Wednesday, September 5, 2018

অ্যানালিস্ট ক্লাস -২ : জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি কিভাবে সম্পর্কিত হয় ?


জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির মধ্যে সম্পর্ক ধরতে হলে প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে লোকাল (থানা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে রাজনীতি) রাজনীতির সাথে জাতীয় রাজনীতির সম্পর্ক। লোকাল রাজনীতির সাথে জাতীয় রাজনীতির সম্পর্ক যেমন, জাতীয় রাজনীতির সাথে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ঠিক সেকরম। একটি সম্পর্ক বুঝলে, অন্যটি বোঝা সহজ।

বিষয়গুলো খেয়াল করুন:

(১) জাতীয় রাজনীতিতে যেমন দুটি বড় দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (উদাহরণ আওয়ামীলীগ-বিএনপি), ঠিক তেমনি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দুটি বড় ব্লক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একটি মার্কিন ব্লক, অন্যটি রুশ ব্লক।

(২) লোকাল রাজনীতি করা একজন চেয়্যারম্যান, তার এলাকায় হয়ত খুব জনপ্রিয় হতে পারে। কিন্তু জাতীয়ভাবে তার কোন অবস্থান নেই। জাতীয়ভাবে আসতে হলে ঐ চেয়ারম্যানকে জাতীয় রাজনৈতিক দল যেমন- আওয়ামীলীগ বা বিএনপি’র পরিচয়ে আসতে হবে। তখন যদি তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, “অমুক এলাকার আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান বা অমুক এলাকার বিএনপির চেয়ারম্যান। তাহলে জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতিবিদরা তাকে সহজেই চিনতে পারে। ঠিক তেমনি, বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ যখন জাতীয় পর্যায়ে রেখে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যায়, তখন যদি তাকে বলা হয় আওয়ামীলীগ/বিএনপির নেতা। তবে কিন্তু চেনা যায় না। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিমণ্ডলে আওয়ামীলীগ বা বিএনপির কোন অবস্থান নেই । তখন ঐ রাজনীতিবিদকে যোগ দিতে হয় আমেরিকা বা রাশিয়ান ব্লকে। তখন তার পরিচয় হয় অমুক দেশের রাশিয়ান বা মার্কিন ব্লকের সদস্য। যেমন: ড. কামাল হোসেন বাংলাদেশে মার্কিন ব্লকের সদস্য।

(৩) প্রশ্ন আসতে পারে, একজন জাতীয় রাজনীতিবিদের সাথে কেন বিদেশী ব্লকের সাথে সম্পর্ক তৈরী হয়?

উত্তর হবে: দুই দিকেরই স্বার্থ আছে। লোকাল রাজনীতির সাথে জাতীয় রাজনীতির সম্পর্ক বুঝলে, জাতীয় রাজনীতির সাথে আন্তর্জাতিক রাজনীতির সম্পর্ক বুঝা সম্ভব।

ক) একজন লোকাল চেয়ারম্যানের উপর লোকাল ও জাতীয় লেভেলে নানা রকম হুমকি বা থ্রেট থাকতে পারে। সেই থ্রেট এড়ানোর জন্য সে জাতীয়ভাবে যারা রাজনীতি করে তাদের সাথে গাট বাধে। তার সাথে জাতীয় রাজনীতিবিদদের সম্পর্ক থাকায় এলাকার প্রতিপক্ষরা তাকে কিছু করতে পারে না। পাশাপাশি লোকাল লেভেলে তার প্রভাব বিস্তার এবং প্রতিপক্ষ থেকে এগিয়ে থাকতে জাতীয় রাজনীতিবিদরা সর্বাত্মক হেল্প করে।
একইভাবে জাতীয় ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের জন্য অনেক ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল থ্রেট থাকে। এজন্য তাকে বিদেশী রাজনীতিক ব্লকের সাথে সম্পর্ক মেইনটেইন করতে হয়, নয়ত তার প্রতিপক্ষরা তাকে শেষ করে দিতে পারে। পাশাপাশি জাতীয় লেভেলে প্রভাব বিস্তার ও প্রতিপক্ষ থেকে এগিয়ে থাকতে আন্তর্জাতিক লেভেল থেকে হেল্প করা হয়।
যেমন: শেখ হাসিনা রুশব্লক মেইনটেইন করে। এটা করে তারা ভারতীয় কংগ্রেসের মাধ্যম দিয়ে (ভারতের কংগ্রেস রুশব্লকের সদস্য)। এ কারণে ওয়ান ইলেভেনের সময় মাইনাস টু করে যখন আমেরিকা শেখ হাসিনাকে হটিয়ে দিতে চাইছিলো, তখন রুশব্লকের ভারতীয় কংগ্রেস শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য সর্বাত্মক কাজ চালায়। পাশাপাশি প্রতিপক্ষ বিএনপি থেকে এগিয়ে থাকতে রুশব্লকের ভারতীয় কংগ্রেস সব সময় শেখ হাসিনাকে সাহায্য করে।

