Thursday, June 18, 2020

যারা লক ডাউন চায়……….

--দুর্নীতিবাজ চিন্তা করে না সৎ কর্মকর্তার কি হবে ?
--যার জমানো টাকা আছে, সে চিন্তা করে না যার জমানো নাই তার কি হবে ?
--সরকারী চাকুরে চিন্তা করে না, বেসরকারী চাকুরের কি হবে ?
--মাস শেষে বেতন যার নিশ্চিত, সে চিন্তা করে না দিন মজুরের কি হবে ?
--ঘরে ল্যাপটপে বসে যার কাজ, সে চিন্তা করে না, রাস্তায় ঘুরে যার কাজ, তার কি হবে ?
--যার ঘরে বান্দা বুয়া আছে, সে চিন্তা করে না ফ্ল্যাট-বাড়িতে ছুটা বুয়া আসতে না দিলে কি হবে ?
--বাপের হোটেলে যে খায়, সে চিন্তা করে না বাপের টাকাটা কিভাবে আসবে ?
--৫ স্টার হোটলে যার খাওয়ার অভ্যাস, সে চিন্তা করে না চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লে গরীবের কি হবে ?
--যে বাড়িতে ৩ মাসের খাবার মজুদ করেছে, সে চিন্তা করে না যার ঘরে ৩ দিনের খাবার নাই, তার কি হবে ?

সবাই শুধু নিজের জন্য চিন্তা করে, লক ডাউন চায়।
কিন্তু সবার জন্য চিন্তা করে না। চিন্তা করে না, এভাবে সব বন্ধ হতে থাকলে সবার কি হবে ??

এই জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান করোনার জন্য লক ডাউন প্রসঙ্গে বলেছে,
“আমি এক দিকে করোনা রুগি বাচাবো, অন্যদিকে আমার দেশের মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবে।”

সত্যি বলতে, বাংলাদেশে দুই-চার জন অতি বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুরো দেশজুড়ে যেভাবে মিডিয়া করোনা ভীতি তৈরী করেছে, পুরো দেশকে অবরূদ্ধ করে দিয়েছে, তাকে ১ জন করোনার মৃত্যুর বিপরীতে ১০০০ জন সাধারণ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যাবে নিশ্চিত।

করোনার অজুহাতে দেশের মানুষকে দুর্ভিক্ষে হত্যা করা কখনই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তাই অবিলম্বে সব কিছু খুলে দেয়া হোক।

“ইতালির গির্জা থেকে মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র সরাও, নয়ত ‘করোনা মহাপ্রলয়’ থামবে না”

ইতালির গির্জার ভেতর থেকে মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র না সরালে করোনা মহাপ্রলয় থামবে না বলে ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন অনেকে। এ সম্পর্কে আমার এক ফেসবুক পোস্টে অনেকেই তাদের মতামত জ্ঞাপন করেছেন। পাঠকদের মতামত হলো-
১. মহানবীর নিঃকৃষ্ট ব্যঙ্গচিত্র কারণেই আজকে ইতালির উপর এ ধরনের ভয়াবহ গজব নেমে এসেছে। উক্ত ব্যঙ্গচিত্রে দেখানো হয়েছে, একজন দাড়ি সম্বলিত নগ্ন ব্যক্তিকে নরকের ফেরেশতারা পেটাচ্ছে, ছবির নিচে মহানবীর নাম লিখিত।
২. বিশেষ করে ইতালির উত্তরাঞ্চলে যেখানে করোনায় মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সেখানের এক গির্জায় এই ছবিটি রাখা আছে।
৩. কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন- কোরআনে সূরা লাহাব ও সূরা কাউসারে মহানবীর প্রতি বিদ্বেষকারীকে সম্পদ ও পরিবার নিয়ে সমূলে ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে, ইতালিতে সেটাই ঘটছে।
৪. আবার অনেকে মন্তব্য করেছে, আমরা (মুসলমানরা) যদি এই ব্যঙ্গচিত্রের প্রতিবাদ না করি, তবে ইতালির গজব আমাদের উপরও পড়বে।

