বতন্ত্র পলিসি। এবং বলাবাহুল্য তাদের সেই স্বতন্ত্র পলিসি তৈরী হয়েছিলো রাষ্ট্রীয় রাজনীতির উপর আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদী নেটওয়ার্কের সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অবস্থান ধরতে পারার কারণে। আর এজন্য যে জ্ঞানটির প্রয়োজন তা বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণের নেটওয়ার্কের বাইরে। আমি গত কয়েকদিন ধরে এ ধরনের একটি স্ট্যাডি রেডি করছি, তা আপনাদের সামনে ক্লাস হিসেবে উপস্থাপন করবো বলে। আশাকরা যায়, সেই জ্ঞানটি সঠিকভাবে অর্জন করতে পারলে বাংলাদেশের জনগণও একদিন তুরষ্কের মত মুক্তি পাবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

যেমন পর্দানশীন প্রধানমন্ত্রী, তেমন তার অনুসারী মন্ত্রী !


কয়েকদিন আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী শেরপুরের গরিবদের মাঝে বস্ত্র বিতরণকালে কাপড় নিতে আসা বোরকায় মুখ ঢাকা এক নারীকে দেখে বলেছে, “‘আপনারা খুব পর্দানশিন, আমরাও বেহায়া বেশরম না। আপনি মুখ ঢাকতে হলে বাড়িতে গিয়ে ঢাকবেন। পাবলিক প্লেসে এলে মুখ খোলা রাখতে হবে। শেখ হাসিনা যে ড্রেস পরেন, উনি তো মুখ ঢাকেন না। উনার কি পর্দা হয় না? (http://archive.is/oYiHd)
এ বক্তব্য অনুসারে, মতিয়া চৌধুরী পর্দার পথিকৃৎ হিসেবে মানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার দৃষ্টিতে শেষ হাসিনা যতটুকু ‘পর্দা’ করেন সেটাই যথেষ্ট।
কথায় বলে, যেমন গুরু, তেমন তার শিষ্য।
কয়েকদিন আগে্ একটা ভিডিও চোখে পড়লো। শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সাথে দেখা করতে গিয়ে গালে গাল লাগিয়ে চুমু খাচ্ছে। (https://youtu.be/50CB47oinxs)
এই হলো গুরুর পর্দা।
এবার আসি শিষ্যের কথায়। মতিয়া চৌধুরীর মত প্রত্যেক রাজনৈতিক দলে কিছু নারী থাকে, যাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক মিছিলে সামনে দেয়া হয় প্রতিপক্ষের পুরুষের সাথে ঠেলাঠেলি আর মারামারি করার জন্য। এতে সুবিধা, ঐ নারীটি পুরুষকে মারতে পারে, টানাটানি করতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষের পুরুষটি ভুলেও ঐ নারী কর্মীকে কিছু করতে পারে না, করলেই নারী নির্যাতন, নারী হেনস্তা ইত্যাদি হয়ে যায়। কোন রাজনৈতিক মিছিলের সময় সময় সৌভাগ্যক্রমে যদি মতিয়ার মত শরমযুক্ত নারীদের গায়ে হাত লেগেই যায় কিংবা তাদের কাপড় ছিড়ে যায় তবে সেটার ছবি তুলে মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া সম্ভব। বলাবাহুল্য মতিয়া চৌধুরীর ব্লাউজ ছিড়ে অন্তর্বাস দৃশ্যমান করে রাস্তায় শুয়ে থাকা একটি ছবি তার দলীয় নেতাকর্মীরাই গৌরবের সহিত প্রচার করে থাকে।
গুরু শেখ হাসিনা যেমন পরপুরুষকে জড়িয়ে ধরে গালে গাল লাগিয়ে চুমু খেতে পারে, ঠিক তেমনি তার শিষ্য মতিয়া চৌধুরী ছেড়া ব্লাউজে অন্তর্বাস দৃশ্যমান করে হাজারো মানুষের সামনে শুয়ে থাকতে পারে। এটা তাদের জন্য সমস্যা নয়, বেহায়া, বেশরমও নয়, এটা আমাদের মানতেই হবে। কিন্তু মুসলিম নারীরা তো আর শেখ হাসিনা-মতিয়া চৌধুরীকে অনুসরণ করে পর্দা করে না। তারা পর্দা করে তাদের ধর্মীয় মত-পথ মেনে।
মতিয়া চৌধুরীদের বলবো, নিজেদের শরমযুক্ত পর্দা (!) সামনে এনে মুসলিম নারীদের পর্দার পথিকৃত হওয়ার চেষ্টা দয়া করে করবেন না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