(খ) আবার, একজন লোকাল চেয়্যারমানের দ্বারা জাতীয় রাজনৈতিক দল বা রাজনীতিবিদ ফায়দা নেয়। যেমন জাতীয় দলগুলো লোকাল রাজনীতিবিদদের উপর নির্ভর করে লোকাল পর্যায়ে তাদের প্রচার-প্রসার বা স্বার্থ উদ্ধার করে। একই ঘটনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদদের মধ্যেও হয়। জাতীয় রাজনীতিবিদদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐ দেশে তাদের মতবাদ/প্রচার প্রসারসহ বিভিন্ন স্বার্থ উদ্ধার করে।

৪) তবে অনেক ক্ষেত্রে দুইজনের ইন্টারেস্ট বা স্বার্থ এক নাও হতে পারে বা পরিবর্তিত হতে পারে। তখন স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়, পরপষ্পর সমঝোতা করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। তবে কিছু কিছু সেটা নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে দল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটে। যেমন একসময় চীন সোভিয়েত ব্লকে ছিলো। এরপর দল পরিবর্তন করে মার্কিন ব্লকে যোগ দেয়। এরপর আবার মার্কিনব্লক ত্যাগ করে রুশব্লকে যোগ দেয়।

(৫) জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে কিছু আ্ঞ্চলিক দল থাকে, যাদের অবস্থান পুরো দেশব্যাপী বিস্তৃত নয়। যেমন: জাতীয় পার্টি, জাসদ ইত্যাদি। এ দলগুলোর পৃথক অবস্থান থাকলেও জাতীয়পর্যায়ে কোন ঘটনার সময় (উদহারণ:নির্বাচন) তারা বড়দলগুলোর (যেমন: আওয়ামীলীগ বা বিএনপি) সাথে জোট বাধে (আবার নিজেদের মধ্যেও জোট তৈরী করতে পারে)। অনুরূপ আন্তর্জাতিক রাজনীতির ক্ষেত্রেও এরকম আঞ্চলিক শক্তি থাকে। তারা আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলো নিয়ে জোট বাধে বা বড় শক্তিগুলোর সাথে জোট বেধে কাজ চালায়। যেমন: এশিয়ায় চীন রাশিয়ার সাথে, ভারত আমেরিকার সাথে। মিডলইস্টে সৌদি আরব আমেরিকার সাথে, ইরান রাশিয়ার সাথে জোট বাধে ইত্যাদি।

৬) উপরের দিকে যখন দুই দলের সাথে জোট হয়, তখন নিচের দিকেও জোট বা সু-সম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়। আবার উপরের দিকে বিপরীতজোটে চলে গেলে নিচের দিকে শত্রুতা লক্ষ্য করা যায়। যেমন- আওয়ামীলীগ আর জাসদ যখন উপরের দিকে জোট বাধে তখন লোকাল পর্যায়ে আওয়ামীলীগ ও জাসদের চেয়্যারম্যানের মধ্যে জোট বা সুসম্পর্ক গড়ে। আবার আওয়ামীলীগ ও জাসদ প্রতিপক্ষ হয়ে গেলে লোকাল চেয়্যারম্যানদের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়। অনুরূপ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোন জোট হলে, জাতীয় পর্যায়ে ঐ ব্লকের সদস্যদের মধ্যে জোট বা বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। ভেঙ্গে গেলে শত্রুতা বা প্রতিপক্ষতা তৈরী হয়। যেমন: এক সময় আমেরিকা আর চীন একব্লকে ছিলো, তখন বাংলাদেশে মার্কিন ও চীনব্লকের রাজনীতিবিদদের মধ্যে জোট বা সুসম্পর্ক লক্ষ্য করা যায়। এখন চীন মার্কিন ব্লক ত্যাগ করে রুশ ব্লকে যোগ দিয়েছে। তাই এখন বাংলাদেশে চীন ও মার্কিনপন্থীদের মধ্যে শত্রুতা বা বিপরীতপক্ষতা লক্ষ্য করা যায়।

আজকের পাঠের পর আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন থাকে, কিংবা কোন অংশ যদি বুঝতে না পারেন, তবে তা কমেন্ট করুন। আমি সুযোগ-সময় করে তার উত্তর দিবো।

(১ম পর্ব- রিয়েল ফেস ও আর্টিফিসিয়াল ফেস-https://bit.ly/2PKbc2S)


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, September 4, 2018

বর্তমান ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স, ঠিক যেন মেয়েদের চুলের বেণীর মত প্যাচের পর প্যাট লেগে গেছে