উল্লেখ্য ইতালির বোলগোনায় ‘San Petronio Basilica নামক গির্জায় Giovanni da Modena এর আঁকা ব্যঙ্গচিত্রটি ১৪১০ সাল থেকে সংরক্ষিত আছে। কিন্তু মুসলমানরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলো না। ২০০১ সালে ইতালির স্থানীয় মুসলমানরা প্রথম এই ব্যঙ্গচিত্রটি সরাতে ইতালি সরকারের কাছে দাবী উত্থাপন করে, কিন্তু ইতালি সরকার তাদের উপেক্ষা করে মুসলমানদের গ্রেফতার করে প্রতিবাদ দমনের চেষ্টা করে।

সূত্র:
ক. https://bit.ly/395rxru
খ. https://bit.ly/39bLXPs
গ. https://bit.ly/2QxL9hx
ঘ. https://nyti.ms/2U8YsHp
ঙ. https://bit.ly/2xYTIvh

ইতালি কি তার গির্জা থেকে ৬১১ বছর পুরাতন মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র সরাবে ?

ইতালির বোলোগনায় একটি ক্যাথলিক গির্জার ভেতর মহানবীর ৬১১ বছর পুরাতন একটি ব্যঙ্গচিত্র সংরক্ষিত আছে। যে ব্যঙ্গচিত্রে দেখানো হয়েছে মহানবীকে নরকের রক্ষীরা নির্যাতন করছে। গির্জাটির নাম ‘San Petronio Basilica’ এবং ঐ ব্যঙ্গচিত্রটির নাম Giovanni da Modena।
(সূত্র: https://bit.ly/395rxru, https://bit.ly/39bLXPs)

৯/১১ এর পর পর ২০০২ সালে ইতালির ক্যাথলিক চার্চে রক্ষিত উক্ত ব্যঙ্গচিত্রটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কারণ ঐ সময় ইতালি সরকার দাবী করে ৫ জন মুসলমান নাকি ঐ ব্যঙ্গচিত্রটি নিয়ে কোন পরিকল্পনাবশত চার্চের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিলো। সেই সন্দেহ থেকে ইতালির প্রশাসন ঐ মুসলমানদের গ্রেফতার করে। (https://nyti.ms/2U8YsHp)

এই ঘটনার পরই মুলতঃ ইউরোপে মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র নির্মাণের একটি জোয়ার উঠে। যার ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে ৩০শে সেপ্টেম্বর ইউরোপীয়ান রাষ্ট্র ডেনমার্কের জিল্যান পোস্টেনে মহানবীর ১২টি ব্যঙ্গকার্টুন প্রকাশ করে(https://bit.ly/2J1rFxu)। এরপর ২০০৬ সালে নরওয়ে ঐ কার্টুনগুলো তাদের দেশে পুনঃপ্রচার করে। এরপর ১লা ফেব্রুয়ারী একযোগে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং স্পেন জিল্যান পোস্টেনের কাটুর্নগুলো রিপ্রিন্ট করা শুরু করে। ৮ই ফেব্রুয়ারী ফ্রান্সের পত্রিকা শার্লি হেবদো মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র প্রথম পাতায় বড় করে প্রিন্ট করে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি এসে ইতালি সরকারের এক মন্ত্রী ঘোষণা দেয়, মহানবীর ব্যঙ্গচিত্র সম্বলিত টি-শ্যার্ট সে সবার মাঝে বিলি করবে (https://bbc.in/2whHYUl)। এপ্রিলে এসে ইতালির ক্যাথলিক সট্যাডি (Studi Cattolici) নামক একটি মাসিক খ্রিষ্টিয় পত্রিকা ‘San Petronio Basilica’ চার্চে সংরক্ষিত Giovanni da Modena ব্যঙ্গচিত্রকে অনুকরণ করে নতুন কার্টুন প্রকাশ করে (https://bit.ly/33xQCdq)। এরপর খুব দ্রুত এই ব্যঙ্গ কার্টুনের বিষয়টি সারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৭ থেকে ইসলাম ও মহানবীর ব্যঙ্গ নিয়ে ব্যাপক কাজ শুরু করে নেদারল্যান্ডের এমপি গ্রিট উইল্ডার্স। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে এই ব্যঙ্গচিত্রে প্রদর্শনীসহ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয় এবং কয়েকটি ব্যঙ্গাত্মক মুভিও নির্মিত হয়, যা নিয়ে সারা বিশ্বেজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরী করেছিলো। পুরো বিষয়টি তখন ইউরোপীয়ান দেশগুলোতে রাজনীতিবিদ ও খ্রিষ্টীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা পায় এবং এ বিষয়টি কাজে লাগিয়ে এন্টি ইমিগ্র্যান্ট ইস্যু বড় হতে থাকে, যা পুরো ইউরোপের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। বাংলাদেশেও এক পর্যায়ে সেই ইউরোপী ইসলামবিদ্বেষী গ্রুপের কার্যক্রম চলে আসে। বাংলাদেশে নাস্তিক ব্লগার নামে আমরা যাদের চিনি, যারা বিভিন্ন সময় ইসলাম বা মহানবী নিয়ে কুৎসিত রচনা করে আলোচনায় আসে তাদেরকেও পেছন থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করে ইউরোপ ভিত্তিক সংস্থা ‘পেন ইন্টারন্যাশনাল’ ((হেডকোয়ার্টার ব্রিটেন)। এই ‘পেন ইন্টারন্যাশনাল’ বাংলাদেশের কিছু ছেলেকে ইউরোপে থাকা খাওয়ার লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশেও সেই ব্যঙ্গচিত্র ও ব্যঙ্গ রচনার প্রকাশ করা শুরু করে। এবং পর্যায়েক্রমে ঐ সব কথিত ব্লগারকে ভিসা দিয়ে ইউরোপে নিয়ে যায়।

