Wednesday, May 23, 2018

খেলা দেখবেন আপনি, লাভ হবে কার? ক্ষতি হবে কার?


ইহুদীবাদী কর্পোরেটোক্রেসি নিয়ে আমি আগেও অনেক আলাপ করেছি।
বলেছি, কিভাবে আপনার টাকা শুষে নেবে ইহুদী কর্পোরেটরা
আর সামনে নাচাবে এন্টারটেইনার বা সাকিব-মেসিদের।

বিষয়টা তুলনা করা যায়, অনেকটা গ্রা্ম্য মেলার পুতুল নাচের সাথে।
আপনি যখন পুতুল নাচ দেখতে মেতে উঠবেন, তখন একদল পেছন থেকে আপনার পকেট কেটে টাকা নিয়ে যাবে।

খেলায় ঠিক এই জিনিসটা হয়, মানুষ মত্ত থাকে এন্টারটেইনারদের নিয়ে
আর সে সুযোগে ইহুদীবাদী কর্পোরেটরা মানুষের পকেটের টাকাগুলো লুটে নিতে থাকে।
সে জানেও না কিভাবে তার পকেটের টাকা চলে যাচ্ছে ইহুদী কর্পোরেটদের হাতে।

ছোটবেলায় ১০ টাকা দামের কোকের কাচের বোতল পাওয়া যেতো।
তখন একবার শুনেছিলাম, কোকের ভেতর যে পানিটা থাকে ওটার মূল্য নাকি মাত্র ১ টাকা, আর ৫-৬ টাকা নাকি বিজ্ঞাপন মূল্য, বাকিটা কোম্পানি-ডিলার-বিক্রেতাদের লাভ।

এ হিসেব সত্য মিথ্যা জানি না। তবে এতটুকু বুঝি কর্পোরেট দুনিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকের মনে পণ্যের ব্যাপক আকাঙ্খা তৈরী করা হয়, এতে খরচও হয় অনেক। কিন্তু গ্রাহক জানেই না ঐ বিজ্ঞাপনের টাকা তার পকেট থেকেই আদায় করছে কোম্পানিগুলো। ফলে পন্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে বহুগুনে।

একবার দোকানে গিয়েছিলাম প্লাস্টিকের বালতি কিনতে।
দোকানি বললো- “আরএফএল বালতি ছাড়া আর কোন কোম্পানির বালতি নেই। দাম- ১২০ টাকা।”
আমি বললাম- “অন্য কোন কোম্পানির বালতি নেই কেন ?”
সে নিজেই বললো- “টিভিতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এত বিপুল পরিমাণে বিজ্ঞাপন দেয়, পাবলিক পুরো ব্রেইন ওয়াশড। আরএফএল যে বালতি ১২০ টাকা দিচ্ছে তার থেকে ভালো মানের বালতি অনেক কোম্পানি ৮০ টাকায় দেয়। কিন্তু পাবলিক কিনতে নারাজ। কারণ শুধু বিজ্ঞাপন।”

ফিরে আসি, খেলার কথায়। আমি খেলোয়াড়দের তুলনা করেছি এন্টারটেইনার বা পুতুলের সাথে।
এ সম্পর্কে একটা ঘটনা মনে আছে। একবার বাংলাদেশের জনগন ক্রিকেট খেলা নিয়ে খুব মত্ত হয়ে গেলো। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে তুলনা শুরু করে দিলো।
তখন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি জনগনের ভুল শুধরে দিলো। বললো, আমরা মুক্তিযোদ্ধা নই, আমরা হচ্ছি এন্টারটেইনার, আপনাদের আনন্দ দেই। (সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ, ১৭ জুলাই, ২০১৫, লিঙ্ক-https://bit.ly/2s5A9uG

)

তারমানে দাড়াচ্ছে,
খেলোয়াড়রা হচ্ছে পুতুল, তাদের পেছন থেকে নাচাচ্ছে কর্পোরেটরা।
আর জনগণ সে পুতুল নাচ দেখতে গিয়ে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় বিজ্ঞাপন দেখছে
তার ব্রেনের সাব-কনসাস মাইন্ডে যুক্ত হচ্ছে- অমুক পন্যটা কিনতে হবে।
পরবর্তীতে ঐ বিজ্ঞাপনের টাকা এবং পন্যচাহিদা অনুসারে লভ্যাংশ উভয় সংযুক্ত হচ্ছে পন্যের সাথে
ফলে ১ টাকার পন্য কিনতে হচ্ছে ১০ টাকা দিয়ে।
একজন মানুষ খেলা দেখে ভাবছে, - এতে আবার ক্ষতিটা কি ?
কিন্তু তাকে যে কৌশলে ফুতুর করছে কর্পোরেটরা, সেটা তার মাথার এন্টেনার বহু উপর দিয়ে যাচ্ছে।
এই যে মেসির দাম এত এত কোটি, সাকিবকে আইপিএল এত কোটি টাকা দিয়ে কিনছে,
এগুলো সব আপনার পকেটেরই টাকা। কিন্তু নেয়া হচ্ছে ধোঁকা দিয়ে। এজন্য আমি এটাকে তুলনা করেছি, পুতুল নাচের সময় পেছন থেকে পকেট মারার সাথে।

আমি জানি, এতটুকু পড়ে অনেকেই বলবেন- “দাদা এত বড় কথা বইলেন না, টিভিতে খেলা দেখলে সমস্যা। কিন্তু আপনি যে ফেসবুক ব্যবহার করতেছেন, সে ফেসবুকেও অনেক বিজ্ঞাপন আসে। ঐ বিজ্ঞাপন কোম্পানিগুলো ফেসবুককে টাকা দেয়, আর সেই টাকা পাবলিকের থেকে কেটে নেয়।”

মানছি আপনার কথা। তবে কথার মধ্যে একটু গ্যাপ আছে।
আপনারা রাস্তা দেখেছেন নিশ্চয়ই। রাস্তা ওয়ান ওয়ে হয়, আবার টু-ওয়েও হয়।
টিভি হচ্ছে ওয়ানওয়ে, ওরা শুধু দিবে আর আপনি গ্রহণ করবেন। ও যা দিবে, আপনাকে তাই গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আপনি তথ্য বা মতামত এক্সচেইঞ্জচ করতে পারবেন না।

