Sunday, December 2, 2018

মুক্তিযুদ্ধ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দেশব্যাপী ধর্মবিদ্বেষ ছড়াচ্ছে শাহবাগীরা


বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী বসে বসে যে কি করে আমি বুঝি না,
নির্বাচনের আর মাত্র ১ মাস বাকি, এর মধ্যে মার্কিনব্লকের এক ব্যক্তি ঘোষণা দিলো ৬৪ জেলায় ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী নামক প্রোগ্রাম করবে (৮ই ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে), আর প্রশাসন অনুমুতি দিয়ে দিলো ?
তাও এমন একটি প্রকাশনী (শ্রাবন প্রকাশণী), যারা চরম বিতর্কিত, নাস্তিকতার সাথে সম্পৃক্ত-
১) নাস্তিকতা প্রচারের জন্য রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ হওয়ার পর তা খুলে দেয়ার জন্য আন্দোলন করতে মাঠে নামে শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2KIJv8q)
২) চরম ধর্মবিদ্বেষী বই বের করার জন্য বদ্বীপ প্রকাশণী বন্ধ করায় রাস্তায় নেমেছিলো রবিন আহসান, যার কারণে শ্রাবন প্রকাশনীকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে বাংলা একাডেমী। (https://bbc.in/2raon26)
৩) সিআইএ’ এজেন্ট এসকে সিনহার বানানো মূর্তি অপসারণ করায় মাঠে নেমেছিলো শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2zAKAei)
৪) মার্কিন এজেন্ডা সংখ্যালঘু নির্যাতনের ধুয়া তুলতে সর্বদা মাঠে সরব ছিলো শ্রাবন প্রকাশনীর রবিন আহসান (https://bit.ly/2KJpnmP)

এদের মুখের ভাষা মুক্তিযুদ্ধ। কিন্তু বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধ ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ধর্মবিদ্বেষ ছড়ানো, দেশে অরাজকতা সৃষ্টি। এদের দৌড় সর্বোচ্চ শাহবাগ পর্যন্ত হতে পারে, কিন্তু ৬৪ জেলায় ফিল্ড পর্যায়ে গেলে এদের সাথে জনগণের সংঘর্ষ বাধা খুব স্বাভাবিক।
পোস্টারে দেখলাম, এই প্রোগ্রামের উদ্বোধন করবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক ই ইলাহী, আর সহযোগীতা করবে সরকারের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। আমার মনে হয় না, এরা মূল ঘটনা বুঝে (সিআইএপন্থী সিনহাকে প্রধানবিচারপতি বানালে আর কি বাকি থাকে ?), বরং এদের নাম কৌশলে এটে পুরো প্রোগামকে একটি আওয়ামী সরকারের সিল লাগানো হয়েছে কৌশলে।
আমার কথা হলো, শ্রাবন প্রকাশনীকে আর কয়জন চেনে, কিংবা রবীন আহসান যে সরকারবিরোধী মার্কিনপন্থীদের হয়ে কাজ করছে, এটাও বা কয়জন বোঝে ? কিন্তু কিন্তু তৌফিক ই ইলাহী আর মন্ত্রী পরিষদ বিভাগকে তো সবাই চেনে। তাই কথিত ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ফিল্ড পর্যায়ে একটা ঘটনা ঘটিয়ে দিলে তার দায় কিন্তু পড়বে সরকারের উপর, যার সূত্র ধরে তৈরী হতে পারে বড় ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন।
আমার মনে হয়, নির্বাচনের আগে, নতুন কোন অরাজকতা বন্ধ করতে, শ্রাবন প্রকাশনীর কথিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ভ্রাম্যমান বইমেলা’ আপাতত স্থগিত করাই শ্রেয়, নির্বাচন শেষ হলে পরে দেখা যাবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মি-টু আন্দোলন আসলে কাদের জন্য ?



