Sunday, July 1, 2018

মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বেরিয়ে পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চায়, তাহলে ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে।

কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম,
ইহুদীরা তিনটা জিনিসকে জমা করে বর্তমানে ক্ষমতাসীন হয়েছে-
এগুলো হলো: টাইম-নলেজ-মানি।
কেউ যদি এ তিনটি জিনিস জমা করতে পারে, তবে সেও ক্ষমতার মালিক হতে পারবে।
আমার মনে হয়,
মুসলমানদের জনসংখ্যার অভাব নাই, সুতরাং টাইমেরও অভাব হবে না।
আবার মুসলমানদের টাকা পয়সাও আছে।
কিন্তু মুসলমানদের আসল অভাব হইলো নলেজের। মুসলমানদের মধ্যে জ্ঞানের অভাব। কারো কারো জ্ঞান আছে, কিন্তু সঠিক ও পূর্ণ জ্ঞানটা নাই। যদি নলেজ পাওয়া যায় এবং প্রচুর নলেজ গ্যাদার করা যায়, তবে সেটা আশ্রয় করে টাইম ও মানিও গ্যাদার করা সম্ভব। আর সেখান থেকেই মুসলমানদের স্বকীয় ক্ষমতা তৈরী সম্ভব।
একটা উদহারণ দিলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন ধরুন-
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে উপনিবেশ শাসন চলছিলো। তখন সম্রাজ্যবাদীরা বিভিন্ন দেশ দখল করতো। দেশ দখল করা হতো মূলত দুটি উদ্দেশ্যে।
১) শাসন ।
২) শোষন।
কিন্তু তারা অনেক হিসেব করে দেখলো- একটা এলাকায় সৈন্যবাহিনী পাঠায় অনেক কষ্ট করে তা দখলে নিতে হয়। দখলে নেয়ার পর অনেক কষ্ট করে বহু কাঠ-খড় পুড়িয়ে তাকে শাসন-শোষন করতে হয়। কিন্তু তারা যদি এমন একটা পলিসি বের করে, যার মাধ্যমে নিজের ঘরে বসে থেকে অন্যদেশকে শাসন শোষণ করা যায়, তবে এত কষ্ট করার দরকার কি ? কাজ হলেই হলো। তখন তারা ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা’টা চালু করলো। যেই বুদ্ধি, সেই কাজ। দেখা গেলো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ভেঙ্গে গেলো এবং অনেক রাষ্ট্রের জন্ম হলো। আগে কিন্তু এত রাষ্ট্র ছিলো না। আপনি একটু হিসেব করে দেখুন, ব্রিটিশরা এ এলাকা এত কষ্ট করে দখল করলো এবং দুইশ’ বছর শাসন করলো। কিন্তু কি এমন হলো যে তারা ১৯৪৭ এ দেশ ছেড়ে চলে গেলো ? ঐ সময় তো তাদের বিরুদ্ধে বড় কোন বিদ্রোহও হয়নি। আসলে মূল হলো, তারা পলিসিতে চেঞ্জ করেছে, শাসন ও শোষণে নতুন পদ্ধতি বেছে নিয়েছে। কিন্তু সমস্যা হয়েছে, মুসলমানদের মধ্যে তেমন কোন গোষ্ঠী তৈরী হয়নি যারা এ পলিসিগুলো ভালো করে বুঝে। ইহুদীরা যে পলিসিগুলো তৈরী করেছে, সেটা যদি মুসলমানরা নাই বুঝতে পারে, তবে সেগুলোর বিরোধীতা করবে কিভাবে?
আমার মনে হয়, যদি মুসলমানরা চায় ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে আসতে এবং মুসলমানদের পুরাতন শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে, তবে অবশ্যই মুসলমানদের ‘নলেজ’ অর্জন করতে হবে এবং প্রথম নলেজ হতে পারে, ইহুদীবাদীরা আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে বলয় তৈরী করেছে, সেই বলয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা।
যারা এ ধরনের জ্ঞান লাভ করবে, তাদের বলা যেতে পারে ‘এ্যানালিস্ট’। ‘এ্যানালিস্ট’ এমন একজন ব্যক্তিত্ব হবে, তারা মুসলমানদের ‘নলেজ’ সার্ভিস দিবে। আমার বিশ্বাস যদি বাংলাদেশে মাত্র ১০০ জন রিয়েল ‘এ্যানালিস্ট’ থাকে, তবে তা দিয়ে শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বজুড়ে রেভুলেশন ঘটিয়ে ফেলা সম্ভব। ‘রিয়েল’ শব্দটা ব্যবহার করলাম শুধু এ কারণে, এ ধরনের এ্যানালিস্টরা দল-মত-পথের উপরে থেকে শুধু মুসলমানদের জন্য চিন্তা করবে। তারা দল কানা হবে না, তারা নিজেদের মধ্যে কাটাকাটি-দলাদলি-মারামারি করবে না। তাদের চিন্তাধারা হবে শুধু মুসলমানদের জন্য, নিজ দেশ ও জাতির কল্যানের জন্য। এরা কোন ঘটনা ঘটার আগেই বুঝতে পারবে, এবং ভবিষ্যতে কি ঘটবে তাও বুঝতে পারবে এবং ভবিষ্যত সম্পর্কে জাতিকে নলেজ দিবে এবং ইহুদীবাদী পলিসি ব্রেক করে নতুন পলিসি দিতে সক্ষম হবে।
কিছু সূত্র আছে, এগুলো শিখিয়ে দিলেই বিষয়গুলো ধরে ফেলা সম্ভব। তাই আমি চিন্তা করছি, অনলাইনে এ বিষয়ের উপর ক্লাস নেয়া শুরু করবো। ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমেই ক্লাস হবে। কমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তর হবে। আপনারা যারা আগ্রহী তারা কমেন্ট করতে পারেন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