‘ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স’ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আমার প্রথম মাথায় আসে মেয়েদের ‘চুলের বেণী’র কথা, চুলের বেণীতে যেমন একপ্যাচের পর অন্য প্যাচ দিয়ে লম্বা করা হয়, বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্সের অবস্থা ঠিক সেই চুলের বেণীর মত প্যাচের পর প্যাচ লেগে গেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা সিস্টেম তৈরী হলো, তখন সেই ‘নীতি’র আবির্ভাব। যুদ্ধ দিয়ে নয়, বরং পলিটিক্স বা কৌশলগত সিদ্ধান্ত দিয়ে হবে ঘায়েল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একদল অ্যানালিস্ট তৈরী করে যখন কাজ শুরু করলো, তখন রাশিয়া দেখলো তাদেরও একদল অ্যানালিস্ট লাগবে মার্কিন নীতিকে সামাল দিতে। শুরু হয়ে গেলো পাল্টাপাল্টি কূটনীতি-যুদ্ধ। দেয়া হলো এক প্যাচের উপর অন্য প্যাচ। প্যাচ লাগতে লাগতে এখন সেটা নারীদের বেণীর মত হয়ে গেছে। বর্তমান কালে আমরা যে প্যাচ দেখি সেটা বেনীর ৯ নম্বর প্যাচ, একটু বুদ্ধিমানরা হয়ত ৯ নম্বরটা খুলতে পেরে খুশি। কিন্তু সেই প্যাচের পর আরো ৮টি প্যাচ রয়ে গেছে। একটার পর একটা খুলতে পারলেই মূল যায়গায় যাওয়া সম্ভব।

ইহুদীরা উপরে বসে থাকে। এরপর দুই পক্ষ হয়ে একপক্ষ একদিকে মার্কিনব্লকের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে, আরেক পক্ষ অন্যদিকে রাশিয়ানব্লকের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে। ইহুদীরা দুইপক্ষ এক সাথে বসে চা খায়, কিন্তু নিচ দিয়ে প্যাচ লাগিয়ে ফায়দা নেয়। নিচ দিয়ে আমেরিকান ব্লকে অনেক রাষ্ট্র ও রাজনীতিক যোগ হয়, আবার রাশিয়ান ব্লকেও যোগ হয় অনেক রাষ্ট্র ও রাজনীতিক। বিশ্বব্যাপী চলে আন্তর্জাতিক রাজনীতি।

মুসলমানরা এখন বিশ্বজুড়ে নির্যাতিত ও নিপীড়িত। মুসলমানরা যদি এই অবস্থা থেকে উত্তরণ চায়, তবে মুসলমানদেরকে প্রথমে এই আন্তর্জাতিক রাজনীতি বুঝতে হবে, প্যাচগুলো ধরতে হবে। অনেক মুসলমান কিন্তু এই প্যাচের মধ্যে ঢুকে বিলীন হয়ে যায়। এটা হলে চলবে না। নিজেই পৃথক প্যাচ তৈরী করতে হবে আর সেই প্যাচে শত্রুদেরকে ঘায়েল করতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের নির্বাচন সন্নিকটে। এ মুহুর্তে জাতীয় সেক্টরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিষয়গুলো অবলোকন করা সহজ। বাংলাদেশের জনগণ হয়ে গেছে ফুটবলের মত। একবার এক পক্ষ লাথি মেরে একদিকে পাঠায়, আরেকবার আরেকপক্ষ লাথি মেরে অন্যদিকে পাঠায়। দুই পক্ষ জনগণকে নিয়ে খেলে, কিন্তু জনগণের নিজের কোন অবস্থান নাই। সে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নিজে কিছু করতে পারে না। বাংলাদেশের জনগণকে সেই জ্ঞান দিতে আমি অ্যানালিস্ট ক্লাস শুরু করেছিলাম। প্রথম ক্লাসে ‘ঘটনার আড়ালে এক্টরস বা প্লেয়ার কতজন’, ‘রিয়েল ফেস ও আর্টিফিসিয়াল ফেস’ টার্মগুলো এনেছিলাম। প্রথম ক্লাস নেয়ার পর দীর্ঘ ১ মাস ব্যক্তিগত কাজে আমি ব্যস্ত থাকায় সময় নিয়ে ‘অ্যানালিস্ট ক্লাস’ এর জন্য ফেসবুকে বসতে পারিনি। এজন্য অনেকে কষ্ট পেয়েছেন। একারণে আমি আন্তারিকভাবে দুঃখিত।

এবার ঠিক করেছি ২য় ক্লাসটি নিবো। ২য় ক্লাসটি হবে ‘জাতীয় রাজনীতির সাথে আন্তর্জাতিক রাজনীতি সম্পর্ক রক্ষা করে কিভাবে ?’ ২য় ক্লাসের স্ট্যাটাস লেখা শেষ, খুব শিঘ্রই রিলিজ হবে।


===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

চামড়া শিল্প ধ্বংস এবং মাদ্রাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র