গত কয়েক বছর একটা আন্দোলনের নাম শোনা যাচ্ছে, যার নাম ‘মি-টু’। হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে এই আন্দোলনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়। ‘মি-টু’ মানে ‘আমিও কোনভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছি’ এই অভিজ্ঞতা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা। মি-টু মুভমেন্টের সূচনাকারী হিসেবে ধরা হয় ‘তারানা বুরকি’ নামক এক মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলাকে। ছোট বেলা থেকেই এই মহিলাটি বিভিন্ন পুরুষের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছিলো। ‘তারানা বুরকি’ প্রথম এ আন্দোলনের ধারণা দেয় এবং একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করে। সেই ধারাবাহিকতায় হলিউড অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো ইহুদী প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সোস্যাল মিডিয়ায় ‘মি টু’হ্যাশট্যাগ দিয়ে আন্দোলনের সূত্রপাত করে। এরপর একে একে মুখ খুলতে থাকে হলিউডের অনেকে। এরপর থেকে স্যোশাল মিডিয়ায় অনেক হোমরা চোমরার নামে অনেক ঘটনা বের হয়ে আসতে থাকে। ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো, বলিউডের অমিতাভ বচ্চন কিংবা বাংলাদেশের নাট্যকার সেলিম আদ দ্বীনের নাম ও বের হয়। এই লিঙ্কে- https://bit.ly/2ShQpEf ঢুকলে প্রায় ২৫২ জন পশ্চিমা সেলিব্রেটির নাম পাবেন, যারা মিটু’র পর নারী যৌন হয়রানীর দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্লাস নেয়ার সময়, একটা কথা আপনাদের বলেছিলাম, কোন ঘটনা দেখলে আগে বুঝতে চেষ্টা করবেন,
-কে ঘটনা ঘটাচ্ছে এবং
-সে ঘটনার দ্বারা কার উপকার হচ্ছে ?
তাহলে মি-টু আন্দোলন কে করছে এবং তার দ্বারা কে উপকৃত হচ্ছে ?
আমি এখন পর্যন্ত এনালিস্ট ক্লাস নিয়েছি মাত্র ২টি, কিন্তু মি-টু আন্দোলন আসলে কারা ঘটাচ্ছে এবং কি উদ্দেশ্যে ঘটাচ্ছে, এটা যদি আপনাদের বুঝাতে চাই, তবে আমাকে এনালিস্ট ক্লাস ৫ বা ৬ এর দিকে যেতে হবে। তবে সংক্ষেপে যদি বলি, তবে বলতে হবে, ইহুদীরা ভর করেছে আমেরিকার উপর। তাই আমেরিকা নিজে হয়ে গেছে ইহুদীবাদী। এই ইহুদীবাদীদের নিজেদের মধ্যে আবার দ্বন্দ্ব আছে, গ্রুপ গ্রুপ আছে। মার্কিনীদের মধ্যে এই দুইভাগ ‘ডেমোক্র্যাট’ এবং ‘রিপাবলিকান’ দুইনামে ও দুই দলে চলে। সারা বিশ্বজুড়ে মার্কিনপন্থীরাও এই দুই নেটওয়ার্ক মেইনটেইন করে চলে। মি-টু আন্দোলনটা ছিলো বেসিক্যালি একটা রাজনৈতিক আন্দোলন, দুই দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব, একদল অন্যদলকে ফাঁসানোর জন্য, এটা ছিলো তাদের রিয়েলফেস, আর আর্টিফিসিয়াল ফেস ছিলো ‘নারী নিপীড়ন’।

মি-টু’ আন্দোলন দিয়ে যেটা হবে, অনেক কথিত সেলিব্রেটির গোমর ফাঁস হবে। এটা একটা রাজনৈতিক বিষয়, যেহেতু আমি রাজনীতি করি না, সুতরাং এটা নিয়ে কথা বলারও আমার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমি কথা বলবো, তখন যখন কেউ কেউ মনে করবে, মিটু আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজে একটা পরিবর্তন ঘটনো বা সমাজে নারী নির্যাতন কমানো সম্ভব, তখন।

আমার এ লেখার হেডিং ছিলো, “মি-টু আন্দোলন আসলে কাদের জন্য ?”
সে আলোচনা যদি করি, তবে বলতে হবে, জঙ্গল আর জনপদে কিন্তু এক আইন চলে না।
মিটু হচ্ছে জঙ্গলের আন্দোলন। মিটু, মাধ্যমে যারা নিপীড়নকারী ও অভিযোগকারী উভয় হলো পোষাক-আষাক ও চলাফেরায় বন-জঙ্গলের মত স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। হলিউড-বলিউড কিংবা বাংলাদেশের নাট্য-সিনেমা কিংবা মডেল পাড়ার আইন তো আমি-আপনি বুঝবো না। সানি লিওন কখন অভিনয় করলো আর কখন ধর্ষিত হইলো, এটা আমার আপনার পক্ষে অনুধাবন সম্ভব না, এটা সানি লিওন আর তার সমগোত্রীয়দের উপর ছেড়ে দেন।এবং তাদেরকেই মিটু আন্দোলন করতে বলেন, সাধারণ মানুষকে না।

এবার আসুন,
সাধারণ মেয়েরা মিটু মুভমেন্টের লেজ ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে সমাজ উপকৃত হবে কি না ?
এ প্রশ্নটা একটু ক্রিটিকাল। এর কয়েকটা উত্তর হতে পারে:

১) কোর্টে দেখেছিলাম, নারী নির্যাতন ট্রাইবুনালে সাধারণ মানুষ এমনকি সংশ্লিষ্ট উকিল ছাড়া অন্যদের ঢুকতে দেয় না। অনেক সময় বাদীনীকে বিচারক ভেতরে নিয়ে জবানবন্দি নেয়। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে আমার মনে হয়েছে নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রচারের একদিকে পজিটিভ দিকের সাথে সাতে নেগেটিভ দিকও আছে। এর মাধ্যমে অনেকের মনের ভেতরে গোপন আকাঙ্খা জাগ্রত হতে পারে এবং সুযোগ বুঝে কাজে লাগাতে পারে। মুভিতে ধর্ষণের ভিডিও ধর্ষণ হ্রাসের তুলনায় ধর্ষণ বৃদ্ধি করে বলে মনে হয়। এই সব অভিযোগ দাখিলের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে গোপন সেল থাকুক, সেখান থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অপরাধীর বিচার করা হোক, কিন্তু স্যোশাল মিডিয়ায় এসব উন্মুক্ত আলোচনার পজিটিভ থেকে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট বেশি।

২) পুরুষটা দোষী হলে তো ঠিক আছে। কিন্তু যদি মহিলাটি পুরুষটিকে ফাঁসানোর জন্য করে, তখন ? ফেসবুক ওপেন মাধ্যমে, তখন যেখা যাবে, অনেক মহিলা বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে অসংখ্য পুরুষকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে। ঐ পুরুষটি এবং তার পরিবারবর্গকে তখন সমাজে নিগৃহিত হতে হবে, এর দায় কে নিবে ? আপনাদের মনে থাকার কথা, কিছুদিন আগে বাংলাদেশের সিআইএপন্থী ডা. জাফরুল্লাহ’র একটা ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিলো। সেখানে ছাত্রীদের ব্যবহার করে প্রতিপক্ষে নারী নির্যাতন মামলা দেয়ার কথা বলেছিলো। (https://bit.ly/2AxcKq9)