অর্থাৎ গত দুই দশকে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের শেষ নবী, কোরআন বা ইসলাম নিয়ে যে ব্যঙ্গচিত্রের কার্যক্রম তা কিন্তু শুরু হয়েছিলো ইতালির চার্চের ভেতর সংরক্ষিত ৬১১ বছর পুরাতন সেই বঙ্গচিত্রকে কেন্দ্র করেই। অতি সম্প্রতি সারা বিশ্বের মানুষ অবলোকন করছে ইতালি নামক রাষ্ট্রটি কি করে করোনা ভাইরাস দ্বারা পর্যুদস্ত অবস্থায় আছে। অতি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বহুমুখী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েও তারা ব্যাপক মৃত্যুর হার ঠেকাতে পারছে না ইতালি, যা সত্যিই আশ্চর্যজনক। এ অবস্থায় দুর্যোগ থেকে বাচতে ইতালি তার গির্জার ভেতর সংরক্ষিত সেই ৬১১ বছরের পুরাতন মহানবীর বঙ্গচিত্রটি সরিয়ে ফেলে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

গির্জায় খ্রিস্টানদের প্রার্থনার কারণেও যে করোনা ছড়াতে পারে, এমন কোন খবর তো দেখলাম না ??

একাত্তর টিভির চিন্তা শুধু মসজিদের নামাজ নিয়ে, কিন্তু
গির্জায় খ্রিস্টানদের প্রার্থনার কারণেও যে করোনা ছড়াতে পারে, এমন কোন খবর তো দেখলাম না ??

ছবির সূত্র: https://bit.ly/2U9m26Z

ইসরাইলে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে ৫০ হাজার ইহুদী একত্র হয়েছে করোনা নিয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার জন্য

ছবিতে দেখতে পাচ্ছে,
ইসরাইলে ওয়েস্টার্ন ওয়ালে ৫০ হাজার ইহুদী একত্র হয়েছে করোনা নিয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার জন্য। ইসরাইলে আয়তন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের সমান এবং সে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী সংখ্যা ৪৩৩ জন। কিন্তু এরপরও দেখলাম না ইসরাইলি মিডিয়া বা আন্তর্জাতিক কোন মিডিয়ায় এত বড় একটি গণজমায়েতের বিরুদ্ধ বক্তব্য দিলো, বরং অনেকেই ইহুদীরা একত্র হয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছে দেখে তার প্রশংসা করলো। (https://bit.ly/395wosy)

অথচ বাংলাদেশের লক্ষীপুরের রায়পুরে কয়েক হাজার মুসলমান একত্র হয়ে করোনার জন্য গণমোনজাত করেছে বিধায় তার বিরুদ্ধে দেশী মিডিয়া ফুসে উঠেছে। কেন মুসলমানরা এটা করলো? শুধু তাই না, আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিবিসি এর বিরুদ্ধে সংবাদ করলো। সেখানে অনেক মর্ডান মুসলমানকে দেখলাম বলতেছে- এটা খুব খারাপ কাজ করছে। কেউ কেউ বলতেছে- বাংলাদেশের মানুষ অশিক্ষিত তাই এমন করছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়- ৪৩৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া ইসরাইল যখন ওয়েস্টার্ন ওয়ালে ৫০ হাজার লোকের গণসমাবেশ করলো তখন তাদের কেউ অশিক্ষিত বললো না। (https://bit.ly/2x7M7tQ)