বোরকা আর মদের বিষয় নিয়ে যদি প্রতিবাদ করতে না পারেন, তবে ভবিষ্যতে কিছু নিয়েই কথা বলতে পারবেন না।


লতিফ সিদ্দিকী হজ্জের বিরুদ্ধে বলায় মুসলমানদের মধ্যে আলেম সমাজ ঝাপায় পড়েছিলো। রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলো। যার ফলে পতন ঘটেছিলো লতিফ সিদ্দিকীর।
কিন্তু কয়েকদিন আগে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী মুসলমান নারীদের বোরকা নিয়ে চরম কটূক্তি করলো (http://archive.is/oYiHd), আর মদের পক্ষে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নিলর্জ্জ দালালি করলো। (https://goo.gl/GShqFZ)
কিন্তু তারপরও মুসলমানদের মধ্যে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া দেখা গেলো না, কোন ইসলামী দল এর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলো না।
এর কারণ কি ?
কারণ-
লতিফ সিদ্দিকীর সময় নির্বাচন ছিলো না, কিন্তু এখন সামনে নির্বাচন, তাই !
তারমানে সবাই নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত।
সবাই কি আওয়ামীলীগের সাথে কোয়ালিশন করতে চায় ?
এ কারণেই মুখে কুলুপ এটে রাখা ?
ইসলামী দলগুলোর যদি এত করুণ অবস্থা হয়, তবে বাংলাদেশের মুসলমানরা কার দিকে তাকিয়ে থাকবে ?
আমি ইসলামী দলগুলোর প্রতি আহবান জানাবো,
নির্বাচন আর ক্ষমতার কথা বাদ দিয়ে ধর্মের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিন। তাহলে আপনারা ধর্মীয় নেতা হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পাবেন।
মতিয়া চৌধুরী আর ইঞ্জিনিয়ার মোশারফের মন্ত্রীত্ব বাতিল আর ফাঁসির দাবিতে রাস্তায় নামুন।
বোরকা আর মদের মত স্পষ্ট বিষয় নিয়ে যদি কথা না বলতে পারেন, প্রতিবাদ করতে না পারেন, তবে ভবিষ্যতে কিছু নিয়েই কথা বলতে পারবেন না।
সাথে এটাও মনে রাখবেন, এসব বিষয় নিয়ে যদি প্রতিবাদ না করেন, তবে ভবিষ্যত সচেতন মুসলিম প্রজন্মের কাছে আপনারা গ্রহণযোগ্যতা হারাবেন। আপনাদেরকে কেউ ইসলামী নেতা ভাববে না, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দালাল হিসেবেই ট্রিট করবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা।

‘এনালিস্ট’ হতে হলে প্রথম যেটা দরকার, সেটা হলো বিশ্বক্ষমতা কিভাবে পরিচালিত হয়, তা সম্পর্কে ধারণা রাখা। কোন একটি রোগ কোন জীবাণুর কারণে হচ্ছে সেটা জানা যেমন জরুরী, ঠিক তেমনি কোন একটি ঘটনা কার দ্বারা হচ্ছে সেটা বোঝায়ও তেমনি জরুরী। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, আমরা বুঝতে পারি কাজটা খারাপ, কিন্তু পেছন থেকে কাজটা কে করছে, তার গোড়া সম্পর্কে জানি না। আর যতদিন আমরা মূল গোড়া অনুসন্ধান না করতে পারবো, ততদিন ঐ কুচক্রীরা আড়াল থেকে কাজ করেই যাবে। তাই একটা ঘটনা ঘটলে কারা কাজটি করছি সে সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান থাকা জরুরী। অনেকে আন্দাজে কথা বলে, বিভিন্ন সিস্টেম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বক্তব্য দেয়। একজন এনালিস্ট কখনই সেটা করতে পারে না। একজন এনালিস্টের কাছে আবেগের কোন মূল্য নেই, রেফারেন্স তার সবচেয়ে বড় শক্তি।
অনেকে সামান্য কিছু জেনেই হয়ত কোন ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করা শুরু করে। একটা বিষয় আপনাকে বুঝতে হবে, ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে ৪ বছরের বিএসসি কোর্স করতে হয়, ডাক্তার হতে গেলে ৫ বছরের এমবিবিএস কোর্স করতে হয়, কত রাতদিন পড়ালেখা করে তারা গ্রাজুয়েট হয়। অথচ একজন রিয়েল এনালিস্ট আন্তর্জাতিক বড় বড় রাজনৈতিক দল বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কেন্দ্রীয় সেলে নলেজ পাওয়ার হিসেবে বসে থাকে। তাহলে এ বিষয়ে তাকে কত নলেজ-স্কিল, কত বছর ধরে অর্জন করতে হয় এবং পরবর্তীতে তার ভ্যালু কতটা হয়, সেটা চিন্তার বিষয়।
এনালিস্ট হতে গেলে ধৈর্য ধারণ করা জরুরী, স্ট্যাডি করা জরুরী। অধৈর্য হয়ে এনালিস্ট হওয়া যায় না। জ্ঞান অর্জনের পর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আপনার সঠিক দিক নির্দেশনাই জানান দেবে আপনি একজন রিয়েল এনালিস্ট।
আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, মুসলমানদের সঠিক নলেজের অভাব প্রচুর। মুসলমানরা নিজে অবস্থান থেকে চিন্তা করতে পারে না। এটা একটা বিরাট সমস্যা। ইহুদী-খ্রিস্টান বা আমেরিকা-রাশিয়ান এনালিস্টরা একটা চিন্তার সফটওয়্যার তৈরী করে দেয়, আর মুসলমানরা সেই সফটওয়্যার দিয়ে চিন্তা করে।আমি চাই মুসলমানদের মধ্যে একটা রিয়েল এনালিস্ট টিম থাকবে, যারা নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করে, তার ফলাফলটা নিরেটভাবে শুধু দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করবে।
ক্লাসের বিস্তারিত বিষয় রেডি করতে সময় লাগছে। আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি, আপনারাও নিন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বেরিয়ে পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চায়, তাহলে ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে।

কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম,
ইহুদীরা তিনটা জিনিসকে জমা করে বর্তমানে ক্ষমতাসীন হয়েছে-
এগুলো হলো: টাইম-নলেজ-মানি।
কেউ যদি এ তিনটি জিনিস জমা করতে পারে, তবে সেও ক্ষমতার মালিক হতে পারবে।
আমার মনে হয়,
মুসলমানদের জনসংখ্যার অভাব নাই, সুতরাং টাইমেরও অভাব হবে না।
আবার মুসলমানদের টাকা পয়সাও আছে।
কিন্তু মুসলমানদের আসল অভাব হইলো নলেজের। মুসলমানদের মধ্যে জ্ঞানের অভাব। কারো কারো জ্ঞান আছে, কিন্তু সঠিক ও পূর্ণ জ্ঞানটা নাই। যদি নলেজ পাওয়া যায় এবং প্রচুর নলেজ গ্যাদার করা যায়, তবে সেটা আশ্রয় করে টাইম ও মানিও গ্যাদার করা সম্ভব। আর সেখান থেকেই মুসলমানদের স্বকীয় ক্ষমতা তৈরী সম্ভব।
একটা উদহারণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন ধরুন-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে উপনিবেশ শাসন চলছিলো। তখন সম্রাজ্যবাদীরা বিভিন্ন দেশ দখল করতো। দেশ দখল করা হতো মূলত দুটি উদ্দেশ্যে।
১) শাসন ।
২) শোষন।
কিন্তু তারা অনেক হিসেব করে দেখলো- একটা এলাকায় সৈন্যবাহিনী পাঠায় অনেক কষ্ট করে তা দখলে নিতে হয়। দখলে নেয়ার পর অনেক কষ্ট করে বহু কাঠ-খড় পুড়িয়ে তাকে শাসন-শোষন করতে হয়। কিন্তু তারা যদি এমন একটা পলিসি বের করে, যার মাধ্যমে নিজের ঘরে বসে থেকে অন্যদেশকে শাসন শোষণ করা যায়, তবে এত কষ্ট করার দরকার কি ? কাজ হলেই হলো। তখন তারা ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা’টা চালু করলো। যেই বুদ্ধি, সেই কাজ। দেখা গেলো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ভেঙ্গে গেলো এবং অনেক রাষ্ট্রের জন্ম হলো। আগে কিন্তু এত রাষ্ট্র ছিলো না। আপনি একটু হিসেব করে দেখুন, ব্রিটিশরা এ এলাকা এত কষ্ট করে দখল করলো এবং দুইশ’ বছর শাসন করলো। কিন্তু কি এমন হলো যে তারা ১৯৪৭ এ দেশ ছেড়ে চলে গেলো ? ঐ সময় তো তাদের বিরুদ্ধে বড় কোন বিদ্রোহও হয়নি। আসলে মূল হলো, তারা পলিসিতে চেঞ্জ করেছে, শাসন ও শোষণে নতুন পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হয়েছে, মুসলমানদের মধ্যে তেমন কোন গোষ্ঠী তৈরী হয়নি যারা এ পলিসিগুলো ভালো করে বুঝে। ইহুদীরা যে পলিসিগুলো তৈরী করেছে, সেটা যদি মুসলমানরা নাই বুঝতে পারে, তবে সেগুলোর বিরোধীতা করবে কিভাবে?
আমার মনে হয়, যদি মুসলমানরা চায় ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে এবং মুসলমানদের পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে, তবে অবশ্যই মুসলমানদের ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে এবং প্রথম নলেজ হতে পারে, ইহুদীবাদীরা আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে বলয় তৈরী করেছে, সেই বলয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা।
যারা এ ধরনের জ্ঞান লাভ করবে, তাদের বলা যেতে পারে ‘এ্যানালিস্ট’। ‘এ্যানালিস্ট’ এমন একজন ব্যক্তিত্ব হবে, তারা মুসলমানদের ‘নলেজ’ সার্ভিস দিবে। আমার বিশ্বাস যদি বাংলাদেশে মাত্র ১০০ জন রিয়েল ‘এ্যানালিস্ট’ থাকে, তবে তা দিয়ে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে রেভুলেশন ঘটিয়ে ফেলা সম্ভব। ‘রিয়েল’ শব্দটা ব্যবহার করলাম শুধু এ কারণে, এ ধরনের এ্যানালিস্টরা দল-মত-পথের উপরে থেকে শুধু মুসলমানদের জন্য চিন্তা করবে। তারা দল কানা হবে না, তারা নিজেদের মধ্যে কাটাকাটি-দলাদলি-মারামারি করবে না। তাদের চিন্তাধারা হবে শুধু মুসলমানদের জন্য, নিজ দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য। এরা কোন ঘটনা ঘটার আগেই বুঝতে পারবে, এবং ভবিষ্যতে কি ঘটবে তাও বুঝতে পারবে এবং ভবিষ্যত সম্পর্কে জাতিকে নলেজ দিবে এবং ইহুদীবাদী পলিসি ব্রেক করে নতুন পলিসি দিতে সক্ষম হবে।
কিছু সূত্র আছে, এগুলো শিখিয়ে দিলেই বিষয়গুলো ধরে ফেলা সম্ভব। তাই আমি চিন্তা করছি, অনলাইনে এ বিষয়ের উপর ক্লাস নেয়া শুরু করবো। ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমেই ক্লাস হবে। কমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তর হবে। আপনারা যারা আগ্রহী তারা কমেন্ট করতে পারেন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