৩) মিটু’তে সাধারণ মহিলাদের মধ্যে উস্কাচ্ছে নারীবাদীরা। এজন্য ফেসবুকে কিছু ফেইক্ আইডিকে তারা ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে বলতে হয়, ইহুদীবাদীরা নারীবাদ সৃষ্টি করেছে পুরুষ-মহিলার মধ্যে বিভেদ বাড়িয়ে সমাজে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য। কাজী নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চিরকল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।” নারী ছাড়া যেমন পুরুষ নয়, তেমনি পুরুষ ছাড়া নারী নয়। কিন্তু সমাজের এই ভারসাম্য ইহুদীরা নষ্ট করে দিতে পুরুষের বিরুদ্ধে নারীদের উস্কে দেয়, বিভেদ সৃষ্টি করে। এতে সমাজে নারী-পুরুষের মধ্যে একটা হিংসাত্মক সম্পর্ক তৈরী হতে পারে। নারীর বিরুদ্ধে পুরুষ বিষেদগার হবে, পুরুষের বিরুদ্ধে নারী বিষেদগার করবে। যেহেতু নারী শারীরিকভাবে অপেক্ষকৃত দুর্বল, তাই এই হিংসা-হিংসীর আলটিমেট এফেক্ট পড়বে নারীর উপর, মানে সমাজে নারী নির্যাতন আরো বেড়ে যাবে।

৪) মিটু’র পরের ধাপ হলো ‘বৈবাহিক ধর্ষণ টার্মটি। দেখা যাবে, বিষয়টি স্বাভাবিক হওয়ার পর কোন কোন স্ত্রী তার স্বামীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবে, তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বামী ইয়ে করেছে। ব্যস ইহুদীবাদীদের উদ্দেশ্য পাক্কা। অর্থাৎ তখন দুইজনের সম্মতি প্রধান (লিভটুগেদার) হয়ে যাবে, বিয়ে নামক কোন সামাজিক চূক্তি নয়।

এখন কথা হলো, মিটু না থাকলে সমাজে নারী নির্যাতন কমবে কিভাবে ?
আহহা ! মিটু দিয়ে যে সমাজে নারী নির্যাতন কমবে, এটা আপনি বিশ্বাস করলেন কেন?
আমি আমার লেখার মধ্যে কিন্তু বলেছি, জঙ্গলের নিয়ম আর জনপদের নিয়ম এক নয়। জঙ্গলে তারা মিটু চালু করেছে করুক, কিন্তু আমরা যারা স্বাভাবিক সমাজে বাস করি, তাদের জনপদের নিয়ম খুজতে হবে।
আর সেটা তো আছেই, যার যার ধর্মীয় নিয়ম অনুসরণ করুন, ধর্মীয় নিয়ম মেনে পোষাক পরিচ্ছদ পড়ুন। নারী-পুরুষ আলাদা বাস-ট্রেন-যাতায়াত ব্যবস্থা, শপিং সেন্টার, স্কুল-কলেজ ভার্সিটি এমনকি হাসপাতাল করে দিন। নারী-পুরুষকে সঠিক সময়ে বিয়ে দিন। মিডিয়ায় উলঙ্গপনা বন্ধ করুন। দেখুন নারী নির্যাতন শূণ্যের কোঠায় নেমে আসবে।

আমি জানি, এ কথা শুনে অনেকের মধ্যে ‘নারী স্বাধীনতার শ্লোগান দিয়ে চুলকানি হতে পারে, দয়া করে চুলকানি থামান দাদা । নিজের মুখে ভালো করে ছাই মাখুন। হলিউডের নারীরা তো কম স্বাধীনতা ভোগ করে না, তাহলে তারা কেন এত নির্যাতিত হচ্ছে ? কেন তাদের মিটুর আশ্রয় নিতে হচ্ছে ? তাই জঙ্গলে মিটু পালন করুন, জনপদে নয়।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