অপরদিকে ফেসবুক হচ্ছে টু-ওয়ে। মানে এখানে এক্সচেইঞ্জ করা যায়। সেও দিবে, আপনিও দিবেন। আর যেখানে এক্সচেইঞ্জ করা যায়, সেখানেই পাবলিকের লাভ তৈরী হয়।। ইন্টারনেটে নলেজ বা তথ্য আরো অধিন নয়, যা উপকারি, ফলে অনেক গোপন নলেজ বেড়িয়ে আসে। সোশাল মিডিয়ার কল্যানে ফিল্ড পর্যায়ের পাবলিকের মতামত জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উঠছে, এতে ভুয়া সেলিব্রেটিদের পতন হয় এবং রিয়েল সেলিব্রেটিদের উত্থান হয়, সাধারণ জনগণের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌছে যায়, যা আগে কখন সম্ভব ছিলো না এবং মিডিয়া দ্বারাও সম্ভব নয়। তাই ফেসবুকে হয়ত কর্পোরেটদের লাভ হচ্ছে, কিন্তু জনগণেরও যে উপকার হচ্ছে, সেটা নিশ্চয়ই অস্বীকার করতে পারবেন না।

এ কারণে অনেক রাষ্ট্রে, টিভি মিডিয়াকে নিরুৎসাহিত করা হয়, অনলাইন মিডিয়াকে উৎসাহিত করা হয়। যেমন পশ্চিমের অনেক দেশে প্রত্যেকটি টিভি চ্যানেলের জন্য আলাদা আলাদা পে করতে হয়। ফলে টিভি মিডিয়া তাদের জন্য এক্সপেনসিভ। অপরদিকে হাইস্পিড ইন্টারনেট অনেক সস্তায় সরবরাহ করা হয়। উদ্দেশ্য জনগণের ব্রেন আপডেট করা।

অপরদিকে বাংলাদেশে টিভি মিডিয়াকে উৎসাহিত করা হয়, ইন্টারনেটকে নিরুৎসাহিত করাহয়। যেমন : মাত্র ২০০ টাকা দিয়ে সারা মাস এক-দেড়শ’ টিভি চ্যানেল দেখা যায়, কিন্তু অতি উচ্চ মূল্য দিয়ে ইন্টারনেট ডাটা কিনতে হয়। ইন্টারনেট উচ্চ মূল্য হওয়ায় অনেক মানুষ এখনও সচেতন হতে পারছে না।

আমার মনে হয়, ইহুদীবাদী কর্পোরেটোক্রেসির পতন হতে হলে এবং মুসলমানদের উত্থানের জন্য খেলা বজর্ন করা জরুরী।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, May 22, 2018

বয়কট ফুটবল বিশ্বকাপ

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা আসতেছে
কিছু ছেলেপেলের এ জন্য ঘুম আসতেছে না
কে ব্রাজিল, কে আর্জেন্টিনা এটা নিয়ে দ্বন্দ্বের শেষ নাই
ব্রাজিল সমর্থক কমিটি, আর্জেন্টিনা সমর্থক কমিটি, বাড়ির ছাদে দেয়ালে পতাকা আরো কত কিছু।
বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হয়, অবসর সময়ে খেলাধূলা করবে।
আধুনিক ফুটবল আর ক্রিকেটের জনক বলা হয় ব্রিটেনকে। সেই ব্রিটেনের দস্যু রাজার নাতি হ্যারি যখন ২০০৮ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি পাইলো, তখন সে গেলো আফগানিস্তানে যুদ্ধ করতে। সে কিন্তু ছুটি পাইয়া ক্রিকেট-ফুটবল খেলতে যায় নাই, আফগানিস্তানে মুসলমান মারতে গেছে। আর আজকে মুসলমানের বাচ্চারা ব্রিটেনের বানানো ক্রিকেট ফুটবল নিয়ে নর্তন-কুর্দন করে বাচে না।
সারা বিশ্বজুড়ে আজকে মুসলমানরা নির্যাতিত,
ফিলিস্তিনে মুসলমানদের মারছে,
মায়ানমার থেকে মুসলমানদের মেরে বের করে দিচ্ছে,
ইরাক, সিরিয়া, চীন, থাইল্যান্ড, ভারত কোথায় মুসলমানরা আজ নির্যাতিত নয়।
খোদ বাংলাদেশেও মুসলমানরা কম নির্যাতিত নয়।
কিন্তু এ অবস্থার পরও একজন মুসলমানের বাচ্চা কিভাবে খেলার মত একটি নিকৃষ্ট কাজ (খেলো শব্দের অর্থ: নিকৃষ্ট; হীন; নীচ) নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারে ?
আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে মুসলিম আলেমদের একটা দায়বদ্ধতা আছে।
আমি মুসলমান আলেমদের অনেক কিছু নিয়ে ওয়াজ করতে দেখেছি,
কিন্তু খেলাধূলার বিরুদ্ধে তারা কখন কোন ওয়াজ করেনি।
আমার ধারণা, তারা হয়ত ভাবে, এটা করলে তরুণ প্রজন্ম তাদের থেকে দূরে সরে যাবে, সাপোর্ট করবে না।
এটা অমূলক ধারণা। একটা সময় পহেলা বৈশাখ নিয়ে অনেক মাতামাতি ছিলো। কিন্তু মসজিদে-মাহফিলে পহেলা বৈশাখের বিরুদ্ধে অনেক আলোচনার পর এখন পহেলা বৈশাখ নিয়ে তরুণ প্রজন্ম সরে আসছে।
আন্তর্জাতিক ইহুদীবাদীরা সব সময় চায় প্রতিপক্ষে সময় নষ্ট করে দিতে। মানে তার প্রতিপক্ষ যেন অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যস্ত থাকে, আসল কাজে চিন্তা না করে। ক্রিকেট-ফুটবল দিয়ে তরুণ সমাজের মাথা একেবারে বিজি করে দিয়েছে। সারাক্ষণ চিন্তা কয়টা গোল হলো, কয়টা রান হলো। এই ‘নিকৃষ্ট খেলো’ চিন্তা করলে সে দেশ ও জাতি নিয়ে চিন্তা করবে কখন ? অমুসলিমদের জটিল জটিল সব ষড়যন্ত্র নিয়ে চিন্তা করবে কখন, কখন সেগুলোর প্যাচ খুলবে, আর কখনই বা তার জবাব দেবে।
এই ১ মাসের বিশ্বকাপ খেলা মানুষকে অনেক কিছু ভুলিয়ে দেবে,
প্রভাব পড়বে আগে-পারে সব মিলিয়ে ৩ মাস।
অনেক কষ্ট করে তৈরী হওয়া ন্যায় চিন্তা-ভাবনাগুলো হারিয়ে যাবে বিশ্বকাপ ফুটবলে।
দেখো
ওরা আজকে ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, মায়ানমার, কাশ্মীর নিয়ে গেছে,
আগামীকাল তারা বাংলাদেশের দিকেও হাত বাড়াবে,
তুমি যদি এখন ফুটবল খেলা নিয়ে বিভোর থাকো,
তবে নিজ দেশ ও জাতির জন্য চিন্তা করবে কখন ?
রুশ গুপ্তচরকে হত্যা প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে ব্রিটেন-রাশিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে ৬টি দেশ বিশ্বকাপ ফুটবলকে বয়কট করতে প্ল্যান করেছিলো। দেশগুলো - পোল্যান্ড আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক সুইডেন, অস্ট্রোলিয়া ও জাপান। (https://bit.ly/2s3t4up)
তারা যদি বিশ্বকাপ খেলুড়ে দেশ হয়ে নিজের স্বার্থে বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিতে পারে,
তবে মুসলমানরা কি নিজের স্বার্থে ইহুদীবাদীদের তৈরী এই বিশ্বকাপকে বয়কট করতে পারে না ?
চেষ্টা করলে ঠিকই পারে এবং দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া মুসলমানদের এখন তাই করা উচিত।


