Monday, August 6, 2018

চলমান ছাত্র আন্দোলনকে চলমান ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানাই, তবে শেষে ফলাফলটাও যেন জনগণ পায়

আমি চলমান ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানাই,
এটা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন থেকে সরকার পতনের আন্দোলন হয়ে উঠলে সেটাতেও সমর্থন জানাই।
আমি জানি, এ আন্দোলনে সিআইএ’র বড় ইন্ধন আছে, তবুও আমি এ আন্দোলনকে সমর্থন জানাই।
কারণ শেখ হাসিনা, দেশের সাথে বেঈমানি করেছে।
সে বঙ্গবন্ধু নাম বিক্রি করে, দেশের সম্পদ নিজ পকেটে পুড়েছে।
চলমান আন্দোলনে যতই বিদেশী ইন্ধন থাকুক এবং সেটা যতই আওয়ামীলীগ প্রচার করুক।
লাভ হবে না।
কারণ এই আন্দোলন আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে জনগণের চরম ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
- কোটার নামে অযোগ্য লোককে চাকুরী দেয়া।
- দেশের উৎপাদনশীল খাত বন্ধ করে, দেশকে আমদানি নির্ভর করা।
- রূপপুর পারমানবিককেন্দ্র, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মত দেশবিধ্বংসী প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা।
- ইহুদীবাদী কর্পোরেটদের হাতে দেশ তুলে দেয়ার জন্য কর্পোরেটোক্রেসি পলিসি বাস্তবায়নে কাজ করা।
- পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সিআইএ এবং র’ এর পাঠ্য অন্তর্ভূক্ত করা।
- টাকার লোভে সিআইএ’র (ইউএসজিএলসি) এনজিওগুলোকে বাংলাদেশে অবাধে কার্যক্রম করতে দেয়া।
- জনগণের টাকা অবাধে লুটপাট করা।
- ধর্মবিরোধী অবস্থান নেয়া, মসজিদ ভাঙ্গতে আইন করা, মাদ্রাসা পাঠ্যবইগুলোতে ধর্মগ্রন্থের মনগড়া ব্যাখ্যা প্রবেশ করানো।
- সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ছুড়ে ফেলে সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রাধান্য দেয়া, ভিআইপি পর্যাদা দেয়া, অধিক চাকুরী, সুযোগ-সুবিধা দেয়া।
বহুদিনের জমে থাকা ক্ষোভ বিষ্ফোরণ আকারে বের হয়েছে।
১০ বছরের স্বেচ্ছাচারিতা আর বেপরোয়া সিদ্ধান্ত ডিনামাইট হয়ে সংরক্ষিত ছিলো
এবং যা আজকে বিষ্ফোরণ ঘটা শুরু করেছে।
আজ থেকে বছর খানেক আগে, তুরস্কে সেনাবিদ্রোহের সময় আমি একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম।
সেখানে শেখ হাসিনাকে বলেছিলাম- এরদোগানের পলিসি খেয়াল করুন।
সে জনগণের পক্ষে কাজ করছে। তাই বিপদে পড়লে জনগণ তাকে সেভ করবে।
সিআইএ তুর্কি সেনাবাহিনীর উপর চেপে বসে বিদ্রোহ করলো, উদ্দেশ্য এরদোগানের পতন ঘটানো।
কিন্তু এরদোগান সোশাল মিডিয়ায় জনগণকে ডাকলো, কারণ সে এতদিন জনগণের পক্ষ কাজ করেছে।
জনগণ তখন সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সামনে শুয়ে পড়ে সেনাবাহিনীকে থামিয়ে দিলো।
আর আপনি জনগণকে লাত্থি মেরে বিদেশীদের হয়ে কাজ করেন, এই বিদেশীরা কিন্তু আপনি রক্ষা করবে না,
উল্টা বিপদে পড়লে তারাই জনগণের উপর চেপে বসে আপনার পতন ঘটাবে,
আজকে কিন্তু সেটাই হচ্ছে।
আওয়ালীমীলীগের মাথা ভারতীয় কংগ্রেস নিজেই এখন বিজেপির চাপের মধ্যে।
ওর প্রাণই ওষ্ঠাগত। এই বিপদে সে আপনাাকে রক্ষা করবে কিভাবে ?
আর চীন টাকা দিয়ে গোলাম কিনে, তাই কোন গোলাম আসলো, আর গোলাম গেলো সেটা তাদের দেখার বিষয় না।
একটা দেশ চালানোর জন্য দরকার প্রচুর মেধাবী ও যোগ্যলোকের । আর আপনি বেছে বেছে গণ্ডমূর্খদের দিয়ে সরকার সাজিয়েছেন, যারা ক্লাস ৫ এর বাচ্চাদের মত রিডিংও পড়তে পারে না। তারা এ বিপদে আপনাকে সুবুদ্ধি দিবে কিভাবে ?
তাছাড়া আওয়ামীলীগের নিজের অবস্থাই টালমাটাল, আওয়ামীলীগের শত্রু আওয়ামীলীগের ভেতরেই। নিজে মার্কিনবিরোধী হওয়ার পরও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীত্ব পদে (শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ এবং অর্থমন্ত্রনালয়) সিআইএ ঘেষা লোককে মন্ত্রীত্ব দেয়া হয়েছে। হিন্দুপ্রেমে দিওয়ানা হয়ে সিআইএ’র পাক্কা এজেন্ট সিনহাকে প্রধানবিচারপতি বানানোর কি শিক্ষা হয়েছে সেটাতেও তার শিক্ষা হয়নি।
উগ্রহিন্দুরা সিআইএ’র নেটওয়ার্কের হয়, এটা জানার পরও পুরো প্রশাসন উগ্রহিন্দু দ্বারা ভরপুর করেছে বোকা হাসিনা। তারা প্রকাশ্যে বিষ্ফোরণ ঘটালে কি অবস্থা হবে ?
শেখ হাসিনা ১০ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আছে এটা ঠিক। কিন্তু সে অবশ্যই গাদ্দাফি’র মত শক্তিশালী হয়নি। গাদ্দাফি টানা ৪২ বছর ক্ষমতায় ছিলো এবং দেশের অর্থনীতিরও অনেক উন্নয়ন করেছিলো। কিন্তু সিআইএ আরব বসন্তের নাম দিয়ে গাদ্দাফির পতন ঘটায়, গুলি করে হত্যা করে। এরপর মাত্র ৯ মাস পর (মে, ২০১২) হলিউডে রিলিস করে দেয় দ্য ডিক্টেটর নামক মুভি। মানুষ গাদ্দাফির জন্য কাদবে বা সিআইএকে ভৎর্সনা করা তো দূরের কথা, উল্টা ‘আলাদ্দিন মাদারফাকার’ গান গেয়ে গাদ্দাফিকে ব্যঙ্গ করে। একইভাবে এই আন্দোলনে শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও যদি একই ঘটনা ঘটে তবে অবাক হওয়ার কিছু দেখি না।
আন্দোলন চলুক, সমস্যা নেই। তবে শেষে ফলাফলটাও যেন জনগণ পায়, অন্য কেউ নিতে না পারে সেটাও মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।

===============================
আমার মূল পেইজ- Noyon chatterjee 5
(https://www.facebook.com/noyonchatterjee5)
পেইজ কোড- 249163178818686
------------------------------------------------------------------
আমার ব্যাকআপ পেইজ- Noyon Chatterjee 6
(https://www.facebook.com/Noyon-Chatterjee-6-202647270140320/)
------------------------------------------------------------------------------------------------

0 comments:

Post a Comment