খ্রিস্টান ব্রাদার লুসিও বেনিনাতি এবং পথশিশুদের নিয়ে কাজ করার পেছনের উদ্দেশ্য


ব্রাদার লুসিও বেনিনাতি,
খুব ভালো মানুষ। পথশিশুদের নিয়ে তার কাজ। আমরা বাংলাদেশে থেকে যেখানে পথশিশুদের জন্য কিছু করতে পারি না, সেখানে সুদূর ইতালি থেকে লুসিও বেনিনাতি বাংলাদেশে এসেছেন পথশিশুদের টানে, তাদের ভালোবাসায়। পথশিশুদের জন্য গড়ে তুলেছেন, ‘পথশিশু সেবা সংসঠন’। এর মাধ্যমে তিনি রাস্তার শিশুদের খোজ খবর নেন, হাত-পায়ের নোখ কেটে দেন, অসুস্থ হলে চিকিৎসা দেন, ক্লাসের মাধ্যমে বিনোদন দেন, নাচ-গান শেখান। অনেক মিডিয়া তার প্রশংসা করে নিউজ করেছে। তার সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে। তিনি সুন্দর বাংলা কথা বলতে পারেন, তিনি চান তার লাশ যেন বাংলাদেশে থাকে, এই বাংলাদেশের মাাটিতে তিনি মরতে চান। আহ ! তার মত ভালো মানুষ আর দুইটা নেই।
এই যে আপনি, একজন ভালো মানুষকে নিয়ে খারাপ চিন্তা শুরু করলেন। আপনি নিজে ভালো কাজ করতে পারেন না, তাই বলে অন্যকে ভালো কাজ করতে দিবেন না ? হিংসে হয় বুঝি ?? কখন কোন পথশিশুর খবর নিয়েছেন ? মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন, এত বেলা ভাত খেতে দিয়েছেন ? অথচ এই লোকটা ইতালিতে কত ভালো জীবন ত্যাগ করে বাংলাদেশে এসে কত কষ্ট করছে। তাকে এপ্রিশিয়েট করুন, নিন্দা নয়।
কি বললেন, এরা মিশনারী, খ্রিস্টান বানায় ?
কোথায় সেরকম তো কিছু দেখলাম না। শুধু দেখলাম, সে মানব সেবা করছে। মানব সেবা পরম ধর্ম এটা তো সত্য। সকল ধর্মই তো তা বলে। তিনি তার ধর্মের কথা প্রচার করেছেন বলে জানি না, কিন্তু সেবা করেছেন। আপনি যখন এতটা ধার্মীক, তখন নিজ ধর্ম মেনে পথশিশুদের সেবা করুন পারলে।
------০---------
আমি জানি, লুসিও নিয়ে কথা বললে একদল মানবতাবাদী বের হবে। লুসিও’র পক্ষে ওকালতি করবে। আমাকে খারাপ বলবে। নিন্দুক বলবে, আমি ভালো জিনিসের নিন্দা করি, হিংসা করি, সবকিছুর মধ্যে খারাপ খুজি, তাও বলবে। কিন্তু সত্য কথা কি জানেন ? আমি চাই, মানুষ ধোঁকায় না পড়ুক, কোন খোলস পড়িয়ে কেউ যেন সাধারণ মানুষকে খারাপ মাল গছিয়ে না দিতে পারে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্লাস করানোর সময় আমি আপনাদের বলেছিলাম, এ ধরনের ক্রিটিকাল প্রত্যেক বিষয় বা মানুষের দুইটি ফেস থাকে। একটা রিয়েল ফেস, অন্যটা আর্টিফিসিয়াল ফেস। ‘মানবসেবা’, পথশিশু সেবা এগুলো হলো লুসিওদের আর্টিফিসাল ফেস, এটা তাদের চাকরী, তাদের চাকুরীর স্বার্থে তারা এমন পরিচয় প্রকাশ করে। লুসিও’র রিয়েল ফেস হলো, সে মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী Pontifical Institute for Foreign Missions (PIME) এর সদস্য (https://bit.ly/2Q1Vnbs )। পাইমের ওয়েবসাইটে ঢুকলে পাবেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে খ্রিষ্টান ধর্ম প্রচার করা। (https://www.pimeusa.org/about-pime)