আমার মনে হয়, ফেসবুকে যে গুটি কয়েক মানুষ মূল বিষয়গুলো উপলব্ধি করতেছি,
তাদের প্রথম উচিত, বিষয়টি ছড়িয়ে দেয়া।
অনলাইনে হোক আর অফলাইনে হোক
মসজিদ হোক, ওয়াজ মাহফিলে হোক আর চায়ের আড্ডায় হোক
বিশ্বকাপ ফুটবলের বিরুদ্ধে বলা। বিদেশী পতাকা ওড়ানো, আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দলাদলি নিয়ে মাতামাতি না করতে বলা।
এক কথায় বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে যাবতীয় কার্যক্রম বয়টক করতে বলা।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

ইথোফেন দিয়ে পাকানো আমে ক্ষতিকারক নেই

আম নিয়ে আগের পোস্টটি (https://bit.ly/2KDQQF9) দেয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আবারও চিন্তা করতে বসলাম,
বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানতে দেশেও বেশ কয়েক যায়গায় ফোন দিয়েছি।
কারণ একটা বিষয় বিস্তারিত জানা ও সমাধানে না আসা পর্যন্ত আমার আবার ভালো লাগে না।


কয়েকজন আম ব্যবসায়ী ও কৃষকের সাথে আলাপ করলাম, আম পাড়ায় সরকারের বেধে দেয়া সময় নিয়ে মতভেদ আছে। একদল কৃষক সরকারের বেধে দেয়া সময়ে খুশি, অন্যদল বলছে সরকারের বেধে দেয়া সময়ের আগেই ফল পেকে যায়। সাতক্ষীরায় আম আগে পাকে, চাপাইনবাবগঞ্জে আম পরে পাকে। একটি ফল পরিপক্ক না হওয়ার আগে গাছ থেকে পারা ঠিক নয়, কিন্তু অনেক এলাকার আম আগে পেকে গেলে কৃষকরা কি করবে সেটা নিয়েও সরকারের চিন্তা করা উচিত। এজন্য শুধু আমের প্রকারভেদে সময় নয়, এলাকা ভিত্তিক আম পাকা’র সময় জানার দরকার আছে। এবং সে অনুসারেই আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করা জরুরী। কিছু আম যদি আগে পেকেও যায়, তবে সেটা লোকাল মার্কেটে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু সরকার যদি ফল ধ্বংসে মেতে উঠে, তবে সেই আগে পেকে যাওয়া আম তো লোকাল মার্কেটেও উঠতে পারবে না। এসব বিষয় জানার জন্য, ফিল্ডে কৃষকের অবস্থাটা জানার প্রয়োজন আছে। কিন্তু আমাদের দেশে কৃষক আর সরকারের মধ্যে এখন বিস্তর তফাৎ। সরকার চলে বাইরের বুদ্ধি বা মিডিয়ার বুদ্ধিতে। কিন্তু কৃষকের কি প্রয়োজন বা কৃষক কি চায় সেটা সম্পর্কে সরকারের কোন মাথা ব্যথা নেই। জেলা-থানা-ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে কৃষি অফিসারদের যদি উন্নত ট্রেনিং দেয়া যায়, এবং সেটা যদি কৃষক পর্যন্ত পৌছে দেয়া যায়, তবে দেশী ফলন আরো উন্নত এবং কৃষকদের চিন্তামুক্ত করা সম্ভব।
আরেকটি বিষয়,
সব আম যখন এক সাথে পাড়া হবে, তখন আম নষ্ট হওয়া বা মার্কেটে দাম পরে যাওয়ার ভয় থাকে। এতে সরকারের পক্ষ থেকে কোল্ডস্টোরেজের সুবিধা থাকতে হবে। যদি সরকারীভাবে কোল্ডস্টোরেজের সুবিধা দেয়া হয়, তখন অনেক আম নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পাবে এবং জনগণ আরো বহুদিন দেশী আমের স্বাদ পাবে।
আমার আগের পোস্টে আমি হরমোন ইথোফেন দিয়ে পাকানোর কথা বলেছি। আমার মূল কথা ছিলো- “ইথোফেন দিয়ে পাকানো আমে ক্ষতিকারক নেই, ফলে যাত্রাবাড়ি-মিরপুরে ২২০০ মন আম ধ্বংস করা মোটেও ঠিক হয়নি।” তবে আমি নিজেও চাই পুরোপুরি প্রাকৃতিক উপায়েই ফল পাকানো হোক। কিন্তু ইথোফেনে ক্ষতি আছে, এমন মিথ্যা কথা বলে ১০-২০ জন ব্যবসায়ীকে পথে বসিয়ে দেয়া বা ৬ জনকে জেল দেয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।্ঐ সময় RAB ্এর কাছে ইথোফেন মাপার কোন যন্ত্র ছিলো না, এমনকি RAB নিজেও অবগত নয় ইথোফেন ভালো না মন্দ । শুধু ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে ব্যস এতটুকু মুখে শুনেই বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয় কোটি টাকার দেশের সম্পদ (https://bit.ly/2IxuR6c)।
আমার কথা হলো, সরকারের পক্ষ থেকেই ইথোফেন ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা যেতে পারে, কিন্তু কেউ ব্যবহার করে ফেললে (যেহেতু ক্ষতি নেই) সেটা ধ্বংস করার মোটেও ঠিক হবে না। এতে দেশের সম্পদই ধ্বংস হবে।