কাঁচা চামড়া রফতানির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। কারণ কাঁচা চামড়া রফতানি করা হলে দেশের চামড়াশিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে: তোফায়েল
(https://bit.ly/2wsl2xE)
ঠাকুর ঘরে কে রে ?
আমি কলা খাই না।
চামড়া আমরা ভারত পাঠাবো না !!!
চামড়ার ট্যানারিগুলো হাজারিবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে স্থানান্তরের পর মন্ত্রী তোফায়েল গিয়েছিলো ট্যানারিমালিকদের সাথে দেখা করতে। সরকারের অসহযোগীতার কারণে হেমায়েতপুরের ট্যানারিগুলো চামড়া প্রসেসিং এর জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠেনি। এ নিয়ে ট্যানারি মালিকরা মন্ত্রীর কাছে তাদের দুঃখ বর্ণনা করছিলো। তাদের দুরবস্থার সমাধান দেয়া তো দূরের কথা, উল্টা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল তখন বলেছিলো: “চামড়ার ব্যবসা করতে না পারেন, চানাচুরের ব্যবসা করেন। আপনারা চামড়া না নিবেন, আমরা সব চামড়া ভারত পাঠিয়ে দেবো।”
আসলে সরকার এই আচরণ বহু দিন ধরেই করছে। তারা মিডিয়ার সামনে বলছে একটা, কিন্তু করছে আরেকটা। সরকার চামড়া নিয়ে ফুল সেট-আপ এমনভাবে করেছে যেন বাংলাদেশের চামড়া ভারত চলে যায়, ভারতের চামড়া শিল্প দাড়িয়ে যায় এবং বাংলাদেশের চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়। মুখে বলছে- চামড়া শিল্পের উন্নতি করা হবে, কিন্তু বাস্তবে চামড়া শিল্পকে আরো মাটির সাথে মিটিয়ে দিচ্ছে। যেমন- চামড়া শিল্পকে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের (বিসিক) অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অথচ চামড়া শিল্প হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য পোষাক শিল্পের পর বড় সবচেয়ে বড় শিল্প। যদিও বিসিকের (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প) মোটেও ক্ষমতা নাই, চামড়ার মত একটি বড় শিল্পকে নেতৃত্ব দেয়ার। কিন্তু এর কোন পরিবর্তন নাই।
মন্ত্রী তোফায়েল নিজ মুখে স্বীকার করছে, এ বছর চামড়ার দাম কমানো সঠিক ছিলো। (https://bit.ly/2MYhgWX)
উল্লেখ্য চামড়ার পণ্যের মূল্য আকাশ ছোয়া হলেও সরকার বছর বছর চামড়ার দাম কমিয়ে যাচ্ছে। যেমন: প্রতিবর্গফুটের দাম
২০১৩ সালে ৮৫ -৯০ টাকা।
১০১৪ সালে ৭৫-৮০ টাকা
২০১৫ সালে ৫০ টাকা,
২০১৬ ৫০-৫৫ টাকা
২০১৭ সালে ৫০-৫৫ টাকা এবং
২০১৮ ৪৫-৫০ টাকা। (https://bit.ly/2MsMxB6)
বাংলাদেশের চামড়ার মূল্যগুলো সাধারণ যায় মাদ্রাসা বা ইসলামী শিক্ষালয়গুলোতে। যদি চামড়ার দাম কমিয়ে দেয়া যায়, তবে অটোমেটিক মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে অর্থের অভাবে বসিয়ে দেয়া সম্ভব। চামড়ার মূল্য কমানোর একটি অন্যতম কারণ এটি ।
এছাড়া আরেকটি কারণ হলো, এবারের চামড়াগুলো ভারতে পাচার করা। উল্লেখ্য, চামড়ার ট্যানারিগুলো হেমায়েতপুরে স্থানাস্তর করা হলেও সরকারের অবহেলার কারণে সেগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়নি। ফলে ট্যানারিমালিকরা চামড়া কিনতে পারছে না। এতে চামড়াগুলো ভারতে পাচার হওয়া সহজ হয়ে যায়। (https://bit.ly/2MAGATx)
সরকার পুরো বিষয়টি মধ্যস্থতা করেছে, কারণ তার ব্রোকারি মানি আছে। সরকারী ঘোষণা মাধ্যমে যদি চামড়ার দাম কমিয়ে দেয়া যায়, তবে পুরো লাভটা আওয়ামী সরকারের পকেটে আছে। তোফায়েল নিজেই বলছে- চামড়া পাচার হলে বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে, কিন্তু সে ও তার দল বাস্তবেই চায়, বাংলাদেশের চামড়া ও ট্যানারি শিল্প ধ্বংস হয়ে যাক। এবং ভারতের ট্যানারি শিল্প দাড়িয়ে যাক। বেড়া নিজেই যদি গাছ খেয়ে ফেলে, তবে সেই বেড়া দিয়ে গরু-ছাগল ঠেকাবেন কিভাবে ?