এমনকি ব্রাদার লুসিও বেনিনাতি নিজেই বলছে, তারমূল উদ্দেশ্য কাজের মাধ্যমে বাইবেল-গসপেলের প্রচার । (https://bit.ly/2FO8J6B)
আমার কথা হলো, মানবসেবা করুন, ভালো কথা, কিন্তু সেটা ধর্ম প্রচারের শর্তে কেন হবে ? আমাদের দেশের মসজিদের হুজুররা যদি একটা খ্রিস্টান/হিন্দুকে বাসায় ডেকে এনে ভাত খাওয়ায় মুসলমান বানাতে চায় তখন তো খ্রিস্টান/হিন্দুরা চিল্লাচিল্লি শুরু করে দিবে, তাহলে খ্রিস্টানরা যখন করবে, তখন কেন সেটার প্রতিবাদ করা যাবে না ? কেন সেটাকে মানবতার তোয়ালে জড়িয়ে বৈধতার দেয়ার চেষ্টা করা হবে ? মানবতার নাম করে ধর্ম প্রচার করা কি ধোঁকাবাজি নয় ?
------০--------
১) ব্রাদার লুসিও ছোট ছোট ধর্মজ্ঞানহীন বাচ্চাদের নিয়ে খ্রিস্টীয় কায়দায় প্রার্থনা শেখায় (https://bit.ly/2Ayzcz6)
২) ব্রাদার লুসিওদের সাথে বাংলাদেশে সিআইএ’র অত্যতম এজেন্ট সুলতানা কামাল চক্রবর্তী এবং ডাক্তার জাফরুল্লাদের সম্পর্ক আছে। যেহেতু পাইম মিশন,ইউএস’র অংশ, তাই এতে সিআইএ’র আলাদা প্ল্যান থাকা স্বাভাবিক। (https://bit.ly/2P8dN55)
৩) বিশ্বজুড়ে খ্রিস্টান ফাদার-ব্রাদারদের দ্বারা শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন খুব স্বাভাবিক বিষয়। একেক জন খ্রিস্টান পাদ্রী হাজার হাজার শিশুকে বলাৎকার করে এবং পোপের পক্ষ থেকে তার সাফাই গাওয়া হয়। এমনিক পাইম মিশনের থাইল্যান্ডে এক যাজক ছিলো নাম এন্ড্রিয়ানো পেলোসিন। সে লুসিওর মত থাই পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতো, তাদের দেখাশোনা করতো। কিন্তু তার কাছে আশ্রিত সেই পথশিশুদের উপর সে যৌন নির্যাতন করে, এমন রিপোর্ট থাই পত্রিকায় ছাপা হয়।
৪) পথশিশুদের নিয়ে মিশনারীরা কাজ করার পেছনে আরেকটি হতে পারে, তা হলো সেসব শিশুর মা-বাবা’র টান থাকবে না, তাদের পাচার করা, বিদেশে যে সব পতিতালয়ে শিশুদের চাহিদা বেশি সেখানে তাদের বেচে দেয়া এবং তাদের অঙ্গপ্রতঙ্গ বিক্রি করা।
পথশিশুদের ভালো হোক, তারা ভালো থাকুক, এটা আমরা সবাই চাই। কিন্তু সে ভালো চাইতে গিয়ে ‘মার ছেয়ে মাসির দরদ বেশি’ টাইপের কেউ যদি হাজির হয়, তবে কেন আবেগের বশে দেশের সম্পদ কে বিদেশী শকুনের হাতে ছেড়ে দিতে হবে ? এবারে দেশের জনগণ ও সরকার-প্রশাসনের সঠিক দৃষ্টি কামনা করছি।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