আসলে মূল সমস্যা হলো ভারতীয় আম নিয়ে। দেশী আমের জন্য সরকার সময় নির্ধারণ করে দিছে, কিন্তু মার্কেটে তো ভারতীয় আম ছেয়ে গেছে। তাহলে আমার গাছের আম কেমিকেল/হরমোন দিয়ে আনতে সমস্যা কোথায় ? তখনই অপরিপক্ক আমে কেমিকেল দিয়ে পাকানো হচ্ছে। কিন্তু মার্কেটে যদি ভারতীয় আম না-ই থাকতো, তবে নির্দ্দিষ্ট তারিখের আগে আমই থাকতো না, ফলে আমের মার্কেট কেউ দখল করে ফেলছে কৃষক বা ব্যবসায়ীর সেই টেনসনও থাকতো না। কৃষকও চাইতো তার আম আরো বড় হোক। ফলে এত অরজাকতা আর টেনশনও থাকতো।
আমার মনে হয়, জনগণকেই এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে হবে ভারতীয় আম কি না? যদি ভারতীয় আম হয় তবে সেটা বর্জন করতে হবে। আম খেলে দেশী আম খেতে হবে। কয়েকবছর যদি এভাবে ভারতীয় আমকে বাঁশ দেয়া যায়, তবে ব্যবসায়ীরা ভারতীয় আম তুলবে না। ফলে দেশী আমের স্বাদেই দেশের মানুষ থাকতে পারবে, দেশের সম্পদ দেশেই থাকবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, May 21, 2018

ফলের রাজা আম ধ্বংস করার বহুমুখী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের জনগন-কৃষক-ব্যবসায়ী একত্র হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।


খবরে এসেছে,
যাত্রাবাড়িতে ইথোফেন যুক্ত আম, ১ হাজার মন আম ধ্বংস (https://bit.ly/2k97KQS
)
মিরপুরে ইথোফেনযুক্ত ১২শ’ মন আম ধ্বংস (https://bit.ly/2IxQijC)

বাপরে বাপ ! কত বিষাক্ত রাসায়নিক ইথোফেন, আর সেটাই নাকি ফলের মধ্যে মিশিয়ে খাওয়াচ্ছে আমাদের । মার শালারে। শালার সব আম গুড়িয়ে দে, ব্যাটা যেন আর কখন ফলের বিজনেস না করতে পারে। 

আমার ছোট বেলার একটা কবিতা মনে পড়ে গেলো,

“এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
.............................................
নেইকো খালে, নেইকো বিলে, নেইকো মাঠে গাছে;
কান যেখানে ছিল আগে সেখানটাতেই আছে।”

আম ইথোফেন দিয়ে পাকানো হয়েছে, ব্যস এতটুকু শুনেই ব্যবসায়ীদের হাজার হাজার মন আম ধ্বংস করে ফেলেছে RAB, জেলে পুড়েছে আধা ডজনকে । কিন্তু ইথোফেন জিনিসটা কি, কিংবা সেটা কি আদৌ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কি না, সেটা জানার দরকার মনে করেনি কেউ।

ইথোফেন বা ২-কোরোইথাইল ফসফনিক এসিড দিয়ে ফল পাকানো কিন্তু মোটেও স্বাস্থ্যবিরোধী কোন পদ্ধতি নয়, বরং স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি কারণ কোন ফল পাকানোর জন্য ইথোফেন দেওয়ার পর তা দ্রুত ইথিলিন গ্যাসে পরিণত হয়, যা ন্যাচারাল সিস্টেমেই ফলকে পাকায়, ফলে ক্ষতির কোন আশঙ্কা থাকে না। এ কারণে বিশ্বের ৬০টি দেশে স্বাস্থ্য সম্মত উপায় হিসেবে ফল পাকানোর জন্য ইথোফেনকে ব্যবহার করা হয়।

পড়তে পারেন:
১) https://bit.ly/2IxuR6c



২) https://bit.ly/2rYckVE



৩) https://bit.ly/2wXIu9d




আমার মনে পড়ে গেলো, আজ থেকে ৪ বছর আগের কথা। তখন ‘আমের ভেতর ফরমালিন আছে’ টাইপের খবর দিয়ে মিডিয়া ছেয়ে গেলো। তখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রচুর পরিমাণে আমসহ অন্যান্য ফল নষ্ট করা হয়। পরবর্তীতে খবর আসে যেই যন্ত্র দিয়ে ফরমালিন পরীক্ষা করা হয়েছে সেটার মধ্যেই গলদ ছিলো। কিন্তু ইতিমধ্যে ধ্বংস করা হয়েছে ৬০ হাজার টন ফল ও মাছ । (তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪,https://bit.ly/2GyFEHB
)

শুধু আম নয়, কলা-আনারসসহ অনেক ফলই পাকানোর জন্য বহু আগে থেকে বাংলাদেশে ইথোফেন ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু সেগুলো তো RAB নষ্ট করেনি, কিংবা মিডিয়াও সেটা নিয়ে খবর করেনি। কিন্তু আম আসার আগেই কেন প্রশাসন এভাবে দেশী ফল নষ্ট করে ? আর মিডিয়া সেটা নিয়ে উস্কানি দেয় ?