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Sunday, August 19, 2018

“উন্মুক্ত স্থানে পূজা হলে”, উন্মুক্ত স্থানে কোরবানী করলে সমস্যা কোথায় ?


রাস্তার ওপর পশু কোরবানি দেবেন না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছে, আমরা ১১টি সিটি কর্পোরেশনে মোট দুই হাজার ৯৩৬টি নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পশু কোরবানীর জন্য এ সংখ্যা যথেষ্ট। কোন রকম খোলা স্থানে কুরবানী করাকে আমরা মোটেই উৎসাহিত করি না।
(https://bit.ly/2MnSAaLhttps://bit.ly/2MpM4Az)
মদখোর মন্ত্রী বেয়াই মোশাররফের কথাগুলো খেয়াল করুন-
১) রাস্তায় কোরবানি দেবেন না। অথচ সিটি কর্পেরেশন থেকে নির্ধারিত স্পটগুলো দেখুন ৯৯% স্পটই হচ্ছে রাস্তা। এর কারণও আছে ঢাকা শহরে রাস্তা আর খালি যায়গা কোথায় ? (https://bit.ly/2MXzF33)
২) ১১ সিটিতে স্পট হইছে ২৯৩৬টা, তারভাষ্য মতে এটা নাকি কোরবানি করার জন্য যথেষ্ট। ধরে নিলাম ১১ সিটি কোরবানি হয় ১ কোটি। তাহলে প্রতি স্পটে কোরবানি করতে হবে ৩ হাজারের মত। অথচ সিটি কর্পোরেশন থেকে সামিয়ানার সাইজ দেখুন, সর্বোচ্চ একটি স্পটে ১০টি কোরবানী করা যাবে (https://bit.ly/2BnFQMq)।
তাহলে বাকি ২৯৯৫টি কোরবানী করবে কোথায় ?
৩) খোলা স্থানে কোরবানী করাকে আমরা মোটেই উৎসাহিত করি না : মোশাররফ
কিন্তু কেন ?
খোলা স্থানে কোরবানীতে হঠাৎ সমস্যা হচ্ছে কেন ?
বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নে কেন মুসলমানদের কোরবানীর বিরুদ্ধে বলতে হবে ?
বাংলাদেশের হিন্দুরাও তো পূজা করে ?
সারা বাংলাদেশে ৩০ হাজার মণ্ডপ হয়, পতিতালয়ের মাটি দিয়ে মূর্তি নির্মাণ করা হয়, কয়েক লক্ষ মূর্তি পানিতে ডুবিয়ে পানি দূষণ করা হয়, তখন তো মোশাররফ বলে না, আমরা “উন্মুক্ত স্থানে পূজাকে সমর্থন করি না”, তাহলে উন্মুক্ত স্থানে কোরবানী করলে সমস্যা কোথায় ?
ক্ষমতার জন্য মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে, বেয়াই মোশররফের এ বক্তব্য তার প্রমাণ। মোশররফের বোঝা উচিত, যে পশ্চিমা বিদেশী শকুনীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তারা বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মের বিরোধীতা করছে, সেই বিদেশীরা কিন্তু তাদের পশ্চাতে বাশ দিয়ে রেখেছে কখন সুযোগ পেয়ে সবগুলোকে জেলে পুরে ফাঁসিতে ঝুলাবে। যারা জনগণের প্রাপ্য নষ্ট করে বিদেশী দালালি করে, তাদের শেষ পরিনতি মীর জাফরের মত হয়, ইতিহাস তার সাক্ষী।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Wednesday, August 15, 2018

মাদ্রাসা শিক্ষায় হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদ কেন ?