একাত্তর টিভির টকশোতে দেখলাম কেন দোয়া করা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে তার জন্য জঘন্য আচরণ করা হলো- https://bit.ly/2QuzFuW

এটাই মুসলমানদের নিয়তি। মুসলমানরা করোনায় ভয়ে ভীত হয়ে ধর্ম থেকে চ্যুত হয়ে সেক্যুলার পলিসিতে মেতেছে। এখন কথিত সেক্যুলাররা মুসলমানদের মাথায় চড়েছে বসেছে। তারা যা বলবে, মুসলমানদের তাই মানতে হবে, না মানলেই তাদের জুতার পিটা দিবে। কারণ মুসলমানদের কালেমা পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে-“ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর পরিবর্তে হযেছে “লা ইলাহা ইল্লা হু (WHO)”। হু বলছে এমন করলে ক্ষতি। তাই সেটাতেই ঈমান আনতে হবে আগে।

লক ডাউন দেয়ায় ক্ষুধার্ত মানুষ বিভিন্ন দেশে লুটপাট শুরু করেছে

করোনা ভাইরাসের কারণে লক ডাউন দেয়ায় ক্ষুধার্ত মানুষ বিভিন্ন দেশে লুটপাট শুরু করেছে। ব্রাজিল, মেক্সিকো এবং ইতালিতে লুটপাটের সংবাদ পাওয়া গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লুটপাট ঠেকাতে আগ্নেয়াস্ত্র কেনার হিড়িক পড়েছে।

১) ইতালিতে সুপার মার্কেটগুলোতে লুটপাট-
লকডাউনের মধ্যে চরম অস্থির ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে ইতালি। দেখা দিয়েছে চরম দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ। অভাবের তাড়নায় দিশেহারা জনগণ। দ্বীপজুড়ে শপিংমল ও সুপারমার্কেটগুলোতে হামলা চালাচ্ছে স্থানীয়রা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লা রিপাবলিকা জানিয়েছে, এদিন একদল স্থানীয় জনতা পালেরমো এলাকার একটি সুপারমার্কেটে ঢুকে পড়ে। এরপর সেখানকার সব মালামাল নিয়ে বেরিয়ে যায় তারা। এসময় তারা বলে, ‘আমাদের কোনো টাকা নেই। কিন্তু আমরা ক্ষুধার্ত। আমাদের খেতে হবে।’(https://bit.ly/3avBq31)

২) মেক্সিকো লুটপাটের খবর- https://bit.ly/39v3rq0, https://bit.ly/2US3ffg

৩) ব্রাজিলে লুটপাটের তথ্য- https://bit.ly/3dH4R4g

৪) লুটপাট ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক কেনার হিড়িক :
করোনা মহামারীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেনার হিড়িক পড়েছে। অস্ত্র কিনতে দোকানের সামনে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন পড়ছে প্রতিনিয়ত। কারণ হিসেবে ক্রেতারা বলছেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে লুটেরাদের উৎপাত বাড়বে। তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে অস্ত্র কিনে রাখছেন তারা। সরবরাহ কম থাকায় কিছু খুচরা বিক্রেতা সেভাবে অস্ত্র বিক্রি করছেন না।