ইথোফেন ব্যবহার করে আম পাকা জুজু দেখিয়ে আসলে সরকার-প্রশাসন কৃষকদের গাছ থেকে আম পাড়তে বাধা দেয়। এবং গত কয়েকবছর যাবত সরকারের পক্ষ থেকে আম পাড়ার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এ বছরের জন্য সময় হলো,
২০ মে গুটি জাত, ১ জুন হিমসাগর, ক্ষীরসাপাতি ও লক্ষ্মণভোগ, ৬ জুন ল্যাংড়া, ১৬ জুন আম্রপালি ও ফজলি এবং ১ জুলাই আশ্বিনা এর আগে কোন কোন গাছের আম নামানো যাবে না। আম পাড়ার ৭২ ঘণ্টা আগে চেকপোস্ট বসানো হবে। সেখানে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে। (https://bit.ly/2IDCSCF
)

অথচ কৃষকদের বক্তব্য হচ্ছে, আম কখন সময় নিদ্দিষ্ট করে পাকে না। কোন কোন আম আগেই পেকে যায়। কিন্তু সরকার কেমিকেলের নাম দিয়ে আম নষ্ট করায় কোন ব্যাপারী কৃষকের কাছে যায় না, ফলে গাছের মধ্যেই পেকে নষ্ট হচ্ছে হাজার কোটি টাকার আম। শুধু তাই নয়, একবারে সব আম নামায় মার্কেটে আমের রেট অনেক কমে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকরা। আমে বিষাক্ত রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে কি না, এটার সমাধান কখন আম পাড়ার জন্য সময় বেধে দেয়া হতে পারে না, বরং এটা মূর্খের সিস্টেম।

গত কয়েকবছর যাবত সরকারের বানানো এ সিস্টেম সম্পর্কে কৃষকরা অনেক প্রতিবাদ করেছে। এমনকি এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বারি) এক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জানান, আম পাড়ার সময় বেঁধে দেয়া সঠিক কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নয়। (https://bit.ly/2LivvSD
)

অর্থাৎ দেশী আমকে আটকে রাখা হচ্ছে কৌশলে । কিন্তু এদিকে ভারত থেকে আম এসে দখল করে নিচ্ছে বাংলাদেশের মার্কেট। এ সম্পর্কে গত কয়েকদিনে খবর এসেছে-

১) বাজারে ভারতীয় আম (https://bit.ly/2LbIJRn
)
২) মৌসুমের আগেই ভারতীয় আম (https://bit.ly/2rWY93L)
৩) ভারতীয় আম দিয়ে মধুমাস শুরু (https://bit.ly/2wZngYR)
৪) আমের রাজধানী রাজশাহী ছেয়ে গেছে ভারতীয় আম (https://bit.ly/2ITkpp8)

অর্থাৎ দেশী আম ধ্বংস করে, ভারতীয় আমকে প্রবেশ করাতে হবে। এ পলিসি শুধু আমে নয়, কোরবানীর গরু নিয়েও হয়। দেশী গরুতে অ্যানথ্র্যাক্স আছে, দেশী গরু মোটাতাজার নামে বিষ দেয়া হয়, এমন নানা অপপ্রচার করে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে ঢুকানো হয়।

আচ্ছা, দেশী আমে সমস্যা আছে দেখে সরকার হাজার হাজার মন আম ধ্বংস করছে। কিন্তু যে ভারতীয় আমে বাংলাদেশের মার্কেট ভরে যাচ্ছে, সেই ভারতীয় আম কি সরকার একবার পরীক্ষা করেছে ? নাকি ভারতের আম হলে তার সাত খুন মাফ ? তা পরীক্ষা করাও নাজায়েজ ।

উল্লেখ্য,
-ক্ষতিকারক থাকায় ২০১৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতীয় আম নিষিদ্ধ করে। কিন্তু সেই আম তারা বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়। (https://bit.ly/2Leptm6
)
-২০১৬ সালে আরব আমিরাতও ভারতীয় আমে বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি টের পেয়ে তা প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করে (https://bit.ly/2rWZcRf)

বাংলাদেশের আম নিয়ে ষড়যন্ত্র এ বছরই প্রথম নয়। গত বেশ কয়েক যাবত ফলের রাজা আমকে ধ্বংস করতে দেশী-বিদেশী মহল উঠে পড়ে লেগেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক কানেকটেড কিছু মিডিয়া (ডেইলি স্টার, প্রথম আলো) সেই ২০১৩-১৪ সাল থেকে সরকারকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছে এ ধরনের আজগুবি সিস্টেম জারি করার জন্য।

আসলে বাংলাদেশের মানুষ সচেতন নয়, হুজুগে। মিডিয়া যেদিকে যেতে বলে তারা সেদিকেই যায়, আর সরকারও সেই সুযোগে দুর্নীতি করার সুযোগ পায়।

তাই ফলের রাজা আম ধ্বংস করার বহুমুখী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের জনগন-কৃষক-ব্যবসায়ী একত্র হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।



===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোর ভাবখানা এমন- “আমার তোমার সবার রাজা- ব্রিটিশ রাজা-ব্রিটিশ রাজা”

গত ১৯শে মে থেকে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্রিটেনের কথিত রাজ পরিবারের এক বিয়ে নিয়ে খুব উচ্ছ্বসিত ভূমিকায় অবর্তীণ হয়েছে। ভাবখানা এমন, “আমার তোমার সবার রাজা- ব্রিটিশ রাজা-ব্রিটিশ রাজা”। বাংলাদেশের মিডিয়াও কম যায় না, পারলে মাথা নুয়ায় প্রণাম করে ব্রিটিশ রাজ পরিবারকে, আর জনগনকেও উৎসাহিত করে ব্রিটেনের কথিত রাজ পরিবারের সামনে মাথা নুয়াতে। বাংলাদেশ এক সময় পাকিস্তানের অংশ ছিলো, সেই পাকিস্তানের সামনে মাথা নুয়াতে বললে কি বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে ? তাহলে যে ব্রিটিশরা বহিরাগত হয়ে আমাদের ২০০ বছর লুটেপুটে খেলো সেই ব্রিটিশদের নিয়ে এত মাতামাতি কেন ?
আসলে আন্তর্জাতিক মিডিয়া কন্ট্রোল করে ইহুদীরা। বাংলাদেশের মিডিয়াগুলোও তাদের মতাদর্শ অনুসারে পরিচালিত হয়। তারাই কোন বিশেষ কারণবশত: ব্রিটিশ ফ্যামিলিকে হাইলাইট করে। তারমানে ইহুদীদের অন্যতম কাজ হচ্ছে সাধারণ জনগণকে ব্রিটেনের কথিত রাজ পরিবারের দিকে ঝুকিয়ে রাখা। আপনাদের মনে থাকার কথা, বাংলাদেশ থেকে একটি হিন্দু ছেলে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করছে বলে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো রিপোর্ট প্রকাশ করেছিলো। ছেলেটির নাম শিপান কুমার বসু। তার ফেসবুক আইডি থেকে দেখুন (https://bit.ly/2IA0H2p)
অধিকাংশ পোস্ট ব্রিটিশ রাজ পরিবারের প্রশংসা করে করা। এর পেছনে কি কারণ?