মাদ্রাসা শব্দটা আরবী শব্দ। পারিভাষিকভাবে মাদ্রাসা বলতে, ‘যে প্রতিষ্ঠানে ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করা হয়’ তাকেই বুঝানো হয়। স্বাভাবিকভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক ইসলাম ধর্মের হওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বাংলাদেশে অনেক মাদ্রাসায় শিক্ষক এখন হিন্দু !
বিষয়টা যে খুব স্পর্শকাতর তা বুঝতে পারলাম কয়েকদিন আগের এক খবরে। ঝালকাঠিতে এক মাদ্রাসার ছোট বাচ্চারা দেয়া ‘আল্লাহ’ শব্দটি লিখেছিলো, এতে এক হিন্দু শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ ছাত্রদের বেদম প্রহার করে। পরে বিষয়টা সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঐ এলাকায় ব্যাপক আন্দোলন হয়। যার কারণে অনেক বাধ্য হয়েই ঐ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ । (https://bit.ly/2OzYhiN)
পাঠক ! বর্তমানে হিন্দু মানেই ইসলামবিদ্বেষী ও সাম্প্রদায়িক। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার তাদের জন্য খুব স্বাভাবিক বিষয়। ফেসবুক ঘুড়লে যা ভালোভাবে চোখে পড়ে। নারায়নগঞ্জের শ্যামল কান্তির কথা আমরা ভুলে যায়নি। স্কুলের শিক্ষক হয়ে ছাত্রদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার কারণে কত বড় তুলকালাম ঘটে যায়। এরকম বহু উদাহরণ আছে স্কুলগুলোতে হিন্দু শিক্ষক কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অবমাননার। সব মিডিয়াতেও আসে না।
এতদিন যে বিষয়গুলো স্কুলে দেখা গেলো, তাই এখন দেখা যাচ্ছে মাদ্রাসায়। এবং সেটা মাদ্রাসায় হিন্দু শিক্ষক থাকার কারণেই সম্ভব হয়েছে। কিছুদিন আগে সচিবালয়ের এক নেমপ্লেটের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায়, শিক্ষামন্ত্রনালয়ের মাদ্রাসা বিভাগের উপসচিবের নাম, সুবোধ চন্দ্র ঢালি।
আওয়ামী সরকার হিন্দুদের অনেক ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়েছে, এটা স্পষ্ট। কিন্তু ইসলামের সাথে হিন্দুত্ববাদ এক করার চেষ্টা তো ষ্পষ্ট সাম্প্রদায়কতা। তাদের সর্বশেষ আক্রমণ হচ্ছে মাদ্রাসাগুলোতে, যেখানে তারা হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদ চালু করতে চায়, এটা খুব স্পষ্ট একটা বিষয়। মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে বৈশাখী পূজা বা অমঙ্গল পূজা করানো কিংবা জাতীয় সঙ্গীতের নামে রবীন্দ্রনাথের দেবী বন্দনা পাঠ করানোর প্রতিযোগীতা অন্তত সেটাই বলে।
আমার মনে হয়, মাদ্রাসা ছাত্রদের এ ব্যাপারে এক হওয়া উচিত, একটা আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত।সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবে না। আন্দোলনের মাধ্যমে একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে, যারা মাদ্রাসার হিন্দুশিক্ষকদের বের করতে কাজ করবে। এক দফা এক দাবি হবে, মাদ্রাসা শিক্ষা থেকে হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদ উভয়কেই দূর করতে হবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Tuesday, August 7, 2018

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত, তার দ্রুত সুচিকিৎসা দরকার