“নতুন সেনাপ্রধানের ছোট ভাই খুনি সন্ত্রাসী”, এই তথ্য প্রকাশ করার কারণে বিডিনিউজ২৪ বন্ধ করতে চেয়েছিল সরকার

হঠাৎ খবরে পড়লাম বিডিনিউজ২৪ সাইটি বন্ধ করতে বলেছে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।
(https://www.bbc.com/bengali/news-44519564)
পরে আবার খুলে দেয়া হলো।
কিন্তু কোন খবরে উল্লেখ নাই, ঠিক কি কারণে এই বন্ধ আবার পরে খোলা।
এ সম্পর্কে খবরে এসেছে-
বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিটিআরসি নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের উপর মহলের নির্দেশে।”
কী কারণে- জানতে চাইলে সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি জহুরুল হক।
(https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1507887.bdnews)
কিন্তু কোন খবরে উল্লেখ নাই, ঠিক কি কারণে এই বন্ধ আবার পরে খোলা।
পরে ঘাটাঘাটি করে বুঝলাম, সম্ভবত একটা খবরের জন্য এমন করা হয়েছে।
খবরের শিরোনাম- “নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ”
গতকালকে এই খবরে শেষে দুটো লাইন ছিলো-
“ছোট ভাই তোফায়েল আহমেদ জোসেফের কারণে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছিল সেনা কর্মকর্তা আজিজ আহমেদের নাম। নব্বইয়ের দশকের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান।”
(সূত্র: https://archive.is/bCDQG)
কিন্তু পরে ঐ লাইন দু’টি কেটে নিউজ ইডিট করে বিডিনিউজ২৪-
তারমানে “নতুন সেনাপ্রধানের ছোট ভাই খুনি সন্ত্রাসী”, এই তথ্য প্রকাশ করার কারণে বিডিনিউজ২৪ বন্ধ করতে চেয়েছে সরকার।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুসলমানরা নিজের অবস্থান ধরে রাখতে হলে, ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই

কয়েকদিন আগে ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছিলাম। কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটির উপর নির্মিত একটি মিউজিক ভিডিও। গানটিকে রিমিক্স করা হয়েছে, গানের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে উদ্দাম আর অশ্লীল নৃত্য। নৃত্যের সাথে গানের কোন কথার কোন মিল নাই। বাংলাদেশে অধিকাংশ স্থানে এই গান দিয়ে শুরু হয় ঈদের আনন্দ। কিন্তু গানটির মধ্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম আসলে কি বলতে চেয়েছেন, এটা বোধহয় শতকরা ৯৯.৯৯% লোকই জানে না। আসুন গানটিতে একবার চোখ বুলাই-
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানী তাগিদ।।
তোর সোনা-দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে জাকাত মুর্দ্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদ গাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরীদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশতরীতে শির্‌নী তৌহিদের।
তোর দাওয়াতে কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
তোরে মারল' ছুঁড়ে জীবন জুড়ে ইট পাথর যারা
সেই পাথর দিয়ে তোলরে গড়ে প্রেমেরই মসজিদ।
১৯৩১ সালে লেখা এই গানটি মুসলমানদের অনেক কিছু শিক্ষা দেয়। আমি যতটুকু বুঝতেছি-
(১) ঈদে খুশি করতে হবে ধর্মীয় পন্থা মেনে
(২) ঘুমন্ত মুসলমানদের জাগিয়ে তুলতে জাকাত দিতে বলা হচ্ছে,
(৩) ঈদের জামাতের মাধ্যমে জিহাদ-গাজি-শহীদের চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে।
(৪) মুসলমানদের নিজস্ব বিভেদ ভুলে এক হতে হবে।
কাজী নজরুল ইসলাম আমার অন্যতম পছন্দের কবি। তার লেখার মধ্যে অনেক শিক্ষা আছে। ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় দিবস। আর সেখান থেকে মুসলমানদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পহেলা বৈশাখ থেকে সংস্কৃতির চেতনাবাজরা শিক্ষা নেয়, দূর্গা পূজা থেকে হিন্দুরা শিক্ষা নেয়, ভ্যালেন্টাইনস ডে থেকে প্রেমিকরা শিক্ষা নেয়। তাহলে ঈদের থেকে মুসলমানদের শিক্ষা নেওয়া বা চেতনা জাগ্রত হওয়া কোথায় ?
বর্তমান কালে আমরা ঈদ বলতে দেখি, ভারতীয় অনুকরণে পোষাক, ছেলেদের ধূতির মত পায়জামা, সেলফিবাজি, জোরে গান বাজানো, নৃত্য আর মোজমাস্তি। আর টিভিতে হয় ঈদের নাটক, ঈদের সিনেমা, ঈদের নাচ, ঈদের ব্যান্ডশো আর ঈদের ফ্যাশন শো, জুয়েল আইচ ওরফে গৌরাঙ্গ লাল রায়ের যাদুবাজি। কিন্তু এগুলোর কোনটাই ঈদের আসল শিক্ষা নয়। অন্তত কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটি তা বলে না।
ধর্ম হচ্ছে একটা জাতির নিজস্ব পরিচয়গত সংস্কৃতি। সেই সংস্কৃতিতে যখন ভাঙ্গন ধরানো যায়, তখন ঐ জাতির অস্তিত্বতেও ভাঙ্গন ধরানো সম্ভব। আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই, ইহুদীরা কৌশল করে খ্রিস্টানদের ধর্মটা শেষ করে দিছে। খ্রিস্টান ধর্মটা সেক্যুলার করে দিয়ে তাদের পরিচয়হীন করে তুলেছে। এরপর সেই খ্রিস্টান জাতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে ইহুদীরা।
বর্তমানে মুসলমানদের ঈদের মত ধর্মীয় বিষয়গুলো যেভাবে সেক্যুলার বা অধর্ম দিয়ে পূর্ণ করা হচ্ছে তাতে খ্রিস্টানদের মত নিজ ধর্মেরও বিলীনের দিকে যাচ্ছে মুসলমানরা। আর ধর্ম যত বিলীন হবে, মুসলমানরা তত বেশি কোনঠাসা হতে থাকবে। মুসলমানরা যদি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চায়, তবে ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------