এর পেছনে মূল কারণ সম্ভবত ব্রিটেনের কথিত রাজ পরিবারের মাধ্যমে ইহুদী সম্রাজ্যবাদের উত্থান ঘটেছে। ১৭শ’ শতাব্দীর আগে ইহুদীদের কোন পাওয়ার ছিলো না, খ্রিস্টানরাও মুসলমানদের কাছে ছিলো কোনঠাসা। সারা বিশ্বে তখন একচেটিয়া ক্ষমতা মুসলমানদের। ইউরোপ-রাশিয়া(তাতার), এশিয়া, আফ্রিকা, ভারত পুরো বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা তখন ক্ষমতাবান। সে সময় ইহুদীরা ব্রিটেনের কথিত রাজ পরিবারের সাথে চূক্তি করে। ব্রিটেনের রাজা আসলে দস্যূ রাজা। ওরা ছিলো পানিদস্যুদের নেতা। যে যত বেশি জাহাজ লুটপাট করে আনতে পারবে, সে তত বড় ‘স্যার’। সব টাকা জমা দিতে হতে ব্রিটিশ রাজ পরিবারকে। মানুষের মাংশ খাওয়া ছিলো তাদের নিয়মিত কাজ (https://bit.ly/2KC7IfC)
তাছাড়া তারা খ্রিষ্টানদের বড় কোন ফেরকা’ও না, তারা খ্রিস্টানদের Anglican ফেরকার অন্তভূক্ত। কথা হলো, ঐ সময় ইউরোপে আরো অনেক অগ্রগামী জাতি ছিলো, কিন্তু ইহুদীরা অপেক্ষাকৃত ভালো লোক না নিয়ে, মানুষ খেকো ডাকাতদের সাথে কেন চূক্তি করলো ?

আসলে এটা ইহুদীদের একটা স্বভাব। ওরা সব সময় সমাজের নিচু শ্রেণীর লোক থেকে তাদের দালাল বানায় উপরে তুলে। এতে অনেক সুবিধা। সমাজের নিচু শ্রেণীর লোকেদের মধ্যে মানবতাবোধ থাকে না, তারা ছোট-বড় পার্থক্য করতে পারে না, নিচু শ্রেণীর হাতে ক্ষমতা গেলে তারা ছোট-বড় সবার সাথে দুর্বব্যবহার করে স্বার্থ আদায় করতে পারে। অপরদিকে নিচু শ্রেণী হিসেবে জাতে ওঠায় তারা তাদের পোষক ইহুদীদের কাছে অনুগত থাকে।
ইহুদীরা ব্রিটেনের সেই দস্যু নেতাদের সাথে চুক্তি করে এবং তখন-ই আসলে ফিল্ড পর্যায়ে ইহুদীদের উত্থান ঘটে। ইহুদীদের বুদ্ধি আর ব্রিটিশ দস্যুদের দস্যুপনা, দুই মিলে হয় ব্রিটিশ উপনিবেশ।
আমাদের এ এলাকায় যারা প্রথমে এসেছিলো ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এটা একটা প্রাইভেট কোম্পানি। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিক ছিলো ইহুদী রথচাইল্ড পরিবার (http://bit.ly/2FI5ayd)
 তারা এ অঞ্চলে এসে আরেক নিচু শ্রেণী মানে হিন্দুদের সাথে গাট বাধে এবং মুসলমানদের বিরোধীতা করে। ১৭৫৭ সালে বাংলায় সিরাজ-উদ-দৌল্লাহ’র পতন-ই ছিলো মূলত ইহুদীদের উত্থান। ঐ সময় ভারত ছিলো সম্পদের ভূমি। ভারতের ডাকা হতো স্বর্ণের পাখি (Sone Ki Chidiya) নামে। আর ভারতের কেন্দ্র ছিলো তখন বাংলা। বাংলার পতনের পর সেই সম্পদ নিয়ে গিয়ে রথচাইল্ড হয় সবচেয়ে ধনী পরিবার। বর্তমানেও আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভের মালিক এই রথচাইল্ড ফ্যামিলি। মজার ব্যাপার হচ্ছে তাদের সম্পদের শুরু কিন্তু এই বাংলাকে লুট করেই।