হিরো আলমের এমপি হওয়ার ইচ্ছা এবং বাস্তবতা

কয়েকদিন অগে দেখলাম, হিরো আলম মনোনয়নপত্র তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে মিডিয়া বেশ সরগরম। কয়েকটি চ্যানেল তো হিরো আলমকে স্টুডিওতে ডেকে এন সাক্ষাৎকার নিলো, সেখানে হিরো আলম বেশ আবেগঘন উত্তর দিলো। সেই উত্তর শুনে অনেকেই হয়ত হিরো আলমকে এমপি হওয়ার যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছেন।
একটা বিষয়, আমি সব সময় দেখি। বাঙালীরা সব কিছু আবেগ দিয়ে জাজ করে। এটা ভুল। আবেগ দিয়ে সব কিছুর বিচার করা যায় না। একটা উদহরণ দেই-
কিছুদিন আগে ঘটে গেলো নিরাপদ সড়ক আন্দোলন। সব পাবলিক মাঠে নামলো। সবাই ড্রাইভারের লাইসেন্স চায়, গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট চায়। ধরুন, তখন যদি কোন ড্রাইভার বলতো-
“আমি গরীব মানুষ, ছোট বেলায়ে আমার মা আমাকে মানুষের বাড়িতে কাজ করে খাওয়াইছে, আমি যদি পড়ালেখার সুযোগ পাইতাম তবে ড্রাইভিং সার্টিফিকেট নিতাম, ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারতাম, ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতাম। এই বলে সে কেন্দে দিলো।”
ড্রাইভারের এত সুন্দর আবেগঘন কথা শুনে কি আপনি লাইসেন্স-ফিটনেসের দাবি তুলে নিতেন ?
গাড়ি ছেড়ে দিতেন ?
অবশ্যেই নয়। কারণ গাড়ি ড্রাইভিং সিটে যে বসে থাকে তার ইতিহাস-কাহিনী শুনে লাভ নেই। সে যদি সঠিকভাবে গাড়ি চালাতে না পারে, তবে শত শত মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়বে, তাই এ ধরনের লোকদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয়াটাই উচিত।
তাহলে একটা গাড়ি চালতে যদি এত যোগ্যতা লাগে, আবেগের মূল্য না থাকে, তবে একটা এলাকার জনগণের ড্রাইভার মানে এমপি হতে গেলে কেন যোগ্যতা লাগবে না ? কেন সেখানে আবেগ দিয়ে কুপোকাত হতে হবে ?
কোন কাজ করতে গেলে দুটো যোগ্যতা লাগে-
১) জ্ঞান
২) দক্ষতা
হিরো আলমকে যদি প্রশ্ন করা হতো- “আচ্ছা এমপি শব্দের অর্থ কি ?”
কিংবা পার্লামেন্ট মেম্বার বানান করে বলেন তো ?
কিংবা একজন এমপি’র কাজ কি ?
কিংবা আপনার কাজ হবে আইন প্রণয়ন করা, এই আইন বলতে আপনি কি বুঝেন ?
যদি হিরো আলম এ প্রশ্নগুলোর উত্তর না দিতে পারতো, তখন বলতে পারতেন, আপনার ‘এমপি’ খায় না মাথায় সে বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই, তাহলে আপনি এমপি মনোনয়ন নিলেন কিভাবে ?
সত্যিই বলতে হিরো আলমকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। এক দৃষ্টিতে সে ঠিক কাজই করেছে।
বাস্তবে হিরো আলম হচ্ছে একটা জোকার, যার অভিনয় দেখে, কথা শুনে মানুষ হাসির খোরাক পায়,
কিন্তু সেই হিরো আলাম যখন টিভিতে সংসদে এমপি-মন্ত্রীদের কার্যক্রম দেখে, এমপি-মন্ত্রীদের লাগামহীন জোকারিপনা দেখে, তখন সে নিজেই ভাবে, “এখানে তো আমার থেকে আরো বড় বড় জোকার আছে, তাহলে আমার এমপি হতে সমস্যা কোথায় ?
একটি বিষয় আপনাকে মানতে হবে,
ঢাবির ফর্ম তুলতে গেলে নূণ্যতম জিপিএ লাগে
বুয়েট ফর্ম তুলতে গেলে নূণ্যতম জিপিএ লাগে
বিসিএস ফর্ম তুলতে গেলে নূণ্যতম যোগ্যতা লাগে
তাহলে এমপি ফর্ম তুলতে গেলে কেন নূণ্যতম যোগ্যতা লাগবে না ?
যে-
আইন কি ? শাসন ব্যবস্থা কেমন ? আইন ও বিচার ব্যবস্থার মধ্যে সম্পর্ক কি ? আইন প্রণয়ন কিভাবে করতে হয়, প্রতিনিধিত্ব কিভাবে করতে হয়, নির্বাহীর দায়িত্বশীলতা কিভাবে দাবি করতে হয়, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়া ও তদারকব্যবস্থা কিভাবে করতে হয়, এগুলো সম্পর্কে যাদের স্বচ্ছ ধারণা না থাকবে তারা কিভাবে মনোনয়ন পত্র তুলবে ?
আমি একটা কথা সব সময় বলি,
মূর্খ বন্ধুর থেকে শিক্ষিত শত্রু ভালো।
আমরা যারা দেশ দেশ করে মুখে ফেনা তুলি, অমুক পলিসি করলে দেশ ভালো হবে, তমুক পলিসি করলে দেশ খারাপ হবে বলে চিল্লাই,
কিন্তু যারা দেশ চালায়, তারা কি আদৌ সেগুলো বুঝে ? তাদের কি সেসব সম্পর্কে নূণ্যতম জ্ঞান আছে ? সে সব এমপি-মন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কি ?
যদি নূন্যতম যোগ্যতা থাকেও তবে মন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে তৎসংশ্লিষ্ট এক্সপার্ট হওয়ার মত কোন যোগ্যতা আছে কি না ?
যেমন, বর্তমানে ইংরেজী সাহিত্যে লেখাপড়া করে অর্থমন্ত্রী, সার্টিফিকেটহীন হয়ে শিক্ষামন্ত্রী, মৃত্তিকা বিজ্ঞানে পড়ে বাণিজ্যমন্ত্রী হওয়া গেছে, এ লোকগুলো তাদের স্ব স্ব মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব কতটুকু বুঝবে ?
আসলে, সবকিছুর জন্য যোগ্যতা বেধে দেয়া আছে। শুধু নেই এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য যোগ্যতা। এতে রাজনীতির খুটির জোরে আসা অযোগ্য লোকে দেশের ড্রাইভিং সিট হয়েছে সয়লাব। এই সমস্যা নিরসরে এমপি হওয়ার জন্য যেমন নির্দ্দিষ্ট যোগ্যতা বেধে দেয়া উচিত, ঠিক তেমনি মন্ত্রী হওয়ার জন্য তৎসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার যোগ্যতা বেধে দেয়া জরুরী। যত দ্রুত সম্ভব এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে হবে, নয়ত অদূর ভবিষ্যতে সংসদ ভবনের নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘জোকার ভবন’ হওয়া স্বাভাবিক।
সব শেষে বলবো, প্রতিক্রিয়াশীল তরুণ প্রজন্মকে এ ব্যাপারে চুপ থাকলে হবে না, জোরালো আওয়াজ তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, “আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে?” চুপ থাকলে অন্ধকার দিনে দিনে ঘণিভূত হতেই থাকবে, তাই অন্ধকার দূর করতে কিছু কিছু দাবী তোলা জরুরী ।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, November 25, 2018