গতকাল প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোতে পুলিশ আর ছাত্রলীগের সম্মিলিত হামলার পর আমার ধারণা ছিলো, আওয়ামীলীগের মধ্যে আবার কোন থার্ডপার্টি ঢুকে পড়েছে নাকি, যারা এমনটা করে গোলযোগ বাড়াচ্ছে। কিন্তু খবর নিয়ে অবাক হলাম, এই হামলার বিষয়টি নাকি সরাসরি শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিলো।
আমি একটা জিনিস বুঝি না, শেখ হাসিনা এত ভীত কেন ?
তার রিয়্যাক্ট কি মাত্রাতিরিক্ত হচ্ছে না ?
ছোট বাচ্চারা রাস্তায় নেমেছে আন্দোলন করতে,
যদি তিনি ধারণা করেন, কেউ তাদের মাঠে নামিয়েছে, তবে পেছনের লোকগুলোর তো উদ্দেশ্যই ছিলো পুলিশ বা ছাত্রলীগ যেন তাদের উপর হামলা করে। সেই হামলাটাই ছিলো তাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া। কারণ হামলা করলেই ফুল পাবলিক সেন্টিমেন্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলে যাবে। এটা একটা ছোট বাচ্চাও বোঝে। কিন্তু শেখ হাসিনা বোকার মত সেই কাজটাই করে বসলো।
আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতাম, তবে আমি নিজেই ছাত্রদের সাথে মাঠে নামতাম। আর গাড়ির লাইসেন্স চেক করতাম। আন্দোলনের নেতৃত্ব অন্য কেউ নেবে কেন ? আমি নিজেই নিয়ে নিতাম। কিন্তু শেখ হাসিনার ব্যবহার যেন ঠিক সতীনের মত। হিংসুটে। যে ছাত্রগুলো আন্দোলনে নামলো, তিনি তাদের বন্ধু না বানিয়ে পিটিয়ে শত্রু বানিয়ে দিলেন। স্কুল-কলেজের এই বিরাট ছাত্র সমাজ যতদিন বাচবে ততদিন তারা আওয়ামীলীগকে চিনবে জানের শত্রু হিসেবে।
তিনি একবারও ভাবলেন না, যে পুলিশ-আর্মি আর প্রশাসনের উপর তিনি ভরসা করে আছে, এই ছাত্ররা হয়ত কোন পুলিশ আর্মি বা প্রশাসন কর্তারই ছেলে-মেয়ে। সরকারী চাকুরেদের বেতন যতই ডবল করে দেন, ছেলে-মেয়ের গায়ে হাত তুললে কোন বাবা-মাই পছন্দ করবে না।
কোটা আন্দোলনের সময়ও একই ঘটনা, কোটা নিয়ে তিনি এক মুখে দুই কথা বললেন। এরপর ছাত্রলীগ দিয়ে ছাত্রদের পিটিয়ে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করালেন। অথচ কোটা আন্দোলনকারীদের কিছু কিছু দাবী মেনে তিনি পুরো পরিস্থিতি শান্ত করে দিতে পারতেন। কিন্তু করলেন উল্টোটা। এতো গেলো পাবালিক ভার্সটির উপর আক্রমণ, এখন আবার আক্রমণ হানছেন প্রাইভেট ভার্সিটির উপর। যেন সমাজের কোন সেক্টরই বাদ না যায়, শেখ হাসিনার থাবা থেকে।
শেখ হাসিনার আচরণটা হচ্ছে ঠিক সাপের মত। সাপ কিন্তু আক্রমণ করার জন্য ছোবল মারে না, সে ভয় পায়, বোধহয় তাকে আক্রমণ করা হচ্ছে, সেই ভয় থেকেই ছোবল মারা। শেখ হাসিনার অবস্থা হয়েছে একইরকম, এখন তিনি সবাইকেই শত্রু ভাবছেন। এজন্য সবাইকে ধরে ধরে পিটাচ্ছেন। এতদিন বলতেন বিএনপি-জামায়াত তার রাজনৈতিক শত্রু, কিন্তু এখন পুরো দেশের জনগণকে তিনি শত্রু বানিয়ে ফেলেছেন, পিটাচ্ছেন। এটা কিন্তু এক ধরনের মানসিক রোগ, যার নাম ‘সিজোফ্রেনিয়া’। এই মানসিক রোগে আক্রান্ত রোগী সব সময় ভাবে, সবাই তার শত্রু, সবাই তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে !
কথা হলো-
একজন মানসিক রোগী কি দেশ চালানোর জন্য উপযুক্ত ?
তিনি তো সবাইকে শত্রু ভাবছেন।
এক শত্রু তো অন্য শত্রুর কখনই ভালো চাইতে পারে না,
জনগণ যেহেতু শেখ হাসিনার শত্রু, তাই তিনি কখনই জনগণের ভালো চাইবেন না, এটাই স্বাভাবিক।
আমার মনে হয়, শেখ হাসিনার মানসিক সু-চিকিৎসা করা জরুরী। সুইজারল্যান্ড, ব্রিটেন বা আমেরিকার মানসিক হাসপাতালগুলোতে ভালোমানের সাইক্রিয়াটিক ট্রিটমেন্ট হয়। তিনি সেখানে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারেন। আশা করা যায় বছর খানেক চিকিৎসা নিলেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

Monday, August 6, 2018

চলমান ছাত্র আন্দোলনকে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানাই, তবে শেষে ফলাফলটাও যেন জনগণ পায়