“নতুন সেনাপ্রধানের ছোট ভাই খুনি সন্ত্রাসী”, এই তথ্য প্রকাশ করার কারণে বিডিনিউজ২৪ বন্ধ করতে চেয়েছিল সরকার

হঠাৎ খবরে পড়লাম বিডিনিউজ২৪ সাইটি বন্ধ করতে বলেছে নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।
(https://www.bbc.com/bengali/news-44519564)
পরে আবার খুলে দেয়া হলো।
কিন্তু কোন খবরে উল্লেখ নাই, ঠিক কি কারণে এই বন্ধ আবার পরে খোলা।
এ সম্পর্কে খবরে এসেছে-
বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিটিআরসি নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের উপর মহলের নির্দেশে।”
কী কারণে- জানতে চাইলে সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি জহুরুল হক।
(https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1507887.bdnews)
কিন্তু কোন খবরে উল্লেখ নাই, ঠিক কি কারণে এই বন্ধ আবার পরে খোলা।
পরে ঘাটাঘাটি করে বুঝলাম, সম্ভবত একটা খবরের জন্য এমন করা হয়েছে।
খবরের শিরোনাম- “নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ”
গতকালকে এই খবরে শেষে দুটো লাইন ছিলো-
“ছোট ভাই তোফায়েল আহমেদ জোসেফের কারণে সম্প্রতি আলোচনায় এসেছিল সেনা কর্মকর্তা আজিজ আহমেদের নাম। নব্বইয়ের দশকের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পান।”
(সূত্র: https://archive.is/bCDQG)
কিন্তু পরে ঐ লাইন দু’টি কেটে নিউজ ইডিট করে বিডিনিউজ২৪-
তারমানে “নতুন সেনাপ্রধানের ছোট ভাই খুনি সন্ত্রাসী”, এই তথ্য প্রকাশ করার কারণে বিডিনিউজ২৪ বন্ধ করতে চেয়েছে সরকার।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মুসলমানরা নিজের অবস্থান ধরে রাখতে হলে, ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই

কয়েকদিন আগে ইউটিউবে একটা ভিডিও দেখছিলাম। কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটির উপর নির্মিত একটি মিউজিক ভিডিও। গানটিকে রিমিক্স করা হয়েছে, গানের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে উদ্দাম আর অশ্লীল নৃত্য। নৃত্যের সাথে গানের কোন কথার কোন মিল নাই। বাংলাদেশে অধিকাংশ স্থানে এই গান দিয়ে শুরু হয় ঈদের আনন্দ। কিন্তু গানটির মধ্যে কবি কাজী নজরুল ইসলাম আসলে কি বলতে চেয়েছেন, এটা বোধহয় শতকরা ৯৯.৯৯% লোকই জানে না। আসুন গানটিতে একবার চোখ বুলাই-
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানী তাগিদ।।
তোর সোনা-দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে জাকাত মুর্দ্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদ গাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরীদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশতরীতে শির্‌নী তৌহিদের।
তোর দাওয়াতে কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
তোরে মারল' ছুঁড়ে জীবন জুড়ে ইট পাথর যারা
সেই পাথর দিয়ে তোলরে গড়ে প্রেমেরই মসজিদ।
১৯৩১ সালে লেখা এই গানটি মুসলমানদের অনেক কিছু শিক্ষা দেয়। আমি যতটুকু বুঝতেছি-
(১) ঈদে খুশি করতে হবে ধর্মীয় পন্থা মেনে
(২) ঘুমন্ত মুসলমানদের জাগিয়ে তুলতে জাকাত দিতে বলা হচ্ছে,
(৩) ঈদের জামাতের মাধ্যমে জিহাদ-গাজি-শহীদের চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে।
(৪) মুসলমানদের নিজস্ব বিভেদ ভুলে এক হতে হবে।
কাজী নজরুল ইসলাম আমার অন্যতম পছন্দের কবি। তার লেখার মধ্যে অনেক শিক্ষা আছে। ঈদ মুসলমানদের ধর্মীয় দিবস। আর সেখান থেকে মুসলমানদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পহেলা বৈশাখ থেকে সংস্কৃতির চেতনাবাজরা শিক্ষা নেয়, দূর্গা পূজা থেকে হিন্দুরা শিক্ষা নেয়, ভ্যালেন্টাইনস ডে থেকে প্রেমিকরা শিক্ষা নেয়। তাহলে ঈদের থেকে মুসলমানদের শিক্ষা নেওয়া বা চেতনা জাগ্রত হওয়া কোথায় ?
বর্তমান কালে আমরা ঈদ বলতে দেখি, ভারতীয় অনুকরণে পোষাক, ছেলেদের ধূতির মত পায়জামা, সেলফিবাজি, জোরে গান বাজানো, নৃত্য আর মোজমাস্তি। আর টিভিতে হয় ঈদের নাটক, ঈদের সিনেমা, ঈদের নাচ, ঈদের ব্যান্ডশো আর ঈদের ফ্যাশন শো, জুয়েল আইচ ওরফে গৌরাঙ্গ লাল রায়ের যাদুবাজি। কিন্তু এগুলোর কোনটাই ঈদের আসল শিক্ষা নয়। অন্তত কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত “ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” গানটি তা বলে না।
ধর্ম হচ্ছে একটা জাতির নিজস্ব পরিচয়গত সংস্কৃতি। সেই সংস্কৃতিতে যখন ভাঙ্গন ধরানো যায়, তখন ঐ জাতির অস্তিত্বতেও ভাঙ্গন ধরানো সম্ভব। আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই, ইহুদীরা কৌশল করে খ্রিস্টানদের ধর্মটা শেষ করে দিছে। খ্রিস্টান ধর্মটা সেক্যুলার করে দিয়ে তাদের পরিচয়হীন করে তুলেছে। এরপর সেই খ্রিস্টান জাতির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে ইহুদীরা।
বর্তমানে মুসলমানদের ঈদের মত ধর্মীয় বিষয়গুলো যেভাবে সেক্যুলার বা অধর্ম দিয়ে পূর্ণ করা হচ্ছে তাতে খ্রিস্টানদের মত নিজ ধর্মেরও বিলীনের দিকে যাচ্ছে মুসলমানরা। আর ধর্ম যত বিলীন হবে, মুসলমানরা তত বেশি কোনঠাসা হতে থাকবে। মুসলমানরা যদি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চায়, তবে ধর্মের নামে অধর্ম বন্ধ করার বিকল্প নাই।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, June 4, 2018