মুসলমানদের প্রাথমিক যুগ থেকে প্রায় সতেরশ’ শতাব্দী পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১১শ’ বছর বিশ্বজুড়ে একচেটিয়া সুপার পাউয়ার ছিলো মুসলমানরা। কিন্তু ব্রিটিশদের কাধে ইহুদীরা গাট বাধার পরই তাদের উত্থান ঘটে। এক্ষেত্রে ভুলটা অবশ্য মুসলমানদেরই। কারণ বাগদাদ ও স্পেনের পতনের পর মুসলমানদের হাজার বছরের জ্ঞান চর্চা ইহুদীরা লুটে নিয়ে যায়। নলেজ ইজ পাওয়ার, ইহুদীরা কৌশল ও কূটকৌশলে সেটাই কাজে লাগায়। যেমন : ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া ক্ষমতা দখলের পরও প্রশাসনে মুসলমান কর্মকর্তারাই সব পরিচালনা করতো। কারণ একটি সভ্য এলাকা কিভাবে চালাতে হয় তার শিক্ষা পানিদস্যুদের ছিলো না। সেটা শিখতে তারা ১০০ বছর সময় নেয়।
ইহুদীরা ব্রিটিশদের পর এক এক করে জামার্নি, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং বর্তমানে আমেরিকার উপরও ভর করেছে। কিন্তু ব্রিটেনের দস্যু পরিবারের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতার সূচনায় হওয়ায় তারা সম্ভবত সেটা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবেই দেখে। উসমানি খেলাফতের পতন এবং ফিলিস্তিনে ইহুদী পুনর্বাসন ব্রিটিশদের দ্বারাই ঘটে। মুসলমানদের দুর্বল করতে মুসলমানদের মধ্যে অধিকাংশ দলাদালি ও ফেরকাবাজি শুরু হয় ব্রিটিশদের হাত ধরেই।
কমনওয়েলথ সংগঠনটি করাই হয়েছে ঐ ভূক্ত দেশগুলো এক সময় তাদের অধিনস্ত ছিলো এটা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং তাদেরকে ‘রাজা’ হিসেবে মেনে নিতে বলা। উল্লেখ্য বর্তমানেও ব্রিটেনের এই দস্যু পরিবারের সদস্যরা ইহুদীবাদীদের সিক্রেট সোসাইট ফ্রি মেসনের নেতৃস্থানীয় সদস্য। স্বাভাবিক তাদের অনুষ্ঠানে অনেক ফ্রি-মেসন সদস্যকে ডাকা হয় (ভারতীয় নায়িকা প্রিয়াংকা চোপড়াকে আমার ফ্রি-মেসন মনে হয়)।
সোজা ভাষায়, মানুষখেকো দুস্য এই ব্রিটিশ পরিবারকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়া মানে নিজেকে ইহুদী সম্রাজ্যবাদের প্রজা হিসেবে মেনে নেয়া। তারা তো চায়, আমাদের মন-মগজে তাদের প্রজা বানিয়ে রাখতে। তাই এসব মানুষ খেকো পানিদস্যুদের লুটেরাদের ‘রাজা’ উপাধি দেয়া ও তাদের কাজে উৎসাহ দেখানো থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

আমি কেন চাই ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠা হোক’

কারণ আমার দৃষ্টিতে বর্তমান প্রচলিত ইহুদীবাদী ব্যবস্থার অপর নাম ‘যুলুমতন্ত্র’।
এই সিস্টেমে গোটাকয়েক ইহুদীর হাতে জিম্মি সকল মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এমনকি সাধারণ ইহুদীরাও।
একমাত্র ইসলাম প্রতিষ্ঠা হলে, সকল ধর্মের লোক সুখে থাকতে পারবে এবং
একমাত্র ইসলাম-ই পারে ইহুদীবাদীদের সকল কূটকৌশল ভাঙ্গতে,
এই সামর্থ কেবল ইসলামীক সিস্টেমেরই আছে, অন্য কোন সিস্টেমের নাই।
বর্তমানে ইহুদীবাদীরা যে ব্যবস্থার উপর একচেটিয়া অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে তার নাম ‘অর্থনীতি’।
অর্থনীতিতে একচ্ছত্র অধিপত্যের কারণে অন্য ব্যবস্থাগুলো খুব সহজেই তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে,
কারণ টাকা ছাড়া কিছু হয় না, মানুষ দিন শেষে সেই টাকার কাছেই ধরা।
বর্তমানে ইহুদীবাদীদের মূল পোষক হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থনীতিতে এমন সিস্টেম জারি করেছে, পৃথিবীর সকল সম্পদ তার কাছে আসতে বাধ্য, এমনকি সে যদি কিছু নাও করে, তবুও আমি-আপনি তাদের কাছে বখরা দিয়ে যাচ্ছি।
এই বিষয়টি আমি আগেও আলোচনা করেছি, এখনও আলোচনা করছি,
সকল দেশ টাকা ছাপানোর আগে তার বিপরীতে কোন সম্পদ জমা রাখে
কিন্তু একমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যার ডলারের বিপরীতে কোন সম্পদ জমা রাখতে হয় না,
সে প্রয়োজন মত ডলার ছাপাতে পারে।
অপরদিকে ইহুদীবাদী সংগঠন আইএমএফ মাধ্যমে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডলারকে সারা বিশ্বের কেন্দ্রীয় মূদ্রা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ফলে আমরা আমাদের দেশের সম্পদ টাকাকে আন্তর্জাতিকভাবে এমন এক মুদ্রা দ্বারা ওজন পরিমাপ করছি, যার বিপরীতে কোন সম্পদ নেই, অর্থাৎ সে এক হিসেবে ফাকা।
সে দিক বিবেচনা করলে, বর্তমানে আমেরিকা যে সম্পদ ব্যবহার করতেছে, সেখানে আসলে কিছুই নেই, তারা আমাদের সম্পদগুলোকেই ব্যবহার করছে, আর তাদের ব্যবহারটা আমাদের উপর মূল্যস্ফিতি হিসেবে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।
আমি অনেক বড় বড় অর্থনীতিবিদের সাথে কথা বলেছি,
কিন্তু কথা বলে হতাশ হয়েছি। কারণ তারা সেই ইহুদীবাদীদের বানানো সিলেবাস পড়ে বড় হয়েছে।
ইহুদীবাদীদের বানানো পলিসির বাইরে নতুন কিছু চিন্তা করবে, সে বুদ্ধি তাদের মেমরিতেই নেই।
আমার চিন্তা হলো, কিভাবে ইহুদীদের বানানো অর্থনীতি সিস্টেম ভেঙ্গে খান খান করে মুসলমানদের আলাদা বলয় তৈরী করা যায়।
প্রথম যে চিন্তাটা আমার মাথায় এসেছে, তাহলো মুসলমানদের পৃথক অর্থনীতি ব্যবস্থা লাগবে।
কিন্তু সেটা কিভাবে ?
মুসলমানদের জন্য খুব সোজা, মুসলমানদের সম্পদের আড়াই শতাংশ’ জাকাত দিতে হবে। এটা তাদের ধর্মের আবশ্যক।
সব মুসলমান যদি আড়াই শতাংশ’ করে জাকাত দেয়, তবে বাৎসরিক বিপুল পরিমান সম্পদ তৈরী হবে, যা দিয়ে মুসলমানদের আলাদা অর্থনীতির ভিত্তি তৈরী করা সম্ভব।
মুসলমানরা কিন্তু এখন ট্যাক্স দিচ্ছে। যদিও ট্যাক্স আর জাকাত এক জিনিস নয়। ট্যাক্স হচ্ছে অনেকটা সার্ভিস চার্জের মত। অর্থাৎ একজন নাগরিক রাষ্ট্রের যে বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করছে তার জন্য খরচ। যদি ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় সার্ভিস চার্জ এত বেশি নয়, কিন্তু বর্তমানে অতি উচ্চহারে ট্যাক্স নেয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে তো ৪০% ট্যাক্স নেয়, এছাড়া ভ্যাট-খাজনাও দিতে হয়। একটা গাড়ি কিনলে ৬০০% পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হয়। এটা কিন্তু যুলুমতন্ত্র। মুসলমানরা যদি তাদের নিজস্ব ব্যবস্থা চালু করতো, তবে নিশ্চয়ই এভাবে ডাকাতির শিকার হতে হতো না।
তবে আমি অনেক মুসলিম বন্ধুর সাথে আলাপ করে জেনেছি,
আজকাল মুসলমানরা নাকি জাকাত দেয় না, কেউ কেউ হয়ত দেয়, কিন্তু হিসেব করে আড়াই শতাংশ দেয় না। হয়ত হিসেবে জাকাত হয় ১ কোটি টাকা, কিন্তু মাত্র ১০ হাজার টাকার নিম্নমানের শাড়ি-লুঙ্গি কিনে গ্রামের বাড়িতে বিলি করে দিলো, ব্যস এটাই তার জাকাত।
তাদের এ কথা শুনে বুঝেছি, আসলে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হোক, এটা মুসলমানরাই চায় না।
চাইলে তো তাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তিটা ঠিক রাখতো।
তারা ইহুদীবাদী অর্থনীতির সিস্টেম নিয়ে যতটা হিসেব করে,
ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে ততটা হিসেব করে না।
আমার মনে হয়, মুসলমানদের এ ধরনের নিম্নমানের দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তন করা জরুরী।
জরুরী, কারণ যদি তারা চায় ইহুদীবাদের পতন ঘটুক এবং মুসলমানদের বিশ্বজুড়ে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হোক।
আর যদি না চায়, তবে অপেক্ষা করুক, সবার ফিলিস্তিন, সিরিয়া আর মায়ানমারের পরিস্থিতি দেখতে।
মুসলমানরা বাচতে না চাইলেও ইহুদীরা কিন্তু ‘মুসলিম নিঃশেষের মাস্টারপ্ল্যান’ থেকে কখন সরে যাবে না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