আমি চলমান ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানাই,
এটা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন থেকে সরকার পতনের আন্দোলন হয়ে উঠলে সেটাতেও সমর্থন জানাই।
আমি জানি, এ আন্দোলনে সিআইএ’র বড় ইন্ধন আছে, তবুও আমি এ আন্দোলনকে সমর্থন জানাই।
কারণ শেখ হাসিনা, দেশের সাথে বেঈমানি করেছে।
সে বঙ্গবন্ধু নাম বিক্রি করে, দেশের সম্পদ নিজ পকেটে পুড়েছে।
চলমান আন্দোলনে যতই বিদেশী ইন্ধন থাকুক এবং সেটা যতই আওয়ামীলীগ প্রচার করুক।
লাভ হবে না।
কারণ এই আন্দোলন আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে জনগণের চরম ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
- কোটার নামে অযোগ্য লোককে চাকুরী দেয়া।
- দেশের উৎপাদনশীল খাত বন্ধ করে, দেশকে আমদানি নির্ভর করা।
- রূপপুর পারমানবিককেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মত দেশবিধ্বংসী প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা।
- ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের হাতে দেশ তুলে দেয়ার জন্য কর্পোরেটোক্রেসি পলিসি বাস্তবায়নে কাজ করা।
- পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সিআইএ এবং র’ এর পাঠ্য অন্তর্ভূক্ত করা।
- টাকার লোভে সিআইএ’র (ইউএসজিএলসি) এনজিওগুলোকে বাংলাদেশে অবাধে কার্যক্রম করতে দেয়া।
- জনগণের টাকা অবাধে লুটপাট করা।
- ধর্মবিরোধী অবস্থান নেয়া, মসজিদ ভাঙ্গতে আইন করা, মাদ্রাসা পাঠ্যবইগুলোতে ধর্মগ্রন্থের মনগড়া ব্যাখ্যা প্রবেশ করানো।
- সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ছুড়ে ফেলে সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রাধান্য দেয়া, ভিআইপি পর্যাদা দেয়া, অধিক চাকুরী, সুযোগ-সুবিধা দেয়া।
বহুদিনের জমে থাকা ক্ষোভ বিষ্ফোরণ আকারে বের হয়েছে।
১০ বছরের স্বেচ্ছাচারিতা আর বেপরোয়া সিদ্ধান্ত ডিনামাইট হয়ে সংরক্ষিত ছিলো
এবং যা আজকে বিষ্ফোরণ ঘটা শুরু করেছে।
আজ থেকে বছর খানেক আগে, তুরস্কে সেনাবিদ্রোহের সময় আমি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম।
সেখানে শেখ হাসিনাকে বলেছিলাম- এরদোগানের পলিসি খেয়াল করুন।
সে জনগণের পক্ষে কাজ করছে। তাই বিপদে পড়লে জনগণ তাকে সেভ করবে।
সিআইএ তুর্কি সেনাবাহিনীর উপর চেপে বসে বিদ্রোহ করলো, উদ্দেশ্য এরদোগানের পতন ঘটানো।
কিন্তু এরদোগান সোশাল মিডিয়ায় জনগণকে ডাকলো, কারণ সে এতদিন জনগণের পক্ষ কাজ করেছে।
জনগণ তখন সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সামনে শুয়ে পড়ে সেনাবাহিনীকে থামিয়ে দিলো।
আর আপনি জনগণকে লাত্থি মেরে বিদেশীদের হয়ে কাজ করেন, এই বিদেশীরা কিন্তু আপনি রক্ষা করবে না,
উল্টা বিপদে পড়লে তারাই জনগণের উপর চেপে বসে আপনার পতন ঘটাবে,
আজকে কিন্তু সেটাই হচ্ছে।
আওয়ালীমীলীগের মাথা ভারতীয় কংগ্রেস নিজেই এখন বিজেপির চাপের মধ্যে।
ওর প্রাণই ওষ্ঠাগত। এই বিপদে সে আপনাাকে রক্ষা করবে কিভাবে ?
আর চীন টাকা দিয়ে গোলাম কিনে, তাই কোন গোলাম আসলো, আর গোলাম গেলো সেটা তাদের দেখার বিষয় না।
একটা দেশ চালানোর জন্য দরকার প্রচুর মেধাবী ও যোগ্যলোকের । আর আপনি বেছে বেছে গণ্ডমূর্খদের দিয়ে সরকার সাজিয়েছেন, যারা ক্লাস ৫ এর বাচ্চাদের মত রিডিংও পড়তে পারে না। তারা এ বিপদে আপনাকে সুবুদ্ধি দিবে কিভাবে ?
তাছাড়া আওয়ামীলীগের নিজের অবস্থাই টালমাটাল, আওয়ামীলীগের শত্রু আওয়ামীলীগের ভেতরেই। নিজে মার্কিনবিরোধী হওয়ার পরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীত্ব পদে (শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ এবং অর্থমন্ত্রনালয়) সিআইএ ঘেষা লোককে মন্ত্রীত্ব দেয়া হয়েছে। হিন্দুপ্রেমে দিওয়ানা হয়ে সিআইএ’র পাক্কা এজেন্ট সিনহাকে প্রধানবিচারপতি বানানোর কি শিক্ষা হয়েছে সেটাতেও তার শিক্ষা হয়নি।
উগ্রহিন্দুরা সিআইএ’র নেটওয়ার্কের হয়, এটা জানার পরও পুরো প্রশাসন উগ্রহিন্দু দ্বারা ভরপুর করেছে বোকা হাসিনা। তারা প্রকাশ্যে বিষ্ফোরণ ঘটালে কি অবস্থা হবে ?
শেখ হাসিনা ১০ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আছে এটা ঠিক। কিন্তু সে অবশ্যই গাদ্দাফি’র মত শক্তিশালী হয়নি। গাদ্দাফি টানা ৪২ বছর ক্ষমতায় ছিলো এবং দেশের অর্থনীতিরও অনেক উন্নয়ন করেছিলো। কিন্তু সিআইএ আরব বসন্তের নাম দিয়ে গাদ্দাফির পতন ঘটায়, গুলি করে হত্যা করে। এরপর মাত্র ৯ মাস পর (মে, ২০১২) হলিউডে রিলিস করে দেয় দ্য ডিক্টেটর নামক মুভি। মানুষ গাদ্দাফির জন্য কাদবে বা সিআইএকে ভৎর্সনা করা তো দূরের কথা, উল্টা ‘আলাদ্দিন মাদারফাকার’ গান গেয়ে গাদ্দাফিকে ব্যঙ্গ করে। একইভাবে এই আন্দোলনে শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও যদি একই ঘটনা ঘটে তবে অবাক হওয়ার কিছু দেখি না।
আন্দোলন চলুক, সমস্যা নেই। তবে শেষে ফলাফলটাও যেন জনগণ পায়, অন্য কেউ নিতে না পারে সেটাও মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------