নির্মল (!) বিনোদন ফুটবল-

২০১৮ বিশ্বকাপ উপলক্ষে গত কয়েকদিনের খবর:
১) পতাকা টাঙাতে গিয়ে আর্জেন্টিনাভক্তের মৃত্যু (https://bit.ly/2JaAGa2)
২) ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু (https://goo.gl/P6kbgP)
৩) নারায়নগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থক বাবা-ছেলেকে কুপিয়েছে ব্রাজিল সমর্থকরা (https://goo.gl/HxTnb7)
৪) রাউজানে আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত যুবক হাসপাতালে (https://bit.ly/2JijZW8)
২০১৪ সালের বিশ্বকাপের সময়:
১) লালমনিরহাটে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সংঘর্ষ, নিহত ১ (https://bit.ly/2kMCM12)
(২) মুন্সিগঞ্জে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫। (https://bit.ly/2kEljrN)
(৩) সিরাজগঞ্জে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক। (https://bit.ly/2JgjS0D)
(৪) নেত্রকোনায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৫০। (https://bit.ly/2LN1ZVq)
(৫) গোপালগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৫। (https://bit.ly/2H9242n)
(৬) চাপাইনবাবগঞ্জে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ। (https://bit.ly/2H85KBw)
(৭) কিশোরগঞ্জে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫। ( https://bit.ly/2Ldgn8z)
(৮) নাটোরে আর্জেন্টিনা ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২ (https://bit.ly/2kFxZyE)
(৯) বরিশাল পলিটেকনিকে আর্জেন্টিনা ব্রাজিল সমর্থক সংঘর্ষ। (https://bit.ly/2Lc2ibq)
(১০) যাত্রাবাড়ীতে আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাতে গিয়ে তড়িতাহত হয়ে মৃত্যু। (https://bit.ly/2H9Ldwh)
(১১) বাড্ডায় আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাতে গিয়ে ছাত্রের মৃত্যু। (https://bit.ly/2H8fM5x)
(১২) আদাবরে আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু। (https://bit.ly/2JhNdrs)
২০১০ বিশ্বকাপ :
১) বিশ্বকাপ: সংঘর্ষ এড়াতে বুয়েট অনির্দিষ্টকাল বন্ধ (https://goo.gl/xc34nU)
(২) গৌরনদীতে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থক দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষ, রক্তাক্ত জখম। (https://bit.ly/2JeA9TR)
(৩) ময়মনসিংহে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ। (https://bit.ly/2L9Mjuk)
কয়েকদিন আগে চেতনাওয়ালা আরিফ জেবতিক পতাকার বিরুদ্ধে এক মুক্তিযোদ্ধার করা রিটের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়ে বললো: “খেলা নিয়ে উন্মাদন একটা সুস্থ বিনোদন, এটা আদালতে টেনে নেয়া অসুস্থতা” (https://goo.gl/WLkTvG)
একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অসুস্থ বলে কি দেশের স্বাধীনতার চেতনাকে হেয় করলো কি না, সেটা পরের বিষয়, কিন্তু আমার কথা হলো, উন্মাদনা শব্দটার সাথে সে সুস্থ শব্দটা যোগ করলো কোন যুক্তিতে ?
আসলে, ‘খেলাধূলা মানে নির্মল বিনোদন’ এই মিথ্যা কথাটা আমাদেরকে পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরা শিখিয়ে দিয়েছে, আর আমরাও সেগুলো মুখস্ত আওড়িয়ে থাকি। কিন্তু ইতিহাস বা বাস্তবতা কোটাই সেই নির্মলতার সাথে মিল খায় না। খোদ পশ্চিমাতেই ফুটবল খেলা নিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা মৃত্যু কম নয় (https://goo.gl/CrxcVc)
একটি সামাজিক গবেষণায় পাওয়া যায়, ফুটবল খেলার জন্মই হয়েছে সংঘর্ষ করার জন্য, ১৩০০ সনে বিভিন্ন গ্রাম বা গোত্রের মানুষরা তাদের শত্রুতা মেটাতো ফুটবল খেলার মাধ্যমে সংঘর্ষ করে। ধরুণ, এক গ্রামের কারো সাথে অপর গ্রামের অন্যকারো জমি নিয়ে শত্রুতা রয়েছে সে তখন একটি ছুটির দিন ফুটবল খেলা ডেকে সংঘর্ষ করে তাদের শত্রুতা মিটিয়ে থাকতো। উল্লেখ্য মদ্যপান করা এবং সংঘর্ষ করা ফুটবল খেলায় ব্যাপক প্রভাব রাখে, এসব ছাড়া ফুটবল খেলা হয় না।
Phillip Stubbs তার ১৫৮৩ এর একটি বই The Anatomy of Abuses এ লেখে-
"আমি তোমাদের কাছে প্রতিবাদ করি, এটি(ফুটবল খেলা) একটি খেলা বা বিনোদন নয় বরং এক ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ যুদ্ধ বলা যেতে পারে - একটি বন্ধুত্বপূর্ণ খেলাধুলা বা আহ্লাদ চেয়ে এটি একটি রক্তাক্ত এবং সংঘর্ষিক আহ্লাদ"
(সামাজিক গবেষণার সূত্রঃ http://goo.gl/7zqEEhttp://goo.gl/5vVhq5 , http://goo.gl/nLGM1Lhttp://goo.gl/TJlS9N)
কথায় বলে, “একেতে নাচুনি বুড়ি, তার উপর ঢোলের বাড়ি।”
তরুণ প্রজন্ম আবেগী হয়, এটা সবার জানা, তার উপর যদি খেলা দিয়ে তাদের উন্মাদনাকে প্রমোট করা হয়, তবে এটা পুরো দেশ জুড়ে অরাজক পরিস্থিতির উদ্ভব করতে পারে, যা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। টিএসসিতে একটি মেয়ে নিপীড়িত হওয়ার কারণে যদি থার্টিফার্স্ট নাইটে বিধি নিষেধ আসতে পারে, তবে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে এতগুলো ঘটনার পরও কেন বিধি নিষেধ আসবে না, সেটা এখন জরুরী প্রশ্ন।