Friday, February 21, 2020

বইমেলায় বিক্রি হচ্ছে হিন্দু লেখকের ইসলাম বিদ্বেষী বই

এবারের বইমেলায় এক হিন্দু লেখকের ইসলামবিদ্বেষী বই বিক্রি হচ্ছে। লেখকের নাম দিয়ার্ষি আরাগ দিপু। তার দুটি বই বিক্রি হচ্ছে লিটল ম্যাগ চত্বরে কালাঞ্জলি স্টলে। স্টল নম্বর- ৬৫ ।
বই দুইটির নাম- “দিয়া আরেফিন” এবং “দিয়া আরেফিন’র নানীর বাণী”।
দুটি বই-ই ইসলামবিদ্বেষী কুরুচিপূর্ণ কথায় ভরপুর। যদিও কৃষ্ণভক্তির কথা বেশ সুন্দর করে লেখা আছে। যেমন-
দিয়া আরেফিন বইটির ২০-২১ পৃষ্ঠায় লেখা আছে-
“সূরা ফিংগারিং:
জিব্রাইল : নিশ্চয়ই লিটন দাস ক্রিকেট ভালো খেলেছে। আর এতে নিহিত আছে মর্যাদা। যেন তোমরা বিভ্রান্ত না হও। আল্লাহ যা জানেন, তোমরা তা জানো না। নিশ্চয়ই কাফের যুবকদের উপর ক্রাশ খাওয়া হারাম। তোমরা অবশ্যই এসব মালুর বাচ্চাদের উপর ক্রাশ খেয়ে পায়জামা ভেজাতে পারো না। এটা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম জ্ঞানী। ………
“আজ রাতেই মেরাজ হবে, ইনশাআল্লাহ।
আয়েশা থেকে উম্মে হানি!
মদীনা থেকে আরশ!
জেগে উঠবে আমার আংগুল !
কে আগে ? সৌম না লিটন ?
দেখা যাক!
(বইটির পিডিএফ দেখুন-https://tinyurl.com/tacqb4z)
“দিয়া আরেফিন’র নানীর বাণী” বইয়ে লেখা আছে-
১. মোল্লারা পাবলিক বেশ্যালয়ের বিরোধীতা করে ভিন্ন কারণে, ওখানে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা তাদের নাই। কেন ? কারণ সব মোল্লাদের পরিবারই এক একটা মিনি প্রাইভেট বেশ্যালয়। (পৃষ্ঠা: ১৯)
২. দুনিয়াতে বেশ্যা লিমিটেড, কাস্টমার লিমিটেড। বেহেস্তে বেশ্যা আনলিমিটেড, কাস্টমার লিমিটেড।
(পৃষ্ঠা : ১৫)
৩. বেশ্যার পারিশ্রমিক আর ইসলামী দেনমোহর একই বস্তু (পৃষ্ঠা: ১২)
৪. প্রাইভেট বেশ্যা ক্রয়ের ইসলামী চূক্তিকে মুমিন মুনিমানারা বিবাহ বলে চালিয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা: ১২)
৫. পৃথিবীতে নিষ্ঠুরতম কৌতুক : ইসলাম শান্তির ধর্ম (পৃষ্ঠা: ৩৯)
৬) আসল মানুষটার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার ফেসবুক ফেইক আইডিটারও মৃত্যু ঘটে। যেমন নবি মুহাম্মদের মৃত্যুর পর পরই মৃত্যু ঘটেছে আল্লাহর। কোরআর হাদিসের মত ফেইক আইডির স্ট্যাটাস ও কমেন্টগুলো পড়ে থাকে মানুষের পায়ের নিচে। (পৃষ্ঠা: ৩৯)
(বইটির পিডিএফ দেখুন-https://tinyurl.com/vw75cqt)
লেখকের বিভিন্ন ফেসবুক আইডি-
ক) https://www.facebook.com/profile.php?id=100036892566770
খ) https://www.facebook.com/diarshiarruge.dipu.9
লেখকের ছবি – https://tinyurl.com/vrsfusf
লেখকের বাড়ির ঠিকানা-নেত্রকোণার শিবগঞ্জ গ্রামে।


উল্লেখ্য এবার বইমেলার শুরুতে পুলিশ ঘোষণা দিয়েছিলো তারা বইমেলায় ইসলামবিদ্বেষী বই বের হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিবে পুলিশ। (https://bit.ly/2SKxoxh, https://bit.ly/32kS9mA, https://bit.ly/37LmCvd)
কিন্তু তারপরও পুলিশের নাকের ডগায় কিভাবে এই ইসলামবিদ্বেষী বই বিক্রি হচ্ছে তা আশ্চর্যজনক।
এ ব্যাপারে আপনারা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত দিয়ার্ষি আরাগ দিপু, তার প্রকাশককে গ্রেফতার করতে বলেন। পাশাপাশি পুলিশ কমিশনার স্পষ্ট ঘোষণা দেয়ার পরও কিভাবে করে ২১ দিন এই ইসলামবিদ্বেষী বইটি বিক্রি হলো তার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে চাকুরীচ্যূত করার দাবী জানান।