ভারতের ফকিন্নি সেনাবাহিনীর সাথে সামরিক চূক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ !


ভারতের বহুল প্রচারিত ম্যাগাজিন ইন্ডিয়া টু’ডের প্রচ্ছদ
ভারতীয় সেনাবাহিনী সম্পর্কে বলা হচ্ছে: The Army is Broke

ভারতীয় সেনাবাহিনী ফকির হয়ে যাক সেটা সমস্যা নয়
(Broke, adjective = moneyless, poor),
সমস্যা হলো সেই ফকিরন্নি সেনাবাহিনীর সাথে সামরিক চূক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ !

আমার মাঝে মাঝে মনে হয় কি জানেন ?
বঙ্গবন্ধু যদি এখন বেঁচে থাকতেন, তবে সিরাজ শিকদারকে ফাঁসি দেয়ার আগে নির্ঘাৎ তার কন্যা শেখ হাসিনাকে আগে ফাঁসি দিতেন। কারণ সিরাজ শিকদারের থেকে ঢের ক্ষতি করছে শেখ হাসিনা। তার পলিসিগুলো পুরোপুরি পিতা বঙ্গবন্ধু বিরোধী।
বঙ্গবন্ধু যেখানে বাংলাদেশে ভারতীয় সৈন্যের অস্তিত্ব পছন্দ করেননি,
সেখানে শেখ হাসিনা ভারতীয় সেনাকে বাংলাদেশীর উপর চাপিয়ে দেয়।

আমার এক ঘনিষ্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তার সাথে কথা বলে জেনেছি, বাংলাদেশ সেনবাহিনীতে এন্টি ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট প্রবল। সম্ভবত এই এন্টি ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্টটাকেই খুব ভয় পায় ভারত। সেনাবাহিনীর এ সেন্টিমেন্টটাকে তারা প্রায় ‘জঙ্গী’ ট্যাগ দিয়ে খবর ছাপে। আপনাদের মনে থাকার কথা, “এসএসএফের সেনাসদস্যরা শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছে” এমন খবর ছাপতেও ভারতীয় সাংবাদিক সুবীর ভৌমিক কার্পণ্য করেনি।

তবে শুধু খবর ছেপেই তো পার পাওয়া যাবে না। তাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেই সেন্টিমেন্ট দূর করতে তারা মরিয়া। এ জন্যই তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেতর ইনফিলট্রেট করতে চায়। এবং সামরিক চূক্তির মাধ্যমে সেটা করা সহজ। বিভিন্ন চূক্তির কারণে মেলামেশা হবে, বিভিন্ন প্রলভনে ভেতরে তৈরী করবে তাদের এজেন্ট।

মনে রাখতে হবে,
বিজেপি সরকার আসার পর ভারত পুরোপুরি আমেরিকার ক্ষপ্পরে চলে গেছে।
আমেরিকা দিয়েছে ‘পিভট টু এশিয়া’ পলিসি, আর সেটা বাস্তবায়নে ভারত দিয়েছে ‘লুক ইস্ট পলিসি’।
দুই পলিসিতেই বাংলাদেশের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।
এ অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেতর যদি ‘এন্টি ভারত সেন্টিমেন্ট’ প্রবল হয় তবে ভারত-আমেরিকার কোন পলিসি ঠিক মত বাস্তবায়ন হবে না। তাই যে কোন উপায়ে সেই সেন্টিমেন্ট ভাঙ্গাতেই সামরিক সহযোগীতা চূক্তি।


ম্যাগাজিনের লিঙ্ক সম্ভবত ডিলিট করে দিছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল টু্ইটারে এ ছবি সম্পর্কে বিবৃতি অাসছে। এ লিঙে্কে খবরের ভেতরে পাবেন https://bit.ly/2KFQKgr

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------