খবর ও মন্তব্য :

১) খবর –
নির্বাচনের আগে ওয়াজ মাহফিল নয়: ইসি (https://bit.ly/2THvxbe)
মন্তব্য : সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম পালন ও প্রচারের অধিকার রাখে। ওয়াজ মাহফিল যেহেতু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ধর্ম পালনের অনুসঙ্গ, তাই সেটা বন্ধ করার অধিকার ইসি কখনই রাখে না, এবং সেটা অবশ্যই সংবিধানের ২ ও ১২ ধারা বিরোধী । ইসি বলতে পারতো, ওয়াজের মধ্যে রাজনৈতিক আলাপ না করার জন্য। কিন্তু সেটা না বলে ডাইরেক্ট ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করা, অনেকটা মাথা ব্যাথা হলে মাথা কেটে ফেলার মত অবস্থা। ওয়াজের মাধ্যমে লোক জমায়েতের কথা যদি বলে, তবে কয়েকদিন পর এরা তো নির্বাচনের কারণে মসজিদের নামাজও বন্ধ করে দেবে। বলবে- নির্বাচনের কারণে মসজিদের নামাজ বন্ধ করো। এ ধরনের মাথামোটা লোকগুলোকে কেন যে এসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হয়, তা আমার মাথায় আসে না। এগুলো ঘাড় ধাক্কা দিয়ে পদ থেকে বহিষ্কার করা উচিত।
২) খবর – বিয়ে করেছে ফারজানা ব্রাউনিয়া (https://bit.ly/2DYL9lK)
মন্তব্য : এটি ফারজানা ব্রাউনিয়ার তৃতীয় বিয়ে। তবে সেটা সমস্যা নয়। সমস্যা হলো পাত্র লে. জেনারেল (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, যে সাবেক এসএসএফের মহাপরিচালক ও ডিজিএফআই’র পরিচালক। বাংলাদেশের বাল্যবিয়ে বন্ধ করার পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী অর্থলোভী ফারজানা ব্রাউনিয়া মার্কিন নেটওয়ার্কে চলে। অপরদিকে শেখ হাসিনার আমলে এসএসএফের মহাপরিচালক ও ডিজিএফআই’র পরিচালক হওয়া হাসান সারওয়ার্দী’র এন্টি-মার্কিন নেটওয়ার্কের লোক হওয়া স্বাভাবিক। সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী দুইজনের মধ্যে যখন বিয়ে হয়, তখন স্বাভাবিকভাবে একটা প্রশ্ন আসে, ফারজানা হাসান সারওয়ার্দীকে শিকার করলো ? নাকি হাসান সারওয়ার্দী ফারজানাকে ?
৩) ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলো আওয়ামীলীগের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী একে খন্দকার (https://bit.ly/2QfpVWI)
মন্তব্য : একে খন্দকার মার্কিনপন্থী লোক। এতদিন মার্কিনপন্থীদের ডাইরেক্ট কোন দল ছিলো না। তাই এরা আওয়ামীলীগের মধ্যে ঢুকে ছিলো। এখন মার্কিনপন্থীরা দল খুলেছে, তাই আওয়ামীজোট ছেড়ে এরা নিজের দলে ঢুকে পড়লো। শুধু একে খন্দকার না, আমি আরো আগেই বহুবার বলেছি- এরকম আরো বহু মার্কিনপন্থী আওয়ামীজোটের মধ্যে ঢুকে আছে, যারা আসলে আওয়ামীলীগের গলার কাটা, যারা কাজ করবে সুযোগ বুঝে। তথ্যমন্ত্রী ইনু, অর্থমন্ত্রী মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর সবগুলো মার্কিনব্লকের লোক, কিন্তু ঢুকে আছে আওয়ামী সরকারের ভেতর। এরাও সুযোগ বুঝে একে খন্দকার হয়ে যাবে, তখন আওয়ামীলীগ বুঝবে ফাটল কাকে বলে।
৪) ঢাকায় নগ্ন নারীদেহের ছবির প্রদর্শনী (https://bit.ly/2BuIiP2)
মন্তব্য : ঢাকার উত্তরায় গ্যালারি কায়ায় চলছে নগ্ন নারী দেহের ছবির প্রদর্শনী। সত্যিই বলতে ইউরোপ-আমেরিকায় শিল্প বলতে বোঝায় হয়, নগ্ন নারী দেহের ছবি-মূর্তিকে। বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে অবশ্য সে চর্চাটা ছিলো না। কিন্তু একটি মহল বাংলাদেশে সেই চর্চাটা শুরু করতে বেশ কিছুদিন যাবত উঠেপড়ে লেগেছিলো। বিশেষ করে গত ২রা ফেব্রুয়ারি শিল্পকলা একাডেমিতে ‘ঢাকা আর্ট সামিট এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ইনু বলেছিলো, “নগ্ন নারীদের ছবি লিঙ্গ বৈষম্য দূর করে।” (https://bit.ly/2FADlZ8)
ইনুর বক্তব্যের পর আমি বুঝেছিলাম, খুব শিঘ্রই বাংলাদেশে নগ্ন নারীদেহের ছবির ব্যাপক প্রচলন শুরু হতে যাচ্ছে, যা একটি রেজাল্ট দেখা যাচ্ছে এখন উত্তরায়।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

এই টাকলা মনিরুলকে কে কাউন্টার টেরোরিজমের প্রধান বানাইছে ?


শালা কি বুঝে কাউন্টার টেরোরিজম কি ?

মনিরুল ফতোয়া দিছে, যে রবীন্দ্রসংগীত আর গাঞ্জা লালন চর্চা করে সে নাকি জঙ্গী হইতে পারে না। (https://bit.ly/2BuycxF)
হায়রে গোবেট, দুই বছর আগে কি হইছিলো, এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেছি। তুই না কইছিলি, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সাফি হলি আর্টিসান হালমাকারীদের পক্ষে ভয়েস দিয়ে ভিডিও ছাড়ছে সাফি। (https://bit.ly/2AhzM4n)

উল্লেখ্য, এই সাফি ছিলো ক্লওজাপ ওয়ান তারকা, রবীন্দ্র সংগীত গাইতো ও পছন্দ করতো। এমনকি সে রবীন্দ্র সংগীতের উপর পিএইচডিও করতে চাইছিলো। (https://bit.ly/2FOhiyu)

টাকলা মনিরুলের এই কাউন্টার টেরোরিজমের দায়িত্বে থাকার যোগ্যতা আছে বলে মনে হয় না। আমার তো এখন সন্দেহ হইতেছে, মনিরুলের সাথে হয়ত জঙ্গীদের কোন সংযোগ আছে, নয়ত সে এরকম আজগুবি কথা বলে কেন সাফির মত জঙ্গীদের লুকাইতে চাইতেছে ?

অবিলম্বে টাকলা মনিরুলকে কাউন্টার টেরোরিজমের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হোক।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