===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

মাদকবিরোধী অভিযানের নেপথ্যে যে কারণ থাকতে পারে-


আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিষয়টা অনেকে বুঝে না। এ কারণে জাতীয় বিষয়গুলো অনেকে ধরতে পারে না। অথচ জাতীয় বিষয়গুলোর উপর আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রভাব স্পষ্ট থাকে।
আমি আগেও বলেছি, বর্তমান আওয়ামী সরকারের প্রধান বিরোধীদল এখন আমেরিকাপন্থীরা। সম্ভবত বর্তমানে মাদকবিরোধী যে অভিজান চলছে, সেটা হলে- মাদকের মূল নেটওয়ার্কটা এতদিন আমেরিকাপন্থীদের হাতে ছিলো, সেটা ছিনতাই করতে চাইছে আওয়ামী সরকার।
আরেকটু বুঝিয়ে বলি- মায়ানমারের ইয়াবা নেটওয়ার্কটা ভেঙ্গে তারা ভারতপন্থী ইয়াবা নেটওয়ার্ক করতে চাইছে।
মায়ানমারের ইয়াবা নেটওয়ার্ক চলে মূলত গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল বেস করে। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল হচ্ছে মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের মর্ধবর্তী স্থান, যেখান থেকে পৃথিবীর মাদকের একটি বড় সরবরাহ হয়। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল ব্রিটিশ আমলে তৈরী হয়েছিলো। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল ছাড়াও আছে গোল্ডেন ক্রিসেন্ট। গোল্ডেন ক্রিসেন্ট হচ্ছে আফগানিস্তান-ইরান-পাকিস্তান বর্ডারে যেখানে প্রচুর পরিমাণে পপি চাষ হয়। এছাড়া পৃথিবীতে মেক্সিকো ও কলোম্বিয়াতে আলাদাভাবে প্রচুর পরিমাণে মাদক উৎপাদন হয়। বর্তমানে মাদকের এই শীর্ষস্থানগুলো কন্ট্রোল করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ (https://bit.ly/1EsdZAO)। বর্তমানে বাংলাদেশে যে ইয়াবা আসতেছে তার কেন্দ্র হচ্ছে ঐ সিআইএ নিয়ন্ত্রিত গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গাল। এটা ঠিক সরকারদলীয় লোকজন দেশের ভেতর মাদকের সাথে জড়িত, কিন্তু সরবরাহের কেন্দ্র আছে সিআইএ’র কাছে। আওয়ামী সরকারের সাথে সিআইএ’র দ্বন্দ্ব থাকায় তারা চাইছে সিআইএ নিয়ন্ত্রিত স্থান থেকে ইয়াবা না নিয়ে নিজস্ব সিন্ডিকেট মানে ভারত থেকে ইয়াবা আনার জন্য। ভারতে ইয়াবা কারখানা গড়ে উঠছে এবং তা মায়ানমারের ইয়াবা ব্যবসার জন্য হুমকি, এটা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে খবর আসছে (https://bit.ly/2JrdIuEhttps://bit.ly/2sBJBX1)
বর্তমানে সরকার যেটা করছে সেটা হলো সিআইএপন্থীদের তৈরী করা মাদক সিন্ডিকেটটা ভেঙ্গে দেয়া। ফিলিপাইনের দুদার্তেও একই কাজ করেছিলো, সেও এন্টি-সিআইএ হওয়ায় সিআইএপন্থীদের মাদক সিন্ডিকেটটা ভেঙ্গে দিয়েছিলো। এ কারণে বাংলাদেশের সিআইএপন্থী মিডিয়া বিশেষ করে ডেইলিস্টার এ অভিজানের বিরুদ্ধচারণ করছে (আমার আগের লেখা, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের সিআইএ কানেকশন- https://goo.gl/DuqeRP)
বর্তমানে মাদকবিরোধী অভিজান আসল নাম হওয়া উচিত মাদকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাড়াকাড়ি। আওয়ামী সরকার মাদকের সিআইএ নেটওয়ার্ক ভাঙ্গছে, এটা একদিক থেকে ভালো। অন্যদিক থেকে ভয়ের কারণ ইয়াবা ব্যবসাটা এরপর ডাইরেক্ট আওয়ামী-ভারত সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করবে, তখন ইয়াবা সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় আরো বেশি এভেইলেবল হয়ে যায় কি না, সেটা চিন্তার বিষয়। তখন দেখা যাবে বৈধ পণ্যের মত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইয়াবা বিক্রি হবে, মুড়ির মত দোকানে কেজি দরে বিক্রি হবে ইয়াবা।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, June 3, 2018