ইহুদীদের সিন্ডিকেট এবং মুসলমানদের দূর্বলতা

সিন্ডিকেট বা কমিউনিটি এক বড় জিনিস।
যার সিন্ডিকেট বা নিজস্ব কমিউনিটি আছে,
অন্য সবাই তার কাছে ধরা।
ইহুদীরা এক্ষেত্রে সব থেকে এগিয়ে ।
অন্যান্যরা যেখানে সর্বোচ্চ এক বা দুই সিন্ডিকেট তৈরী করতে পেরেছে, সেখানে ইহুদীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সর্বমূখী সিন্ডিকেট করে রাজত্ব তৈরী করে ফেলেছে।
উদাহরণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন ধরুন, কোন সংগঠন বা দলের হয়ত:
১) ব্যবসায়ী সংগঠন বা সিন্ডিকেট আছে,
২) কারো আছে রাজনৈতিক সিন্ডিকেট
৩) কারো আছে প্রশাসনিক সিন্ডিকেট
৪) কারো আছে মিডিয়া সিন্ডিকেট
৫) কারো আছে বিচারবিভাগীয় সিন্ডিকেট
৬) কারো ব্যাংক সিন্ডিকেট
৭) কারো আছে সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট
৮) কারো আছে গোয়েন্দা বাহিনীর সিন্ডিকেট
৯) কারো আছে এনজিও সিন্ডিকেট
১০) কারো আছে প্রযুক্তি সিন্ডিকেট
১১) কারো আছে বিজ্ঞানী সিন্ডিকেট
১২) কারো আছে্ ঔষধ সিন্ডিকেট
১৩) কারো আছে লেখক/বুদ্ধিজীবি সিন্ডিকেট
১৪) কারো আছে অভিনেতা-অভিনেত্রী-খেলোয়াড়-পরিচালক সিন্ডিকেট
১৫) কারো আছে ধর্মীয় গুরু সিন্ডিকেট
১৬) কারো আছে বিভিন্ন সংগঠনভিত্তিক সিন্ডিকেট (উদা: পরিবেশবাদী, মানবাধিকার ইত্যাদি)
১৭) কারো আছে এনালিস্ট সিন্ডিকেট
১৮) কারো আছে মাদক সিন্ডিকেট
১৯) কারো আছে শ্রমিক ইউনিয়ন সিন্ডিকেট
২০) কারো আছে সামরিক বাহিনী বা অস্ত্রের সিন্ডিকেট
একের জনের একেকটা আছে। কারো কাছে একাধিকও থাকতে পারে। কারো শুধু নিজ দেশে আছে। কিন্তু ইহুদীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব সিন্ডিকেট আছে, অথবা সবগুলো সিন্ডিকেটে তাদের লোক ঢুকানো আছে, অথবা সে সব সংগঠনকে তারা ফান্ড দেয় বা বুদ্ধি দেয়। এই আন্তর্জাতিক মাল্টি সিন্ডিকেট পাওয়ার একটা বড় পাওয়ার। কারণ অন্য এক বা একাধিক সিন্ডিকেটের মালিককে তারা তুলোধুনো করতে সময় লাগে না, আবার কোন ব্যক্তি, যত বড় ক্ষমতার মালিক হোক, এর কাছে সে পাত্তাই পাবে না। এটা অবশ্যই ইহুদীরা একদিনে করেনি, এ সিন্ডিকেট দাড় করাতে তারা হাজার বছর চেষ্টা করতে হয়েছে।
যীশু খ্রিস্টের জীবন কাহিনী পড়লে স্পষ্ট হয়, ইহুদীদের সাথে খ্রিস্টানদের দ্বন্দ্ব ছিলো।
মুসলমানদের শেষ নবীর জীবন ঘটনা পড়লে দেখা যায়, ইহুদীদের সাথে মুসলমানদের দ্বন্দ্ব হয়।
এই দ্বন্দ্ব-মানসিকতা সৃষ্টি হয় সাম্প্রদায়িকতা বা জাতীয়তাবোধ থেকে, যা থেকে তাদের মনে ধারণা সৃষ্টি হয়, আমাদের খ্রিস্টান ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে জয়ী হতে হবে (মুসলমানদের মনে অবশ্য এখন সেই মানসিকতাই নেই, বীজ যদি না থাকে তবে গাছ হবে কিভাবে? )।
এই মানসিকতা পূজি করে ইহুদীরা এগিয়ে যায়, যাওয়ার পথে তারা কম বাধার সম্মুক্ষিন হয়নি। খ্রিস্টানরা বহুবার তাদের মার দিয়েছে, মুসলমানরাও তাদের মার দিয়ে বের করে দিয়েছে। কিন্তু তারা পিছু হটেনি। তারা তাদের মূল নীতিতে দৃঢ় ছিলো। বাবা মারা যাওয়ার আগে সন্তানকে বলে গেছে,
“বাবা আমি পারলাম না, তুমি আমার রেখে যাওয়া কাজ সমাপ্ত করো।”
ঐ ছেলে মারা যাওয়ার সময় তার সন্তানকে বলে গেছে, একই কথা
ঐ ছেলে মারা যাওয়ার সময় তার সন্তানকে বলে গেছে একই কথা।
এভাবে চলেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম, কিন্তু মূলনীতি থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়নি। বর্তমান কালে ইহুদীরা যতটুকুই সফল, এর পেছনে প্রজন্মের পর প্রজন্মে তাদের দৃঢ়চেতা থাকা অবশ্যই মূল কারণ।
উপরের আলোচনা থেকে দুটি বিষয় বের হয়ে আসে-
ক) মান্টি সিন্ডিকেট
খ) দীর্ঘ সময়
আমি জানি, অনেক মুসলমান মনে করে, তারা একা একা অনেক কাজ করে ফেলবে, বা করতে পারবে। এটা সম্পূর্ণ ভুল, ইহুদী মাল্টি সিন্ডিকেটের সামনে সে একটা ধূলাবালির সমানও না।
আবার অনেকে মনে করে, ১ দিনে সে অনেক কিছু করে ফেলবে। এটাও ভুল। কারণ শত শত বছর ধরে যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে লড়তে হলেও ইহুদীদের মত অত বড় না হলেও মোটামুটি একটা সময় দরকার। তাই ইহুদীদের সাথে লড়তে হলে মুসলমানদের সেভাবেই চিন্তা করা উচিত।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------