রাষ্ট্রের আইন বহির্ভূত কাজ করায়, আইন অনুযায়ী দুই বিচারপতির শাস্তি হওয়া উচিত


এই দুইজন বিচারপতিকে চিনে রাখুন সবাই-
একজনের নাম বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম, অন্যজনের নাম বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের। এরা দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান হাইকোর্টে বসে নিজেরাই আইনের বিরুদ্ধাচরণ করছে। বিদেশী পতাকা ওড়ানোর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইন আছে (https://bit.ly/2J9VLRK)।
 “বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে সারা দেশে বিদেশী পতাকা ছেয়ে গেছে” যা আইনের বিরুদ্ধচারণ, এই মর্মে গত কয়েকদিন আগে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। কিন্তু “বিশ্বকাপ উন্মাদনার বিরুদ্ধে এ ধরনের আইন-ই থাকা উচিত না” এধরনের আইন বহির্ভূত কথা বলে রিট খারিজ করে দেয় বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের বেঞ্চ।
যাদের উপর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দেশের আইন রক্ষা করা, তারাই যখন আইন বহির্ভূত হয়ে উঠে তখন দেশের জনগণ যাবে কোথায় ?
রাষ্ট্রের আইন বহির্ভূত কাজ করায়, আইন অনুযায়ী এই দুই বিচারপতির কি শাস্তি হওয়া উচিত, আমি সেই বিচার-ই দাবী করছি।



===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Friday, June 1, 2018

মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে পৃথক শক্তি তৈরী করতে যায়, তবে “টাইম-নলেজ-মানি” ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে


ইহুদীরা হিসেব করে দেখেছে পৃথিবীর সমস্ত শক্তি ৩টি জিনিস : “টাইম-নলেজ-মানি” দ্বারা নির্ধারিত হয়-
১) টাইম বা সময় : কারো কাছে যখন টাইম বা সময় আছে তখন সে অনেক কাজ করতে পারবে। এজন্য ইহুদীরা নিজেরা তো সময় দেয়ই, এমনকি অন্যকে চাকুরীর দেয়ার মাধ্যমে সময় কিনে নেয়। ওরা চায় সবাই ওদের অধীনে চাকুরী করুক, এতে সবার সময় ওদের কাছে চলে আসবে।
২) নলেজ বা জ্ঞান : কারো কাছে যখন নলেজ বা জ্ঞান আছে তখন সেটা দিয়ে অপরের উপর কর্তৃত্ব করা যায়। ইহুদীরা মূল মূল জ্ঞানগুলো করায়ত্ব করার চেষ্টা করে। তারা ব্রেইন ড্রেইন করে সকল দেশ থেকে মেধাবীদের কিনে নিয়ে যায়। এবং মেধাবীদের নিজেদের কাজে লাগায়।
৩) মানি বা অর্থ : ইহুদীরা অর্থ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা করে। অর্থ অন্যতম শক্তি হিসেবে কাজ করে।
অর্থাৎ এই ৩টি বিষয় আবার প্রত্যেকে অপর দুই বিষয়ে কনভার্ট হতে পারে। যেমন-
- সময় কাজে লাগিয়ে জ্ঞান চর্চা করা/করানো যায়, আবার সেই জ্ঞান বিক্রি করে টাকাও কামানো যায়।
- জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আপনি সময় বাচানো/পাওয়ায় যায়, টাকাও কামানো যায়।
- আবার মানি বা অর্থ কাজে লাগিয়ে অপরের সময় কেন যায় (চাকুরি দিয়ে) এবং মেধাবীর মেধা বা জ্ঞানও ক্রয় করা যায়।
ইহুদীরা সারা বিশ্বে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য এই তিনটি জিনিস নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা করে। আর অপর জাতিগুলোর যেন এই তিনটি জিনিসের মালিক না হতে পারে সে জন্য সজাগ থাকে। তারা চায়, অপর জাতিগুলোর যেন এই তিনটি জিনিস মানে- “টাইম-নলেজ-মানি” নষ্ট হয়ে যায়।
গত বেশকিছুদিন যাবত দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বকাপ ফুটবল নামক খেলায় খুব মেতে উঠেছে।
-ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা করে বিরাট সময় অপচয় করছে। অনেকে পুরো জীবনটা শেষ করে দিচ্ছে। নরসিংদীতে পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে ফয়সাল নামক এক ব্যক্তি বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেলো। টাঙ্গাইলে পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়েছে একজন , নারায়নগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কুপিয়েছে ব্রাজিল সমর্থকরা।
-তরুণ প্রজন্মের যত জ্ঞান বুদ্ধি সব নষ্ট করছে ফুটবল ফুটবল করে। কে কত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার নিয়ে গবেষণা করতে পারে সেটা ফেসবুক খুললে দেখা যায়। তারা যদি এই জ্ঞানের কিঞ্চিৎও দেশ ও জাতির কল্যাণ্যে ব্যয় করতো, তবে দেশের এতটা করুণ অবস্থা হতো না।
- টাকার অপচয় যে কত হচ্ছে তার হিসেব করে পারা যাবে না। সারা দেশজুড়ে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকা, জার্সি লাগিয়ে অপচয় করা হচ্ছে অগণিত টাকা। মাগুরায় এক ৫ কিলোমিটার লম্বা পতাকা বানিয়েছে, বাগেরহাটে ৮০০ ফুট লম্বা পাতাকা, কেউ ব্রাজিল আজেন্টিনার পতাকার মত করে পুরো বাড়ি রং করছে। আরো কত কি।
মুসলমানরা যদি ইহুদীবাদীদের খপ্পর থেকে বের হয়ে পৃথক শক্তি তৈরী করতে যায়, তবে “টাইম-নলেজ-মানি” ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে। ওরা যতভাবে তিনটি জিনিসের অপচয় ঘটাতে চায়, সবগুলো রোধ করতে হবে। মুসলমানদের টাইম-নলেজ-মানি’র মূল্য বুঝতে হবে এবং এ তিনটি জিনিসকে পুরোপুরি মুসলমানদের কাজে লাগতে হবে। তখনই মুসলমানদের উত্থান ঘটবে, এর আগে না।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------